মাতৃকথন – বাচ্চা কিছুই খায়না

লিখেছেনঃ ফারিনা মাহমুদ

শুরু করি সত্য ঘটনা দিয়ে । আমার ছেলের বয়স যখন ১৬ মাস, ওকে নিয়ে গেলাম আর্লি চাইল্ডহুড সেন্টারে । বাচ্চা জন্মের পর থেকে ৫ বছর বয়স পর্যন্ত এই সেন্টারে শিশুর স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশ সংক্রান্ত রুটিন চেকাপ করানো যায়, প্রয়োজনে এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নার্সদের সাথে বিশেষ সমস্যা নিয়ে কথা বলা যায় মা ও বাচ্চা উভয়ের ব্যাপারে । ওরা পরামর্শ দেবার পাশাপাশি অন্যান্য ক্লিনিকে রেফার করে দিতে পারে । এখানে যেকোনো সমস্যা নিয়েই যাওয়া যায় । যেমন ধরেন বাচ্চার ঘুমের রুটিন ঠিক করতে পারছি না, রাতে কান্না করে, খেতে চায় না, খুব ভয় পায়, সারাক্ষন মা আঁকড়ে থাকে, বুকের দুধ ছাড়াতে পারছি না … যে কিছু । ওরা কিছু ট্রিক্স আর টিপস দেয়, সচরাচর খুব ত্যাঁদড় বাচ্চা না হলে ঐসব ট্রিক্স কাজ করে যদি ঠিকমতো ফলো করা যায় । আর এতে কাজ না হলে ফিডিং ক্লিনিক বা স্লিপ ক্লিনিক এর মতো স্পেশালাইজড জায়গায় পাঠানো হয় ।

আমার সমস্যা ছিলো বাংলাদেশী মায়েদের জাতীয় সমস্যা, বাচ্চা খায় না । আসলে ব্যাপারটা যতটা হালকাভাবে বলছি, ততটা হালকা না । এই ভয়ঙ্কর কষ্ট যেই মা ভোগ করেন, তিনিই শুধু জানেন এটা কতটা পীড়া দায়ক । যে বেলা বাচ্চাটা পেট ভরে খায়, মায়ের যেনো মাথাটা একটু ঠান্ডা থাকে । বাচ্চা খেলো না, ব্যাস, দুনিয়ার কিছুই আর ভালো লাগে না । ঠিক এই অবস্থায় বিদেশ বিভূঁইয়ে কর্মজীবি একজন মায়ের বাচ্চা যখন রীতিমতো খাবার সামনে দেখলে মুখে যমদুয়ারের খিল এঁটে বসে থাকে, তখন লাগে টা ক্যামন ?

চোখের সামনে আমার ব্যর্থ মাতৃত্বের স্বাক্ষ্য দিতে তার জামা কাপড় সাইড দিয়ে ঢল ঢল করছে। অফিস থেকে ফিরে আমি বাচ্চার খাবার নিয়ে বসি এমনভাবে যেনো গাজা উপত্যকা নিয়ে ইসরায়েল ও প্যালেস্টাইনের মধ্যে চলমান সংকটের একটা সমাধান করার মরণপণ নিয়ে জাতিসংঘ শান্তি চুক্তিতে জেনেভায় বসছে । প্রতিরাতে সেই চুক্তি ব্যর্থ হয়, ডিপ্লোম্যাট হিসাবে আমি ফেল মারি এবং সংকট প্রকটতর হতে থাকে ! বাচ্চার ঘাউড়ামি বাড়ে পাল্লা দিয়ে ।

শেষ চেষ্টা হিসাবে পেন্টাগনে এপয়েন্টমেন্ট নিলাম, অর্থাৎ আর্লি চাইল্ডহুড সেন্টারে নিয়ে গেলাম ওকে। নার্স আমার সব কথা শুনলো, ওর ওজন উচ্চতা মাপলো। ওর বয়স অনুযায়ী ডেভেলপমেন্ট মাইলস্টোন গুলো কতটুকু ও এচিভ করেছে সেই ব্যাপারে আমাকে ধারাবাহিক প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে হলো । বাসায় যতক্ষণ থাকে ওকে কয়বার এবং কি ধরণের খাবার দেয়া হয় তার একটা বিবরণ দিতে হলো । এরপর আমাকে যেই প্রশ্নটা মহিলা করলো, তা শুনে আমি ভিমরি খেলাম !

