সন্তানকে সফল হতে সাহায্য করার ৭ টি বৈজ্ঞানিক উপায়

সন্তানকে সফল হতে সাহায্য করার ৭ টি বৈজ্ঞানিক উপায়

আমরা সবাই চাই আমাদের সন্তান সফল হোক। তবে একেক জনের কাছে সফলতার সংজ্ঞা একেক রকম। “সফল হওয়ার সুখানুভূতি এবং ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া”- মোটের ওপর সফলতা বলতে সবাই এটাই বোঝে। তবে একজন ব্যক্তির সফলতা অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যক্তির ছেলেবেলা তার সফলতা অর্জনের ক্ষেত্রে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। সফল ব্যক্তিদের ওপর গবেষণা করে তাদের ছেলেবেলার স্মৃতিগুলো পর্যালোচনা করে অনেক সাদৃশ্যও পাওয়া গেছে। নিচে বিজ্ঞান-সম্মত পদ্ধতিতে সফল সন্তান বড় করার ৭টি পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হলো : ১। সন্তানের প্রতি ভালবাসাময়, প্রতিক্রিয়াশীল এবং সহজ হোন যে…

বিস্তারিত পড়ুন

বাচ্চার প্রথম সলিড খাবার কিভাবে এবং কি দিয়ে শুরু করবেন

বাচ্চার প্রথম সলিড খাবার কিভাবে এবং কি দিয়ে শুরু করবেন

আমরা জানি জন্মের পর থেকে প্রথম ছয় মাস পর্যন্ত সময় একটি মানব শিশুকে তার খাদ্যের উৎস হিসেবে  শুধু মাত্র মায়ের বুকের দুধের উপর নির্ভরশীল রাখতে পরামর্শ দেয়া হয়। মায়ের অসুস্থতা, অনুপস্থিতি কিংবা বিশেষ কোনো কারনে শিশু মায়ের কাছ থেকে পর্যাপ্ত দুধ না পেলে, বিকল্প হিসেবে ফর্মুলা দুধ দেয়া যায়। ছয় মাস পুর্ণ হবার আগে সাধারণত আর কিছু খাওয়ানোর পরামর্শ খুব কম ক্ষেত্রেই দেয়া হয়। প্রথমবার মা বাবা হলে অনেকেই প্রশ্ন করেন, ছয় মাসে পড়লে সলিড ফুড শুরু করবো? নাকি ৬ মাস শেষ হলে? এই ক্ষেত্রে একটা ব্যাপার বলে রাখি, বাচ্চার…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশু রাতে জেগে থাকে আর দিনে ঘুমায় ? সম্ভাব্য কারণ এবং করণীয় কি

শিশুরা কেন রাতে জেগে থাকে আর দিনে ঘুমায় ?

শুধু আপনি একা নন। এই প্রশ্ন লাখ লাখ অভিভাবকের। কেন তাদের বাচ্চা সারাদিন ঘুমায় কিন্তু রাতে জেগে থাকে? কেন রাতে তাদেরকে শান্তিতে ঘুমোতে দেয় না? চলুন এই সমস্যার কারণ এবং প্রতিকারগুলো জেনে নেওয়া যাক। বাচ্চা রাত, দিনের পার্থক্য বোঝে না আমাদের শরীরে একটি ঘড়ি আছে, যাকে দেহঘড়ি বলা হয়। এই দেহঘড়ির নিজস্ব ছন্দ আছে যাকে বলা হয় সিরক্যাডিয়ান রিদম (circadian rhythm)।  দেহঘড়ি আমাদেরকে রাত, দিনের সাথে অভ্যস্ত করতে সহায়তা করে। আমাদের দেহে একধরনের সহজাত ছন্দ কিংবা রুটিনের জন্ম দেয়। আমরা দিনে কাজ করি, রাত হলে আমাদের ওপর ক্লান্তি ভর করে,…

