শিশুর ইন্দ্রিয়ের বিকাশ | শ্রবণ শক্তি

Spread the love

একটি নবজাতক শিশু কিন্তু বেশ শুনতে পায়, তবে তার মানে এই নয় যে সে আমাদের মতই শুনতে পায়। তাদের মধ্যকর্ন তরলে পূর্ণ থাকে, যেটা তাকে পুরোপুরি শুনতে বাধা দেয়। এছাড়াও নবজাতক হিসেবে তার শ্রবণ ইন্দ্রিয়ও পরিপক্ব থাকে না। একারণে বাচ্চারা সাধারণত উচ্চস্বরে কথা বললে বা শব্দ হলে তাতে সাড়া দেয়।

নবজাতক শিশু তার শ্রবণ শক্তির মাধ্যমেই চারপাশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। এছাড়াও শ্রবণ শক্তি দিয়েই শিশুর ভাষা শিক্ষার হাতেখড়ি হয় এবং মানসিক পরিপক্বতার ক্ষেত্রেও এটা বেশ প্রভাব রাখে। তাই নবজাতক শিশুর শ্রবণ শক্তিতে কোন ধরনের সমস্যা আছে কি না সেটা যত দ্রুত সম্ভব চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ।

বিজ্ঞাপণ

সাধারণত বাচ্চার জন্মের পরপরই কান পরীক্ষা বা হিয়ারিং স্ক্রীনিং টেস্ট করা হয়। পরবর্তীতে নিয়মিত রুটিন চেকআপের সময়ও ডাক্তার তার শ্রবণ শক্তি পরীক্ষা করবেন।

শিশুর শ্রবণ শক্তি কখন পরিপক্বতা পাওয়া শুরু করে?

শিশু কিন্তু মায়ের গর্ভে থাকাকালীন সময় থেকেই কানে শুনতে শুরু করে। জন্ম হওয়ার আগ পর্যন্ত মায়ের হৃৎস্পন্দন, পাকস্থলীর শব্দ, আশেপাশের মানুষের হালকা কথাবার্তার শব্দই ঘিরে থাকে শিশুর জীবন।

সাধারণত গর্ভধারণের ২৩ সপ্তাহের দিকে সে আশপাশের শব্দ শুনতে শুরু করে। আর ৩৫ সপ্তাহের মধ্যেই শিশুর কানের গঠন সম্পূর্ণ হয়ে যায় এবং তার শ্রবণ শক্তি পরিপক্বতা লাভ করতে শুরু করে এবং এই শ্রবণ শক্তি বৃদ্ধির ধারা তার জন্মের পরেও বজায় থাকে।

জন্মের পরপরই শিশুর কানের গঠন পুরোপুরি বিকশিত থাকলেও শ্রবণ শক্তির পরিপক্বতা লাভ করতে করতে প্রায় ছয় মাস লেগে যায়। মূলত এই দেরী হওয়ার কারণ দুইটি। প্রথমত, জন্মের পরে শিশুর মধ্য কর্ণের তরল পুরপুরি পরিষ্কার হতে বেশ খানিকটা সময়ে নিয়ে থাকে। দ্বিতীয়ত, শিশুর মস্তিষ্কের যে অংশটি শ্রবণ শক্তির ক্ষেত্রে কাজ করে সেটাও পরিপক্ব হতে বেশ সময় লাগে।

শিশুর শ্রবণ শক্তির ক্রমবিকাশ

নবজাতক

আগে মানুষ ভাবত নবজাতক শিশুরা কানে শুনতে পায় না। তবে বর্তমানে এই আধুনিক যুগে এসে আমরা জানি যে নবজাতক শিশুরাও শুনতে পায়।   

এই বয়সের শিশুরা একটু উঁচু শব্দ অথবা উচ্চ স্বরের প্রতি সাড়া দেয়, আর তাই স্বাভাবিক ভাবেই এই বয়সী শিশুদের সাথে যখন কেউ আদর করেও কথা বলেন তখন তারা একটু উচ্চ স্বরেই কথা বলে থাকেন।

শিশুদের সাথে আদর করে এই ধরনের মজার মজার কথা বললে কোন ক্ষতি নেই, কেননা বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে যে এই ধরনের কথার জন্য শিশুদের কথা বলতে পারার ক্ষেত্রে কোন দেরী হয় না বরং এতে শিশু দ্রুত কথা বলা শুরু করতে উৎসাহী হয়ে উঠে।

তবে আদর করে কথা বলার পাশাপাশি বড়দের মত করেও কথা বলতে পারেন। কেননা এসব কিছুই তার কথা বলতে শুরু করার প্রশিক্ষণ হিসেবে কাজ করবে।

