করোনা ভাইরাস এবং আমরা

করোনা ভাইরাস নিয়ে প্রচুর কথা হচ্ছে, এর ভয়াবহতা, কারণ প্রতিকার ইত্যাদি নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলছেন। সেইসাথে চলছে ভুয়া খবর, পরচর্চা , ট্রল আর চলছে পীর ফকিরদের বিভিন্ন ভবিষ্যতবাণী চর্চা। যেহেতু আমরা এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নই, বাচ্চা কাচ্চা , আর বাবা-মায়েদের নিয়েই আমাদের কাজ-, তাই এসব বিষয় নিয়ে লিখছি না। বিশেষ করনীয় এবং দেশের কিংবা বিশ্বের বর্তমান খবর পাওয়ার জন্য আপনারা নির্ভরযোগ্য প্লাটফর্মগুলো ফলো করুন।   

আজকে আমি একজন নাগরিক হিসেবে আমার অবস্থান থেকেই আমাদের সোশ্যাল- মিডিয়া এবং এতে সর্বসাধারনের  অংশগ্রহণ নিয়ে  কথা বলব।      

আজকাল যেসব পোস্ট বেশি দেখা যাচ্ছে, তা হলো পলিটিশিয়ানদের নিয়ে সমালোচনা। আচ্ছা, এটা কি নতুন কিছু? কারা যাচ্ছে দেশ পরিচালনার মূল দায়িত্ব নিয়ে? কিছুদিনের শিক্ষকতা করার সুবাদে দেখেছি  নৈতিকভাবে চূড়ান্ত অবক্ষয় ঘটেছে যেসব ছাত্রের, যারা নিজের ক্ষমতা প্রদর্শনে পুরো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশকেই কলুষিত করে যাচ্ছে,  তারাই  আমাদের ভবিষ্যৎ নেতা- যাদের  কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়-জীবনের শুরুটাই হয় অন্যায্য দাবী  আর বেআইনি উপায়ে সুবিধা আদায় করার মাধ্যমে।   তারা এসব নিয়ে এতই ব্যস্ত থাকেন যে  অ্যাকাডেমিক জ্ঞান-অর্জন কিংবা  বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানার তাদের তেমন সুযোগ হয়ে উঠে না, এমনকি নেতা হয়েও শিষ্টাচার এবং কোন বিষয়ে পাব্লিক স্পিকিং স্কিল শেখা কিংবা একটি জরুরী বিষয়ে সুচিন্তিত বক্তব্য পর্যন্ত দিতে অক্ষম থাকেন- আর আমরা এগুলো নিয়েই ট্রল করে যাই বছরের পর বছর!  কি লাভ?             

আর একদল আছেন, অত্যন্ত বিজ্ঞ সমাজ, এদের অনেকেই আবার দেশের বাইরে বাস করেন, এদের কাজই হলো ‘আমাদের দেশের মানুষ’ কিংবা ‘বাঙালি’ দিয়ে কথা (লেখা) শুরু করেন, আর বিশাল লেকচার প্রদান করেন স্যাটায়ার করে, মূল বক্তব্য থাকে,  দেশের মানুষকে দিয়ে কিছুই হবে না। সারাক্ষনই তাদের একটাই বক্তব্য , উনারা কত মহান, এবং অন্য দেশগুলো বাংলাদেশ থেকে কত বেশি ভালো। কমেন্ট বক্সে পক্ষ-বিপক্ষের ঝড় বয়ে যায়।  বস্তুতপক্ষে কখনো , কোনদিন এদের কোন ভালো কাজে, কিংবা সমাজ পরিবর্তনের কান্ডারি হিসেবে দেখবেন না। এদের দৌড় ফেস-বুকে  তর্কাতর্কি, সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করা আর লাইক কুড়ানোয় সীমাবদ্ধ।         

