ডাউন সিনড্রোম । কারণ, ঝুঁকি ও করনীয়

ডাউন সিনড্রোম

ডাউন সিনড্রোম (Down syndrome) বা ডাউন শিশু প্রকৃতির খেয়ালে তৈরি এক বিশেষ ধরনের শিশু। ব্রিটিশ চিকিৎসক জন ল্যাঙ্গডন ডাউন ১৮৬৬ সালে এ শিশুদের চিহ্নিত করেন বলে তার নামানুসারে ডাউন সিনড্রোম কথাটি প্রচলিত হয়। প্রতি ৫০০ থেকে ৭০০ শিশুর মধ্যে একটি শিশু ডাউন সিনড্রোম বা ডাউন শিশু হিসেবে জন্মগ্রহণ করতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী আমাদের দেশে প্রতি বছর ৫০০০ বা প্রতিদিন প্রায় ১৫টি ডাউন শিশুর জন্ম হয়। ডাউন সিনড্রোম কি? আমাদের কোষের মধ্যকার ক্রোমোজোমের ভেতরের ডিএনএকে বলা হয় বংশগতির ধারক ও বাহক। আমাদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য যেমন আচার, আচরণ, বুদ্ধিমত্তা,…

Read More

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম | গর্ভধারণে কিভাবে প্রভাব ফেলতে পারে?

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম কি? পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম একধরনের হরমোনাল ইম্ব্যালান্স যা মহিলাদের হয়। প্রতি একশ জন নারীর মধ্যে আট থেকে দশ জনের এ সমস্যা থাকতে পারে। এই রোগে ডিম্বাশয়ে অনেকগুলো সিস্ট হয় বলেই এর এমন নামকরন। তরুণীদের মধ্যে সাধারণত এই রোগটি বেশী হয়ে থাকে। মহিলাদের ডিম্বাণু তৈরি হয় একধরনের তরলপূর্ণ থলীর ভেতর যাকে ফলিকল বা সিস্ট বলে। যখন ডিম্বাণু পরিপক্ক হয় তখন এই থলী ফেটে যায় এবং ডিম্বাণু বেরিয়ে আসে। এই অবস্থা কে ওভুলেশন বলে। পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম এই প্রক্রিয়াই বাঁধা সৃষ্টি করে। যাদের পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম আছে সেসব নারীদের…

Read More

ফাইব্রয়েড বা জরায়ুর টিউমারের চিকিৎসা

ফাইব্রয়েড বা জরায়ুর টিউমারের চিকিৎসা

রোগ নির্ণয় এমন অনেক নারী আছেন, যারা জানেনই না যে তাদের জরায়ুতে টিউমার রয়েছে। আপনার ফাইব্রয়েড হয়েছে বলে ডাক্তার যদি সন্দেহ করে থাকেন, তাহলে সুস্পষ্ট প্রমাণের জন্য তিনি আপনার শ্রোণীদেশ পরীক্ষা (Pelvic Examination) করে দেখতে পারেন। ফাইব্রয়েড নিশ্চিত করার জন্য অথবা আরো যেসব কারণে একই রকম উপসর্গ হতে পারে, সেগুলোকে বাতিল করার জন্য আরো কিছু পরীক্ষা করানোর প্রয়োজন হতে পারে,। এই পরীক্ষাগুলোর জন্য ডাক্তার আপনাকে  কোন হাসপাতাল বা প্যাথোলজি সেন্টারে পাঠাতে পারেন। যেহেতু ফাইব্রয়েড আক্রান্ত হলে সাধারণত কোনো লক্ষণ প্রকাশিত হয় না, তাই কখনো কখনো গাইনোকোলোজিক্যাল রুটিন চেক আপের সময়…

Read More

ফাইব্রয়েড বা জরায়ুর টিউমার । গর্ভধারণে কি প্রভাব ফেলতে পারে?

