২৪ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস

গর্ভাবস্থার ২৪ তম সপ্তাহে ভ্রূণের শরীরে জমা হতে থাকা চর্বি  এবং প্রায় সম্পুর্নভাবে গঠিত হয়ে যাওয়া পেশী, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং হাঁড়ের ওজনের কারণে ভ্রূণের ওজন বেশ দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে।

২৪ তম সপ্তাহ থেকে গর্ভের ভ্রূণটিকে “ভায়েবল” (Viable) হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই শব্দটির মানে হলো এ সপ্তাহে যদি কোন কারণে, মায়ের প্রি-ম্যাচিওর লেবারে ভ্রূণটি জন্ম নেয়, তবে উন্নত চিকিৎসা ও যত্নের মাধ্যমে ভ্রূণটিকে বাঁচানো সম্ভব। যদিও এসময়ের প্রসবে ভ্রূণের ও অনেকসময় মায়ের স্বাস্থ্যের যথেষ্ঠ ঝুঁকি থাকে।

বিজ্ঞাপণ
২৪ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা

গর্ভাবস্থার ২৪ তম সপ্তাহকে প্রেগন্যান্সির দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টারের ১১তম সপ্তাহ হিসেবে ধরা হয়। এ সপ্তাহের অবস্থান গর্ভাবস্থার ষষ্ঠ মাসে।

গর্ভধারণের ২৪ তম সপ্তাহে গর্ভের শিশুর বৃদ্ধি

ভ্রূণের ত্বকের  নিচে এ সময় সাধারণ ফ্যাটের সাথে সাথে  আরো  ব্রাউন ফ্যাট বা ব্রাউন এডিপোস টিস্যু (Brown adipose tissue) জমা হতে থাকে। এই ব্রাউন ফ্যাটই মূলত জন্মের পর শিশুটিকে উষ্ণ রাখে। যখন আবহাওয়া ঠাণ্ডা থাকে তখন শরীরের এই ফ্যাট সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং তাপ উৎপন্ন করতে শুরু করে যা শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

গর্ভের ভ্রূণটির জেগে থাকা ও ঘুমানোর একটি রুটিন এই সময় তৈরি হতে থাকবে। তবে সেটি আপনার পছন্দ অনুযায়ী না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আপনি হয়তো যখন ঘুমাতে যাবেন সে তখন সবচাইতে বেশি সক্রিয় থাকবে আর আপনি যখন হাঁটাচলা করছেন তখন সে হয়তো ঘুমিয়ে থাকবে। এর অবশ্য একটি কারণ হতে পারে- যখন আপনি হাঁটাচলা করছেন তখন সেই দুলুনিতে গর্ভের শিশু ঘুমিয়ে পড়ছে। 

ভ্রূণের মস্তিষ্ক ও তার মুখমণ্ডলের বিভিন্ন পেশীর সূক্ষ্মতম বিকাশগুলো এসময় পরিপূর্ণ হতে থাকে। ভ্রূণটি এসময়  বিভিন্ন মুখভঙ্গি করে এসব পেশীর ব্যায়াম করতে থাকে।

ভ্রূণের আকার ২৪ তম সপ্তাহে একটি বড় সাইজের ভুট্টার সাথে তুলনা করা যায়। এসময় ভ্রূণের উচ্চতা থাকে প্রায় ১১.৮১ ইঞ্চি বা ৩০ সেমি এবং এর ওজন হয় আনুমানিক ১.৩২ পাউন্ড বা ৬০০ গ্রামের মত।

২৪ তম সপ্তাহের দিকে এসে ভ্রূণের অঙ্গ প্রত্যঙ্গের স্বাভাবিক বিকাশের মধ্যে বেশ কিছু পরিবর্তন আসে। সেগুলো নিম্নরূপঃ

কান

২৪ তম সপ্তাহে এসে ভ্রূণের অন্তঃকর্ণ (Inner ear) গঠিত হয়ে যায় যা আমাদের শরীরের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে। এর অর্থ হলো এই সপ্তাহ থেকে ভ্রূণটি  বুঝতে শুরু করে সে মায়ের গর্ভে কি অবস্থানে আছে।

এসময়ে ভ্রূণের শ্রবণশক্তিও বেশ বিকশিত থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে মা যদি গর্ভাবস্থায় কোন গান বা  সুর নিয়মিত শোনেন তবে জন্মের পর শিশুটি সে গান বা সুরে প্রতিক্রিয়া দেখায়।