বিস্তারিত পড়ুন

কো-প্যারেন্টিং | ডিভোর্সের পর সন্তান লালন পালন

কো-প্যারেন্টিং

বিবাহ বিচ্ছেদ কিংবা ডিভোর্স যে কারো জীবনের জন্য অন্যতম কঠিন একটা পরিস্থিতি। তার ওপর যদি সন্তান লালন-পালন করার দায়িত্ব থাকে তাহলে সেই পরিস্থিতি আরো কয়েকগুণ কঠিন হয়ে যায়। দাম্পত্য সঙ্গীর সাথে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পরেও যৌথ প্যারেন্টিঙের মাধ্যমে সন্তানকে আদর, ভালবাসা দিয়ে বড় করা নিঃসন্দেহে খুবই কঠিন একটা কাজ, তবে অসম্ভব নয়। সন্তানের সাথে বাবা-মায়ের ভাল, স্থিতিশীল সম্পর্ক থাকলে এবং বাবা, মা সন্তানের প্রতি সাপোর্টিভ হলে সেই সন্তান চমৎকারভাবে বেড়ে উঠতে পারে। তবে সেজন্য বাবা, মাকে যে একসাথে এক ছাদের নিচেই থাকতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। গবেষণায় দেখা গেছে, সন্তানের…

বিস্তারিত পড়ুন

একটি অনাকাঙ্ক্ষিত সিজারিয়ান সেকশন

একটি অনাকাঙ্ক্ষিত সিজারিয়ান সেকশন

লিখেছেনঃ রাবেয়া সুলতানা আমাকে অক্সিজেন মাস্ক দেয়া হয়েছে, ইনায়া নাকি ঠিকমত অক্সিজেন পাচ্ছে না! একটু আগে ডাক্তার এসে বলল ওর হার্ট রিদম নাকি ভালো যাচ্ছে না। একটা লম্বা লাইন যেটা উপরে নিচে ওঠা নামা করার কথা সেটা সোজা হয়ে যাচ্ছে। ১০২ ডিগ্রী জ্বর আর মুখে অক্সিজেন মাস্ক নেয়া আমি যেন আরো অনেকটা নিথর হয়ে গেলাম! জামির দিকে তাকিয়ে দেখি মুখটা কেমন ফ্যকাসে। নার্স আমাকে একবার ডান কাত একবার বাম কাত করে দেখছিল হার্ট রিদম ঠিক হয় কিনা। আমি জামিকে বললাম, আমার মা আর শাশুড়িকে ফোন দিয়ে বল ১১ বার সুরা…

বিস্তারিত পড়ুন

প্যারালাল প্যারেন্টিং | হাই-কনফ্লিক্ট ডিভোর্সের পর সন্তান লালন পালন

প্যারালাল প্যারেন্টিং

ডিভোর্স কিংবা সেপারেশনের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিদ্যমান তিক্ত সম্পর্কের ইতি টানা গেলেও তাদের সন্তানের জন্য সেটা গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। সন্তানের সাথে বাবা-মায়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকাটা খুবই জরুরি। কিন্তু বাবা-মায়ের মাঝে বিচ্ছেদ হয়ে গেলে সন্তান হয়তো তখন ভিন্ন ভিন্ন দুই বা ততোধিক বাসায় আসা-যাওয়ার ভেতরে থাকতে বাধ্য হয়। সন্তান হয়তো কখনো বাবার সাথে আবার কখনো মায়ের সাথে গিয়ে থাকে, বাবা-মায়ের সাথে আলাদা আলাদাভাবে তারা সময় কাটায় কিন্তু সন্তানকে নিয়ে চলার পথে বাবা মা তথা সাবেক স্বামী-স্ত্রী যখন একে অন্যের মুখোমুখি হয় বা তাদের সাক্ষাৎ হয়, তখন অনাকাঙ্খিতভাবে একটি বিব্রতকর পরিস্থিতির…

বিস্তারিত পড়ুন

আমি কি একজন ভালো মা?

আমি কি একজন ভালো মা

লিখেছেনঃ রাবেয়া সুলতানা ডেলিভারি এর পর প্রায় মনে হত চুপ করে বাসা থেকে বের হয়ে যাই। ইনায়ার বয়স যখন মাত্র ৪ দিন তখন আমি ওকে ফেলে দেশে চলে যেতে চেয়েছিলাম। এমন কোথাও যেখানে বাচ্চা সংগত কোনো দায়িত্ব থাকবেনা। ভয়াবহ মন খারাপ এক সময় রুপ নিল কান্নার। সন্ধার পর থেকে রাত ১০ টা অবধি আমার বাধভাঙ্গা সেই কান্নার সাক্ষী ছিল জামি। সে হয়ত খুব অসহায়বোধ করেছে ওই সময় টা, তা এখন আন্দাজ করতে পারি। কিন্তু সে ধৈর্য্য সহকারে তাৎখনিক কিছু স্টেপ নিয়েছিল যা আমার ওই সময়ের রেমেডি হিসেবে কাজ করেছে। আমার…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কেন জরুরী | ইমোশনাল সেইফটি

