গর্ভাবস্থায় চেকআপ । তৃতীয় ট্রাইমেস্টার

গর্ভাবস্থায় ডাক্তারি পরীক্ষা

সুস্থ স্বাভাবিক গর্ভধারণের জন্য গর্ভাবস্থায় পরিচর্যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ করে শেষ তিন মাসে। গর্ভাবস্থার শেষ তিন মাসে গর্ভের শিশুর ওজন দ্রুত বাড়তে থাকে, হাত ও পায়ের নখ গজায়, চোখের পাতা খোলা বন্ধ করা শুরু হয়। এ সময় আপনার অনেক ক্লান্ত লাগা স্বাভাবিক। এ সময় আপনি শিশুর নড়াচড়াও অনেক বেশী টের পাবেন। আপনার গর্ভাবস্থা যদি সুস্থ স্বাভাবিক হয় তবে তৃতীয় ট্রাইমেস্টারে ২৮-৩৬ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রতি দু সপ্তাহে একবার এবং ৩৬ থেকে প্রসবের আগ পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে একবার করে ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেয়া হয়। আপনার যদি আগে থেকেই ধারনা থাকে ডাক্তারের সাথে…

গর্ভাবস্থায় চেকআপ । দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টার

গর্ভাবস্থায় চেকআপ

গর্ভাবস্থায় মায়ের এবং গর্ভস্থ শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য গর্ভধারণের শুরু থেকেই নিয়মিত ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত। সব কিছু স্বাভাবিক থাকলে দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টারে প্রতি মাসে একবার ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেয়া হয়। দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টার‍ বেশীরভাগ মায়েদের জন্যই মোটামুটি আরামের সময়। এ সময় গর্ভপাতের সম্ভাবনা কমে যায় এবং অনেক ধরনের গর্ভকালীন সমস্যা কম থাকে যেমন- বমি বমি ভাব, মর্নিং সিকনেস ইত্যাদি। তাই অনেকের কাছেই এ ট্রাইমেস্টার গর্ভকালীন সময়ে সবচাইতে প্রিয় সময়। কিন্তু তা সত্ত্বেও নিজের এবং গর্ভের শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ট্রাইমেস্টারে মাসে অন্তত একবার ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টারে…

গর্ভাবস্থায় চেকআপ । প্রথম ট্রাইমেস্টার

গর্ভাবস্থায় ডাক্তার

গর্ভাবস্থায় একজন নারী মা হবার আনন্দে যেমন বিভোর থাকেন, ঠিক তেমনি আবার নানা বিপদের কথা ভেবে থাকেন শঙ্কিত। গর্ভধারণ মানেই কমবেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা।তাই নিরাপদে মা হবার জন্য গর্ভে সন্তানের আগমন নিশ্চিত হওয়া মাত্র গর্ভকালীন পরিচর্যা শুরু করতে হবে। গর্ভকালীন পুরো সময় থেকে প্রসবের পর কিছুদিন পর্যন্ত নিয়মিত চিকিত্‍সকের পরামর্শ নিতে হবে। প্রথম প্রি-ন্যাটাল ভিজিট কখন করতে হবে? যখনি আপনি জানতে পারবেন যে আপনি গর্ভবতী তখনি যত দ্রুত সম্ভব কোন গাইনী ডাক্তারের সাথে দেখা করুন। যদি আপনি এখনো ঠিক করে না থাকেন যে পুরো গর্ভকালীন সময় আপনি কোন ডাক্তারের সাথে থাকবেন…