তবে শিশু যে কোন শব্দে কিভাবে সাড়া দিবে সেটা নির্ভর করে শিশুটির মেজাজ ও প্রকৃতির উপর । অতিরিক্ত সংবেদনশীল শিশুরা যেখানে একটু বেশি সাড়া দিয়ে থাকে সেখানে শান্ত প্রকৃতির শিশুদের ক্ষেত্রে দেখা যায় তারা তুলনামূলক কম সাড়া দিচ্ছে।

২ মাস বয়সী শিশু

দুই মাস বয়সের দিকে শিশুরা পরিচিত কণ্ঠস্বর শুনলে সাধারণত শান্ত হয়ে যায় এবং “ওহ”, “উহ” এই ধরনের শব্দ করে। আপনি যখন শিশুর সাথে কথা বলবেন তখন শিশু যদি কথার মাঝে অন্য দিকে তাকিয়ে থাকে তাহলে শিশু কানে শুনছে না ভেবে ভয় পাবেন না।

তবে শিশু যদি একবারেই আপনার ডাকে সাড়া না দেয় তাহলে পরবর্তী রুটিন চেকআপের সময় এই ব্যাপারে ডাক্তারের সাথে আলাপ করে নিন।

৩ মাস বয়সী শিশু

তিন মাস বয়সের সময় শিশুর মস্তিষ্কের যে অংশগুলো শ্রবণ, ভাষা এবং গন্ধের ক্ষেত্রে কাজ করে সে অংশগুলো বেশ পরিপক্ব হয়ে উঠে। শিশুর মস্তিষ্কের এই অংশকে ডাক্তারি ভাষায় “টেমপোরাল লোব” বলা হয়ে থাকে।

এই সময়ে শিশু যখন আপনার কথা শুনবে তখন হয়ত সে সরাসরি আপনার দিকেই তাকাবে এবং কথা বলার চেষ্টা করতে গিয়ে সে হেসে অথবা শব্দ করে উঠতে পারে।

এই সময়েও আপনি কথা বলার সময় শিশু যদি অন্য দিকে তাকিয়ে থাকে সেক্ষেত্রে খুব একটা ঘাবড়ে যাওয়ার কারণ নেই। হতে পারে তখনকার মত তার ইন্দ্রিয়ের ব্যাবহার যথেষ্ট হয়েছে এবং এখন তার বিশ্রাম দরকার।

চার মাস বয়সী শিশু

চার মাস বয়সের সময় আপনার শিশু বেশ উৎসাহের সাথেই বিভিন্ন শব্দের সাথে সাড়া দিতে থাকবে। এমনকি আপনার কণ্ঠস্বর শুনলে সে হেসেও উঠতে পারে। আর এই সময়ে আপনি যখন কথা বলবেন তখন শিশু আপনার মুখের দিকে তাকাবে এবং আপনার নকল করার চেষ্টা শুরু করবে। এছাড়া এই সময়ে শিশু উম, ব এই ধরনের শব্দ করতে পারে।

ছয় মাস বয়সী শিশু

ছয় অথবা সাত মাস বয়সের সময় শিশু যে কোন শব্দের উৎস অর্থাৎ শব্দটি কোন দিক থেকে আসছে সেটা বুঝতে পারবে এবং সেই অনুযায়ী সেদিকে তাকাতেও পারে। এমনকি আশেপাশে খুব বেশি কোলাহল না থাকলে সে সামান্য শব্দেও সাড়া দিতে পারে।

বারো মাস বয়সী শিশু

১২ মাস বয়েসে শিশু তার প্রিয় কোন গান চিনতে পারবে এমনকি সে হয়তো তার প্রিয় গানের সাথে তালও মেলাতে পারে।

শিশুর শ্রবণ শক্তির বিকাশে আপনার ভূমিকা

শিশুর শ্রবণ শক্তিজনিত অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু সমস্যা হয়ত এড়িয়ে যাওয়া যাবে না তবে শিশুর শ্রবণ শক্তি রক্ষা করার জন্য আপনারও কিছু  করনীয় আছেঃ

বিজ্ঞাপণ
  • শিশুর কানে যাতে কোন কিছু না যায় সেদিকে লক্ষ রাখবেন। এমনকি শিশুর কানে কটন বাডও দেয়া যাবে না।
  • শিশুকে যতটা সম্ভব স্বাস্থ্য সম্মত রাখবেন যাতে করে তার কানে কোন ধরনের ইনফেকশন না হতে পারে।
  • উচ্চতর শব্দ অথবা তীক্ষ্ণ শব্দ থেকে শিশুকে দূরে রাখবেন।

খেয়াল রাখতে হবে শিশুর শ্রবণ শক্তির স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য শিশুকে বিভিন্ন ধরনের শব্দের সাথে পরিচিত করাতে হবে। শ্রবণ শক্তির সুন্দর ক্রমবিকাশের জন্য যে কাজগুলো আপনার শিশুর সাথে করতে পারেন তার কিছু উদাহরণ নিচে বর্ণনা করা হলঃ