এবার আসা যাক, সোশ্যাল মিডিয়ার  মহান ধার্মিক সমাজে-ফেইস-বুকেই যাদের বেহেস্ত  দোজখ, আখেরাত আর পরকাল । এদের প্রিয় টপিক হল বেপর্দা নারি, আর বিভিন্ন দিবসে কি করলে মানুষ জাহান্নামি হবে। এদের মূল কাজ পরচর্চা, না জেনে না বুঝে পোস্ট শেয়ার করা,  ধর্মের নামে গাঁজাখুরি কথা ছড়ানো আর কমেন্ট-বক্সে তর্কাতর্কি করা আর ধর্মকে পচিয়ে দুর্গন্ধ ছড়ানো। এই সম্প্রদায়কেও আপনি ফিল্ডে কোন ভালো কাজে  এগিয়ে আসতে দেখবেন না। এরা গায়েবানায় বিশ্বাসী , তাই কাজের সময় গায়েব হয়ে যান।                

যাই হোক, উপরে অনেকের নামে কুৎসা গাইলাম। আমিও বাঙ্গালী কিনা। কুৎসা না গাইলে ঠিক জমে না। তবে,  যাদের নিয়ে কুৎসা গাইলাম, তাদের সংখ্যা গৌণ- এবার কথা বলব সংখ্যাগরিষ্ঠদের নিয়ে-  সাধারণ মানুষ –ম্যাজরিটি – যারা যেখানে সেখানে থুতু ফেলে, যারা যারা কানের থার্মোমিটার দিয়ে মানুষের কপালে ঠেকিয়ে জ্বর মাপেন, যারা লক-ডাউনে পরিবার নিয়ে সী-বিচ যান, যারা মুখের মাস্ক দিয়ে নাক খুঁটান – সেই অশিক্ষিত মাস-পপুল্যাশানের কথায় আসি।  

কর্তৃপক্ষ এবং রাজনীতিবিদেরা যখন নিজের ঢাক নিজে পেটাতে আর মানুষকে ভুল বোঝাতে ব্যস্ত- – তখন একদল মানুষ কিন্তু বার বার সতর্ক করছিলেন, কিছু মানুষ অল্প ফান্ডিং দিয়ে কিছু কর্মসুচি হাতে নিলো (বিদ্যানন্দের নাম না নিলেই নয়) ,    অনেকটা মশা মারতে কামান দাগার মত।  অনেক বাচ্চা বাচ্চা ছাত্র নিজেরাই স্যানিটাইযার বানাতে লেগে গেলো।   এই পোস্ট গুলো তেমন শেয়ার পেলো না, যত না পেলো  কেয়ামত ঘনিয়ে আসছে টাইপ পোস্ট গুলো। এখন যখন শেয়ার পাচ্ছে, যখন করোনা ছড়িয়ে পড়েছে।  এখন দেখা যাচ্ছে কিছু রাজনৈতিক দলের কর্মিরাও স্যানিটাইযার বিলি করতে নেমেছেন। তাও ভালো ,  দেরিতে হলেও, কিছুটা করলেন তাঁরা। কিন্তু যখন কেউ বিশ্বাস করছিলো না, এমনকি কিছু মানুষের  আজেবাজে কমেন্ট সহ্য করেও যারা কিছু কাজ ক’রে অন্যদের জন্য শিক্ষণীয় কিছু করেছেন, তাদের জন্য অন্তরের গহীন থেকে জানাই সম্মান। এসব মানুষ হলেন তাঁরা, যারা কখনো বাহবা কিংবা হাত  তালির জন্য লালায়িত থাকেন না, কিছু উদ্বোধন টাইপের ব্যাপার থাকে না তাদের প্রকল্পগুলোয়। তাঁরা  মানুষের জন্য কাজ ক’রে যান প্রতিদানের আশা না করেই।     