শিশু নির্যাতন থেকে কিভাবে আপনার শিশুকে নিরাপদ রাখবেন

চাইল্ড অ্যাবিউস বা শিশু নির্যাতন

শিশু নির্যাতন বর্তমানে অভিভাবকদের অন্যতম আতঙ্কের বিষয়। বাংলাদেশে প্রতি ৪ জন মেয়ে শিশুর মধ্যে একজন এবং ৬ জন ছেলে শিশুর মধ্যে একজন যৌন নির্যাতনের শিকার। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো, ৭৫% যৌন হয়রানির ঘটনাই ঘটে পরিবারের ঘনিষ্ঠজন, বন্ধু বা আত্মীয়-স্বজনদের মাধ্যমে। (সূত্র) শুধু পুরুষ নয়, শিশুরা কখনো কখনো নারীর হাতেও যৌন হয়রানির শিকার হয়৷ শিশুদের যৌন হয়রানির মধ্যে ধর্ষণ ছাড়াও তাদের ওপর নানা ধরনের শারীরিক আক্রমণ, বলাৎকার, স্পর্শকাতর ও যৌনাঙ্গে অসৎ উদ্দেশ্যে স্পর্শ অন্যতম৷ হয়রানি বা নির্যাতন শিশুর মস্তিষ্কে স্থায়ী প্রভাব ফেলে যা অনেকে বড় হওয়ার পরও বয়ে বেড়ায়…

গর্ভাবস্থায় বুক ধড়ফড় করলে বা পালপিটেশন হলে সেটা নিয়ে কি আপনার উদ্বিগ্ন হওয়া উচিৎ?

গর্ভাবস্থায় বুক ধড়ফড় করলে বা পালপিটেশন হলে সেটা নিয়ে কি আপনার উদ্বিগ্ন হওয়া উচিৎ?

যদিও এই ধরনের বুক ধড়ফড়  করাটা গর্ভাবস্থায় খুবই স্বাভাবিক এবং এতে কোন ধরনের শারীরিক ক্ষতি হয় না। তবে অন্য বড় রোগের কারণেও এই বুক ধড়ফড়  হতেও পারে, তাই ঝুঁকি কিছুটা থেকেই যায়।

শিশু দুঃস্বপ্ন কেন দেখে? আপনি এ ব্যাপারে কি করতে পারেন?

শিশু দুঃস্বপ্ন কেন দেখে?

আপনার শিশুও তার দুঃস্বপ্ন অথবা মজার স্বপ্নের কথাটি মনে রাখতে পারে। বেশীরভাগ শিশুই কিন্তু রাতের বেলায় মাঝেমধ্যেই দুঃস্বপ্ন দেখে। তবে প্রিস্কুলের সময়টাতে শিশুরা একটু বেশিই দুঃস্বপ্ন দেখে আর এই সময়টাতেই প্রায় শিশুর মধ্যেই অন্ধকারে ভয় পাওয়াটা প্রবল হয়ে ওঠে। এই দুঃস্বপ্নকে চাইলেই বাঁধা দেয়া যায় না, এটা আসতেই পারে। তবে বাবা মা’রা যেটা করতে পারেন সেটা হল শিশুর সুন্দর ঘুমের জন্য একটা ভালো পরিবেশ তৈরি করে দিতে পারেন। এভাবেই যখন দুঃস্বপ্ন শিশুর ঘুমের মধ্যে উঁকি দেয়, তখন আপনার দেয়া অল্প একটু আরাম শিশুর মনে নিয়ে আসতে পারে প্রশান্তি। রাতের কোন…

আপনার নবজাতকের সাথে প্রথম সপ্তাহ কেমন হতে পারে

আপনার নবজাতকের সাথে প্রথম সপ্তাহ কেমন হতে পারে

নবজাতকের প্রথম সপ্তাহের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সমূহ আপনার নবজাতকের প্রথম সপ্তাহ কাটে খাওয়া, ঘুমানো এবং সোহাগ-আদরে। আদর, কথা এবং হাসির মাধ্যমে আপনি আপনার নবজাতকের সাথে বন্ধন গড়ে তুলতে পারেন। যদি আপনি আপনার বাচ্চাকে নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন তবে আপনি জেনারেল ফিজিশিয়ান, শিশু ও পারিবারিক নার্স বা শিশু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে পারেন। নবজাতকের জীবনের প্রথম সপ্তাহ আপনার নবজাতকের জীবনের প্রথম সপ্তাহ কাটে চারপাশের পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানোয়। জরায়ুর পরিবেশ বাইরের পরিবেশ থেকে বেশ ভিন্ন হয়, সেখানের আলো ক্ষীণ থাকে, তাপমাত্র অপরিবর্তনীয় থাকে, এবং আওয়াজ চাপা থাকে। উষ্ণতা, ভালবাসা, নিরাপত্তা, মনোযোগ, অনেক আদর এবং…