চুল

ভ্রূণের চোখের পাপড়ি, ভ্রু এবং মাথার চুল এসময় গজিয়ে গেলেও এগুলো তাদের নিজস্ব  বর্ণ এখনো ধারণ করবেনা। তার শরীরের চুলগুলো এসময় সাদা বর্ণের থাকে কারণ তাতে কোন পিগমেন্ট থাকেনা।

ফুসফুস

২৪ তম সপ্তাহ থেকে ভ্রূণের ফুসফুসের বিকাশের সাথে সাথে কিছু কোষ গঠিত হতে থাকে যা তার শরীরে একধরনের প্রোটিন উৎপন্ন করে যাকে সারফেক্ট্যান্ট (Surfactant) বলা হয়। এই তরলটি ফুসফুসের বায়ুথলী (alveoli) গুলোকে প্রসারিত হতে সাহায্য করে যাতে আমরা শ্বাস গ্রহণ করতে পারি। গর্ভাবস্থার ৩৫ সপ্তাহ পর্যন্ত ভ্রূণটি এই তরল আরো বেশি পরিমাণে উৎপন্ন করতে থাকে।

যেসব বাচ্চা প্রিম্যাচিওর অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে তাদের দেহে এই কোষগুলো পুরোপুরি বিকশিত না থাকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে সারফ্যাক্টেন্ট উৎপন্ন করতে পারেনা। এতে তাদের শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা হয়। এ কারণে প্রিম্যাচিওর বাচ্চাদের কৃত্রিমভাবে এই প্রোটিন দেয়ার প্রয়োজন পড়ে।

 নাক

ভ্রূণের ছোট্ট নাসারন্ধ্র এসময় খুলতে শুরু করে। নাসারন্ধ্রের মাধ্যমেও এই সময় ভ্রূণটি কিছুটা অ্যাম্নিওটিক ফ্লুইড গ্রহণ করতে থাকে যা তার শ্বাস প্রশ্বাসের অনুশীলনে সাহায্য করে।

ত্বক

গর্ভের ভ্রূণটির ত্বক এখনো বেশ নাজুক ও পাতলা হওয়ায় ত্বকের নীচের বিভিন্ন অঙ্গ ও হাঁড়গুলো  দৃশ্যমান। তবে এখন তার ত্বক ধীরে ধীরে লালচে বর্ণ ধারণ করছে কারণ তার চামড়ার ঠিক নীচে শিরা ও ধমনীগুলো গঠিত হচ্ছে। সেইসাথে শরীরে চর্বির স্তর জমা হতে শুরু হওয়ার কারণে ত্বকের আবরণ আরো  পুরু ও অস্বচ্ছ হতে থাকবে।

২৪ তম সপ্তাহে মায়ের শারীরিক পরিবর্তন

২৪ তম সপ্তাহের দিকে এসে মায়ের জরায়ুর আকার প্রায় একটি ফুটবলের সমান হয়ে যায়। এসময় থেকে ডাক্তাররা গর্ভের শিশুর বৃদ্ধি ঠিক আছে কিনা তা দেখার জন্য মায়ের পেটের আকার পরিমাপ করে থাকেন। এর জন্য মায়ের পিউবিক বোন থেকে জরায়ুর উপরের অংশ পর্যন্ত উচ্চতা পরিমাপ করা হয়। একে ফান্ডাল হাইট (Fundal Height) বলা হয়।  স্বাভাবিক গর্ভাবস্থায় এসময় মায়ের ফান্ডাল হাইট হতে পারে ২১-২৫ সে.মি.

বিজ্ঞাপণ

গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টারের শেষের দিকে এসে বেশিরভাগ মায়ের নাভী বাইরের দিকে বেরিয়ে আসতে পারে। ক্রমবর্ধমান জরায়ু মায়ের পেটে চাপ দেয়ার কারণে পেটের চামড়া টানটান হয়ে এমনটি  ঘটে। মনে রাখবেন গর্ভকালীন অন্য সব স্বাভাবিক উপসর্গের মতই এটি কোনো ক্ষতির কারণ নয় এবং সন্তান জন্মদানের কয়েক মাসের মধ্যে তা আবার স্বস্থানে ফিরে যায়। তবে হ্যাঁ, সন্তান জন্মের পর মায়ের নাভী স্থায়ীভাবে কিছুটা প্রশস্ত হয়ে যেতে পারে।

