শিশুর খেলতে খেলতে শেখা (০-১২ মাস)

শিশুর খেলতে খেলতে শেখা (০-১২ মাস)

শিশুরা মূলত খেলার মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন বিষয় শিখে থাকে। খেলতে খেলতে তারা নিজেদেরকে আবিষ্কার করে, অন্য মানুষদের ব্যাপারে ভাবতে শেখে এবং নিজেদের আশেপাশের দুনিয়া সম্পর্কে জানতে শুরু করে। শুধু তা-ই নয়, খেলাধূলা শিশুদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে, বিভিন্ন মানুষের সাথে তাদের সম্পর্ক গড়তে এবং মৌলিক দক্ষতা অর্জন করতে সহায়তা করে। একজন অভিভাবক হিসেবে আপনার কাছে বিষয়টা স্রেফ “খেলা” বলে মনে হলেও আপনার শিশুর কাছে তা “আসল কাজ”। শিশু প্রতিবার যখন কিছু ছোঁয়, অনুভব করে, স্বাদ নেয়, শোনে কিংবা নতুন কিছু দেখে; সেই ঘটনা তার মস্তিষ্কে একধরনের বার্তা প্রেরণ করে। সেই…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর গ্রোথ স্পার্ট (Growth Spurt) বা দ্রুতবর্ধনের ব্যাপারে যা কিছু আপনার জানা প্রয়োজন

শিশুর গ্রোথ স্পার্ট

একটি শিশু জন্মের পর থেকে পরিণত অবস্থায় পৌঁছানো পর্যন্ত তার মধ্যে বিভিন্ন রকম শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। এগুলো আসলে বেড়ে উঠারই একটি অংশ, আর কিছু নয়। আর তেমনই একটি পরিবর্তন হচ্ছে শিশুর গ্রোথ স্পার্ট (Growth Spurt) বা দ্রুতবর্ধন। গ্রোথ স্পার্ট বা দ্রুতবর্ধন যদিও বেড়ে উঠারই একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, তবুও অনেক মা-বাবারাই, বিশেষ করে যারা নতুন মা-বাবা হয়েছেন, তারা এটি নিয়ে বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েন। তারা ভয় পেয়ে বসেন যে তাদের শিশুর হয়তো কোনো অসুখ হয়েছে। এই আর্টিকেলে আমরা এই সমস্ত ভুল ধারণা দূর করে শিশুর গ্রোথ স্পার্টের…

বিস্তারিত পড়ুন

বাবা মায়ের ঝগড়ার কারণে সন্তানের মানসিক ক্ষতি

বাবা-মায়ের ঝগড়ার কারণে সন্তানের মানসিক ক্ষতি

গবেষণায় উঠে এসেছে, সন্তানের বয়স যখন মাত্র ৬ মাস, তখন থেকেই তার ওপরে বাবা-মায়ের ঝগড়ার প্রভাব পড়তে শুরু করে। শুধু তাই নয়, যে সন্তানের বয়স ১৯ বছর, তার ওপরেও বাবা-মায়ের ঝগড়া উল্লেখযোগ্যভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে সক্ষম। অনেকেরই ধারণা সন্তানের গায়ে হাত না তোলাটাই যথেষ্ট। কিন্তু এটা ভুল। কখনো কখনো মা বাবার মধ্যকার ঝগড়াও সন্তানের উপর বেশ নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।  যেসব বাচ্চারা নিয়মিত এসব ঘটনার সম্মুখীন হয় তারা একদিকে যেমন নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে তেমনি এধরনের পরিস্থিতি বাবা মায়ের সাথে সন্তানের সম্পর্কেও প্রভাব ফেলে। স্বভাবতই বাবা মা যখন রেগে থাকবে তারা হয়তো…

