সন্তানের প্রতি বাবা মায়ের পক্ষপাতমূলক আচরণের প্রভাব | প্যারেন্টাল ফেভারিটিসম

সন্তানের প্রতি বাবা মায়ের পক্ষপাতমূলক আচরণ

কোন সন্তানটি আপনার বেশি প্রিয়? কোন বাবা মাকে যদি এই প্রশ্ন করা হয় তবে এর তাৎক্ষনিক উত্তর হবে “কেউ না, সবাই সমান প্রিয়”। এমন বাবা মা হয় নাকি যারা তার কোন এক সন্তানকে অন্যদের চাইতে বেশি পছন্দ করবেন? বাবামায়ের কাছে তো সব সন্তানই সমান। ভালোবাসা, আদর, মমতা সবই সমান। তবে সত্যিটা হলো- এমন বাবা মা অনেকেই আছেন। আমাদের সমাজে অবধারিতভাবে এমনটা মনে করা হয় যে প্রত্যেকটা সন্তানকেই বাবা মা একই রকমভাবে পছন্দ করেন। তবে এখনকার করা অনেক গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা। একাধিক সন্তানের অভিভাবকদের তাদের সন্তানদের প্রতি ভালোলাগা, আচরণের ভিন্নতা…

বিস্তারিত পড়ুন

বয়স অনুযায়ী শিশুকে ঘরের যেসব কাজে অভ্যস্ত করতে পারেন

বয়স অনুযায়ী শিশুকে ঘরের যেসব কাজে অভ্যস্ত করতে পারেন

পূর্ববর্তী আর্টিকেল থেকে আমরা মোটামুটি বুঝতে পেরেছি যে ঘরের সামান্য কিছু কাজ করার মাধ্যমে শিশু অনেক কিছু শিখতে পারবে এবং সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার জন্য এই টুকটাক কাজ খুবই উপকারী ভূমিকা রাখে। এখন প্রশ্ন আসে শিশুকে কোন বয়স থেকে কাজ করতে দেয়া উচিৎ বা কাজের ধরণ কেমন হওয়া উচিত? [ আরও পড়ুনঃ ঘরের কাজে শিশুকে কেন অভ্যস্ত করবেন | কিভাবে করবেন ] কোন বয়স থেকে শিশুকে ঘরের কাজ করতে দেয়া উচিৎ? সাধারণত বেশীরভাগ বাব মা শিশুর বয়স ৮ থেকে ১০ বছর হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেন, কেননা তারা মনে করেন যে শিশু…

বিস্তারিত পড়ুন

ঘরের কাজে শিশুকে কেন অভ্যস্ত করবেন | কিভাবে করবেন

ঘরের কাজে শিশুকে কেন অভ্যস্ত করবেন

আপনি হয়ত ভাবছেন আপনার ছোট্ট শিশুটির এখনো ঘরের কাজ করার বয়স হয়নি, এই বয়সটা শুধুমাত্র খেলার বয়স! তবে আপনি কি জানেন, এই খেলার ছলেই ঘরের টুকিটাকি কাজ করার অভ্যাস তৈরি করতে পারলে শিশু অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে? বড়দের করা কাজ আর শিশুদের করা কাজের মধ্যে পার্থক্য হলো একটি শিশু কখনই একদম পারফেক্ট ভাবে কোন কাজ করতে পারবে না। আর আপনার করনীয় হল, এক্ষেত্রে শিশুকে চাপ না দেয়া। শিশুকে কাজ করতে দেয়ার মানে কিন্তু এই নয় যে, আপনার ঘরের কাজে সাহায্য করা! এর মূল লক্ষ্য হলো তাকে আত্মবিশ্বাসী এবং স্বাবলম্বী…

বিস্তারিত পড়ুন

বাবা-মায়ের ঝগড়ার কারণে সন্তানের মানসিক ক্ষতি

বাবা-মায়ের ঝগড়ার কারণে সন্তানের মানসিক ক্ষতি

গবেষণায় উঠে এসেছে, সন্তানের বয়স যখন মাত্র ৬ মাস, তখন থেকেই তার ওপরে বাবা-মায়ের ঝগড়ার প্রভাব পড়তে শুরু করে। শুধু তাই নয়, যে সন্তানের বয়স ১৯ বছর, তার ওপরেও বাবা-মায়ের ঝগড়া উল্লেখযোগ্যভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে সক্ষম। অনেকেরই ধারণা সন্তানকে শারীরিকভাবে আঘাত না করাটাই যথেষ্ট। কিন্তু এটা ভুল। কখনো কখনো মা বাবার মধ্যকার ঝগড়াও সন্তানের উপর শারীরিক নির্যাতনের মতই প্রভাব ফেলতে পারে।  যেসব বাচ্চারা নিয়মিত এসব ঘটনার সম্মুখীন হয় তারা একদিকে যেমন নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে তেমনি এধরনের পরিস্থিতি বাবা মায়ের সাথে সন্তানের সম্পর্কেও প্রভাব ফেলে। স্বভাবতই বাবা মা যখন রেগে থাকবে তারা…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর মানবিক উন্নয়নের কৌশলঃ শাস্তি প্রদান না অন্য কিছু

