অ্যানোমালি স্ক্যান কি এবং কেন করা হয় ?

অ্যানোমালি স্ক্যান

আজকাল প্রায় সব গর্ভবতী মহিলাকে তাদের গর্ভকালীন সময়ের প্রথম তিন মাস অতিক্রম করার পর আলট্রাসাউন্ড (আলট্রাসনোগ্রাম) করার পরামর্শ দেয়া হয়। এটি একটি ব্যাথামুক্ত ও গর্ভকালীন সময়ের জন্য উপযুক্ত প্রক্রিয়া। মায়ের শরীরের ভেতরে থাকা ভ্রুনের অবস্থান ও বৃদ্ধি নিরীক্ষণ করার সুবিধার্থে এ প্রক্রিয়াটি ভ্রুনের প্রতিচ্ছায়া বা ইমেজ তৈরি করে। আলট্রাসাউন্ড স্ক্যান নিরাপদ কারণ- এ প্রক্রিয়ায় রেডিও তরঙ্গের পরিবর্তে ইমেজ তৈরি করার জন্য উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ তরঙ্গ ব্যাবহার করা হয়। অ্যানোমালি স্ক্যান কি? সম্প্রতি সাধারণ আলট্রাসাউন্ড স্ক্যান থেকে আরও উন্নত ও স্পষ্ট প্রতিচ্ছবি তৈরি করার পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছে এবং আমাদের দেশেও আজকাল…

বিস্তারিত পড়ুন

গর্ভাবস্থায় প্লাসেন্টাজনিত কি কি জটিলতা দেখা দিতে পারে?

প্লাসেন্টাজনিত জটিলতা

প্লাসেন্টা বা গর্ভফুল কি? প্লাসেন্টা বা গর্ভফুল জরায়ুর দেয়াল সংলগ্ন একটি চ্যাপ্টা ও কিছুটা গোলাকৃতির অঙ্গ যা গর্ভাবস্থায় মায়েদের জরায়ূর ভেতরে লেগে থাকে এবং সন্তানের সাথে মায়ের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। গর্ভের শিশুর শরীর শরীরবৃত্তীয় যে সমস্ত কাজের জন্য উপযোগী হয়ে উঠে না, প্লাসেন্টা সে কাজগুলি তার হয়ে করে থাকে। এটি  শিশুর নাড়ীর (আম্বিলিক্যাল কর্ড) মাধ্যমে ভ্রুনের সাথে সংযুক্ত থাকে। অন্য কথায় বলা যায় প্লাসেন্টা (গর্ভফুল) হলো মাতৃগর্ভে শিশুর সুরক্ষা বা সাপোর্ট সিস্টেম। প্লাসেন্টা কোনো কারনে ঠিকভাবে কাজ না করলে শিশুর  স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির সম্ভাবনা বেড়ে যায়।  প্লাসেন্টা বা গর্ভফুলের…

বিস্তারিত পড়ুন

গর্ভাবস্থায় ভ্রমণ বা জার্নি কতটুকু নিরাপদ ?

গর্ভাবস্থায় ভ্রমণ

গর্ভাবস্থায় ভ্রমণ কি নিরাপদ? গর্ভাবস্থায় মায়ের শরীরের বিশেষ যত্ন নিতে হবে। গর্ভাবস্থায় ভ্রমণ নিষিদ্ধ না হলেও ভ্রমণকালীন সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে যাতে মায়ের ও শিশুর শরীরের ওপর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব না পড়ে। গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস ভ্রমণ করা উচিত নয়, কারণ এ সময় গর্ভপাতের সম্ভাবনা বেশি থাকে। ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় ডাক্তাররা ভ্রমণ না করার জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকেন। গর্ভকালীন কোন জটিলতা না থাকলে গর্ভাবস্থায় ভ্রমনে তেমন কোন বিধিনিষেধ নেই। তবে গর্ভাবস্থায় দূরে কোথাও বেড়াতে যাওয়ার আদর্শ সময় হোল দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টার। কারণ এ সময় গর্ভপাতের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। এছাড়াও…

বিস্তারিত পড়ুন

গর্ভাবস্থায় বাচ্চার অবস্থান কেমন হতে পারে ?

