৩৭ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

সপ্তাহ ৩৭ । গর্ভধারনের প্রত্যেকটি সপ্তাহ

এ সপ্তাহে আপনার গর্ভের শিশুটির আকার হবে একটি চালকুমড়ার সমান এবং এখন থেকে প্রতিদিন সে আধা আউন্স করে বাড়বে। শিশুটি এখন সফলভাবে শ্বাস গ্রহণ ও নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে পারবে। যদিও তার ফুসফুস এখন যথেষ্ট পরিপক্ব, তারপরও শিশুটি আরও ক’দিন মায়ের পেটে থাকলে তার শ্বাসযন্ত্রটির পরিপূর্ণ বিকাশ সম্পন্ন হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যাবে। গর্ভের শিশুটি এখন তার মুখের পেশিগুলো ব্যাবহার করা শুরু করবে। তার পরিপাকতন্ত্র এখনও গঠিত হচ্ছে এবং জন্মের পর কয়েক বছর পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। জন্মের প্রথম এক বছরে তার খুদ্রান্ত ১০০ সেমি এর বেশী বাড়তে পারে। যে…

বিস্তারিত পড়ুন

৩৬ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

সপ্তাহ ৩৬ । গর্ভধারনের প্রত্যেকটি সপ্তাহ

আপনার গর্ভাবস্থায় আরও এক মাস বাকি থাকতেই শিশুটির ওজন হবে প্রায় ৬ পাউন্ডের মতো (একটা বড়সড় হানিডিউ ফলের কথা ভাবুন!) এবং এখন থেকে প্রতিদিনই সে এক আউন্স করে বাড়বে । ভারনিক্স (Vernix, শিশুটির ত্বককে আবৃত করে রাখা সাদা , তৈলাক্ত পদার্থ ) এবং লানুগো (lanugo, শিশুটির ত্বকের উপর নরম লোমের স্তর) ইতিমধ্যে মিলিয়ে যেতে শুরু করবে। তার রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া ( circulatory system) এবং রোগ প্রতিরোধ প্রক্রিয়া (immune system) ইতিমধ্যে কাজ শুরু করবে। তবে তার বৃক্ক (kidney) এবং যকৃত (liver) এখনো বহিঃ জগতে কাজ করার উপযোগী হয়ে উঠবে না ।…

বিস্তারিত পড়ুন

৩৫ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

সপ্তাহ ৩৫ । গর্ভকালীন প্রত্যেকটি সপ্তাহ

গর্ভাবস্থার এ সপ্তাহে আপনার শিশুটির আকার বড়সড় একটি নারিকেলের সমান। এই সপ্তাহ থেকে জন্মের আগ পর্যন্ত তার ওজন বাড়তে থাকবে , কিন্ত লম্বায় সে আর বাড়বে না । লম্বায় এখন সে প্রায় ১৮ ইঞ্ছি এবং ওজন প্রায় ৫.৫ পাউন্ড। তার ইন্দ্রিয়সমূহ এখন আরও শক্তিশালী হবে এবং প্রতিদিনই তার নতুন নতুন নিউরনাল ( neuronal ) সংযোগ তৈরি হতে থাকবে, সুতরাং এখন থেকে omega-3 fatty acid গ্রহণের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে হবে । বাদাম, মাছের তেল ইত্যাদি খাবারে এই ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি থাকে। যেহেতু পেটে এখন জায়গা কম তাই শিশুটি এখন আর…

বিস্তারিত পড়ুন

৩৪ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

সপ্তাহ ৩৪ । গর্ভকালীন প্রত্যেকটি সপ্তাহ

গর্ভাবস্থার এ সপ্তাহে আপনার শিশুর দৈর্ঘ্য হবে ৪৭ সেমি এবং তার ওজন হবে প্রায় ৫ পাউন্ড, অনেকটা বাঙ্গির সাথে তুলনা করা যেতে পারে। তার শরীর এখন চর্বির স্তর দ্বারা পুষ্ট থাকবে যার ফলে সে ভূমিষ্ঠ হবার পর তার দেহ বাইরের তাপমাত্রার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে। সে এখন চোখের পলক ফেলতে পারবে এবং একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে দৃষ্টি নিক্ষেপ করতে পারবে। মায়ের পেটের দেয়াল ভেদ করে যে আলো আসবে সেটাও সে স্পষ্ট দেখতে পাবে। তার কনীনিকা বা চোখের তারা (pupil) স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আলোর তীব্রতার প্রতি প্রতিক্রিয়া করবে। যেমন, মায়ের পেটের দেয়াল ভেদ…