– ফারিনা, তুমি কি ওভারওয়েট ?

আমি আমতা আমতা করে বললাম হ্যাঁ আইডিয়াল বডি ওয়েটের চেয়ে বেশ অনেকটাই বেশী ওজন আমার ।

– ডু ইউ নো হোয়াই ?

মানে কি ? তুই কি কইতে চাস ছেলের খাওয়া আমি খাই ? আমার ওজন ক্যানো বেশী এইটা তোর কাছ থেকে আমার জানা লাগবো? আল্লাহ গো তুমি দড়ি ফালাও, তোমার দোহাই লাগে ! আমার রাগ তখন চরমে, তারপরেও মুখে হাসি ধরে বললাম – হোয়াই ?

– বিকজ ইউ ডোন্ট নো হোয়েন টু স্টপ ইটিং !

আমি তব্দা খেয়ে বসে আছি ! মহিলা বলে যাচ্ছে – সুস্থ স্বাভাবিক জীব মাত্রই তার যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু খাবার খাবে । যেখানে থামা প্রয়োজন সেখানে থামবে । মানুষই সম্ভবত একমাত্র জীব যে চোখের ক্ষুধায় খায় । পেট ভরা একটা বাঘের সামনে দিয়ে একটা হরিণ হেঁটে গেলে বাঘ লোভে পড়ে লাফ দিয়ে হরিনের পশ্চাৎদেশ থেকে এক খাবলা মাংস খেয়ে নেয় না । কিন্তু পেট ভরা অবস্থায় লোভনীয় একটা ডেজার্ট দেখলে আমরা মানুষরা হামলে পড়ি ! বিপত্তিটা ঘটে তখনি, ওজন বেড়ে যায় ওভার ইটিং এর জন্য । বাচ্চার এই স্টার্ট স্টপ সিগন্যালকে ইগ্নোর করে তুমি যদি ওকে জোর করে বা ট্রিক্স করে বাড়তি খাবার খাওয়াও, ওর ব্রেইন স্টার্ট স্টপ সিগন্যাল দেয়ায় গোলমাল করবে, ওর স্টমাক ক্যাপাসিটি প্রয়োজনের চেয়ে বেড়ে যাবে এবং আর্লি এইজে এটা সমস্যা না হলেও একটা বয়সে গিয়ে ও সাফার করবে – ঠিক তোমার মতো ! নিজের পয়সায় খাবার খাবে আবার নিজেই পয়সা খরচ করে জিমে গিয়ে ওজন ঝরাতে স্ট্রাগল করবে ! বর্তমানে তোমার ছেলের ব্রেইন জানে কখন থামতে হয়, তোমার ব্রেইন জানে না, আর এজন্যই তুমি ওভারওয়েট আর ও পারফেক্ট । ইউ শুড প্রবাব্লি লার্ন ফ্রম হিম হোয়েন টু স্টপ !

ডাহা বেইজ্জতি কারে বলে !! আমার চোখের সামনে ভেসে উঠলো আমার মায়ের দ্বারা অতি ভালোবাসা মাখা শৈশব ! অপরিসীম ধৈর্য্য নিয়ে ২ ঘন্টা ধরে আমাকে একটা ডিম্ খাওয়ানো, চোখের জলে মাখামাখি হয়ে নাক চেপে ধরে গ্লাস ভরা দুধ শেষ করা, ভাতের কথা নাই বা বললাম ! আহারে ! ওই যে ব্রেইনের সিগন্যাল ম্যান ইন্তেকাল করলো, এখন তার কবরে ফুল দেই আর জামাকাপড় ফেলি, গায়ে লাগেনা তাই !

আমি প্রশ্ন করলাম, ওর ব্যাপারে তাহলে তোমার সাজেশন কি ? বাচ্চা আমার প্রপারলি একটা ডিনার করে না, ওজনের পার্সেন্টাইল বলছে ওর গ্রাফ ১৮ থেকে ২৫ এর মধ্যে, তুমি বলছো আমি ওর ব্রেইনের সিগন্যালকে রেস্পেক্ট করে ওরে না খাওয়ায়ে ঘুম পড়াবো ?