গর্ভাবস্থার এ সময় নতুন যেসব উপসর্গ দেখা দিতে পারে তা হল –

পায়ের আকার বড় হয়ে যাওয়া

এসময় কারো কারো পায়ের আকার বড় হয়ে যেতে পারে। পায়ে পানি আসা ছাড়াও এই সমস্যার  অন্য আরেকটি কারণ হলো, গর্ভাবস্থায় মায়ের শরীরে যে রিলাক্সিন হরমোনের নিঃসরণ ঘটে তা মায়ের পায়ের লিগামেন্টগুলোকে শিথিল করে দেয়। এতে মায়ের পায়ের হাঁড় সামান্য প্রসারিত হয়ে যেতে পারে যার কারণে পায়ের পাতা চওড়া হয়ে যায়।

পায়ের আকারের এই পরিবর্তন বেশিরভাগ সময় স্থায়ী ভাবে রয়ে যায়।

মুড সুইং বা মেজাজের ওঠানামা

অবসাদ, মানসিক চাপ এবং শরীরের বিভিন্ন হরমোনের পরিবর্তনের কারণে গর্ভকালীন সময়ে মুড সুইং করাটা খুবই স্বাভাবিক। গর্ভকালীন সময়টা মায়েদের জন্য বেশ মানসিক চাপের একটা বিষয়। হুট করে দেখা যাবে আপনি মা হতে যাচ্ছেন এটা ভেবে আপনার খুবই ভালো লাগছে আবার পরক্ষনেই নিজের মা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ার বিষয়টা আপনাকে একটু অবাক করতে পারে।

এছাড়া আপনি কি ভালো মা হতে পারবেন কি না, আপনার শিশু কি সুস্থ এবং স্বাভাবিক হবে কিনা অথবা নতুন শিশু আগমনের কারণে যে বাড়তি খরচ হবে সেটা কি পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থার সাথে মানাবে কি না এই ধরনের যাবতীয় চিন্তায় আপনি হয়ত কিছুটা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে উঠতে পারেন।

নিজেকে বারবার মনে করিয়ে দিন যে এই গর্ভকালীন সময়ে এই ধরনের অনুভূতি হওয়া খুবই স্বাভাবিক একটা বিষয়। নিজের সঠিক পরিচর্যা এবং সচেতনতা এই সময়ে আপনাকে শান্ত থাকতে সাহায্য করবে। এছাড়াও আপনার অনুভূতিগুলো আপনার সঙ্গীর সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করুন।

তবে যদি মুড সুইং খুব বেশি পরিমাণে হতে থাকে, খুব ঘন ঘন হতে থাকে এবং তা আপনার প্রাত্যহিক জীবনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার ডাক্তারের সাথে আলাপ করুন। এগুলো অন্য আরো জটিলতর মানসিক সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।

চুলকানি

গর্ভাবস্থায় হালকা চুলকানি হওয়া নিয়ে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই চিন্তার কিছু নেই। এটা খুব স্বাভাবিক। প্রায় ২০ ভাগ গর্ভবতী মহিলার চুলকানির সমস্যা থাকে। এ সময় মায়েদের পেট এবং ব্রেস্টের আশেপাশে চুলকানি বেশী হতে পারে, কারণ দুটো স্থানের চামড়াই এ সময় প্রসারিত হয়। শুষ্ক ত্বক ও গর্ভকালীন হরমোনের প্রভাবেও এসময় চুলকানি দেখা দিতে পারে।

চুলকানি হলে যথাসম্ভব কম চুলকানোর চেষ্টা করুন। অন্যথায়  ত্বক আরও ফেটে যেতে পারে এবং ত্বকের ইনফেকশন দেখা দিতে পারে। ত্বক আদ্র রাখতে ময়শ্চারাইজার ব্যাবহার করতে পারেন। এগুলো সুগন্ধিযুক্ত না হলেই ভালো। একজিমা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শকৃত ক্রীম বা লোশন ব্যাবহার করতে হবে।

কিন্তু যদি চুলকানি তীব্র হয়ে উঠে, তবে এটি অবস্টেট্রিক কোলেস্টাসিস (ওসি)নামক একটি সমস্যার লক্ষণ হতে পারে, যা দ্বারা লিভারের একটি অবস্থাকে বোঝানো হয়। এই রোগ ১০০ জনের মধ্যে ১ জন গর্ভবতী মহিলার হতে পারে এবং এসব ক্ষেত্রে দ্রুত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

স্কীন পিগমেন্টেশন (Skin pigmentation)

