Articles

বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো কিভাবে বন্ধ করবেন

বুকের দুধ ছাড়ানো

বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করা– এর মানে কি? বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করা বা বুকের দুধ ছাড়ানো বলতে বোঝায় যখন সে আর বুকের দুধ খেতে চাইবে না এবং স্তন ব্যাতীত অন্যান্য খাদ্য উৎস থেকে সে সঠিক মাত্রার পুষ্টি উপাদান পাবে। যদিও অনেক মা শিশুকে ফীডারে করে বুকের দুধ খাইয়ে থাকেন, কিন্তু এখানে শিশুর সরাসরি স্তনপানের কথাই বলা হচ্ছে। তবে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করার মানে কিন্তু এটা মনে করার কোন কারণ নেই যে এর মাধ্যমে আপনার এবং আপনার শিশুর মধ্যকার যে ঘনিষ্টতম সম্পর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তার ইতি…

Read More

প্রসব পরবর্তী চুল পড়া : কারণ ও করণীয়

প্রসব পরবর্তী চুল পড়া

সন্তান জন্ম দেয়ার পরপর আপনার যদি প্রচুর পরিমাণে চুল পড়তে থাকে, তাহলে হয়ত খেয়াল করবেন যে চুল পড়ার সাথে সাথে মাথার স্কিনও খুশকির মত করে উঠে যাচ্ছে। সাধারণত এই ধরনের সমস্যা সন্তান জন্ম দেয়ার ছয় মাস পর থেকে হয়ে থাকে। বাচ্চা জন্মের পর অতিরিক্ত চুল পড়ার কারণ কি? স্বাভাবিক অবস্থায় একজন ব্যক্তির প্রতিদিন গড়ে ১০০টির মত চুল পড়ে, তবে এটা হুট করেই অর্থাৎ একসাথে হয় না আর তাই ব্যাপারটা আপনি তেমন একটা খেয়াল করতে পারেন না। গর্ভকালীন সময়ে আপনার শরীরের অতিরিক্ত হরমোনের কারণে আপনার চুল পড়া বন্ধ হয়ে যায় এবং…

Read More

ফর্মুলা কিংবা দুধের বিকল্প হিসেবে ‘পেডিয়াশিওর’ দিচ্ছেন?- একটু জেনে নিন।

ফর্মুলা কিংবা দুধের বিকল্প হিসেবে ‘পেডিয়াশিওর’ দিচ্ছেন?- একটু জেনে নিন।

আজকাল অনেক বাবা-মাই বিজ্ঞাপন দেখে কিংবা অনেক সময় ডাক্তারের পরামর্শেও পেডিয়াশিওর নামক সাপ্লিমেন্টটি বাচ্চাকে দিয়ে থাকেন। বেশীরভাগ মানুষই এই সাপ্লিমেন্টটিকে দুধ কিংবা বাচ্চাদের ফর্মুলার বিকল্প ধরে নেন- বিষয়টি নিয়ে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য গ্রহণ করে লেখাটি পাঠিয়েছেন ফারাহ হক।       ‘প্রথমেই বলে নিই, এই পোস্টটি স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বড় হবে কিন্তু আপনার শিশুকে পেডিয়াশিওর খাওয়াবেন কি না সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এই পোস্টের তথ্যগুলো আপনার জানা জরুরি।   এখন সরাসরি কথায় আসা যাক, পেডিয়াশিওর আসলে কি? পেডিয়াশিওর হলো এক ধরণের নিউট্রিশন্যাল সাপ্লিমেন্ট বা ১ বছর বয়স্ক শিশুদের খাওয়ার উপযোগী…