শিশুর মানসিক নিরাপত্তা

মানুষ হিসেবে আমরা সবাই কম-বেশি আমাদের এবং আমাদের সন্তানদের ফিজিক্যাল সেইফটি বা শারীরিক সুরক্ষার ব্যাপারে জানি। কিন্তু ইমোশনাল সেইফটির (Emotional Safety) ব্যাপারে আমাদের কতটুকু ধারণা আছে? আমরা কি আদৌ বিষয়টা সম্পর্কে জানি বা বুঝি? চমৎকার সম্পর্কের জন্য ইমোশনাল সেইফটি বা মানসিক নিরাপত্তা থাকা খুবই জরুরি। শুধু সম্পর্কের ক্ষেত্রেই নয়, সুস্বাস্থ্যের জন্য ইমোশনাল সেইফটি থাকা প্রয়োজন। নিশ্চিন্তে নিজের দুর্বলতা, ভাবনা, অনুভূতি, কষ্ট, ভয়, রাগ ইত্যাদি প্রকাশ করার জন্য মা, বাবা, স্ত্রী, স্বামী, সিবিলিং ইত্যাদি সম্পর্কের মানুষদের সহযোগিতা খুবই জরুরি। ইমোশনাল সেইফটি বা সাইকোলজিক্যাল সেইফটি (Psychological safety) কি অনেক সময় আমাদের মাথায়…

বিস্তারিত পড়ুন

কখনো কখনো শিশুকে “না” বলা কেন জরুরী

শিশুকে “না” বলা

গতানুগতিক “শিশুদের জন্য হ্যাঁ বলুন” কথাটির বিপরীতে “না” বলুন শুনে হয়ত একটু অবাক হচ্ছেন, আবার অনেকেই উদ্বিগ্ন হচ্ছেন এই ভেবে যে, তাহলে সঠিক কোনটি? আদতে শিশুদের জন্য হ্যাঁ বলা অর্থাৎ ইতিবাচক থাকা ঠিক যতটা জরুরী, সঠিক সময়ে “না” বলাও ঠিক ততটাই জরুরী। কিন্তু কোন কোন বাবা মা শিশুর রাগ ও জেদের সামনে তাকে কোন বিষয়ে বারণ করতে কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত থাকেন। শিশুর লালন পালনের ক্ষেত্রে এই “হ্যাঁ” এবং “না”এর দ্বৈরথ কাটিয়ে উঠে একটি ভারসাম্য যুক্ত শৈশব উপহার দেয়া প্রত্যেক বাবা মায়ের জন্য কিছুটা কঠিনই বটে। তবুও সুন্দর আগামীর জন্য এই কঠিন…

বিস্তারিত পড়ুন

সন্তানের যখন একজন ফেভারিট প্যারেন্ট থাকে

সন্তানের যখন একজন ফেভারিট প্যারেন্ট থাকে

একটি শিশুকে বড় করতে, লালন-পালন করতে মা-বাবাকে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। মা-বাবারা  চান তাদের সন্তানদেরকে সমানভাবে ভালোবাসা ভাগ করে দিতে, আদর-যত্ন করতে। কিন্তু প্রায়শই দেখা যায় সন্তানদের কেউ কেউ হয়তো মায়ের দিকে বেশি ঝুঁকে, আবার কেউ হয়তো বাবার দিকে। যদিও প্যারেন্টিংয়ের ক্ষেত্রে এটি খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়, কিন্তু এটি অপর প্যারেন্টের জন্য বেশ কষ্টদায়ক। আসলে এই ধরনের আচরণের পিছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। আজকের আর্টিকেলে আমরা এর কারণগুলো, এরকম হলে আমাদের করণীয় কী – এই সবকিছু নিয়েই আমরা আলোচনা করবো। সন্তানের ফেভারিটিজম বা পক্ষপাতিত্বের কারণ বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের খুলশীতে…

বিস্তারিত পড়ুন