গর্ভে বাচ্চার অবস্থান

গর্ভাবস্থায় বাচ্চার অবস্থান বিভিন্ন ধরণের হতে পারে। মায়ের গর্ভে ভ্রূণ বেড়ে ওঠার সাথে সাথে তার নড়াচড়াও বাড়তে থাকে এবং অবস্থান পরিবর্তন করতে থাকে। এসময়গুলোতে আপনি তার নড়াচড়া, লাথি ছোড়া এবং মোচড়ানো অনুভব করতে পারবেন। গর্ভাবস্থার একেবারে শেষ মাসে গর্ভের বাচ্চা অনেক বড় হয়ে যায় এবং তার নড়াচড়া করার তেমন জায়গা মায়ের জরায়ুতে থাকেনা। এ সময় গর্ভে বাচ্চার অবস্থান কেমন আছে সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ স্বাভাবিক প্রসবের জন্য বাচ্চাকে এ সময় মায়ের জরায়ুতে যথাযথ পজিশনে থাকতে হবে। আপনার ডাক্তার গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের অবস্থানের উপর নজর রাখবেন বিশেষ করে গর্ভাবস্থার শেষ মাসে। গর্ভাবস্থায়…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য । কারণ, লক্ষন ও প্রতিকার

শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য

প্রতিটি বাচ্চারই নতুন জিনিসের সাথে অভ্যস্থ হতে একটু সময় লাগে। সময়ের সাথে সাথে সে সব কিছুর সাথেই নিজেকে খাপ খাইয়ে নেয়। তাই বাচ্চার মা বাবাদের ব্যাপার গুলো নিয়েও খুব দুশ্চিন্তার মাঝে পড়তে হয়। বেশির ভাগ বাচ্চাদের ক্ষেত্রেই কোষ্ঠকাঠিন্য একটি সাধারণ সমস্যা। বেশি সমস্যায় পরতে হয় যখন শিশু নতুন বা শক্ত খাবার শুরু করে। এসময় বেশিরভাগ বাবা মায়ের একটাই অভিযোগ থাকে যে শিশুর পায়খানা হচ্ছেনা। শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য হলে কান্নাকাটি করে, পেট মোচড়ায় এবং খাওয়াদাওয়াও কমিয়ে দেয়। অস্বস্তি হয় বলেই এমনটা করে তারা। শিশুর এই অস্বস্তি মায়েদের উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে দেয়। স্বাভাবিক পায়খানা…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর ডায়রিয়া । কারণ, লক্ষন ও প্রতিকার

নবজাতকের ডায়রিয়া

শিশুদের মলত্যাগ নিয়ে প্রায়ই অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন হতে দেখা যায়। কখনো শিশু দিনে বেশ কয়েকবার মলত্যাগ করছে, কখনো কয়েক দিন দিন ধরে করছেই না। আবার কখনো মলের ধরন ও রং পরিবর্তন হচ্ছে ঘন ঘন। কোনটা স্বাভাবিক, কোনটা অস্বাভাবিক—বুঝতে গিয়ে মা-বাবা গলদঘর্ম হন। নবজাতক, বয়স ১০ দিন। বারবার পাতলা পায়খানা করছে। সে শুধু মায়ের দুধ খাচ্ছে। মা-বাবা উদ্বিগ্ন, মায়ের দুধ খাওয়া সত্ত্বেও শিশুর কেন ডায়রিয়া? যে শিশু শুধু মায়ের দুধ খায় তাদের অনেকেরই এ রকম সমস্যা দেখা দেয়। মায়ের দুধই শিশুর সেরা খাবার, এটা আমরা সবাই জানি। মায়ের দুধ শিশুকে অনেকভাবে ভালো রাখে।…

বিস্তারিত পড়ুন

ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা প্রতিরোধে করণীয়

ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা প্রতিরোধে করণীয়

বাংলাদেশ ম্যাটার্নাল মর্টালিটি সার্ভে ২০১০ অনুযায়ী, মাতৃত্বজনিত কারণে মৃত্যুর মধ্যে ৭ শতাংশ মারা যায় দীর্ঘ প্রসব জটিলতায়, ২০ শতাংশ মারা যায় একলাম্পশিয়ায়, রক্তক্ষরণে মারা যায় ৩১ শতাংশ, গর্ভপাতে মারা যায় ১ শতাংশ। অবশিষ্ট ৪০ শতাংশ গর্ভবতী মায়ের মৃত্যু হয় গর্ভজনিত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নানান জটিল কারণে। এক শতাংশ মৃত্যু কেন হয় তা নির্ণয় করা যায়নি। ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা আগে থেকে নির্ণয় করা সম্ভব হলে মাতৃমৃত্যূ রোধ করা সম্ভব। সে জন্য প্রয়োজন নিয়মিত চেকআপ বা ডাক্তারি পরীক্ষা করা। বেশির ভাগ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা চেকআপের মাধ্যমে শনাক্ত করা গেলে সময় মত ব্যবস্থা নেয়া যায়।…