আমি কথা বলব সেইসব সাধারণ মানুষের, যারা মজুদদারি করছেন না, এমন অনেক মানুষ যারা অন্যের কথাও ভাবছেন। প্রথমেই আসি আমাদের মায়েদের গ্রুপের  কিছু মায়েদের কথায়- যারা নিজের বাচ্চার জন্য দুধ কেনার সময় অন্যের কথা মাথায় রেখেছেন। মায়েদের গ্রুপে কেউ কেউ  বলেছেন, আমি বাচ্চার জন্য একমাসেরই দুধ কিনেছি, (যদিও তার সামর্থ্য আছে কেনার)  তাঁরা কারণ হসেবে বলেছেন, অন্য একজন মা যার ইনকাম কম, তিনি এত দামী ফর্মুলা স্টক করতে পারবেন না। অন্যকে কয়েক মাসের দুধ মজুদ করতে দেখে তিনি আতঙ্কিত হবেন। আরেকজন  মা লিখেছেন, আমি নিত্য-প্রয়োজনীয় দ্রব্য ছাড়া কিছুই বেশিদিনের জন্য কিনি নি, একজন বললেন, বেশি বেশি না কিনে কম কম খাওয়া অভ্যাস করুন, আমি কম খাওয়া অভ্যাস করছি, অনেক দিন ধরে ডায়েট করব ভাবছি, কিংবা রোযা রাখবো ভাবছি, করোনা আমাকে সেই ধাক্কাটা দিয়ে গেলো। এসব কমেন্ট, এসব স্ট্যাটাস কিন্তু আমাদের মত সাধারণ মানুষেরই।  জাত ধর্ম নির্বিশেষে যার যার সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করছেন, কোনোদিন যিনি নামায মিস করেন না, তিনি শুক্রবার জুমায় যান নি, অন্যকেও না যেতে  উপদেশ দিয়েছেন। অনেকেই অন্যকে সাহায্য করার জন্য নিজ নিজ অবস্থান  থেকে  চেষ্টা করছেন। কিছু আলেম এগিয়ে এসেছেন সত্যিকারের কিছু জ্ঞানের আলো  নিয়ে, সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে তাঁদের অবদানকেও অস্বীকার করা যাবে না।  

 আমরা শুনছি, দেখছি, অনেক ডাক্তার, কিংবা দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কিংবা সেচ্ছাসেবক নিজের সন্তানকে জড়িয়ে ধরতে পারছেন না,  কিংবা নিজের মায়ের রুমে যাচ্ছেন না তাঁদেরকে সংক্রমণ করে ফেলার  ভয়ে। কেউ কেউ স্যানিটাইয করতে গিয়ে কিছু মহলের অসম্মানজনক মন্তব্যের সম্মুখিন হয়েছেন,  অনেক ব্যবসায়ী আছেন একজন কাস্টোমারকে  নির্দিষ্ট  সংখ্যক আইটেমের বেশি বিক্রি করছেন না বিশেষ করে, যেসব জিনিসের হাই ডিম্যান্ড সেসবের। হ্যাঁ, সবই আমার নিজ চোখে দেখা , নিজের সমাজে, নিজের দেশে ঘটা। আমাদের তরুন গবেষকরা কাজ করছেন, তরুন স্বেচ্ছাসেবকরা মিনিমাম সেইফটি নিয়ে চেষ্টা করছেন জনসচেতনতা তৈরি করার। গার্মেন্টস কর্মীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে বানাচ্ছেন মাস্ক আর প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম। আমাদের পুলিশ আর সেনাবাহিনীও কাজ করছেন অজানা অচেনা ভয়ঙ্কর এক ভাইরাসের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরিতে। আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা আপনাদের জন্য।