এ সময় হরমোনাল পরিবর্তনের কারণে মেলানিন প্রোডাকশন বেড়ে যায়। ত্বকে সৃষ্টি হয় নানা ধরনের পিগমেন্টরি ডিজঅর্ডার। হঠাৎ করে মুখে, গলায় কালো বা বাদামী ছোপ দেখা দেয়। একে অনেকে “মাস্ক অফ প্রেগন্যান্সি” বলে থাকেন।মাস্ক অফ প্রেগনেন্সিকে ক্লোয়েজমা বা মেলাজমা ও বলে। প্রায় শতকরা ৫০ ভাগ গর্ভবতী মায়েরাই এই সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন।

বিজ্ঞাপণ

এসব ছাড়াও গর্ভকালীন সময়ে মায়েরা আরও অনেক ধরণের উপসর্গ অনুভব করতে পারেন। গর্ভকালীন সব ধরণের উপসর্গ নিয়ে জানতে আমাদের আর্টিকেলটি পড়ুন।

গর্ভধারণের সপ্তাহে করনীয়

গর্ভাবস্থার ২৪-২৮ সপ্তাহের মধ্যে মায়ের প্লাসেন্টা খুব বেশি পরিমাণে হরমোন উৎপন্ন করতে থাকে যার কারণে মায়ের শরীরে ইনসুলিন রেসিস্টেন্স তৈরি হতে পারে। ফলে এ সময় গর্ভকালীন ডায়াবেটিস দেখা দিতে পারে। অনেক মহিলারই গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। যদি এর আগে তারা সুস্থও থাকেন , গর্ভাবস্থায় হরমোনের কারণে অনেকের শরীরে ডায়াবেটিস বিকাশ লাভ করতে পারে ।

তাই এ সপ্তাহে হয়তো আপনার রক্তে শর্করার ( blood sugar) পরিমাণ দেখার জন্য রক্ত পরীক্ষা করার প্রয়োজন হতে পারে। যদি শর্করার পরিমাণ বেশি পাওয়া যায় তবে আরও পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে ডায়াবেটিস আছে কিনা তা নির্ণয় করা হবে। এই বিষয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিন।

চিনি ও  শর্করা  জাতীয় খাবার কম খেয়ে ডাল, বাদাম, দুধ, ডিম , প্রচুর ফলমূল ও শাকসবজি এবং  পর্যাপ্ত পানি খাওয়ার চেষ্টা করা উচিত। ঠিক মত পুষ্টিকর খাবার না খেলে ভ্রূণের বিকাশ ঠিকমতো না হওয়ার সম্ভবনা থাকে, আবার অন্যদিকে গর্ভাবস্থায় ওজন অতিরিক্ত বেড়ে মায়ের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি নানাবিধ সমস্যা দেখা দিতে পারে, বিশেষ করে প্রিম্যাচিওর ডেলিভারী কিংবা অন্যান্য  প্রসবকালিন জটিলতা দেখা দেয়ার সম্ভবনা বাড়ে।

আগে টিটি টিকা দেয়া আছে কিনা তার উপর ভিত্তি করে গর্ভাবস্থায় ২ বা ৩ ডোজ টিকা দেয়ার প্রয়োজন পড়তে পারে। গর্ভাবস্থায় টিটি টিকা কখন ও কতবার দিতে হবে তা বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে। তাই এ বিষয়ে অন্য কারো কাছ থেকে পরামর্শ না নিয়ে সরাসরি আপনার ডাক্তারের কাছে জিজ্ঞাসা করুন।

নিজের শরীরকে বোঝার চেষ্টা করুন এবং গর্ভাবস্থায় কিভাবে শরীরকে শিথিল বা রিলাক্স করা যায় তা শিখে নিন। এর ফলে যখন আপনার প্রসব বেদনা উঠবে তখন আপনি এ পদ্ধতিগুলো  ব্যাবহার করতে পারবেন।এগুলো আপনার দুশ্চিন্তা দূর করতে, জরায়ুকে আরো ভালো কাজ করতে এবং আপনাকে শক্তি সংরক্ষন করে রাখতে  সাহায্য করবে।

সেইসাথে গর্ভাবস্থা ও সন্তান লালন পালনের বিভিন্ন দিক ও মায়ের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে একটু পড়াশোনা করে নিন। এতে আপনার আত্ববিশ্বাস বাড়বে এবং কিছু সিদ্ধান্ত নিজেই নিতে পারবেন।  বিভিন্ন কাজে প্রায়োরিটি ঠিক করতে শেখা এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিছু কাজ কিংবা কথা যেগুলো আপনার মানসিক অস্থিরতা বাড়িয়ে দেয়, তা সাময়িক ভাবে এড়িয়ে চলুন।

<<গর্ভাবস্থা সপ্তাহ ২৩
গর্ভাবস্থা সপ্তাহ ২৫>>

Related posts

Leave a Comment