প্যারেন্টিং এর সাধারণ কিছু ভুল | পর্ব-১

প্যারেন্টিং এর সাধারণ কিছু ভুল

শিশুর মানসিক বিকাশের জন্য ভালো প্যারেন্টিং এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে সত্যি বলতে আমদের দেশে প্যারেন্টিং বিষয়টা নিয়ে খুব একটা গুরুত্ব দেওয়া হয় না। গৎবাঁধা ছকে আঁকা জীবনে বাচ্চাকে বড় করতেই বেশীরভাগ বাবা মা অভ্যস্ত। কিন্তু বাবা মার ছোট ছোট যেকোনো ভুলই ছোট বাচ্চার জীবনে সুদূর প্রসারী প্রভাব ফেলে। ব্যাড প্যারেন্টিং কথাটার সূচনা মূলত এখান থেকেই। আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় প্যারেন্টিং এর এমনি কিছু সাধারণ ভুল নিয়ে যা হয়তো অনেক বাবা মা-ই মনের অজান্তে বা না বুঝেই করে থাকে।   প্যারেন্টিং এর সাধারণ কিছু ভুলঃ বাবা মার লক্ষ্য পূরণের দায়ভার সন্তানের…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুকে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা। হেলিকপ্টার প্যারেন্টিং

হেলিকপ্টার প্যারেন্টিং বা শিশুকে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা

আপনার সন্তানকে কীভাবে লালন পালন করছেন?  তাকে খুব বেশি ছাড় দিয়ে ফেলছেন না তো?  বা খুব বেশি শাসন করছেন না তো? সে ঠিকঠাক মতো বেড়ে উঠছে তো? – এ সমস্ত প্রশ্ন খুব সম্ভবত প্রত্যেকটি মা-বাবাকেই তাড়িয়ে বেড়ায়। সব বাবা-মাই চান তাদের সন্তানকে যেকোনো রকম বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করতে। তারা নিশ্চিত করতে চান যে তাদের সন্তান কোনো সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে না, বা ভুল পথে যাচ্ছে না বা খারাপ কিছু করছে না। এটি খুবই স্বাভাবিক আর এটা তাদের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। তবে বর্তমান ভালো করতে গিয়ে ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যাচ্ছে কিনা…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর খাওয়ার সময় স্ক্রিন আসক্তির ক্ষতিকর প্রভাব এবং এর প্রতিকার

শিশুর খাওয়ার সময় স্ক্রিন টাইম

প্রযুক্তির একটি অন্যতম আবিষ্কার হলো ইলেকট্রনিক ডিভাইস। নিঃসন্দেহে ইলেকট্রনিক ডিভাইস খুবই উপকারী জিনিস। মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, আইপ্যাড, ট্যাবলেট, টেলিভিশন সব কিছুই আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা সারাদিনই স্ক্রিনের সামনে বসে থাকতে চায়। অনেকে তো ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা ইলেকট্রনিক মিডিয়া ব্যবহার করতে না দিলে খেতেও চায় না। কিন্তু এগুলো সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এই আর্টিকেলে কিভাবে আপনার সন্তান স্ক্রিনের প্রতি আসক্ত হয়,কেন এটি তার জন্য ক্ষতিকর এবং এর থেকে উত্তরণের উপায় সব কিছুই বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করবো। কীভাবে আপনার সন্তান স্ক্রিনের প্রতি আসক্ত…

বিস্তারিত পড়ুন

সিবলিং রাইভালরি বা সহোদরদের মধ্যে দ্বন্দ্ব কিভাবে সামলাবেন?

