গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ | প্রাথমিক যে ১২ টি লক্ষণ দেখা দিতে পারে

গর্ভধারণের প্রাথমিক দিকে অনেক মেয়েদের মনেই প্রশ্ন দেখা দিতে পারে তিনি কি আসলেই গর্ভধারন করেছেন কিনা? আসুন, জেনে নেয়া যাক গর্ভধারণের প্রাথমিক কিছু লক্ষণ কি কি হতে পারে। সাধারণত, প্রথম ৬ সপ্তাহের মধ্যেই প্রায় ৬০ ভাগ গর্ভবতী মহিলার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ দেখা দেয় এবং প্রথম ৮ সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ৯০ ভাগ মহিলা প্রেগনেন্সির এসব লক্ষণ অনুভব করতে পারেন।

আপনি যদি পিরিয়ড বা মাসিকের হিসাব না রেখে থাকেন, অথবা আপনার মাসিক যদি নিয়মিত না হয়, তবে আপনি হয়তো বুঝতে পারবেন না কখন মাসিক হওয়ার কথা। এমন সময় আপনি হয়তো সময়মতো মাসিক না হবার কারণ নিয়ে চিন্তিত থাকবেন। তাই এসময়, যদি আপনি নিচের কোন একটি উপসর্গ নিজের মাঝে দেখতে পান, তবে তা গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ হতে পারে।

নিশ্চিত হতে নিচের লক্ষণ সমূহ মিলিয়ে নিতে পারেন এবং বাসায় বসেই প্রেগন্যান্সি কিট দিয়ে আপনি গর্ভবতী কিনা তা পরীক্ষা করে নিতে পারেন।

গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ । Audio Article

গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ সমূহ

লক্ষণ ১ঃ পিরিয়ড মিস হওয়া

গর্ভধারণের সবচেয়ে প্রচলিত ও তাৎপর্যপূর্ণ লক্ষণ হলো পিরিয়ড বা ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়া। প্রতিমাসের একটি নির্দিষ্ট সময়ে নারীদের পিরিয়ড হয়ে থাকে (সাধারণত ২৮ থেকে ৩২ দিন পর পর)।

সেক্ষেত্রে, খেয়াল রাখুন আপনার পিরিয়ড ঠিক সময়ে হচ্ছে কিনা। যদি ২৮-৩২ দিন পর পিরিয়ড না হয়, তাহলে হয়তো আপনি গর্ভধারণ করেছেন। অন্যান্য লক্ষণ গুলো মিলিয়ে নিতে পারেন তখন এবং সাথে প্রেগন্যান্সি কিট দিয়ে পরীক্ষা করে নিতে পারেন

কোনো নারীর যদি আগে থেকেই অনিয়মিত মাসিক হয়ে থাকে তবে তাদের ক্ষেত্রে গর্ভধারণের এ লক্ষণটি বোঝা একটু কষ্টকর হবে।

যদি আপনার পিরিয়ড নিয়মিত না হয় অথবা আপনি আপনার ঋতুচক্রের হিসাব ঠিকমত না রাখতে পারেন, তবে আপনার পিরিয়ড মিস হয়েছে কিনা তা বুঝতে পারার পূর্বেই নিচে বর্ণিত অন্যান্য উপসর্গগুলো টের পেতে পারেন।

লক্ষণ ২ঃ খাবারে অনীহা

যদি আপনি নতুন গর্ভবতী হন, এটা অস্বাভাবিক নয় যে কিছু কিছু খাবারের প্রতি আপনি অনীহা বোধ করবেন কিংবা আপনার রুচি কমে যাবে। এ সময় আপনি বিভিন্নি খাবারের ব্যাপারে গন্ধপ্রবন ও হয়ে উঠতে পারেন। কিছু কিছু খাবারের গন্ধে আপনার পেট গুলিয়ে উঠতে পারে।

যদিও এর কারণ নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি, এটা হয়ত আপনার দেহে দ্রুত এস্ট্রোজেন হরমোনের পরিমাণ বৃদ্ধির একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। এছাড়াও আপনি হয়ত দেখতে পাবেন যে কিছু বিশেষ খাদ্য যা আপনি মজা করে খেতেন তা হঠাৎ করে আপনার কাছে একেবারেই অসহ্য লাগছে।

আবার অনেকের মুখ বিস্বাদ লাগে কিংবা মুখে তামাটে ধরণের স্বাদ লাগে। অনেকসময় মুখে দুর্গন্ধও লক্ষ্য করা যায়। আসলে গর্ভাবস্থায় শারীরিক বিভিন্ন পরিবর্তনের কারণেই এই তফাৎ হতে পারে।