বিস্তারিত পড়ুন

সন্তানের সামনে বাবা মায়ের ঝগড়া | সামাল দেয়ার ৫ টি টিপস

সন্তানের সামনে বাবা মায়ের ঝগড়া

সকল মানুষের মাঝে যেসব অনুভূতি আদিকাল থেকে বিরাজমান তাদের মধ্যে রাগ অন্যতম। সেই রাগ কখনো রূপ নেয় নিরবতায়, কখনো ঝগড়ায়। বাবা-মাও মানুষ। তাদেরও মনমালিন্য হয়, রাগ হয়। কিন্তু সেই রাগ কি বাচ্চাদের সামনে প্রকাশ করা উচিত? বাচ্চাদের সামনেই কি স্বামী-স্ত্রী ঝগড়ায় লিপ্ত হওয়া উচিত? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর কয়েক প্রজন্ম ধরে বাবা-মায়েরা খুঁজে আসছেন। সাধারণভাবে অনেকেই হয়তো বলবেন, ‘অবশ্যই নয়! বাচ্চাদের সামনে ঝগড়া করা একদমই উচিত নয়।’ কিন্তু কেউ কেউ উল্টোটা মনে করেন। তাদের সংখ্যাটাও নেহাত কম নয়। এই দ্বিতীয় পক্ষের ভাষ্য, ‘মতের মিল না হওয়া, তর্ক হওয়া ইত্যাদি মানব জীবনের…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর ইন্দ্রিয়ের বিকাশ | ঘ্রাণশক্তি

শিশুর ইন্দ্রিয়ের বিকাশ | ঘ্রাণশক্তি

শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে তার ঘ্রাণশক্তি খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিশুর স্বাদ গ্রহণের ক্ষমতার সাথে ঘ্রাণশক্তির জোরালো সম্পর্ক রয়েছে তাই  শিশু কি খাবে আর কি খাবে না তার উপর ঘ্রাণশক্তির প্রভাব যথেষ্ট পরিমাণে বিদ্যমান। এছাড়া শিশুর আবেগের সাথেও তার ঘ্রাণশক্তির সম্পর্কটাও বেশ চমৎকার এবং তা তার মানসিক বন্ধন প্রক্রিয়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিশুর ঘ্রাণশক্তি কখন বিকশিত হতে শুরু করে? গর্ভকালীন সময়ের প্রথম ট্রাইমেস্টারেই শিশুর নাকের গঠন শুরু হয়। এছাড়া দশ সপ্তাহের মধ্যেই রিসিপটর্স নামক যে অংশটি দিয়ে শিশু ঘ্রাণ পেয়ে থাকে সেটিও গঠিত হওয়া শুরু করে। উল্লেখ্য যে, নাকের মধ্যকার…

বিস্তারিত পড়ুন

নবজাতক শিশুর ৬টি রিফ্লেক্স বা সহজাত প্রতিক্রিয়া এবং এগুলোর প্রয়োজনীয়তা

নবজাতক শিশুর ৫টি রিফ্লেক্স

সময়ের সাথে মানবজাতির যে বিবর্তন হয়ে আসছে, পুরো বিষয়টি নবজাতক শিশুর রিফ্লেক্স বা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াগুলোর দিকে এক নজর তাকালেই বোঝা যায়। বিভিন্ন নড়াচড়ার দিকে তাকালেই বোঝা যায় যে নবজাতক শিশুরা আশেপাশের পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই বেশ কিছু সহজাত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে থাকে। এই প্রতিক্রিয়াগুলো কিন্তু শিশু তার বুদ্ধি খাটিয়ে করেনা বরং বলা যেতে পারে এগুলো সম্পূর্ণ সহজাত অভ্যাস যা কি না শিশু জন্ম থেকেই নিজের মধ্যে ধারণ করে থাকে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, আপনি যদি নবজাতক শিশুর ঠোঁটের নিচে আঙুল বুলান তাহলে আপনি দেখতে পাবেন শিশু নিজে থেকেই মুখ খুলে…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশু কখন থেকে খাবারের স্বাদ পেতে শুরু করে

শিশুর ইন্দ্রিয়ের বিকাশ | স্বাদ

শিশুর কৌতূহল এবং স্বাদ অনুভবের ক্ষমতা তাকে চারপাশের পৃথিবীর সাথে ধীরে ধীরে পরিচিত হতে অনেক সাহায্য করে। এমনকি সে সলিড খাবার শুরু করার আগেই তার স্বাদগ্রন্থির মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণ এবং স্বাদের খাবারের প্রতি তার পছন্দ বা অপছন্দের বিষয়টি অনুধাবন করতে শুরু করে।   শিশুর স্বাদ অনুভবের ক্ষমতা কখন বিকশিত হতে শুরু করে? মায়ের গর্ভেই বাচ্চার স্বাদ অনুভব করার ক্ষমতা বিকশিত হতে শুরু করে। গর্ভাবস্থার নবম সপ্তাহের দিকে গর্ভের শিশুর মুখ ও জিহ্বার সাথে সাথে তার প্রথম স্বাদগ্রন্থি বা টেস্ট বাডও গঠিত হয়।     গর্ভে থাকাকালীন সময়ে শিশু এমনিওটিক তরল দিয়ে…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর ইন্দ্রিয়ের বিকাশ | শ্রবণ শক্তি

