শিশুর সবুজ মল | কখন স্বাভাবিক, কখন নয়

শিশুর সবুজ মল

নবজাতক শিশুদের মলত্যাগ মায়েদের জন্য বেশ উদ্বেগের, বিশেষ করে যদি নতুন মা হয়ে থাকেন তাহলে সেই উদ্বেগ অনেকটাই মাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে। শিশু কতটুকু মলত্যাগ করছে, ঠিকমত করছে কি না, কোন রঙের মলত্যাগ করছে, বা বাচ্চার সলিড খাবারের কারণে কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা ইত্যাদি হাজারো রকম চিন্তা মায়েদের সবসময় ঘিরে থাকে। স্বাভাবিকভাবে শিশু দৈনিক কতবার মলত্যাগ করে এবং তার রঙ কি ধরণের হতে পারে? শিশুর জন্মের পর তার প্রথম মল হয় কালচে বর্ণের এবং সেটা বেশ আঠালো ধরণের হয়। এটিকে মিকোনিয়াম বলে। মায়েরা যখন বুকের দুধ খাওয়ানো শুরু করেন তখন…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর কৃমি হলে করনীয়

শিশুর কৃমি হলে করনীয়

কৃমি হওয়া বলতে কি বোঝায়? এর মানে হলো আপনার শিশুর অন্ত্রে কৃমির সংক্রমণ হয়েছে। আপনার শিশু অন্য কারো মাধ্যমে, সংক্রমিত স্থানে খালি পায়ে হাটা, দূষিত পানিতে খেলাধুলা করা কিংবা অপরিষ্কার খাবার খাওয়া সহ বিভিন্ন কারণেই কৃমি দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে। কৃমি দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার পর সেগুলো যদি শিশুর পেটের ভেতরে ডিম পাড়ে, তাহলে সেখান থেকে আরো কৃমির জন্ম হয়, সেগুলোও আরো ডিম পাড়ে এবং এই বিস্তারটি খুবই দ্রুত হয়। শিশুর কৃমির সংক্রমণ হওয়াটা কতটা স্বাভাবিক? কৃমির সংক্রমণ খুব অস্বাভাবিক কোন বিষয় নয় এবং এটি ছড়ায়ও খুব দ্রুত। তবে বড় কথা…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর ডেঙ্গু : কারণ, লক্ষণ ও করণীয়

ডেঙ্গু : কারণ, লক্ষণ ও করণীয়

ডেঙ্গু জ্বর কি? ডেঙ্গু (DEN-gee) জ্বর গ্রীষ্মকালীন এক ধরণের রোগ, ভাইরাসবাহী মশার কামড়ে এই অসুখ হয় এবং মশার মাধ্যমেই এ রোগ বিস্তার লাভ করে।  এই ভাইরাসের কারণে জ্বর, মাথাব্যথা, ফুসকুড়ি এবং সারা শরীরে প্রচুর ব্যাথা হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ডেঙ্গুজ্বর তত একটা সিরিয়াস হয় না এবং এক সপ্তাহ পরে আপনা আপনিই চলে যায়। উন্নত ও শীতপ্রধান দেশগুলোতে ডেঙ্গুজ্বর খুব একটা দেখা যায় না; বরং অনুন্নত, উন্নয়নশীল এবং গ্রীষ্মপ্রধান দেশেই এই রোগের প্রকোপ বেশী দেখা যায়৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের প্রায় ৫০ শতাংশ লোকের সাধারণ কিংবা ভয়াবহ মাত্রার ডেঙ্গুজ্বর হওয়ার…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর মেনিনজাইটিস

শিশুর মেনিনজাইটিস

মস্তিষ্ক এবং স্পাইনাল কর্ডকে আবরণ করে রাখা তিনটি ঝিল্লী বা মেমব্রেনের (মেনিনজেস) প্রদাহকে মেনিনজাইটিস বলা হয়।যদিও যে কোন বয়সের মানুষেরই মেনিনজাইটিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি থাকে অনেক বেশী। শিশুর শরীরের কোন অঙ্গ যদি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস কিংবা ফাঙ্গাস দ্বারা আক্রান্ত হয়, তাহলে রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে তা শিশুর মস্তিষ্ক এবং স্পাইনাল কর্ডে পৌছুলে, শিশুর মেনিনজাইটিস হতে পারে। ২০১৭ সালের এক হিসাব অনুযায়ী, জীবিত জন্ম নেওয়া প্রায় ১০০০ জন ২৮ দিনের কম বয়সী শিশুর মধ্যে ০.১ থেকে ০.৪ জন মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত। হিসাবটা বেশ ভয়াবহ,…

বিস্তারিত পড়ুন

স্পাইনা বিফিডা (Spina bifida) বা শিশুর নিউরাল টিউব ডিফেক্ট

স্পাইনা বিফিডা (Spina bifida)

স্পাইনা বিফিডা কি? স্পাইনা বিফিডা একধরণের নিউরাল টিউব ডিফেক্ট (NTD) অর্থাৎ এক ধরণের স্নায়বিক ত্রুটি। শিশু গর্ভে থাকা অবস্থায় তার মেরুদণ্ড এবং স্পাইনাল কর্ড যদি ঠিকঠাকভাবে গড়ে না উঠে, তখন স্পাইনা বিফিডা হয়ে থাকে। নিউরাল টিউব ভ্রুণের একটি অংশ, যা বৃদ্ধি পেয়ে পরবর্তীতে শিশুর মস্তিষ্ক, স্পাইনাল কর্ড (spinal cord) এবং মেরুদণ্ডে  পরিণত হয়। সাধারণত গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে নিউরাল টিউব গঠিত হওয়া শুরু হয় । স্পাইনা বিফিডায় আক্রান্ত শিশুদের নিউরাল টিউবের একটি অংশ ঠিকভাবে বিকশিত হয় না বা এর গঠন প্রক্রিয়া ঠিকমতো শেষ হয় না। এ কারণে স্পাইনাল কর্ডে এবং মেরুদণ্ডের…

বিস্তারিত পড়ুন

শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় বাচ্চার মাথা গরম থাকে কেন ?

