শিশুর প্রথম জন্মদিন কেমন হওয়া উচিৎ

শিশুর প্রথম জন্মদিন কেমন হওয়া উচিৎ

শিশুর প্রথম জন্মদিন শিশুর চেয়ে বরং  তার মা-বাবার   জন্যই বেশি স্পেশাল। হয়তো ভাবতেই পারছেন না, কবে কিভাবে একটা বছর পার হয়ে গেলো। অবশ্যই বেশ কঠিন একটি সময় পার করেছেন আর একবছরের এই পথচলা আপনাকে বিভিন্ন ভাবে বদলেছে।  আপনি স্বাভাবিকভাবেই এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সাহসী এবং আত্মবিশ্বাসী। শিশুর প্রথম জন্মদিনটি অবশ্যই একজন মায়ের জন্য বিশেষ দিন, কারণ এই দিনটি আপনার মাতৃত্বের এক বছর পূর্তিও বটে। কিন্তু একটা এক বছর বয়সী শিশুর জন্মদিন পালনের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় বিবেচনায় রাখতে হয়। যেহেতু একবছর বয়সের শিশু জন্মদিন পালনের অর্থ বুঝতে পারেনা, বরং দিনটি…

Read More

হামাগুড়ি দেয়া ও সদ্য হাঁটতে শেখা শিশুর নিরাপত্তা

হামাগুড়ি দেয়া ও সদ্য হাঁটতে শেখা শিশুর নিরাপত্তা

ঘরের ছোট্ট শিশুর পেছন পেছন মায়ের চলে সারাদিন পাহারা। নতুন হাঁটতে শিখেছে ছোট্ট শিশুটি । চেয়ারের হাতল, টেবিল, খাট কিংবা দেয়াল ধরে ধরে ঘরময় হেঁটে চলে সে অবিরাম। এমন করে হাঁটতে গিয়ে কাঠের চেয়ার নিয়েই পড়ে গিয়ে ঘটে যায় নানা দুর্ঘটনা। এই বয়সের বাচ্চারা কোন কিছু বেয়ে উপরে উঠে যেতে পারে এবং বোতল বা কোন পাত্রের ঢাকনা খুলে ফেলার মত সাধারন কাজগুলো করতে পারে। এ সময় তারা যেকোনো জিনিস মুখে দিয়ে তার স্বাদ কেমন তা পরখ করতে চায়। এগুলো খুবই স্বাভাবিক, কিন্তু আপনি সাবধান না থাকলে এমন করতে গিয়ে সে…

Read More

শিশুর চুষনি বা প্যাসিফায়ারের ব্যাবহার এবং এর সম্পর্কে বিস্তারিত

শিশুর চুষনি বা প্যাসিফাইয়ারের ব্যাবহার এবং যত্ন নেয়া

একজন নতুন মায়ের অনেক নতুন বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হয়। এক্ষেত্রে শিশুকে শান্ত রাখার ব্যাপারটাই অধিক গুরুত্ব পায়। এবং এ ব্যাপারে চুষনি (সুথার/প্যাসিফায়ার/ডামি) বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখে। কিছু বাচ্চাকে দোলনা দুলিয়ে বা জড়িয়ে ধরে শান্ত করা যায় এবং খাওয়ার সময়ই কেবল চুষতে চায়। কিন্তু অন্যদের ক্ষেত্রে তারা ক্ষুধার্ত নয় এমন অবস্থায়ও যেন দুধ চোষার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। যথেষ্ট বুকের দুধ বা ফর্মূলা খাওয়ানোর পরও যদি আপনার শিশু খেতে চায়, তবে এই সমস্যাতে চুষনি বা প্যাসিফায়ার একটি সমাধান হতে পারে। প্যাসিফায়ার বা চুষনি অবশ্যই শিশু পালনের বা খাদ্যের বিকল্প না।কিন্তু খাওয়ানো,…