সাইটোমেগালোভাইরাস (Cytomegalovirus) । গর্ভাবস্থায় কতটুকু ঝুঁকিপূর্ণ

সাইটোমেগালোভাইরাস

সাইটোমেগালোভাইরাস (Cytomegalovirus) কি? সাইটোমেগালোভাইরাস হার্পিস ভাইরাস প্রজাতির এক ধরণের ভাইরাস। গর্ভাবস্থায় এ জাতীয় ভাইরাস শিশুকে আক্রমণ করা ঘটনা খুব বেশি ঘটে। আমেরিকান একাডেমি অফ পিডিয়াট্রিক্স এর মতে, শতকরা ১% শিশু এই ভাইরাসের ইনফেকশন নিয়ে জন্মগ্রহণ করে থাকে। এ অবস্থাকে জন্মগত সিএমভি (Congenital CMV) বলা হয়। জন্মগত সিএমভি থাকলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শিশুর খুব বেশি একটা সমস্যা হয় না তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে জন্মের পরপর শিশু বেশ অসুস্থ হয়ে যেতে পারে যা পরবর্তীতে দীর্ঘ মেয়াদি বিবিধ সমস্যা তৈরি করতে পারে। অন্যদের ক্ষেত্রে আপাতদৃষ্টিতে শিশুকে সুস্থ মনে হলেও পরবর্তীতে শিশুর কানে কম কিংবা…

গর্ভধারণের চেষ্টার পূর্বেই কেন ডাক্তারের কাছে যাবেন এবং এর প্রয়োজনীয়তা কি?

গর্ভধারণ পূর্ববর্তী চেকআপ

নবজাতক শিশু খুব সুন্দর ও স্বাভাবিকভাবে এই পৃথিবীতে আগমন করুক এটা সব বাবা মায়েরই ইচ্ছে। আর এই ইচ্ছেটাই পূরণ করার জন্য গর্ভধারণের পূর্বেই নিজের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে আপনার উচিৎ ডাক্তারের কাছ থেকে একটা চেকআপ করিয়ে নেয়া।  গর্ভধারণের পূর্বে নিজের শরীরের প্রতি সঠিক যত্ন নেয়াটাকে, গর্ভকালীন সময়ে বিভিন্ন ধরনের জটিলতায় ভোগার থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার জন্য এক ধরনের প্রতিরোধমূলক ওষুধ হিসেবে গণ্য করুন। আর তাই যখনই আপনি গর্ভধারণ করার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করছেন, ঠিক তখন থেকেই নিজের প্রতি একটু বিশেষ যত্ন নেয়া শুরু করুন। গর্ভধারণের পরিকল্পনা থাকলে কয়েক মাস বা বছর…

সন্তান জন্মদানের পর শারিরীক কি কি পরিবর্তন আসতে পারে ?

প্রসবের পর শারিরীক কি কি পরিবর্তন আসতে পারে

প্রসবের পর আমার জরায়ুর কেমন পরিবর্তন হবে? শিশু জন্ম নেওয়ার কয়েক মিনিট পরেই জরায়ু সংকুচিত হওয়া শুরু করে, প্রসব বেদনার সময়ের মতো এর ক্রিসক্রসড ফাইবারগুলোও আঁটসাঁট হতে থাকে। এই সংকোচনের ফলে গর্ভ থেকে প্লাসেন্টাকে আলাদা করাও সহজ হয়ে পড়ে। প্লাসেন্টা বেড়িয়ে যাওয়ার পর, যে ধমনীগুলোতে প্লাসেন্টাটি সংযুক্ত ছিল, জরায়ুর সংকোচনের ফলে সেগুলো বন্ধ হয়ে যায়। আর এটা হওয়ার সময়, আপনি ক্র‍্যাম্প (আফটার-পেইন) অনুভব করতে পারেন। শিশু জন্মদানের প্রথম কয়েক দিনে আপনি জরায়ুর উপরিভাগকে আপনার নাভী বরাবর অনুভব করতে পারবেন।  এক সপ্তাহের মধ্যে, শিশু জন্ম দেওয়ার পরপর আপনার জরায়ুর ওজন যত…