৪০ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

গর্ভাবস্থার ৪০ তম সপ্তাহ

গর্ভাবস্থার ৪০ সপ্তাহে আপনার বাচ্চা আপনি প্রসবের দ্বারপ্রান্তে বলে কিন্তু আপনার বাচ্চার বৃদ্ধি থেমে নেই। বাচ্চা জন্ম নেয়ার আগ পর্যন্ত তার বৃদ্ধি চলতেই থাকে। তার চুল এবং নখও কিন্তু সমান তালে বৃদ্ধি পেতে থাকে। এ সপ্তাহ নাগাদ শিশুটির আকার মোটামুটি একটা বড় কাঁঠালের সমান হয়ে যাবে। বের হয়ে আসার এখন সে একেবারেই প্রস্তুত থাকবে। তার চুল আরো বড় হয়ে যাবে এবং আঙ্গুলের প্রান্তে নখও গজাতে শুরু করবে। হাসপাতালের ব্যাগে বাচ্চার জন্য এক জোড়া হাত মোজা নিতে পারেন। বাচ্চা বেশ বড় নখ নিয়ে জন্ম নিতে পারে। জন্মের পরই বাচ্চার ছোট্ট হাতের…

বিস্তারিত পড়ুন

৩৯ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

সপ্তাহ ৩৯ । গর্ভধারনের প্রত্যেকটি সপ্তাহ

যদিও আমরা বার বারই বলে যাচ্ছি যে শেষ দিকে এসে আপনার জরায়ুতে আর জায়গা অবশিষ্ট থাকবেনা, আপনার শিশুটি তবুও এর মধ্যেই বাড়তে বাড়তে এ সপ্তাহ নাগাদ একটা বড়সড় তরমুজের সমান হয়ে যাবে। শিশুটিকে এখন ফুল টার্ম ধরা হয় এবং সে পৃথিবীতে আগমনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। শিশুটির ফুসফুসের সীমানায় এখন সারফাকটেন্ট (surfactant) পূর্ণ থাকবে। এই পদার্থটি নবজাতক শিশুকে জন্মের পড় শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য ফুসফুসকে প্রশস্ত হতে সাহায্য করবে। শিশুটির শরীরে এখনো চর্বির স্তর জমছে যাতে পৃথিবীতে আসার পর সে তার শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রন করতে পারে। শিশুটি এখন আগের চেয়ে অনেক সবল হবে…

বিস্তারিত পড়ুন

৩৭ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

সপ্তাহ ৩৭ । গর্ভধারনের প্রত্যেকটি সপ্তাহ

এ সপ্তাহে আপনার গর্ভের শিশুটির আকার হবে একটি চালকুমড়ার সমান এবং এখন থেকে প্রতিদিন সে আধা আউন্স করে বাড়বে। শিশুটি এখন সফলভাবে শ্বাস গ্রহণ ও নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে পারবে। যদিও তার ফুসফুস এখন যথেষ্ট পরিপক্ব, তারপরও শিশুটি আরও ক’দিন মায়ের পেটে থাকলে তার শ্বাসযন্ত্রটির পরিপূর্ণ বিকাশ সম্পন্ন হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যাবে। গর্ভের শিশুটি এখন তার মুখের পেশিগুলো ব্যাবহার করা শুরু করবে। তার পরিপাকতন্ত্র এখনও গঠিত হচ্ছে এবং জন্মের পর কয়েক বছর পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। জন্মের প্রথম এক বছরে তার খুদ্রান্ত ১০০ সেমি এর বেশী বাড়তে পারে। যে…