সিবলিং রাইভালরি

মানুষ সবচেয়ে বেশি সময় পার করে নিজের বাড়িতে তার আপনজনদের সাথে। পারস্পরিক ভালো বোঝাপড়া সেখানে বিদ্যমান থাকলেও মাঝে মাঝে কিছু না কিছু মনোমালিন্য ঘটেই যায়। যেখানে যথেষ্ট পরিপক্ক হওয়া সত্ত্বেও বড়রা এই ধরণের সমস্যাগুলো এড়াতে পারছেন না,সেখানে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে সবসময় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান থাকবে এমনটা আশা করাটা কঠিনই বটে৷ সহোদরদের এই ঝগড়া, বিবাদ, দ্বন্দ্বের ইংরেজি টার্ম হলো “সিবলিং রাইভালরি” (Sibling Rivalry)। সিবলিং-এর সংজ্ঞা যারা একই মাতা-পিতার সন্তান তাদেরকে ইংরেজিতে সিবিলিং বলা হয়। একই মায়ের গর্ভ থেকে জন্ম নেওয়া ভাই-ভাই, বোন-বোন বা ভাই-বোন; সবাই সিবলিং এর আওতায় পড়ে। শুধু তা-ই নয়, সৎ…

বিস্তারিত পড়ুন

ডিসলেক্সিয়া (Dyslexia) কি ? কারণ, লক্ষণ ও করনীয়

ডিসলেক্সিয়া (Dyslexia) কি

যুক্তরাষ্ট্রে প্রাইমারী ক্লাসের এক শিক্ষার্থী, যার নাম ছিলো বেনি (Benny)। ছোট্ট বেনির কিছুতেই স্কুলে যেতে ভালো লাগতো না, কারন সে ক্লাসের অন্য বাচ্চাদের সাথে পড়াশোনায় ঠিক তাল মেলাতে পারতো না। ক্লাস ফাইভে ওঠার পরও দেখা গেলো, পাঠ্যসূচির মূল দুটি বিষয়েই সে অনেক বেশি পিছিয়েঃ একটি হলো লেখা শেখা এবং অন্যটি রিডিং বা পঠন। স্কুলের শিক্ষকরা অনেক চেষ্টার পরও তার তেমন কোনো পরিবর্তন আনতে সক্ষম হলেন না। ক্রমাগত তাকে নিয়ে শিক্ষকদের হতাশা এবং  সহপাঠীদের কৌতুকের তোড়ে বেচারা বেনি স্কুলের উপর দিন দিন আরো বেশী বিতৃষ্ণ হতে শুরু করে। জীবনের অন্যান্য বিষয়ে…

বিস্তারিত পড়ুন

সন্তান প্রতিপালনে বাবার সক্রিয় উপস্থিতির কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক

সন্তান প্রতিপালনে বাবারা যেসব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন

অভিভাবকত্বের ব্যাপারে প্রচলিত মিডিয়া, গল্প, উপন্যাসে কেন যেন বাবাকে বরাবরই দ্বিতীয় কাতারে রাখা হয়। অথচ মা, বাবা দুজনই একজন শিশুর জীবনে সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রায়ই আমরা দেখতে পাই বাবাকে বিভিন্ন মাধ্যমে আবেগহীন মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। বাবার সাথে যেন শুধু টাকার সম্পর্ক! দীর্ঘদিন ধরে এধরনের ভুল উপস্থাপনের কারণে বর্তমান সময়ে এসে বাবারা সন্তান বড় করার বিষয়ে একধাপ পেছনে থাকতে বাধ্য হন। মায়েদের ওপরেই সব দায়িত্ব থাকে। অবশ্যই মায়ের ভালবাসা সন্তানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পেশাল। কিন্তু তা-ই বলে বাবাকে পার্শ্বচরিত্র বানিয়ে দেওয়াটা মোটেও উচিত নয়। একজন সক্রিয় বাবা শিশুর বাড়ন্ত সময়ে…

বিস্তারিত পড়ুন

চার ধরণের প্যারেন্টিং স্টাইল এবং শিশুর উপর এর প্রভাব

চার ধরণের প্যারেন্টিং স্টাইল

প্রত্যেকটি শিশু তাদের নিজস্ব ব্যক্তিত্ব নিয়ে পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করে। তবে বাবা-মায়ের প্যারেন্টিং স্টাইল ঠিক করে দেয় শিশুটির সামাজিক দক্ষতা, চিন্তাধারা, দৃষ্টিভঙ্গি, পরিবেশ-পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতা এবং তাদের আচার-আচরণ কেমন হবে। শিশুরা জন্মের পর থেকে তাদের বাবা-মা কে অনুসরণ করে বড় হয়। বাবা-মায়ের ব্যক্তিত্ব বাচ্চাদের বিকাশে খুব গভীরভাবে প্রভাব ফেলে। বাচ্চারা যত বড় হতে থাকে ততই তাদের বাবা-মায়ের ব্যক্তিত্বের প্রতিটি অংশ তাদের মনে গেঁথে যায়। এবং একটা সময় তারা সেই ব্যক্তিত্বকে নিজের মাঝে ধারণ করে নেয়। শিশুরা তাদের প্রতি মা-বাবার আচরণ থেকেও অনেক বেশি প্রভাবিত হয়। আমাদের দেশের বেশিরভাগ…