Read More

সিকেল সেল ডিজিজ (Sickle cell disease) ও গর্ভাবস্থা

সিকেল সেল ডিজিজ (Sickle cell disease) ও গর্ভাবস্থা

সিকেল সেল ডিজিজ কি ধরনের রোগ? সিকেল সেল ডিজিজ হল এক ধরনের বংশগত রোগ যার কারণে রক্তে কিছু অস্বাভাবিকতা দেখা যায়। সিকেল সেল শুধুমাত্র রক্তের লোহিত কণিকাগুলোর উপর প্রভাব বিস্তার করে। উল্লেখ্য যে লোহিত কণিকা আমাদের রক্তে অক্সিজেন বহন করে থাকে। রক্তের স্বাস্থ্যকর লোহিত কণিকাগুলো আকারে কিছুটা গোল এবং নমনীয় হয় যার ফলে এগুলো একদম ছোট রক্তনালী দিয়েও খুব সহজেই চলাচল করতে পারে। আপনি যদি সিকেল সেল রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন তাহলে আপনার রক্তের লোহিত কণিকাগুলো শক্ত, আঠালো এবং ইংরেজি বর্ণ “সি” এর মত আকৃতি ধারণ করে। লোহিত কণিকার এই…

Read More

শিশুর মেনিনজাইটিস

শিশুর মেনিনজাইটিস

মস্তিষ্ক এবং স্পাইনাল কর্ডকে আবরণ করে রাখা তিনটি ঝিল্লী বা মেমব্রেনের (মেনিনজেস) প্রদাহকে মেনিনজাইটিস বলা হয়।যদিও যে কোন বয়সের মানুষেরই মেনিনজাইটিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি থাকে অনেক বেশী। শিশুর শরীরের কোন অঙ্গ যদি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস কিংবা ফাঙ্গাস দ্বারা আক্রান্ত হয়, তাহলে রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে তা শিশুর মস্তিষ্ক এবং স্পাইনাল কর্ডে পৌছুলে, শিশুর মেনিনজাইটিস হতে পারে। ২০১৭ সালের এক হিসাব অনুযায়ী, জীবিত জন্ম নেওয়া প্রায় ১০০০ জন ২৮ দিনের কম বয়সী শিশুর মধ্যে ০.১ থেকে ০.৪ জন মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত। হিসাবটা বেশ ভয়াবহ,…

Read More

স্পাইনা বিফিডা (Spina bifida) বা শিশুর নিউরাল টিউব ডিফেক্ট

স্পাইনা বিফিডা (Spina bifida)

স্পাইনা বিফিডা কি? স্পাইনা বিফিডা একধরণের নিউরাল টিউব ডিফেক্ট (NTD) অর্থাৎ এক ধরণের স্নায়বিক ত্রুটি। শিশু গর্ভে থাকা অবস্থায় তার মেরুদণ্ড এবং স্পাইনাল কর্ড যদি ঠিকঠাকভাবে গড়ে না উঠে, তখন স্পাইনা বিফিডা হয়ে থাকে। নিউরাল টিউব ভ্রুণের একটি অংশ, যা বৃদ্ধি পেয়ে পরবর্তীতে শিশুর মস্তিষ্ক, স্পাইনাল কর্ড (spinal cord) এবং মেরুদণ্ডে  পরিণত হয়। সাধারণত গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে নিউরাল টিউব গঠিত হওয়া শুরু হয় । স্পাইনা বিফিডায় আক্রান্ত শিশুদের নিউরাল টিউবের একটি অংশ ঠিকভাবে বিকশিত হয় না বা এর গঠন প্রক্রিয়া ঠিকমতো শেষ হয় না। এ কারণে স্পাইনাল কর্ডে এবং মেরুদণ্ডের…

Read More

গর্ভাবস্থায় আয়রনের ঘাটতি জনিত রক্তশূন্যতা বা এনিমিয়া কিভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন

গর্ভাবস্থায় আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতা বা এনিমিয়া কিভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন

কীভাবে বুঝবেন আপনার আয়রনের ঘাটতি জনিত রক্তশূন্যতা বা এনিমিয়া হয়েছে? আয়রনের ঘাটতির কারণে যদি গর্ভাবস্থায় রক্তশুন্যতা হয়ে থাকে তাহলে আপনার মধ্যে হয়ত কোন ধরনের লক্ষণই দেখা যাবে না, বিশেষ করে আপনার সমস্যাটি যদি প্রাথমিক অবস্থায় থাকে অর্থাৎ সমস্যাটি যদি অল্প হয়। অন্যথায় আপনার ক্লান্ত, দুর্বল অথবা মাথা ঝিম ঝিম করার মত অনুভব হতে পারে। তবে এই ধরনের লক্ষণ গর্ভকালীন সময়ে এমনিতেই আপনার মধ্যে দেখা যেতে পারে, যার ফলে রক্ত পরীক্ষা করার আগ পর্যন্ত আপনি হয়ত বুঝতেই পারবেন না যে আপনার আয়রনের ঘাটতির কারণে রক্তশুন্যতা হয়েছে। এছাড়া যেহেতু গর্ভকালীন সময়ে অনেকেই আয়রনের…

Read More

গর্ভাবস্থায় দুইজনের জন্য খেতে হবে বলতে আসলে কি বোঝায়?