বিস্তারিত পড়ুন

৩৬ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

সপ্তাহ ৩৬ । গর্ভধারনের প্রত্যেকটি সপ্তাহ

আপনার গর্ভাবস্থায় আরও এক মাস বাকি থাকতেই শিশুটির ওজন হবে প্রায় ৬ পাউন্ডের মতো (একটা বড়সড় হানিডিউ ফলের কথা ভাবুন!) এবং এখন থেকে প্রতিদিনই সে এক আউন্স করে বাড়বে । ভারনিক্স (Vernix, শিশুটির ত্বককে আবৃত করে রাখা সাদা , তৈলাক্ত পদার্থ ) এবং লানুগো (lanugo, শিশুটির ত্বকের উপর নরম লোমের স্তর) ইতিমধ্যে মিলিয়ে যেতে শুরু করবে। তার রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া ( circulatory system) এবং রোগ প্রতিরোধ প্রক্রিয়া (immune system) ইতিমধ্যে কাজ শুরু করবে। তবে তার বৃক্ক (kidney) এবং যকৃত (liver) এখনো বহিঃ জগতে কাজ করার উপযোগী হয়ে উঠবে না ।…

বিস্তারিত পড়ুন

৩৫ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

সপ্তাহ ৩৫ । গর্ভকালীন প্রত্যেকটি সপ্তাহ

গর্ভাবস্থার এ সপ্তাহে আপনার শিশুটির আকার বড়সড় একটি নারিকেলের সমান। এই সপ্তাহ থেকে জন্মের আগ পর্যন্ত তার ওজন বাড়তে থাকবে , কিন্ত লম্বায় সে আর বাড়বে না । লম্বায় এখন সে প্রায় ১৮ ইঞ্ছি এবং ওজন প্রায় ৫.৫ পাউন্ড। তার ইন্দ্রিয়সমূহ এখন আরও শক্তিশালী হবে এবং প্রতিদিনই তার নতুন নতুন নিউরনাল ( neuronal ) সংযোগ তৈরি হতে থাকবে, সুতরাং এখন থেকে omega-3 fatty acid গ্রহণের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে হবে । বাদাম, মাছের তেল ইত্যাদি খাবারে এই ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি থাকে। যেহেতু পেটে এখন জায়গা কম তাই শিশুটি এখন আর…

বিস্তারিত পড়ুন

৩৪ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

সপ্তাহ ৩৪ । গর্ভকালীন প্রত্যেকটি সপ্তাহ

গর্ভাবস্থার এ সপ্তাহে আপনার শিশুর দৈর্ঘ্য হবে ৪৭ সেমি এবং তার ওজন হবে প্রায় ৫ পাউন্ড, অনেকটা বাঙ্গির সাথে তুলনা করা যেতে পারে। তার শরীর এখন চর্বির স্তর দ্বারা পুষ্ট থাকবে যার ফলে সে ভূমিষ্ঠ হবার পর তার দেহ বাইরের তাপমাত্রার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে। সে এখন চোখের পলক ফেলতে পারবে এবং একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে দৃষ্টি নিক্ষেপ করতে পারবে। মায়ের পেটের দেয়াল ভেদ করে যে আলো আসবে সেটাও সে স্পষ্ট দেখতে পাবে। তার কনীনিকা বা চোখের তারা (pupil) স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আলোর তীব্রতার প্রতি প্রতিক্রিয়া করবে। যেমন, মায়ের পেটের দেয়াল ভেদ…

বিস্তারিত পড়ুন

৩৩ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

সপ্তাহ ৩৩ । গর্ভকালীন প্রত্যেকটি সপ্তাহ

গর্ভাবস্থার ৩৩ সপ্তাহ নাগাদ আপনার শিশুটির মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুতন্ত্রের(nervous system) পূর্ণ বিকাশ ঘটে যাবে। ৪ পাউন্ড ওজন আর ৪৫ সেমি দৈর্ঘ্যের শিশুটিকে এখন তুলনা করা যাবে একটি আনারসের সাথে। শিশুটির কুঁচকানো ভাব খুব দ্রুত বিলীন হয়ে যাচ্ছে এবং তার কঙ্কাল আরও মজবুত হয়ে উঠছে। শিশুর খুলির হাড় গুলো এখন একসাথে জোরা লাগানো থাকেনা যার ফলে হাড়গুলো সামান্য নড়াচড়া করতে পারে এমনকি একটি আরেকটির উপর উঠে যেতে পারে। এমনটা হওয়ার কারণে প্রসবের সময় শিশুটির জন্মপথ দিয়ে বেড়িয়ে আসা সহজ হয়। খুলির হাড়গুলো শিশু সাবালক হওয়া পর্যন্ত অসংযুক্ত থাকে যাতে তা শিশুর…