বিস্তারিত পড়ুন

৩৩ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

সপ্তাহ ৩৩ । গর্ভকালীন প্রত্যেকটি সপ্তাহ

গর্ভাবস্থার ৩৩ সপ্তাহ নাগাদ আপনার শিশুটির মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুতন্ত্রের(nervous system) পূর্ণ বিকাশ ঘটে যাবে। ৪ পাউন্ড ওজন আর ৪৫ সেমি দৈর্ঘ্যের শিশুটিকে এখন তুলনা করা যাবে একটি আনারসের সাথে। শিশুটির কুঁচকানো ভাব খুব দ্রুত বিলীন হয়ে যাচ্ছে এবং তার কঙ্কাল আরও মজবুত হয়ে উঠছে। শিশুর খুলির হাড় গুলো এখন একসাথে জোরা লাগানো থাকেনা যার ফলে হাড়গুলো সামান্য নড়াচড়া করতে পারে এমনকি একটি আরেকটির উপর উঠে যেতে পারে। এমনটা হওয়ার কারণে প্রসবের সময় শিশুটির জন্মপথ দিয়ে বেড়িয়ে আসা সহজ হয়। খুলির হাড়গুলো শিশু সাবালক হওয়া পর্যন্ত অসংযুক্ত থাকে যাতে তা শিশুর…

বিস্তারিত পড়ুন

৩২ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

সপ্তাহ ৩২ । গর্ভকালীন প্রত্যেকটি সপ্তাহ

গর্ভকালীন এ সময়ে ৪ পাউন্ড ওজন আর ৪৩ সেমি দীর্ঘ শিশুটিকে বেশ বড়ই বলা যেতে পারে। এখন থেকে ৩৫ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে সে ২৫০ গ্রাম করে বাড়বে। জন্মের সময় শিশুটির যে ওজন হবে তার অর্ধেক কিংবা এক তৃতীয়াংশ ওজন আগামী ৭ সপ্তাহের মধ্যে বৃদ্ধি হবে। শিশুটির মাথা এখন নিচের দিকে নামতে থাকবে, যাতে জন্মের সময় সে জন্মপথ দিয়ে বেরিয়ে আসতে পারে। তার ত্বকও এখন আর আগের মতো স্বচ্ছ থাকবে না, বরং অন্য সব নবজাতকের মতোই পুরু থাকবে। বাইরে বেরিয়ে এসে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেবার জন্য তার অন্য যে কাঠামোগুলো…

বিস্তারিত পড়ুন

৩১ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

সপ্তাহ ৩১ । গর্ভকালীন প্রত্যেকটি সপ্তাহ

গর্ভকালীন  সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ১৭০০-১৮০০ গ্রামের মত হয় ও ৪২ সে. মি. লম্বা হয়। শিশুটিকে এ সপ্তাহে তুলনা করা যাবে একটা আনারসের সাথে । সে এখন এতো বড়ো হয়ে উঠবে যে আপনার ফুসফুসের উপর চাপ বাড়বে এবং আপনার দম বন্ধ হয়ে যাবার মতো অনুভূতি হবে। তার  নাড়াচাড়াও আগের চেয়ে বেশি হবে এবং কিছু সময় পর পরই আপনি তার লাথি- গুঁতো অনুভব করবেন। আপনার শিশুটি যে সুস্থ আছে এটা তারই লক্ষণ । সুতরাং সে যদি আপনাকে সারা রাত ঘুমাতে নাও দেয়, আপনার বরং খুশিই হওয়া উচিত । সে এখন REM (…