বিস্তারিত পড়ুন

সন্তানের প্রতি বাবা মায়ের পক্ষপাতমূলক আচরণের প্রভাব | প্যারেন্টাল ফেভারিটিসম

সন্তানের প্রতি বাবা মায়ের পক্ষপাতমূলক আচরণ

কোন সন্তানটি আপনার বেশি প্রিয়? কোন বাবা মাকে যদি এই প্রশ্ন করা হয় তবে এর তাৎক্ষনিক উত্তর হবে “কেউ না, সবাই সমান প্রিয়”। এমন বাবা মা হয় নাকি যারা তার কোন এক সন্তানকে অন্যদের চাইতে বেশি পছন্দ করবেন? বাবামায়ের কাছে তো সব সন্তানই সমান। ভালোবাসা, আদর, মমতা সবই সমান। তবে সত্যিটা হলো- এমন বাবা মা অনেকেই আছেন। আমাদের সমাজে অবধারিতভাবে এমনটা মনে করা হয় যে প্রত্যেকটা সন্তানকেই বাবা মা একই রকমভাবে পছন্দ করেন। তবে এখনকার করা অনেক গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা। একাধিক সন্তানের অভিভাবকদের তাদের সন্তানদের প্রতি ভালোলাগা, আচরণের ভিন্নতা…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুকে প্রশংসা করার সময় যে শব্দগুলোর ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে

শিশুকে প্রশংসা করার সঠিক উপায়

শারীরিক ও মানসিক ভাবে একটি শিশু স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে বেড়ে ওঠার জন্য বাবা মা’কে হাজারো বিষয়ে মনোযোগী হতে হয়। কেবল মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করাই নয় বরং শিশুকে বিভিন্ন বিষয়ে উৎসাহিত করার জন্য প্রশংসা করাও বেশ প্রয়োজন। তবে যে কোন প্রশংসা করার আগে প্রশংসার শব্দগুলো সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। কেননা কখনো কোন প্রশংসা শিশুকে তো উৎসাহী করে তোলেই না বরং সে কাজটির প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারে।   “ প্রশংসা এক ধরণের মানসিক ওষুধ। যে কোন ওষুধের মতই “প্রশংসা” ইচ্ছেমত ব্যবহার করা যাবেনা। প্রত্যেকটি ওষুধের ব্যপারেই কিছু নিয়ম কানুন (যেমন- কতবার ও…

বিস্তারিত পড়ুন

বয়স অনুযায়ী শিশুকে ঘরের যেসব কাজে অভ্যস্ত করতে পারেন

বয়স অনুযায়ী শিশুকে ঘরের যেসব কাজে অভ্যস্ত করতে পারেন

পূর্ববর্তী আর্টিকেল থেকে আমরা মোটামুটি বুঝতে পেরেছি যে ঘরের সামান্য কিছু কাজ করার মাধ্যমে শিশু অনেক কিছু শিখতে পারবে এবং সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার জন্য এই টুকটাক কাজ খুবই উপকারী ভূমিকা রাখে। এখন প্রশ্ন আসে শিশুকে কোন বয়স থেকে কাজ করতে দেয়া উচিৎ বা কাজের ধরণ কেমন হওয়া উচিত? [ আরও পড়ুনঃ ঘরের কাজে শিশুকে কেন অভ্যস্ত করবেন | কিভাবে করবেন ] কোন বয়স থেকে শিশুকে ঘরের কাজ করতে দেয়া উচিৎ? সাধারণত বেশীরভাগ বাব মা শিশুর বয়স ৮ থেকে ১০ বছর হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেন, কেননা তারা মনে করেন যে শিশু…

বিস্তারিত পড়ুন