লক্ষণ ৩ঃ মেজাজের ওঠানামা

গর্ভাবস্থায় মেজাজের পরিবর্তন একটি সাধারণ বিষয়, আংশিকভাবে এর কারণ হরমোনের পরিবর্তন যা আপনার নিউরোট্রান্সমিটারের (মস্তিস্কের রাসায়নিক বাহক) এর মাত্রাকে প্রভাবিত করে।

হরমোনের আধিক্যের জেরে এই রাগ, এই দুঃখ, কখনও অবসাদ আবার পরমুহূর্তেই আনন্দে ভরে ওঠা, এই ধরনের মুড সুইং হতেই থাকে।গর্ভবতী হওয়ার প্রথম সপ্তাহে যেসব লক্ষণ দেখা যায় তার মধ্যে অন্যতম এটি।

প্রত্যেকেই এ পরিবর্তনে আলাদা ভাবে সাড়া প্রদান করে থাকে। মা-হতে-যাওয়া এমন অনেকে উচ্চমাত্রায় আবেগপ্রবণ হয়ে উঠতে পারেন, যা ভাল বা মন্দ উভয় রকমেরই হতে পারে, আবার অনেকে এসময় বিষন্নতা কিংবা দুশ্চিন্তায় ভুগতে পারেন।

নোটঃ যদি আপনি অস্বাভাবিকভাবে দুঃখিত বা নিরাশ বোধ করেন কিংবা আপনার প্রতিদিনকার দায়িত্ব সমূহ যথাযথ ভাবে পালন করতে না পারেন, বা নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারছেন না বলে মনে করেন, তবে আপনার স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সাথে অথবা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাথে দ্রুত যোগাযোগ করুন।

লক্ষণ ৪ঃ পেটে গ্যাস হওয়া বা ফোলা ভাব

গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে অধিকাংশেরই পেটে গ্যাস তৈরি হয় এবং তা নির্গত হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এছারাও পেট ফাঁপার অনুভুতি হতে পারে, যা অনেকটা মাসিক শুরুর পূর্ব লক্ষণের মত।

এটিও হয় হরমোনের পরিবর্তনের কারনে।এ কারণে কোমরের কাছে আপনার কাপড় সাধারণ সময়ের চেয়ে আরও বেশী আঁটসাঁট মনে হতে পারে, যদিও এখন পযৃন্ত আপনার জরায়ুতে তেমন কোন পরিবর্তন আসেনি।

নিজের বাড়িতে এ গ্যাসের কারণে তেমন সমস্যা না হলেও বাড়ির বাইরে বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা থাকে। তবে এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।

লক্ষণ ৫ঃ ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া

হরমোনগত পরিবর্তনের কারণে এসময় শরীরে যে ক’টি পরিবর্তন আসে তার একটি হল রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি। হরমোন পরিবর্তনের কারণে আপনার দেহের কিছু ধারাবাহিক প্রক্রিয়া দ্রুত হয় যা আপনার কিডনিতে রক্ত প্রবাহের হার বাড়িয়ে দেয়।

এর কারণে আপনার মুত্রথলি আরও দ্রুত পূর্ণ হয়ে যায়, যার ফলে আপনার আরও বেশী বার মূত্রত্যাগ করার প্রয়োজন হয়। প্রেগন্যান্সির প্রথম দুই-তিন সপ্তাহে ঘন ঘন প্রস্রাব পাওয়া খুব স্বাভাবিক।

যতই আপনার গর্ভাবস্থা এগিয়ে যেতে থাকে, শিশুর বড় হওয়ার সাথে সাথে জরায়ুর আকার বাড়তে থাকে। । এ সমস্যাটি আরও জটিল হয় যখন আপনার ক্রমবৃদ্ধিমান শিশু আপনার মুত্রথলিতে আরও বেশী চাপ দিতে থাকে।

লক্ষণ ৬ঃ ক্লান্ত লাগা

হঠাৎ ক্লান্ত বোধ করছেন? কিংবা ক্লান্তিতে ভেঙ্গে পড়ছেন? কেউ এটা নিশ্চিত করে জানেন না কি কারণে গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে এই ক্লান্ত ভাব দেখা দেয়, তবে সম্ভবত প্রজেস্টেরন হরমোনের মাত্রার দ্রুত বৃদ্ধি আপনার ঘুম ঘুম ভাবের জন্য দায়ী।