Read More

নবজাতকের নাভি সংক্রান্ত কিছু জরুরী বিষয়

নবজাতকের নাভি সংক্রান্ত কিছু জরুরী বিষয়

সন্তানের সাথে মায়ের থাকে নাড়ির সম্পর্ক। এই নাড়িকে ডাক্তারি ভাষায় বলা হয়ে থাকে আম্বিলিকাল কর্ড (Umbilical Cord)। এটি আসলে মা এবং বাচ্চার মধ্যে যোগসূত্র তৈরি করে। মায়ের দিকের অংশটি লাগানো থাকে জরায়ুতে (গর্ভফুলে) এবং বাচ্চার অংশটি থাকে বাচ্চার নাভিতে। এই পথে মায়ের কাছে থেকে বাচ্চা গর্ভকালীন সময়ে পুষ্টি পেয়ে থাকে। জন্মের পর বাচ্চার দিকের অংশটি কিছু রেখে এটি কেটে ফেলা হয় এবং এই সময় প্রয়োজন সঠিক যত্নের। অনেক সময় অভিভাবকরা দুশ্চিন্তায় থাকেন নাভির যত্ন কিভাবে নিবেন? শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর নাভির যত্ন নিয়ে অনেকে চিন্তিত থাকেন। কেউ ভাবেন তেল লাগিয়ে…

Read More

পিতৃত্ব- মাতৃত্বকালীন সময়ের শুরুতে আপনার অনুভূতি: যা সব বাবা মায়ের জানা জরুরী

পিতৃত্ব- মাতৃত্বকালীন সময়ের শুরুতে আপনার অনুভূতি

আমার মধ্যে কি হচ্ছে? বাসায় নবজাতক শিশুর সাথে থাকার সময়টা চমৎকার, কিন্তু একই সাথে শোরগলপূর্ণ এবং ক্লান্তিকর। নতুন বাচ্চার সাথে জীবনটা চাহিদাপূর্ণ ও অনিশ্চিত। নিজের প্রয়োজনীয় চাহিদাগুলো এমনকি গোসল ও খাবার তৈরী করার সময়টুকু নিজের জন্য বের করে নেয়াও এই সময়ে কঠিন হয়ে যায়। আপনি ক্লান্ত ও মাঝে মাঝে আবিষ্ট হয়ে যাবেন। এটা মনে হতে পারে যে, আপনার নিজের উপরই নিজের নিয়ন্ত্রণ নেই। এটি স্বাভাবিক। এটা সবসময় থাকবে না। ছয় থেকে আট সপ্তাহের মধ্যেই আপনি অনেক বেশী গোছানো হয়ে যাবেন। তিন থেকে চার মাসে সবকিছু আরো বেশী সহজ হয়ে যাবে।…

Read More

শিশুর সঠিক খাদ্যাভ্যাস তৈরির ৭ টি টিপস (ছয় মাস থেকে ১৮ মাস বয়সী বাচ্চার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)

শিশুর সঠিক খাদ্যাভ্যাস

শিশুর সঠিক খাদ্যাভ্যাস এমন একটা দিনও সম্ভবত নেই  যেদিন কোন বাচ্চার মা অভিযোগ করছেন না, “আমার বাচ্চা কিছুই খায় না। প্লীজ, একটা কিছু করুন”। সত্যি বলতে কি, বাচ্চাদের খাওয়া সংক্রান্ত প্রশ্নই সব থেকে সাধারন প্রশ্ন যা প্রায় সবার কাছ থেকে আসে, কিন্তু যার সন্তোষজনক উত্তর দেওয়া সবথেকে কঠিন। একজন কমবয়সী মা পরিবারের সদস্য, বন্ধু, ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া, সমবয়সী বন্ধুবান্ধব ইত্যাদি বিভিন্ন উৎস থেকে প্রচুর সংখ্যায় পরস্পরবিরোধী মতামত এবং উপদেশ পান এবং তাঁরা প্রভাবিতও হন গভীরভাবে প্রোথিত পরম্পরাগত অভ্যাস, প্রাচীন বিশ্বাস এবং বাচ্চাদের খাদ্যাভ্যাস সংক্রান্ত ভুল ধারণার দ্বারা। বাচ্চাকে খাওয়ানোর জন্য…

Read More

শিশুর দাঁতের যত্ন । কখন থেকে ও কিভাবে ?