জ্বর না থাকা সত্ত্বেও বাচ্চার মাথা গরম থাকে কেন ?

বাচ্চার মাথার তাপমাত্রা যদি হুট করেই স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে একটু বেশি হয়ে যায় আর ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে ডাক্তার ঘোষণা দিয়ে দেন যে শিশুর কোন জ্বর নেই, এমন পরিস্থিতি বাবা মায়েদের জন্য খুবই আশঙ্কাজনক হয়ে উঠে। তারা তখন উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেন যে, যেহেতু জ্বর নেই তাহলে বাচ্চার মাথা গরম কেন? অগ্রাধিকারের দিক থেকে শিশুর স্বাস্থ্যই সবসময় বাবা মায়েদের জন্য প্রথমে আসে, বিশেষ করে শিশুর যদি কোন ধরনের জ্বর অথবা কোন ধরনের ফ্লু হয়ে থাকে তাহলে তো কোন কথাই নেই। আপনার ছোট শিশুটির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়দের তুলনায় অনেক কম থাকে।…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর চিকেন পক্স : লক্ষণ, করণীয়, প্রতিরোধ

শিশুর চিকেনপক্স

ভেরিসেলা-জোস্টার ভাইরাস দ্বারা বাহিত অত্যন্ত সংক্রামক এক রোগ চিকেন পক্স। যদিও একসময় শিশুদের এই রোগটা বেশ নিয়মিতই ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়তো, কিন্তু ১৯৯৫ সালে চিকেন পক্সের টিকা আবিষ্কারের পর এই রোগের মহমারি রুপ ধারণ করাটা অনেকটা কমে এসেছে এখন। শিশুর বয়স ১২ মাস হওয়ার আগ পর্যন্ত সে চিকেন পক্সের টিকা নিতে পারে না। তবে সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত এই সময়ে ১ বছরের কম বয়সী শিশুদের চিকেন পক্স হওয়ার ঘটনা প্রায় ৯০% পর্যন্ত কমে এসেছে। এর কারণ খুব সম্ভবত টিকার কারণে সৃষ্টি…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর ক্লাবফুট বা বাঁকা পায়ের পাতা

শিশুর ক্লাবফুট বা বাঁকা পায়ের পাতা

ক্লাবফুট বা মুগুর পা কিংবা বাঁকা পায়ের পাতা (talipes equinovarus নামেও ডাকা হয়) শিশুর এক ধরণের জন্মগত ত্রুটি। জন্মগত ত্রুটি শিশুর শরীরের এক ধরণের সমস্যা যা শিশুর জন্মের সময় থেকেই দেখা যায়। এই ত্রুটি শিশুর এক বা একাধিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের গঠন ও কার্যকলাপে সাময়িক কিংবা স্থায়ীভাবে প্রভাব ফেলে। শিশুর স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলার পাশাপাশি শিশুর পুরো শরীরের গঠন ও বিকাশেও প্রত্যক্ষ ও বড় ধরণের প্রভাব ফেলে। আপনার শিশু ক্লাবফুট নিয়ে জন্মগ্রহণ করলে তার একটি পা কিংবা উভয় পা-ই ভিতরের দিকে বা নীচের দিকে বাঁকানো থাকবে। হাড়ের সাথে মাংসের সংযোগ ঠিকঠাক রাখতে টেন্ডন…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুদের জ্বরের পর র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি ওঠার কারণ কি?

শিশুদের জ্বরের পর র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি ওঠার কারণ কি?

শিশুরা অসুস্থ থাকলে তাদের জ্বর হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তাদের ঠান্ডা লাগলে কিংবা ছোটখাট অসুখের কারণে তাদের প্রায়ই জ্বর উঠতে পারে। এর মধ্যে কিছু অসুখ যেমন রোজিওলা ( roseola)  কিংবা স্কারলেট ফিভারের (scarlet fever)  কারণে জ্বর উঠলে জ্বর চলে যাওয়ার পর শিশুর শরীরে ছোট ছোট ফুসকুড়ি বা র‍্যাশ দেখা দিতে পারে। জ্বর মূলত কোন রোগ নয়, এটা একটা সিগন্যাল। শরীরের রোগ প্রতিরোধ সিস্টেম যে ইনফেকশনের সাথে যুদ্ধ করছে, সেটার সিগনালই হলো জ্বর। শরীর নিজের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করার মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ১ থেকে ৩ বছরের শিশুরা…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর হাম উঠলে করণীয়

শিশুর হাম উঠলে করণীয়

এখনো কি শিশুদের হাম হওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কিছু আছে? ১৯৭৯ সাল থেকে বাংলাদেশে ১ বছরের নিচে সকল শিশুদের হামের (measles or rubeola) টিকা দেওয়া হয়ে থাকে। হামের টিকা দেওয়া থাকলে এ নিয়ে দুশ্চিন্তা অনেকটা কমে যায় তবুও উন্নত দেশগুলোতে যে হারে হামের সংক্রমণ কমে গিয়েছে, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে কিন্তু হাম এখনও নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়নি বরং সারা বিশ্বজুড়ে এখনও হাম বেশ বড় একটি হুমকি বলা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর মতে, সারা বিশ্বজুড়ে ৩০ মিলিয়নের বেশী মানুষ প্রতি বছর হামে আক্রান্ত হয়। ২০০৬ সালে, দুই লাখ ৪২ হাজার…

বিস্তারিত পড়ুন