গর্ভে যখন যমজ শিশু । কিছু জরুরী বিষয়

গর্ভে যখন যমজ শিশু । কিছু জরুরী বিষয়

যমজ সন্তান হলো একই গর্ভধারনে সৃস্ট দুটি সন্তান।যমজ মনোজাইগোটিক (“অভিন্ন”) হতে পারে, অর্থাৎ তারা একটিমাত্র জাইগোট থেকে বড় হতে পারে পরে বিচ্ছিন্ন হয়ে দুটি এমব্রায়োস গঠন করে, অথবা ডিজাইগোটিক (“ভ্রাতৃসম”), অর্থাৎ তারা আলাদা ডিম্বক থেকে বড় হয়, প্রত্যেকটি নিষিক্ত হয় আলাদা শুক্রানু দ্বারা। যমজ সন্তান কেন হয়? এ নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। গর্ভে একের অধিক সন্তান ধারণ করা অস্বাভাবিক কিছু নয়। অনেক ক্ষেত্রে বংশগত কারণে এটি হতে পারে। এটি প্রকৃতি প্রদত্ত বা গড গিফটেড বলা যেতে পারে। দুই রকমের যমজ সন্তান হতে পারে। অভিন্ন যমজ শিশু (আইডেন্টিক্যাল টুইন) একটি…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর জন্ম পূর্ববতী স্ক্রীনিং এবং রোগ নির্ণয় সম্পর্কিত পরীক্ষা

শিশুর জন্ম পূর্ববতী স্ক্রীনিং এবং রোগ নির্ণয় সম্পর্কিত পরীক্ষা

সকল মা-বাবাই একটি সুস্থ বাচ্চা চায়। যদিও দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু অভিভাবক রয়েছে যাদের বাচ্চার মারাত্মক শারীরিক এবং/অথবা মানসিক সমস্যা হতে পারে। কিছু আলাদা পরীক্ষা-নিরীক্ষা রয়েছে যা দ্বারা তাদের শিশুর জন্মের পূর্বেই স্বাস্থ্য ও বৃদ্ধি সম্পর্কে ধারণা করা যায়। প্রতিটি পরীক্ষার কিছু সুবিধা,অসুবিধা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। গর্ভাবস্থায় পরীক্ষা করানোর সিদ্ধান্ত একান্ত ব্যক্তিগত। এছাড়াও এটি ভালো যদি সকল তথ্য একত্র করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রসব পূর্ববর্তী (জন্মপূর্ব) পরীক্ষাগুলো কি কি? জন্মপূর্ব পরীক্ষা হলো সেইগুলো যেগুলো গর্ভবতী অবস্থায় করা হয়, বাচ্চার স্বাস্থ্য ও বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করার জন্য। প্রধান দুই ধরনের জন্মপূর্ব পরীক্ষা আছে: স্ক্রীনিং…

বিস্তারিত পড়ুন

গর্ভাবস্থায় টিকা : কোনগুলো নিরাপদ, কোনগুলো নয়

গর্ভাবস্থায় টিকা । কোনগুলো নিরাপদ, কোনগুলো নয়

গর্ভাবস্থায় টিকা কেন জরুরী? টিকা ক্ষতিকর সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। গর্ভাবস্থায় টিকা নিলে আপনি এবং আপনার সন্তান উভয়েই ক্ষতিকর সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাবেন।গর্ভাবস্থায় টিকা নিলে আপনার সন্তানটি জন্মের কয়েকমাস পরেও তার টিকা শুরু করার আগ পর্যন্ত নিরাপদ থাকে। আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আপনার গর্ভের সন্তানকে গুরুতর অসুখ থেকে রক্ষা করবে। কিন্তু গর্ভাবস্থায় সব ধরনের টিকাই নিরাপদ নয়। টিকা সাধারণত তিন ধরণের হয় যেমন- জীবন্ত ভাইরাস, মৃত ভাইরাস এবং টক্সয়েড(ব্যাকটেরিয়া থেকে টানা রাসায়নিক ভাবে পরিবর্তিত প্রোটিন, যা অক্ষতিকর)। গর্ভবতী মহিলাদের জীবন্ত ভাইরাসের টিকা  যেমন- হাম, মামস ও রুবেলার (MMR) টিকা ইত্যাদি…

বিস্তারিত পড়ুন

গর্ভাবস্থায় খাবার কিভাবে নিরাপদ রাখবেন?