বিভিন্ন ধরনের গান এবং মিউজিক শুনাতে পারেন। শিশুদের জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি করা গান অথবা মিউজিকের সিডিও কিনে নিতে পারেন। এছাড়া শিশুকে গান গেয়েও শোনানোর পাশাপাশি কোন ধরনের ছন্ধ, ঘড়ির শব্দ এগুলোর দিকেও শিশুর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন।

শিশুর সাথে কথা বলুন এবং বিভিন্ন বই পড়ে শোনান, এমনকি শিশু নবজাতক থাকা অবস্থাতেই এই অভ্যাসটি তৈরি করুন। শিশু বড় হবে এরপর তাকে বই পড়ে শোনাবেন, এমনটা ভেবে অপেক্ষা করবেন না।

নিয়মিত আপনার কণ্ঠস্বর শোনা তার শ্রবণ শক্তির বিকাশে বেশ সাহায্য করে। এছাড়া বিভিন্ন স্বর এবং কণ্ঠে কথা বললে শিশুর মধ্যেও বিভিন্ন ধরনের শব্দের প্রতি উৎসাহ বৃদ্ধি পায়।

মনে রাখবেন, আপনি শিশুর সাথে যত বেশি কথা বলবেন, শিশু তত বেশি বেশি কথা বলার ব্যাপারে উৎসাহী হয়তে উঠবে।

শিশুকে অনেক শব্দ শেখানোর কোন প্রয়োজন নেই বরং দৈনন্দিন জীবনে শিশুকে এমনিতেই জিজ্ঞেস করুন “তুমি এখন কি করছ”। ঠিক এমনই সাধারণ কথাবার্তাই শিশুকে কথা বলতে উৎসাহী করে তুলবে।

এছাড়া বাসার কোন জিনিসটির কি নাম এবং সেটা কথায় রাখে এগুলোও শিশুকে শেখাতে পারেন। যখন শিশুকে জামা কাপড় পরাবেন তখন তাকে বলে দিন কোন কাপড়ের কি নাম এবং সেটার রঙ কি ইত্যাদি।

আপনার শিশু যে শব্দ বা গান শুনতে পছন্দ করে তাকে সেই গান বা শব্দ শুনাতে থাকুন। হতে পারে সেই শব্দটি এরোপ্লেনের অথবা একটি বিড়ালের ডাক। কেননা এই সমস্ত শব্দের মাধ্যমেই আপনার শিশু ধীরে ধীরে চারপাশের জগত সম্পর্কে ধারণা পেতে থাকবে।

কখন উদ্বিগ্ন হবেন?

বেশীরভাগ শিশুই চমৎকার শুনতে পারে তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু শিশুর মধ্যে বেশ কিছু সমস্যা দেখা যেতে পারে। বিশেষ করে সেই সব শিশুদের মধ্যে শ্রবণ শক্তির সমস্যা দেখা যায় যারা নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই জন্ম গ্রহণ করে অথবা জন্মের সময় অক্সিজেনের অভাবে ভুগে।

এছাড়া জন্মের সমসাময়িক সময়ে যদি শিশু কোন বড় ধরনের সংক্রমণে ভুগে থাকে তাহলেও শিশুর শ্রবণ শক্তিতে সমস্যা দেখা যেতে পারে। পারিবারিকভাবে অতীতে যদি কারো শ্রবণ শক্তির সমস্যা থাকে তাহলেও শিশুর মধ্যে এই ধরনের সমস্যার তীব্রতা দেখা যেতে পারে।

কিছু ক্ষেত্রে শিশুর বয়স বাড়ার পর তার শ্রবণ শক্তির সমস্যা শুরু হতে পারে। তাই মনে রাখবেন, জন্মের পর আপনার শিশুর শ্রবণ শক্তি পরীক্ষায় যদি দেখা যায় যে সব কিছু ঠিক আছে তাহলেই নিশ্চিন্তে বসে থাকবেন না বরং নিয়মিত চেকআপের সময় শিশুর শ্রবণ শক্তি পরীক্ষা হচ্ছে কি না সেদিকেও লক্ষ রাখুন।

আপনার শিশু কি সঠিক ভাবে সবকিছু শুনতে পারছে কি না সেটা বুঝার জন্য নিচের গাইডলাইনটির দিকে লক্ষ্য রাখুনঃ

(গাইডলাইনটি ফলো করার আগে একটি বিষয় জেনে নেয়া উচিৎ, আর সেটা হল প্রতিটিই শিশুই আলাদা এবং একেকজন একেক সময়ে মাইলস্টোনগুলো অতিক্রম করতে সক্ষম হয়)