ফাইব্রয়েড বা জরায়ুর টিউমার

ফাইব্রয়েড বা জরায়ুর টিউমার কি?  ফাইব্রয়েড বা জরায়ুর টিউমার হলো নারীদেহের সাধারণ একধরনের টিউমার। গর্ভাবস্থায় শতকরা ১০ ভাগ নারীর দেহে ফাইব্রয়েড থাকতে পারে। ৩০ থেকে ৪০ বছরের নারীদের মধ্যে ফাইব্রয়েড আক্রান্তের হার বেশি। কিন্তু স্বস্তির বিষয় হলো, এটি টিউমার হলেও কিন্তু ক্যানসার নয়। এটি শরীরে ক্যানসারের মতো কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলে না। এই টিউমার থেকে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা এক শতাংশের কম। এটি ইউটেরিন মায়োমা (Uterine Myoma) ফাইব্রো মায়োমা, লাইওমায়োমা নামেও পরিচিত। জরায়ু টিউমার বিভিন্ন আকারের হয়ে থাকে। ছোট টিউমার দেখতে মটরশুটির দানার সমান এবং বড় আকারের টিউমার কখনো কখনো বড়…

Read More

এমনিওটিক ফ্লুইড বেড়ে যাওয়া বা পলিহাইড্রামনিওস (পানি বেড়ে যাওয়া)

এমনিওটিক ফ্লুইড বেড়ে যাওয়া

এমনিওটিক ফ্লুইড কি? এমনিওটিক ফ্লুইড হোল গর্ভের শিশুর লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমের একটি অংশ। গর্ভধারণের সাধারণত ১২ দিনের মদ্ধেই এমনিওটিক থলি গঠিত হওয়ার সাথে সাথেই এমনিওটিক ফ্লুইড উৎপন্ন হওয়া শুরু হয়। প্রথম দিকে এটি পানি দ্বারা তৈরি হয়া যা মায়ের শরীর সরবরাহ করে।  গর্ভের শিশুটি মায়ের পেটে যে থলিতে থাকে তা এমনিওটিক ফ্লুইড দ্বারা পরিপূর্ণ থাকে। এই ফ্লুইড শিশুর গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। এমনিউটিক ফ্লুইড গর্ভের বাচ্চাকে যেকোন প্রকার বাধা বিপত্তি বা কোন প্রকার আঘাত থেকে রক্ষা করে। বাচ্চা এই তরলে ভেসে থেকে শ্বাস প্রশ্বস গ্রহন করে এবং এবং এই…

Read More

গর্ভাবস্থায় থাইরয়েডের সমস্যা । জেনে রাখা জরুরী

গর্ভাবস্থায় থাইরয়েডের সমস্যা

থাইরয়েড একটি ছোট গ্রন্থি যা মানুষের গলার সামনের দিকে চামড়ার নিচে থাকে। এ গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন নামক এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয়ে রক্তের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়ে শরীরের প্রতিটি কোষে পৌঁছে যায়। থাইরয়েড হরমোন শরীরের অনেক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ সহ কিভাবে দ্রুত আপনার ক্যালোরি বার্ন এবং কত দ্রুত আপনার হৃদয়স্পন্দন হবে তা নিয়ন্ত্রণ করে। এ ছারাও এ হরমোন মানব দেহে শক্তি উৎপাদন করে এবং শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রন করে। গর্ভাবস্থায় থাইরয়েডের সমস্যা হতে পারে। এ হরমোন স্বাভাবিক পরিমানের চেয়ে বেশি বা কম নিঃসরনের কারণে বিভিন্ন রকমের থাইরয়েড রোগ দেখা দেয়। বেশী নিঃসরন এর…

Read More

প্রি-টার্ম লেবার ও প্রি-টার্ম বার্থ । সময়ের আগেই প্রসব

প্রি-টার্ম লেবার

প্রি-টার্ম লেবার কি? স্বাভাবিক গর্ভাবস্থা সাধারণত ৪০ সপ্তাহ স্থায়ী হয়। এর সময় শুরু হয় শেষ মাসিকের প্রথম দিন হতে। লেবার বা প্রসব যন্ত্রণা গর্ভাবস্থার একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যাতে জরায়ুর সঙ্কোচনের ফলে Cervix বা জারায়ু মুখ পাতলা হয়ে যায় এবং খুলে যায় যার ফলে বাচ্চা বেড়িয়ে আসতে পারে। এ প্রক্রিয়াটি স্বাভাবিক অবস্থায় গর্ভাবস্থার ৩৭-৪২ সপ্তাহের মধ্যে হয়।যদি কোন কারণে ৩৭ সপ্তাহের আগেই গর্ভবতী মায়ের নিয়মিত জরায়ু সংকোচন হতে থাকে এবং তার ফলে জরায়ু মুখ খুলে যায় তবে তাকে প্রি-টার্ম লেবার বলে। এটি প্রি-ম্যাচিউর লেবার নামেও পরিচিত। প্রি-টার্ম লেবার এর ফলে প্রি-টার্ম…