গর্ভাবস্থায় দুইজনের জন্য খেতে হবে বলতে আসলে কি বোঝায়?

গর্ভবতী মায়েদের গর্ভধারণের শুরু থেকে বেশি বেশি খেতে বলা হয়। কারণ, এখন আপনাকে যে দুজনের জন্য খেতে হবে ! কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এটি কি আদৌ সত্যি, নাকি কোনো উপকথা? গর্ভাবস্থায় আপনাকে কি দুইজনের সমপরিমাণ খাবার খেতে হবে? সরাসরি এই প্রশ্নের উত্তর, না দিয়েই দিতে হবে। তবে মাঝেমধ্যে আপনার দুইজনের সমপরিমাণ খাবার খেতে ইচ্ছে হতে পারে, তবে এটা মনে রাখবেন ডাক্তার আপনাকে “দুইজনের জন্য খাবার খাবেন” বলতে দুইজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের সমপরিমাণ খাবার খাওয়ার কথা বলেন নি। অনেকের মতে, একজন গর্ভবতী মাকে দুজনের খাবার খাওয়া উচিত। এটা ঠিক নয়। কারণ অতিরিক্ত…

Read More

সমান (Flat) এবং ভেতরের দিকে ঢুকানো (Inverted) নিপল থাকলে কিভাবে বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়াবেন

সমান (Flat) এবং ভেতরের দিকে ঢুকানো (Inverted) নিপল

ফ্ল্যাট এবং ইনভার্টেড নিপল কি? আশেপাশের যায়গা (এরিওলা) থেকে যদি নিপলটা উঁচু না হয় কিংবা উত্তেজনা বা স্টিমুলেশনের  সময়েও যদি বাইরের দিকে প্রসারিত না হয়, সে নিপলকে সমান বা ফ্ল্যাট নিপল বলা হয়। উত্তেজনার সময়ে বা স্টিমুলেশনের পরও নিপল যদি সামনের দিকে প্রসারিত না হয়ে ভেতরে ঢুকে যায়, তাকে ইনভার্টেড কিংবা ভেতরের দিকে ঢুকানো নিপল বলা হয়। ইনভার্টেড নিপল দেখতে বেশ সমান, অনেকটা গালের টোলের মত অথবা মাঝখানটা কিছুটা আঁকাবাকা থাকবে। প্রায় ১০% নারীদের নিপল ইনভার্টেড কিংবা ভেতরের দিকে ঢুকানো থাকে। সমান কিংবা ভেতরের দিকে ঢুকানো নিপলের সাহায্যে শিশুকে ঠিকভাবে…

Read More

শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় বাচ্চার মাথা গরম থাকে কেন ?

জ্বর না থাকা সত্ত্বেও বাচ্চার মাথা গরম থাকে কেন ?

বাচ্চার মাথার তাপমাত্রা যদি হুট করেই স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে একটু বেশি হয়ে যায় আর ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে ডাক্তার ঘোষণা দিয়ে দেন যে শিশুর কোন জ্বর নেই, এমন পরিস্থিতি বাবা মায়েদের জন্য খুবই আশঙ্কাজনক হয়ে উঠে। তারা তখন উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেন যে, যেহেতু জ্বর নেই তাহলে বাচ্চার মাথা গরম কেন? অগ্রাধিকারের দিক থেকে শিশুর স্বাস্থ্যই সবসময় বাবা মায়েদের জন্য প্রথমে আসে, বিশেষ করে শিশুর যদি কোন ধরনের জ্বর অথবা কোন ধরনের ফ্লু হয়ে থাকে তাহলে তো কোন কথাই নেই। আপনার ছোট শিশুটির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়দের তুলনায় অনেক কম থাকে।…

Read More