বিস্তারিত পড়ুন

৩০ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

সপ্তাহ ৩০ । গর্ভাবস্থার প্রত্যেকটি সপ্তাহ

আপনার শিশুর ওজন হবে এখন প্রায় ৩ পাউন্ড এবং লম্বায় সে প্রায় ৪০ সে.মি. হবে, একটা বাঁধাকপির মাথার অংশের মতো । সাদা , তৈলাক্ত ভারনিক্স ( Vernix ) এবং নরম, লোমশ লানুগো ( lanugo ) আস্তে আস্তে মিলিয়ে যেতে শুরু করবে। শিশুটির ত্বকে এখন আর খুব বেশি ভাঁজ থাকবে না । তবে যেহেতু এখনো তার মস্তিস্কের তন্ত্রগুলোর ( tissue ) বিভাজন ঘটছে , তার মাথার ত্বকে sulci নামের গভীর ভাঁজ পড়তে থাকবে। ( sulci বা deep fissures এর মাঝামাঝি উঁচু অংশটাকে বলা হয় gyri ) । শিশুটির দৃষ্টি এখন যথেষ্ট…

বিস্তারিত পড়ুন

২৯ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

সপ্তাহ ২৯ । গর্ভাবস্থার প্রত্যেকটি সপ্তাহ

গর্ভাবস্থার ২৯ সপ্তাহে গর্ভস্থ ভ্রূণ বেশ অনেকটা সক্রিয় হয়ে ওঠে। এখনো যেহেতু সে অনেক ছোট তাই মায়ের জরায়ুতে নড়াচড়ার বেশ জায়গা রয়েছে। এসময় মা ভ্রূণের নড়াচড়া আগের চাইতে বেশি ঘন ঘন এবং জোরালোভাবে বুঝতে শুরু করবেন। এছাড়াও এসময় ভ্রূণ আলো, শব্দ, মায়ের নড়াচড়া, খাওয়া ইত্যাদি প্রায় সবকিছুতেই প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করে। গর্ভাবস্থার ২৯ তম সপ্তাহকে প্রেগন্যান্সির তৃতীয় ট্রাইমেস্টারের দ্বিতীয় সপ্তাহ হিসেবে ধরা হয়। এ সপ্তাহের অবস্থান গর্ভাবস্থার সপ্তম মাসে। গর্ভধারণের ২৯ তম সপ্তাহে গর্ভের শিশুর বৃদ্ধি   গর্ভাবস্থার ২৯ তম সপ্তাহে এসে ভ্রূণের ত্বকের নিচে আরো বেশি চর্বির স্তর জমা হয়ে…

বিস্তারিত পড়ুন

২৮ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

সপ্তাহ ২৮ । গর্ভাবস্থার প্রত্যেকটি সপ্তাহ

গর্ভাবস্থার ২৮ তম সপ্তাহকে তৃতীয় ট্রাইমেস্টারের শুরু হিসেবে ধরা হয়। তবে ট্রাইমেস্টারের হিসেব বিভিন্ন সংস্থা বিভিন্নভাবে করে থাকে।আন্তর্জাতিকভাবে সর্বাধিক ব্যবহৃত হিসেবে আমরা আমেরিকান কলেজ অব অবস্টেট্রিসিয়ান্স এন্ড গায়নোকোলজিস্টের হিসেব অনুযায়ী সপ্তাহ অনুযায়ী সম্পুর্ন গর্ভাবস্থার সময়কাল  আলোচনা করার চেষ্টা করছি। ২৮ তম সপ্তাহের পর থেকে বলা যায়,  প্রতিটি সপ্তাহ অতিক্রম করার সাথে ভ্রূণের গর্ভের বাইরে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জটিলতার ঝুঁকিও কমতে থাকে। ২৮ তম সপ্তাহে যদি কোন শিশু জন্ম নেয় তবে পরিপূর্ণ মেডিকেল সাপোর্ট পেলে তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা প্রায় ৯৪ ভাগ। ২৮ তম সপ্তাহের…

বিস্তারিত পড়ুন