বিস্তারিত পড়ুন

৩২ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

সপ্তাহ ৩২ । গর্ভকালীন প্রত্যেকটি সপ্তাহ

গর্ভকালীন এ সময়ে ৪ পাউন্ড ওজন আর ৪৩ সেমি দীর্ঘ শিশুটিকে বেশ বড়ই বলা যেতে পারে। এখন থেকে ৩৫ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে সে ২৫০ গ্রাম করে বাড়বে। জন্মের সময় শিশুটির যে ওজন হবে তার অর্ধেক কিংবা এক তৃতীয়াংশ ওজন আগামী ৭ সপ্তাহের মধ্যে বৃদ্ধি হবে। শিশুটির মাথা এখন নিচের দিকে নামতে থাকবে, যাতে জন্মের সময় সে জন্মপথ দিয়ে বেরিয়ে আসতে পারে। তার ত্বকও এখন আর আগের মতো স্বচ্ছ থাকবে না, বরং অন্য সব নবজাতকের মতোই পুরু থাকবে। বাইরে বেরিয়ে এসে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেবার জন্য তার অন্য যে কাঠামোগুলো…

বিস্তারিত পড়ুন

৩১ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

সপ্তাহ ৩১ । গর্ভকালীন প্রত্যেকটি সপ্তাহ

গর্ভকালীন  সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ১৭০০-১৮০০ গ্রামের মত হয় ও ৪২ সে. মি. লম্বা হয়। শিশুটিকে এ সপ্তাহে তুলনা করা যাবে একটা আনারসের সাথে । সে এখন এতো বড়ো হয়ে উঠবে যে আপনার ফুসফুসের উপর চাপ বাড়বে এবং আপনার দম বন্ধ হয়ে যাবার মতো অনুভূতি হবে। তার  নাড়াচাড়াও আগের চেয়ে বেশি হবে এবং কিছু সময় পর পরই আপনি তার লাথি- গুঁতো অনুভব করবেন। আপনার শিশুটি যে সুস্থ আছে এটা তারই লক্ষণ । সুতরাং সে যদি আপনাকে সারা রাত ঘুমাতে নাও দেয়, আপনার বরং খুশিই হওয়া উচিত । সে এখন REM (…

বিস্তারিত পড়ুন

৩০ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

সপ্তাহ ৩০ । গর্ভাবস্থার প্রত্যেকটি সপ্তাহ

আপনার শিশুর ওজন হবে এখন প্রায় ৩ পাউন্ড এবং লম্বায় সে প্রায় ৪০ সে.মি. হবে, একটা বাঁধাকপির মাথার অংশের মতো । সাদা , তৈলাক্ত ভারনিক্স ( Vernix ) এবং নরম, লোমশ লানুগো ( lanugo ) আস্তে আস্তে মিলিয়ে যেতে শুরু করবে। শিশুটির ত্বকে এখন আর খুব বেশি ভাঁজ থাকবে না । তবে যেহেতু এখনো তার মস্তিস্কের তন্ত্রগুলোর ( tissue ) বিভাজন ঘটছে , তার মাথার ত্বকে sulci নামের গভীর ভাঁজ পড়তে থাকবে। ( sulci বা deep fissures এর মাঝামাঝি উঁচু অংশটাকে বলা হয় gyri ) । শিশুটির দৃষ্টি এখন যথেষ্ট…

বিস্তারিত পড়ুন