শিশুর দাঁতের যত্ন

শিশুদের দাঁত ও মাড়ির যত্নে অবহেলার কারণে অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। আপনার ছোট্ট শিশুটির দাঁত উঠার আগে ও পরে চাই যত্ন ও পরিচর্যা। আমাদের দেশের শিশুরা প্রায়ই দাঁত ও মাড়ির সমস্যায় ভোগে অথচ শিশুর দাঁতের যত্ন প্রাত্যহিক যত্নের মধ্যে পরে যার অভ্যাস শিশুদের খুব ছোটবেলা থেকেই শেখানো বা শিখিয়ে গড়ে তোলা প্রয়োজন। শিশুদের দাঁতের যত্ন নিতে হয় শুরু থেকেই কারন গর্ভেই শিশুর দাঁত উঠা শুরু করে আর সাধারনত তা ছয় মাস বয়সে দৃষ্টিগোচর হয় । কোমলমতি শিশুদের দাঁতের যত্ন নেওয়া শেখাতে পিতা মাতার ভূমিকাই প্রথম এবং যা তাদের অন্য…

Read More

প্রি-ম্যাচিওর বা সময়ের আগেই জন্ম নেয়া বাচ্চার যত্ন

প্রি-ম্যাচিওর বা সময়ের আগেই জন্ম নেয়া বাচ্চার যত্ন

বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা, মা কিংবা শিশুর কোন ধরণের সমস্যাসহ বিভিন্ন কারণেই শিশু নির্ধারিত সময়ের আগেই পৃথিবীতে আলোর মুখ দেখতে পারে। কিন্তু যেহেতু তারা নির্ধারিত সময়ের আগেই পৃথিবীতে আসে তাই তাদের যত্ন-আত্তি, তাদের দেখাশোনা সবকিছুই একটু অন্যরকম হয়। সাধারনত এদের প্রি-ম্যাচিউর বাচ্চা বলা হয়ে থাকে। গর্ভাবস্থার ৩৭ সপ্তাহ আগে জন্ম নেয়া শিশুকে প্রিম্যাচিউর বাচ্চা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সাধারণত গর্ভকাল ৪০ সপ্তাহ হলে জরায়ুতে ভ্রুণ যথেষ্ট বিকাশ লাভ করে। এসময় ভ্রুণ শিশুর ফুসফুস ও অন্যান্য অঙ্গ পরিপূর্ণতা লাভ করে। ফলে সন্তান প্রসবের পর মাতৃজঠর থেকে বেরিয়ে এসে শিশু যে পরিবেশ পায়…

Read More

শিশুর নাক ও গলার কফ কিভাবে পরিষ্কার করবেন ?

শিশুর নাক ও গলার কফ

কফ কি এবং কেন হয়? কফ হলো গলার অস্বস্তিকর পিচ্ছিল পদার্থ। এটা শ্বাস নালীতে তৈরি এবং সেখান থেকে নিঃসৃত রস যা কাশির মাধ্যমে শ্বাসনালী থেকে বের হয়ে আসে তাকেই কফ বলা হয়। বাইরের জিনিস শ্বাসনালীতে প্রবেশ করলে শরীরের Protective mechanism এর ফলে শ্বাসনালী তা কফের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়- এই প্রক্রিয়াকে কাশি বলা হয়। গলার গ্ল্যান্ডগুলো দিনে প্রায় এক থেকে দুই লিটার কফ তৈরি করে। কফ হলো আমাদের শ্বাসনালীর রস। শ্বাসনালীকে ভিজিয়ে রাখা কফের কাজ। শ্বাসনালী কোনো কারণে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কফ তৈরী করলে আমরা গলায় অস্বস্তিকর কফের অনুভুতি…

Read More

শিশুর শরীর মাসাজ বা মালিশ কেন করবেন, কিভাবে করবেন? (ভিডিও)

শিশুর শরীর মাসাজ বা মালিশ

শরীর মাসাজ শিশুর নিয়মিত পরিচর্যার অংশ। স্বাস্থ্যকর মাসাজ  শিশুর মানসিক ও শারীরিক বিকাশেও ভালো ভূমিকা রাখে। আর নিয়মিত মাসাজ করলে শিশু হবে প্র্রাণবন্ত ও ফুরফুরে।০-৩ বছরের শিশুদের মালিশ করার নিয়ম টা বেশ আগে থেকেই রয়েছে। শিশুর পুরো শরীরে মালিশ করা হয়ে থাকে যা তার দেহের অভ্যন্তরীন গঠন এবং রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। শিশুর দেহ গঠনে এই মালিশ করার কাজটি আসলেই অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ তবে আফসোসের ব্যাপার এই যে আমরা অনেকেই এর সঠিক নিয়ম জানিনা।তাই জেনে নিন শিশুকে কিভাবে মাসাজ  করাবেন এবং এর খুঁটিনাটি। মাসাজ এর উপকারিতা মাসাজ এর ফলে…

Read More