Read More

মোলার প্রেগন্যান্সি | গর্ভকালীন জটিলতা

মোলার প্রেগন্যান্সি

মোলার প্রেগন্যান্সি কি? মোলার প্রেগন্যান্সি এক ধরনের অস্বাভাবিক গর্ভধারণ যেখানে প্লাসেন্টা বা গর্ভফুলের টিস্যুগুলোর অস্বাভাবিক এবং অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি ঘটে।  মোলার প্রেগন্যান্সির ক্ষেত্রে নিষিক্ত ডিম্বাণু থেকে ভ্রুন গঠিত হওয়ার পরিবর্তে অস্বাভাবিক সিস্ট বা টিউমারে পরিণত হয় যা দেখতে আঙ্গুরের থোকার মত হয়। স্বাভাবিক এবং সুস্থ গর্ভাবস্থায় মায়ের জরায়ুতে প্লাসেন্টার সৃষ্টি হয় এবং তা গর্ভের শিশুর পুষ্টি ও অক্সিজেন সরবরাহ করে কিন্তু মোলার প্রেগন্যান্সি ক্ষেত্রে এমনটা হয়না। মোলার প্রেগন্যান্সির ক্ষেত্রে প্রথম দিকে স্বাভাবিক গর্ভধারণের লক্ষনগুলো দেখা যায় কিন্তু কিছুদিন পরেই রক্তক্ষরণ সহ আরও কিছু জটিলতা দেখা দেয়। প্রতি ১০০০ গর্ভবতী মহিলার মধ্যে…

Read More

প্লাসেন্টা অ্যাকরিটা | গর্ভকালীন জটিলতা

প্লাসেন্টা অ্যাকরিটা

প্লাসেন্টা অ্যাকরিটা কি? প্লাসেন্টা জরায়ুর ভেতরে গঠিত হয় এবং আম্বলিকাল কর্ডের মাধ্যমে গর্ভের শিশুর প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও অক্সিজেন সরবরাহ করে। স্বাভাবিক অবস্থায় প্লাসেন্টা জরায়ুর উপরের দিকে অবস্থান করে এবং প্রসব পর্যন্ত সেখানেই থাকে। প্রসবের শেষ পর্যায়ে এটি জরায়ুর দেয়াল থেকে আলাদা হয়ে যায় এবং বাচ্চার পর পরই বেরিয়ে আসে যা আফটার বার্থ (after birth) নামেও পরিচিত। প্লাসেন্টা অ্যাকরিটা এমন একটি কন্ডিশন যাতে প্লাসেন্টা জরায়ুর দেয়ালের অনেক গভীরে সংযুক্ত থাকে। প্লাসেন্টা অ্যাকরিটা থাকলে তা প্রসবের সময় সহজে জরায়ু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়না এবং এতে অনেক রক্তক্ষরণ হতে পারে। জরায়ুর দেয়ালের কতটা গভীরে…

Read More

প্লাসেন্টাল অ্যাবরাপশন বা প্লাসেন্টা ছিঁড়ে যাওয়া

প্লাসেন্টাল অ্যাবরাপশন

প্লাসেন্টা (গর্ভফুল) হলো মাতৃগর্ভে শিশুর সুরক্ষা বা সাপোর্ট সিস্টেম। প্লাসেন্টা কোনো কারনে ঠিকভাবে কাজ না করলে শিশুর  স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির সম্ভাবনা বেড়ে যায়।  প্লাসেন্টা  গর্ভের সন্তানকে অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর উপাদান সরবরাহ করে এবং শিশুর রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এটি জরায়ুর দেয়াল সংলগ্ন একটি চ্যাপ্টা ও কিছুটা গোলাকৃতির অঙ্গ যা  শিশুর নাড়ী (আম্বিলিক্যাল কর্ড) এর মাধ্যমে ভ্রুনের সাথে সংযুক্ত থাকে। প্লাসেন্টাল অ্যাবরাপশন বলতে কি বোঝায় ?     প্লাসেন্টাল অ্যাবরাপশন একটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা যেটি সম্পর্কে গর্ভবতী মায়েদের জেনে রাখা ভালো।  গর্ভকালীন বা সন্তান প্রসবের পূর্বে অনেক সময়…

Read More