এছাড়াও মর্নিং সিকনেস ও রাতে ঘুম থেকে উঠে বার বার প্রস্রাব  করাও আপনার ক্লান্তিবোধ বাড়াতে কাজ করে

দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টার আপনার এই ক্লান্তিবোধ কেটে গিয়ে আগের চেয়েও বেশি ভাল বোধ করবেন। অবশ্য আপনার গর্ভাবস্থার শেষ দিকে এই ক্লান্তিবোধ আবার ফিরে আসে, কারণ তখন স্বাভাবিকভাবেই  আপনি অনেক বেশি ওজন বহন করবেন এবং সে সময়ের বিশেষ কিছু গর্ভকালীন সমস্যা আপনার রাতের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাবে

লক্ষণ ৭ঃ স্তনে পরিবর্তন

গর্ভবতী হওয়ার প্রথম দিকের একটি লক্ষণ হল সংবেদনশীল/স্পর্শকাতর স্তন যা হরমোনের মাত্রার বৃদ্ধির কারণে হয়ে থাকে। অনেক সময় মাসিক শুরুর পূর্বে অনেকের স্তনে একধনের স্পর্শকাতরতা কিংবা ব্যাথা হয়ে থাকে, গর্ভাবস্থায় একইরকম কিংবা আরও প্রকটভাবে এ উপসর্গই অনুভূত হতে পারে।

গর্ভাবস্থার প্রথম ট্রাইমেস্টারের (প্রথম তিন মাস) পর স্তনের এ অস্বস্তি উল্ল্যেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে, কারণ মায়ের দেহ হরমোন পরিবর্তনের সাথে ততদিনে অভ্যস্ত হয়ে যাবে।

গর্ভধারণ নিশ্চিত হওয়ার পর স্তনের আকারে পরিবর্তন আসা শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে স্তনের বোঁটায় (Nipple )পরিবর্তন আসে। বোঁটা চেপে ধরলে একধরনের রস নিঃসৃত হতে দেখা যায়। এটাও গর্ভবতী হওয়ার এক লক্ষণ। ক্রমেই স্তনের আকার বড় হতে পারে এবং ব্যাথা হতে পারে (অনেকের মাসিকের সময়ও যেমনটা হয় ), কখনো বা শিরশিরে অনুভূতি হতে পারে।

লক্ষণ ৮ঃ হাল্কা রক্তপাত বা স্পটিং

কিছু কিছু নারী গর্ভবতী কিনা তা জানার আগেই হাল্কা স্পটিং লক্ষ করে থাকেন। অনেকে এটাকে মাসিক মনে করতে পারেন। এটা ওভুলেশনের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে হতে পারে। এটাকে ইমপ্ল্যান্টেশন ব্লীডিং বলে কারণ জরায়ুতে ভ্রুন স্থাপিত বা ইমপ্লেনটেশনের সময় এ রক্তপাত (সাধারণত হালকা বাদামি রঙের) হতে পারে। এ প্রক্রিয়াটি ডিম্বাণু নিষিক্ত হওয়ার ৬ দিনের মধ্যেই শুরু হয়। এটাও গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ হতে পারে।

যদি মাসিক শুরু হওয়ার সপ্তাহ খানেক আগে একদিন বা দুদিন এ ধরনের স্পটিং দেখা যায় তবে প্রেগন্যান্সি টেস্ট করে দেখতে পারেন। যদি রেসাল্ট নেগেটিভ আসে তবে কিছুদিন অপেক্ষা করুন। যদি যথাসময়ে পিরিয়ড শুর না হয় তবে আবার টেস্ট করুন।

নোটঃ প্রতি ৪ জন নারীর ১ জনের প্রথম ট্রাইমেস্টারের শুরুর দিকে হালকা রক্তপাত হয়। এটি কোন সমস্যার কারণ নাও হতে পারেই। কিন্তু যেহেতু রক্তপাত হওয়া অন্য আরও জটিলতার লক্ষণ হতে পারে তাই এটি দেখা গেলেই দেরী না করে ডাক্তারকে জানানো উচিত যাতে তিনি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন যে সবকিছু ঠিক আছে কিনা।

গর্ভাবস্থায় রক্তক্ষরণ কোন গুরুতর সমস্যার কারণ নাও হতে পারে আবার তা কোন মারাত্মক জটিলতারও লক্ষণ হতে পারে, যেমন- এক্টপিক প্রেগন্যান্সি, গর্ভপাত বা প্লাসেন্টা জনিত কোন সমস্যা ইত্যাদি।