একটু পেছনের দিকে তাকালেই দেখবেন, কিছু নাই আমাদের, ঢাল নাই, তলোয়ার নাই, নাক-খুটা সর্দার- এরাই দা , বটি , লাঠি নিয়ে পাক-আর্মির বিরুদ্ধে নেমেছিল, লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া ৯১ আর সিডরে শেষ হয়ে গিয়েও কিভাবে যেন এই অশিক্ষিত লোকজনই উঠে দাঁড়িয়েছিল। মনে আছে? গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে আগুন লাগা কিংবা বিশাল ভবন ভেঙ্গে পড়া মানুষগুলোকে উদ্ধার করার সময় কিংবা সোয়েরেজের পাইপে পড়ে যাওয়া সেই ছোট শিশুর লাশটিকে তুলে আনার সময়- আমাদের এখানে ওখানে থুতু ফেলা, নাকের সিকনি মোছা জনগণই কি কি করেছিলো ? 

 অনেকেই কর্মচারিকে মাসের বেতন দিয়ে ছুটি দিয়ে দিয়েছেন, সাথে বিপদের দিনের জন্য চাল-ডালের খরচ। নিজেই হয়ত অর্থকষ্টে পড়ে গেছেন ব্যবসা বন্ধ, তাই। আমরা এই ব্যবসায়ীদের খবর রাখি ? তাদের অবদানের কথা দেই স্ট্যাটাসে ? এই রকম ছোট ছোট পরিসরে আমাদের এই গরিব, হুজুগপ্রিয় জাতিটাই কিভাবে যেনো বিপদ থেকে মুক্তি পায়। আমরা না  দেখলেও সৃষ্টিকর্তা ঠিকই দেখেন। এদের জন্যই উনি আমাদের মাফ করেন, আর তার করুনা বর্ষণ করেন।  আর দেশচালকগন দাবি করেন, উহা তাদের কৃতিত্ব, পীর হুজুর গন দাবি করেন এটি আসলে উনাদের কৃতিত্ব। এই আমজনতা এসবের ধার ধারে না, সমস্যা মিটে গেলে এরা বিপুল উৎসাহে আবার ভিড় জমান, নাক খুঁটান, মেয়েরা হেঁটে গেলে  আপাদমস্তক হা করে তাকিয়ে দেখেন, লেখা নকল করে স্ট্যাটাস দেন, রেস্টুরেন্টের ভেজাল খাবার খাওয়া  শুরু করেন আর একে অন্যকে ইনবক্স আর কমেন্টে গালি দিয়ে উদ্ধার করে ফেলা শুরু করে দেন। তাই এখন এই পাগলা জাতিকে একটু সাঁকোটা নাড়িয়ে দেখিয়ে দিতে হবে। আর এই সাঁকোটা আমরাই নাড়াতে পারি সচেতনতা আর আপডেট এর খবরের সাথে সাথে সোশ্যাল –মিডিয়াতে  বিভিন্ন ভালো খবর ছড়িয়ে দিতে। সরকারের খুঁত ধরা আর ট্রল তো অনেক হলো।     

দেখবেন এই ভালো কথা গুলো ছড়িয়ে দিলে ,হুজুগে বাঙালি তাই করা শুরু করবে। অন্তত একটা বড় অংশ করবে। আমি বিশ্বাস করি আমরাই পারবো, যদি এক্সপার্ট, সুস্থ-নীতি মেনে চলা মিডিয়া, ডাক্তার , প্রশাসন এবং সরকারের কিছু বিজ্ঞ ব্যক্তি যারা নিজের কথার উপরে এক্সপার্টদের কথার মুল্য দিতে জানেন এমন একটি টীম দেশের মানুষকে সাথে নিয়ে দল-মত নির্বিশেষে একটি নেতৃত্ব গঠন করে মানুষকে এই বিপদ এবং সামনের অর্থনিতির যে দুরবস্থা আশংকা করা হচ্ছে সেটি নির্মুলে কাজ করতে আমরা সবাই অনুরোধ করছি।  