ভালবেসে শেখান

লিখেছেন – Sharmin Shamon হেলদি প্যরেন্টিং এর অন্যতম উদ্দেশ্য হলো বাচ্চাকে না মেরে কৌশলে সুন্দর এবং কার্যকরী পদ্ধতিতে আত্ম-নিয়ন্ত্রণ করতে শেখানো। মানুষ যখন নিজের উপর নিজে নিয়ন্ত্রন তৈরি করতে পারে তখন সে যেকোন খারাপ কিছু থেকেই নিজেকে দূরে রাখতে পারে। ভয়-ভীতি, মারধোর আর চাপিয়ে দেয়া শিক্ষা  মানুষকে সাময়িক ঠিক রাখলেও বেশিরভাগ সময়েই এর দীর্ঘমেয়াদি কোন সুফল থাকেনা। একটি অতি পরিচিত দৃশ্য কল্পনা করুন। আপনি আপনার বাচ্চাকে কিছু একটা করতে বলছেন সে করছে না, আবার কিছু একটা করতে না করছেন কিন্তু সে শুনছে না, আপনি উঠে এসে জোরে দিলেন এক থাপ্পড়!…

বিস্তারিত পড়ুন

সফল মানুষের যে ছয়টি গুণাবলি আপনার শিশুর মধ্যে গড়ে তোলা উচিত।

সফল মানুষের যে ছয়টি গুণাবলি আপনার শিশুর মধ্যে গড়ে তোলা উচিত।

শাসন মানেই যে শুধু খারাপ ব্যবহারের কারণে শাস্তি দেওয়া, তা কিন্তু নয়৷ আপনি ভালো আচরণের কারণে পুরষ্কৃত করুন কিংবা খারাপ ব্যাবহারের প্রতিক্রিয়া খারাপভাবে করুন বা যেভাবেই করুন না কেন, খেয়াল রাখতে হবে এর মাধ্যমে শিশুর জীবনে চলার পথে যে গুণগুলো প্রয়োজন, সেগুলো বিকাশে সহায়তা করছে কিনা।

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর জন্যে নিয়মকানুন প্রতিষ্ঠায় অটল ও ধারাবাহিক থাকবেন কিভাবে?

শিশুর জন্যে নিয়মকানুন প্রতিষ্ঠায় অটল ও ধারাবাহিক থাকবেন কিভাবে?

নিয়মিতভাবে শিশুর আচরণের একটা মাত্রা নির্ধারণ করা, শিশুকে দিয়ে সেগুলো পালন করানো, প্রয়োজনে বয়স উপযোগী শাস্তি প্রদান এই কাজগুলো প্রতিদিন ঠিকঠাকভাবে করা আপনার জন্যে যত কঠিনই হোক না কেন, করা উচিত। এবং নিয়মকানুনে ধারাবাহিকতা রক্ষায় যে বিষয়গুলো বার বার বাধা হয়ে আসছে সেগুলো খুঁজে বের করে কিভাবে ধারাবাহিকতা আরো বৃদ্ধি করা যায়, সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

বিস্তারিত পড়ুন

আপনার অতি দুষ্টু শিশুটিকে কিভাবে সামলাবেন?

আপনার অতি দুষ্টু শিশুটিকে কিভাবে সামলাবেন?

অতি দুষ্টু বলতে এমন শিশুকে বোঝায় যার হাত ফ্রিজের উপর অব্দি পৌছে যায়। “সব শিশুরাই ‘না’ বলে, কিন্তু অতি দুষ্টু শিশুদের ‘না’টা খুব জোরালো এবং বেশ নিয়মিত। তার রাগের মুহুর্তগুলোও দীর্ঘ সময় ধরে চলে এবং খুব তীক্ষ্ণ হয়”। এমন দুষ্টু শিশুদের সামলানো বেশ খানিকটা কঠিনই বলা যায়। কিন্তু এমন কিছু উপায় আছে যার মাধ্যমে মা-শিশুর প্রতিদিনকার যুদ্ধে স্থায়ী বিরতির পাশাপাশি শিশুকে আত্ম-নিয়ন্ত্রন শেখানো সম্ভব।

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুকে পেটের উপর ভর দিয়ে শোয়ানো কেন জরুরী? | টামি টাইম (Tummy Time)

শিশুকে পেটের উপর ভর দিয়ে শোয়ানো বা টামি টাইম (Tummy Time) দেয়া কেন জরুরী?

আপনার ছোট্ট শিশুটি যে কিনা নিজে থেকে দাঁড়াতে পারেনা এমনকি উঠে বসতেও পারে না ঠিকমত, সে প্রায়ই উপুড় হয়ে পেটের উপর ভর দিয়ে সবকিছু দেখার চেষ্টা করে এবং খেলাধুলা করে। আর এই পেটের উপর ভর দিয়ে উপুড় হয়ে থাকাকেই টামি টাইম (Tummy Time) বলা হয়।

বিস্তারিত পড়ুন

বাচ্চা কোন বয়স থেকে দাঁড়াতে শেখে?

বাচ্চা কোন বয়স থেকে দাঁড়াতে শেখে?

প্রথমবারের মত দাঁড়ানো এবং দাঁড়িয়ে থেকে নিচের দিকে তাকানো, এগুলো একটা ছোট্ট শিশুর জন্য খুবই রোমাঞ্চকর বিষয়। আপনার শিশু যখন দাঁড়াতে পারে তখন তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন একটা জগতের দরজা খুলে যায়। শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং আত্মবিশ্বাসের জন্য হঠাৎ করেই নতুন এই দক্ষতাটি কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বিস্তারিত পড়ুন