শিশুর শ্রবণ শক্তির বিকাশ

একটি নবজাতক শিশু কিন্তু বেশ শুনতে পায়, তবে তার মানে এই নয় যে সে আমাদের মতই শুনতে পায়। তাদের মধ্যকর্ন তরলে পূর্ণ থাকে, যেটা তাকে পুরোপুরি শুনতে বাধা দেয়। এছাড়াও নবজাতক হিসেবে তার শ্রবণ ইন্দ্রিয়ও পরিপক্ব থাকে না। একারণে বাচ্চারা সাধারণত উচ্চস্বরে কথা বললে বা শব্দ হলে তাতে সাড়া দেয়। নবজাতক শিশু তার শ্রবণ শক্তির মাধ্যমেই চারপাশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। এছাড়াও শ্রবণ শক্তি দিয়েই শিশুর ভাষা শিক্ষার হাতেখড়ি হয় এবং মানসিক পরিপক্বতার ক্ষেত্রেও এটা বেশ প্রভাব রাখে। তাই নবজাতক শিশুর শ্রবণ শক্তিতে কোন ধরনের সমস্যা আছে কি না…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশু কখন থেকে ভালোভাবে দেখতে পায়

শিশুর দৃষ্টিশক্তির বিকাশ

শিশুর জন্মের পর থেকেই তার শারীরিক, মানসিক এবং আবেগ জনিত সব ধরনের বিকাশ হয়ে থাকে তার দৃষ্টি শক্তির সাহায্যে। কারণ একটি শিশু তার দৃষ্টি শক্তি দিয়েই চারপাশের পরিবেশ থেকে সব ধরনের তথ্যগুলো সংগ্রহ করে থাকে। জন্মের ঠিক পর পর দৃষ্টি শক্তি দিয়ে এই ধরনের তথ্য সংগ্রহের পরিমাণ কম থাকলেও শিশুর বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই তথ্য সংগ্রহের পরিমাণও বৃদ্ধি পেতে থাকে। নবজাতকের দৃষ্টিশক্তি কখন পরিপূর্ণভাবে বিকশিত হয়? শিশুর দেখতে পাওয়া এবং শুনতে পাওয়ার অনুভূতির বিকাশ একইভাবে হয়না।শিশুর জন্মের প্রথম মাসের শেষের দিকেই তার শ্রবণ শক্তি পুরপুরি বিকশিত হয়ে যায়। তবে…

বিস্তারিত পড়ুন

নবজাতকের ওজন | স্বাভাবিক বৃদ্ধি – হ্রাস এবং শিশুর গড় ওজন

নবজাতকের ওজন | স্বাভাবিক বৃদ্ধি - হ্রাস এবং শিশুর গড় ওজন।

জন্মের সময় গড়ে নবজাতকের ওজন প্রায় ৭.৫ পাউন্ড (৩.৪ কেজি) হয় যদিও ৫.৮ – ১০ পাউন্ডকে (২.৬ – ৪.৫ কেজি ) শিশুর ওজনের স্বাভাবিক পরিসীমা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সব বাবা মায়েরাই চায় তাদের সন্তান সাধারণের মাঝে অসাধারণ হয়ে তাদের গর্বিত করুক। কিন্তু শুধুমাত্র একটা বিষয়ে তারা চায় তাদের সন্তান অন্যদের মতো সাধারণ বা স্বাভাবিক মাত্রায় থাকুক। সেটা হচ্ছে “ওজন “। বাচ্চার ওজন কম হলে সে অসুস্থ নাকি আকারে ছোট সেটা নিয়ে বাবা মায়ের দুশ্চিন্তা বেড়ে যায় আবার ওজন বেশি হলে তার ওবেসিটি নিয়ে তারা চিন্তিত হয়ে পড়েন। তবে, আমাদের…

বিস্তারিত পড়ুন