লক্ষণ ৯ঃ বমি বমি ভাব, গন্ধের প্রতি সংবেদনশীলতা

কনসিভ করার ২ থেকে ৪ সপ্তাহ পর থেকে মর্নিং সিকনেস (সকালে ঘুম থেকে উঠার পর ক্লান্ত লাগা ও বমির ভাব হওয়ার প্রবনতা) দেখা দেয়। বমি বমি ভাব শুধু সকালেই নয় এমনকি দুপুরে ও রাতেও হতে পারে।

গর্ভধারণের ৬ সপ্তাহ সময় থেকে সাধারণত মর্নিং সিকনেস বা বমি বমি ভাব দেখা দেয়। কিন্তু এটা কখনো কখানো ৪ সপ্তাহ থেকেও শুরু হতে দেখা যায়।

পরবর্তী এক মাস ধরে সমস্যাটা আরো বেশী খারাপের দিকে যেতে থাকে। অর্ধেক মায়েদের ক্ষেত্রে মর্নিং সিকনেস ১৪ সপ্তাহ নাগাদ পুরোপুরি ঠিক হয়ে যায়। অন্যদের ক্ষেত্রে এ সমস্যা ঠিক হতে আরও এক মাস সময় লাগতে পারে। তবে পুরো গর্ভকালীন সময় জুড়েই বমি বমি ভাব আসা যাওয়া করতে পারে।

পুরো গর্ভকালীন সময় জুড়ে মর্নিং সিকনেস সাধারণত থাকেনা তবে কিছু কিছু মায়ের ক্ষেত্রে তা হতেও পারে। খুব অল্প সংখ্যক মায়েদের ক্ষেত্রে মর্নিং সিকনেস দ্বিতীয় এমনকি তৃতীয় ট্রাইমেস্টারেও থাকতে পারে। আবার কিছু ভাগ্যবান মায়েদের পুরো গর্ভধারণের সময়জুড়ে এর কোন লক্ষণই দেখা যায়না।

লক্ষণ ১০ঃ শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চাইতে বেড়ে যাওয়া

যদি আপনি আপনার দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা লিপিবদ্ধ করে রাখেন এবং দেখেন যে আপনার দেহের তাপমাত্রা অন্তত ১৮ দিন ধরে স্বাভাবিকের চাইতে বেশী আছে, তবে তা গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ হতে পারে।

লক্ষণ ১১ঃ মাথা ধরা

গর্ভধারন করলে মাথার যন্ত্রণা হতে পারে। গর্ভবতী হওয়ার প্রথম সপ্তাহের শুরুতেই মাথা ব্যথা শুরু হতে পারে। হরমোনের মাত্রা শরীরে বেড়ে যাওয়ার কারণেই এই সমস্যা হয়।

লক্ষণ ১২ঃ কোষ্ঠকাঠিন্য

গর্ভধারণের আরেকটি লক্ষণ হলো কোষ্ঠকাঠিন্য। এটি হরমোনের মাত্রার তারতম্যের কারণেই হয়। হরমোনের বৃদ্ধির কারনে শরীরের হজম প্রক্রিয়ার গতি কমে যায় যার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে।

গর্ভধারণের লক্ষণ দেখা দেয়ার পর গর্ভধারণের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার জন্য কি করবেন ?

বাসায় প্রেগনেন্সি টেস্ট

গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ দেখা দেয়ার পর আপনি বাসায় বসেই প্রেগন্যান্সি টেস্ট করে নিতে পারেন। দোকানে যেসব টেস্টিং কিট পাওয়া যায় সেগুলো দিয়ে পিরিয়ড মিস হওয়ার অন্তত এক সপ্তাহ পরে টেস্ট না করলে ভুল রেসাল্ট আসতে পারে। তাই যদি পিরিয়ড মিস হওয়ার এক সপ্তাহের মদ্ধেই আপনি টেস্ট করেন এবং নেগেটিভ রেসাল্ট পান তবে কিছুদিন অপেক্ষা করে আবার পরীক্ষা করুন।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আপনার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার লক্ষণ দেখে গর্ভবতী হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হবার বেশ আগে থেকেই আপনার বাচ্চার গঠন শুরু হয়, তাই যখন থেকেই আপনি এ সুসংবাদ জানার জন্য অপেক্ষা করছেন তখন থেকেই নিজের যত্ন নিন। আর যখনই ইতিবাচক ফল পাবেন, সাথে সাথে আপনার গাইনি ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

সবার জন্য শুভকামনা।

তথ্যসূত্র >

 

 

Related posts