বিস্তারিত পড়ুন

গর্ভাবস্থায় স্ট্রেচ মার্কস বা ফাটা দাগ । কারণ ও প্রতিকার

গর্ভাবস্থায় স্ট্রেচ মার্কস বা ফাটা দাগ

মা হওয়ার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। ছোট একটি শিশুর আগমণে পুরো জীবন পরিবর্তন হয়ে যায় মায়ের। কিছু কিছু পরিবর্তন অবশ্য অনাকাঙ্ক্ষিত। কোনো নারীই তার সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাক এমনটা চান না। গর্ভধারণের কারণে মায়ের পেটে কিছু দাগ পড়তে পারে। অধিকাংশ মায়েদের পেটেই এই দাগ পড়তে দেখা যায়। ইংরেজিতে এই দাগকে স্ট্রেচমার্কস বলে। নামে বোঝা যাচ্ছে, মানুষের ত্বকে কোনো কারণে টান পড়লে এ ধরনের দাগ পড়ে। গর্ভাবস্থায় এই ধরণের দাগ হওয়া অনিবার্য। ক্রমবর্ধমান ভ্রুনের জন্য জায়গা তৈরি করতে জরায়ু বড় হতে থাকে এবং এতে পেটের চারপাশের ত্বক প্রসারিত হয়।…

বিস্তারিত পড়ুন

ট্রান্সভার্স লাই | গর্ভের শিশুর অবস্থান

ট্রান্সভার্স লাই

ট্রান্সভার্স লাই বলতে কি বোঝায়? বাচ্চা যখন গর্ভাবস্থার শেষের দিকে নীচের দিকে নামতে থাকে তখন মায়ের পেলভিসে অবস্থানের সবচাইতে ভালো পজিশন হোল বাচ্চার পিঠ মায়ের পেটের দিকে থাকা। বাচ্চা যখন এ পজিশনে থাকে তখন প্রসবের সময় তার থুতনি নীচের দিকে নামানো থাকে এবং তার মাথার সবচাইতে ছোট অংশ (মাথার উপরের ভাগ) আগে বেড়িয়ে আসে। গর্ভধারণের প্রথম দিকে মায়ের জারয়ুর ভেতর বাচ্চার নড়াচড়ার যথেষ্ট জায়গা থাকে। সে সময় বাচ্চা নিয়মিত পজিশন পরিবর্তন করে। কিন্তু গর্ভাবস্থার শেষ দিকে শিশুর আকার বাড়ার সাথে সাথে জরায়ু তে তার নড়াচড়ার করার জায়গা কমতে থাকে। তাই…

বিস্তারিত পড়ুন

গর্ভাবস্থায় আলট্রাসাউন্ড কেন করা হয়?

গর্ভাবস্থায় আলট্রাসাউন্ড কেন করা হয়?

আলট্রাসাউন্ড কি ?  মানুষের শ্রবণসীমার বাইরের কম্পাংকের শব্দ তরঙ্গের মাধ্যমে শরীরের ভেতরের ছবি নেয়ার পদ্ধতি হচ্ছে আলট্রাসনোগ্রাফি বা আলট্রাসাউন্ড। সাধারণত ২ থেকে ১৮ মেগাহার্জ কম্পাংকের শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করা হয় আলট্রাসনোগ্রাফিতে। এখন পর্যন্ত আলট্রাসনোগ্রাফিকে একটি নিরাপদ পরীক্ষা বলে মনে করা হয়। অর্থাৎ এক্স-রে এর মত এতে কোন ক্ষতিকর প্রভাব নেই। স্ক্যান এর আগে আপনাকে প্রচুর পানি পান করতে বলা হবে, কারন আপনার মুত্রথলি পূর্ণ হলে এটি আপনার জরায়ু কে ঠেলে উপরে উঠিয়ে দিবে, এতে স্ক্যানে ভাল ভাবে জরায়ুর ভিতরটা পরিক্ষা করা যায়। এরপর আপনি চিত হয়ে শুয়ে পড়বেন এবং আপনার…

বিস্তারিত পড়ুন