গর্ভাবস্থায় খাবার কিভাবে নিরাপদ রাখবেন?

খাবার নিরাপদ রাখা যখন আপনি গর্ভবতী হন, আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং খাদ্য বিষক্রিয়াসহ  আপনার অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। কিছু কিছু জীবাণু যা হয়তো গর্ভ পূর্ববর্তী অবস্থায় পারত না, কিন্তু গর্ভাবস্থায় এখন তার চেয়ে মারাত্মক অসুস্থতা তৈরী করতে পারে এবং আপনার জন্ম না নেয়া বাচ্চারও ক্ষতি করতে পারে। বিষক্রিয়া পরিহার করার কিছু উপায় এখানে দেয়া হলো যা আপনাকে সাহায্য করবে। ঠান্ডা রাখুন ফ্রিজ ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস বা তার নীচে রাখুন। যে খাবার ঠান্ডায় রাখা প্রয়োজন তা ফ্রিজে তৎক্ষনাত রেখে দিন। যে খাবার ফ্রিজে ছিল যদি তা দুই…

বিস্তারিত পড়ুন

ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা প্রতিরোধে করণীয়

ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা প্রতিরোধে করণীয়

বাংলাদেশ ম্যাটার্নাল মর্টালিটি সার্ভে ২০১০ অনুযায়ী, মাতৃত্বজনিত কারণে মৃত্যুর মধ্যে ৭ শতাংশ মারা যায় দীর্ঘ প্রসব জটিলতায়, ২০ শতাংশ মারা যায় একলাম্পশিয়ায়, রক্তক্ষরণে মারা যায় ৩১ শতাংশ, গর্ভপাতে মারা যায় ১ শতাংশ। অবশিষ্ট ৪০ শতাংশ গর্ভবতী মায়ের মৃত্যু হয় গর্ভজনিত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নানান জটিল কারণে। এক শতাংশ মৃত্যু কেন হয় তা নির্ণয় করা যায়নি। ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা আগে থেকে নির্ণয় করা সম্ভব হলে মাতৃমৃত্যূ রোধ করা সম্ভব। সে জন্য প্রয়োজন নিয়মিত চেকআপ বা ডাক্তারি পরীক্ষা করা। বেশির ভাগ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা চেকআপের মাধ্যমে শনাক্ত করা গেলে সময় মত ব্যবস্থা নেয়া যায়।…

বিস্তারিত পড়ুন

গর্ভাবস্থায় বাবাদের ভূমিকা কেমন হওয়া উচিত?

গর্ভাবস্থায় বাবাদের ভূমিকা

প্রতিটি নারীর জীবনে এক অনন্য সময় গর্ভাবস্থা। এই সময়ে শারীরিক এবং মানসিক বিরাট পরিবর্তন আসে। এর সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে অপেক্ষা করতে হয় সন্তানের আগমনের। তবে গর্ভাবস্থা কিন্তু একা নারীরই সামলানোর বিষয় নয়। গর্ভাবস্থায় বাবাদের ভূমিকা  এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। এসময়  স্বামী এবং পরিবারের লোকদের সহযোগিতা দরকার। আমাদের দেশে সাধারণত একজন বাবা নিজেকে শুধু অর্থ উপার্জনের ভূমিকাতেই সীমিত রাখেন। ফলে নতুন মায়েরা আনন্দ ও উৎসাহের বদলে দুশ্চিন্তাগ্রস্থ এবং নার্ভাস হয়ে পড়েন। সেইজন্যই তার পাশে তার জীবনসঙ্গীর থাকাটা খুবই প্রয়োজনীয়। কিন্তু তা থেকে তারা বিরত হন কারণ, হয় তারা এই বিষয়ে কিছু…