জন্মের পর থেকে প্রথম তিন মাস

বিজ্ঞাপণ
  • শিশু জোরে শব্দ হলে চমকে উঠবে
  • ধীরে ধীরে শব্দ করবে
  • যখন শিশুর সাথে কথা বলবেন তখন শিশু হাসবে অথবা শান্ত থাকবে
  • আপনার কণ্ঠস্বর চিনে যাবে এবং আপনার কণ্ঠ শুনলে সে কান্না থামিয়ে দিবে

চার থেকে ছয় মাস বয়স

  • যে কোন শব্দ হলে সেদিকে তাকানোর চেষ্টা করবে
  • কণ্ঠস্বরের তীব্রতা অনুযায়ী সে সাড়া দিবে
  • বিভিন্ন রকম শব্দ করতে থাকবে
  • ঝুনঝুনি বা এই ধরনের খেলনা পছন্দ করবে
  • কোথাও গান শুনতে পেলে সে মনোযোগ দিয়ে শুনবে 
  • অনেক জোরে শব্দ হলে শিশু ভয় পেয়ে কান্না করতে শুরু করবে

সাত থেকে বারো মাস বয়স

  • শিশুর নাম ধরে কেউ আস্তে করে ডাক দিলেও সে সাড়া দিবে
  • শব্দের উৎস খুঁজে বের করার চেষ্টা করবে
  • যখন তার সাথে কথা বলা হয় সে মনোযোগ দিয়ে শুনবে
  • “এদিকে আসো” বা এই ধরনের ছোট ছোট বাক্যের প্রতি সে সাড়া দিবে
  • আপনি কোন জিনিস দেখিয়ে যখন তাকে কিছু বলবেন তখন সে সেই জিনিসটার দিকে তাকাবে
  • যে কোন শব্দের অনুকরণ করার চেষ্টা করবে

কখন ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে?

সাধারণত বাবা-মা অথবা দাদা-দাদিই বেশীরভাগ সময় বুঝতে পারেন শিশুর শ্রবণ শক্তিতে কোন ধরনের সমস্যা হচ্ছে কি না, কেননা তারাই শিশুর সাথে বেশি সময় অতিবাহিত করে থাকেন।

আপনার যদি মনে হয় যে শিশু কম শুনছে অথবা শ্রবণ শক্তি জনিত কোন জটিলতায় ভুগছে তাহলে শিশুর বয়স তিন মাস হওয়ার আগেই তার নিয়মিত ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে একজন শ্রবণ শক্তি বিশেষজ্ঞের সাথে আলাপ করে নিন।

এই ধরনের সমস্যা যদি প্রাথমিক দিকেই চিকিৎসা করে নেয়া যায় তাহলে আর অন্য আট দশটা বাচ্চার মতই আপনার শিশু শুনতে পারার সাথে সাথে সময় মত কথাও বলতে পারে।

যদিও বেশীরভাগ সময় শিশুর শ্রবণ শক্তি জনিত সমস্যার কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয় না, তবুও শ্রবণ শক্তি বিশেষজ্ঞ আপনাকে নিম্নের প্রশ্নগুলো জিজ্ঞেস করে এর কারণ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করবেন:

  • পরিবারের অন্য কারো মধ্যে কি শ্রবণ শক্তি জনিত জটিলতা আছে কি না
  • গর্ভকালীন সময়ে অথবা প্রসবের সময় কি কোন ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে কি না
  • নির্ধারিত সময়ের আগেই শিশুর জন্ম হয়ে গিয়েছিল কি না
  • জন্মের সময় কি শিশুর ওজন কম ছিল কি না

এটা জেনে রাখা উচিৎ যেসব শিশুরা কানে শুনতে পায় না তাদের মধ্যে শতকরা পঞ্চাশ ভাগ শিশুরই কানে শুনতে না পাওয়ার কারণ খুঁজে বের করা যায় না। এছাড়া অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণেও শ্রবণ শক্তি জনিত সমস্যায় শিশু ভুগতে পারে। আর তাই নিয়মিতই শিশুর নাক কান ও গলা পরীক্ষা করতে ভুলবেন না।

শিশুর শ্রবণ শক্তি জনিত সমস্যা যত দ্রুত ধরা পরে ততই ভালো। কেননা তাহলে সঠিক সময়ে শিশুকে চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে ছয় মাস বয়সের আগে শ্রবণ শক্তির সমস্যায় আক্রান্ত যে সকল শিশুদের কানে শুনার যন্ত্রের মাধ্যমে তার শ্রবণ শক্তিতে সহযোগিতা করা হয় সে সকল শিশু সঠিক সময়েই কথা বলে এবং অন্যান্য আট দশটা বাচ্চার মতই তাদের ভাষার দক্ষতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেতে থাকে। 

সবার জন্য শুভকামনা।


Spread the love

Related posts

Leave a Comment