পরিশেষের কথাটি ডাক্তার সমাজের জন্যঃ

ডাক্তার সমাজ, আপনাদের বলি, আপনাদের কি আসলেই কোনো ধারনা নেই, যে সাধারণ মানুষ আপনাদের কি ভাবে? আপনারা কি আসলেই বোঝেন না, কত মানুষের কত দোয়া আপনাদের সঙ্গে থাকে? আপনারা জানেন, এক এক জন মা তাদের সন্তানের পেডিট্রিশিয়ানকে কি চোখে দেখে? আমার গাইণির সাথে কথা বললেই আমার অর্ধেক ভয় কেটে যেত। আপনাদের একেকটি একটা ভরসার বানী কত দুঃস্বপ্নের অবসান ঘটায় ?  সব কিছু কি সবসময় ফেসবুকের স্ট্যাটাসে প্রকাশ পায়?  কিছু মানুষের সাথে যে অন্যায় ঘটে না, তা না।কিন্তু কেন বলেন কিংবা ভাবেন যে সাধারণ মানুষ শুধুই আপনাদের গালি দেয়? বিষয়টা যেহেতু অসুস্থতা কিংবা বাঁচা মরার সাথে সম্পৃক্ত, কিছু ক্ষেত্রে, মানুষের মাথা কিংবা ইমোশান তাৎক্ষনিকভাবে খুব লজিক্যাল থাকে না।  

আবার কিছু মানুষ আছে, যাদের জীবনের কোন অর্জন নেই, যাদের কাজ নিজের ব্যর্থ জীবনের ক্লেদ কিছুটা ফেসবুকের কমেন্টে ঝেড়ে এরা শান্তি পায়। আপনারা বিশ্বাস করুন, এরা তাহসান, মিথিলা, ক্রিকেট টীম, কিংবা বিভিন্ন সেলিব্রিটি কিংবা অন্যান্য পেশাজীবী বিভিন্ন সম্মানিত লোকদের পেইজ কিংবা স্ট্যাটাসেও একই ধরনের কথা লিখে। তাই এদের কথা পড়ে দয়া  করে দেশের সব মানুষকে জাজ করবেন না। আমরা সবাই আছি আপনাদের পাশে। আমাদের অনেক দোয়া আপনাদের জন্য। আমরা আপনাদের উপদেশ মেনে চলছি আর এমনকি আমাদের প্যারেন্টসদের,  ভিউয়ার/ অডিএন্স সবাইকেই আপনাদের পরামর্শ মেনে চলতে উৎসাহিত করছি।

দয়া করে সাধারন মানুষকে ভুল বুঝবেন না। ফেসবুকের পাতায় যদি নাও থাকে, আপনাদের কৃতিত্ব গেঁথে থাকে মানুষের মনে, এই জাতি গঠনে।  অনেক ভালো ডাক্তার আছেন যারা দেশ থেকে, দেশের বাইরে থেকে মানুষের জন্য ভালো ভালো পরামর্শ দিচ্ছেন।  আমরা জানি, আপনারা কতটা করছেন যার যার অবস্থানে থেকে! কেনো কিছু নেগ্যাটিভ কমেন্টকে আপনারা হাইলাইট করছেন? এখন এসবের সময় নয়।  হাজার হাজার মানুষ মন থেকে আপনাদের কল্যাণ কামনা করছে, প্রকাশ্যে ধন্যবাদ দিচ্ছে-সেটা দেখবেন না বুঝি?

আপনারা নিরাপদে থাকুন। দেশের কল্যানে অবশ্যই ঝাঁপিয়ে পরুন, আপনাদের প্রফেশানের দাবি এটা , তবে ইমোশানাল হয়ে না, যৌক্তিক  উপায়ে। ডাক্তার ও স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করার আন্দোলনে আমরাও শরীক হলাম আপনাদের সাথে। এবং সত্যি কথা বলতে, সমগ্র  বাংলাদেশও আপনাদের সাথেই।  আল্লাহ আমাদের সবাইকে রক্ষা করুন।              

Related posts