বিস্তারিত পড়ুন

শীতে গর্ভবতী মায়ের যত্ন

শীতে গর্ভবতী মায়ের যত্ন

গর্ভকালীন সময় মায়েদের সবসময় থাকতে হয় একটু আলাদা যত্নে, একটু সাবধানে। সবসময় খেয়াল রাখতে হয় যাতে করে মা বা সন্তানের কোন রকমের সমস্যা না হয় এবং মা যাতে সুস্থ থাকতে পারেন। ঋতু বদলের এই সময়ে শীতকালে গর্ভবতী মায়েদের তো অতিরিক্ত যত্ন নিতেই হয়। তাছাড়া এই সময়ে গর্ভবতী মায়ের দরকার হয় বাড়তি সুরক্ষার। নইলে অল্পতেই সর্দি কাশির কবলে পড়ে গর্ভের সন্তানটিও অসুস্থ হয়ে পড়ে। জন্ম থেকেই ঠাণ্ডা জনিত নানা সমস্যায় ভুগতে থাকে। শীতে সাধারণত মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং প্রসূতি মায়েরা একটি বিশেষ অবস্থায় থাকেন তাই তাদের একটু…

বিস্তারিত পড়ুন

গর্ভবতী নারীর যত্ন নেয়ার ১১ টি টিপস

গর্ভবতী নারীর যত্ন

গর্ভবতী নারীর যত্ন গর্ভধারণ সব মেয়েদের কাছেই অতি কাঙ্খিত একটি বিষয়। একজন মহিলা প্রথম বারের জন্য যখন গর্ভধারন করে তার কাছে অনেক কিছুই থাকে অজানা, এই সামান্য অজানা তথ্যের জন্য অনেক সময় নানা ধরনের কুসংস্কার মায়ের উপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়। এসবের ভিড়ে গর্ভবতী নারীর যত্ন নেয়ার বিষয়টি চাপা পড়ে যায়। এক জন মহিলা যখন গর্ভধারণ করেন তখন তাঁর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়া খুবই প্রয়োজনীয়। কিছু সাধারণ গাইডলাইন অনুসরণ করলেই মায়েদের শুস্থ গর্ভধারণ ও শুস্থ শিশুর জন্মদানের সম্ভাবনা অনেকগুণে বেড়ে যায়। গর্ভবতী মায়ের যত্ন সম্পর্কে এমনই কিছু…

বিস্তারিত পড়ুন

গর্ভাবস্থায় চেকআপ । তৃতীয় ট্রাইমেস্টার

গর্ভাবস্থায় ডাক্তারি পরীক্ষা

সুস্থ স্বাভাবিক গর্ভধারণের জন্য গর্ভাবস্থায় পরিচর্যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ করে শেষ তিন মাসে। গর্ভাবস্থার শেষ তিন মাসে গর্ভের শিশুর ওজন দ্রুত বাড়তে থাকে, হাত ও পায়ের নখ গজায়, চোখের পাতা খোলা বন্ধ করা শুরু হয়। এ সময় আপনার অনেক ক্লান্ত লাগা স্বাভাবিক। এ সময় আপনি শিশুর নড়াচড়াও অনেক বেশী টের পাবেন। আপনার গর্ভাবস্থা যদি সুস্থ স্বাভাবিক হয় তবে তৃতীয় ট্রাইমেস্টারে ২৮-৩৬ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রতি দু সপ্তাহে একবার এবং ৩৬ থেকে প্রসবের আগ পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে একবার করে ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেয়া হয়। আপনার যদি আগে থেকেই ধারনা থাকে ডাক্তারের সাথে…

বিস্তারিত পড়ুন

গর্ভাবস্থায় চেকআপ । দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টার

গর্ভাবস্থায় চেকআপ

গর্ভাবস্থায় মায়ের এবং গর্ভস্থ শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য গর্ভধারণের শুরু থেকেই নিয়মিত ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত। সব কিছু স্বাভাবিক থাকলে দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টারে প্রতি মাসে একবার ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেয়া হয়। দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টার‍ বেশীরভাগ মায়েদের জন্যই মোটামুটি আরামের সময়। এ সময় গর্ভপাতের সম্ভাবনা কমে যায় এবং অনেক ধরনের গর্ভকালীন সমস্যা কম থাকে যেমন- বমি বমি ভাব, মর্নিং সিকনেস ইত্যাদি। তাই অনেকের কাছেই এ ট্রাইমেস্টার গর্ভকালীন সময়ে সবচাইতে প্রিয় সময়। কিন্তু তা সত্ত্বেও নিজের এবং গর্ভের শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ট্রাইমেস্টারে মাসে অন্তত একবার ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টারে…

বিস্তারিত পড়ুন