মহিলা উত্তর দিলো –

প্রথমত, তুমি যা করবে তা হচ্ছে ও “কম খায়” এই জাজমেন্ট বন্ধ করবে । তুমি ঠিক কিসের ভিত্তিতে বলছো ও কম খায় ? তোমার বয়সী কেউ হয়তো এক বসায় ৪০০ গ্রামের দুইটা স্টেক শেষ করে ফেলতে পারবে, আর কেউ হয়তো আড়াইশ গ্রামের একটা স্টেক শেষ না করেই বলবে আই এম ডান ! এখন দ্বিতীয়জনকে যদি আমরা ৪০০ গ্রামের দুই স্টেক দিয়ে বলি, এইটাই তোমার সঠিক পরিমান এবং এইটাই তোমাকে শেষ করতে হবে, ব্যাপারটা কি দাঁড়ায় ? অত্যাচার হয় কি হয়না ? সুতরাং ওর খাওয়ার পরিমান তুমি নির্ধারণ করতে পারো না, ও কম খায় এই স্টেটমেন্ট তুমি দিতে পারো না । ওর বয়সী একটা বাচ্চার স্টমাক ক্যাপাসিটির একটা উদাহরণ হচ্ছে ওর নিজের এক হাতের এক মুঠি খাবার হবে ওর বিকালের স্ন্যাক্স ? মানে বুঝতে পারছো? এক টুকরো পনির ই কিন্তু যথেষ্ট, অথবা অর্ধেকটা গাঁজর বা একটা ক্র্যাকার !

দ্বিতীয়ত, ওর গ্রোথ গ্রাফ কি বলছে তা খুব ইম্পরট্যান্ট । এই যে তুমি বললে ওর ওজনের গ্রাফে ওর অবস্থান ১৮ থেকে ২৫ পার্সেন্টাইলে, ও তো জন্মের সময় থেকেই তাই ! আমরা যেইটা দেখবো সেটা হচ্ছে কার্ভটা লিনিয়ার (সরলরেখায় ও মোটামুটি সমানুপাতে ) যাচ্ছে কিনা বয়সের সাথে । আমি তো দেখছি ওর ওজন ১৮ থেকে ২৫ পার্সেন্টাইলের মধ্যেই এগুচ্ছে, যদি ১৮ এর নীচে নেমে যেতো, আমরা হায়ার লেভেলে এক্সামিন করতাম । একই ভাবে এই রেঞ্জ থেকে হটাৎ বেড়ে বেশি উপরে গেলেও আমরা ওভারওয়েট নিয়ে কনসার্ন হতাম এবং দুই ক্ষেত্রেই ডায়েটিশিয়ানের সাথে বসতে হতো তোমাকে । হাইটওয়াইজ ওর পার্সেন্টাইল হাই, ৮০ এর উপরে, জন্ম থেকে এখন পর্যন্ত ঐটাও সরলরেখায়ই আছে । কাজেই তোমার বাচ্চা বড় হচ্ছে কোনো সন্দেহ নেই !

তৃতীয়ত, ওর মানসিক বিকাশ সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরগুলো বলে দিচ্ছে ওর বিকাশ স্বাভাবিক ।

চতুর্থত, ও যথেষ্ট একটিভ, আমি দেখতেই পাচ্ছি, এটাও একটা পজিটিভ দিক ।

পাঁচ নম্বরে – তোমাকে তোমার বাচ্চার হেলদি ফুড হ্যাবিটের দিকে খেয়াল রাখতে হবে, এমফাসাইজ মোর অন কোয়ালিটি, কোয়ান্টিটি কামস লেটার । খায়না বলে অতিরিক্ত চিনি, চর্বিজাতীয় খাবার, জাঙ্ক ফুড, সস ড্রিঙ্কস এসবের লোভ দেখানো যাবেনা ।

ছয় নম্বর – তোমাকে তোমার নিজের জাজমেন্ট দিয়ে ওর ইচ্ছা অনিচ্ছাকে ওভার পাওয়ার করা বন্ধ করতে হবে । এইটুকু তোমাকে শেষ করতেই হবে, খাও , হা করো .. এইসব ধমক বাচ্চাকে খাবার নিয়ে একটা ট্রমার মধ্যে ফেলে । মিল টাইম কখনোই ব্যাটেল টাইম হওয়া উচিত না । মিল টাইম হওয়া উচিত আনন্দময়।

কাজেই আমি মনে করিনা তোমার দুশ্চিন্তার কোনো কারণ আছে । তবে তোমাকে আমি যে পরামর্শ দেবো তা হচ্ছে তুমি ডাক্তারের সাথে কথা বলে ওর একটা ব্লাড টেস্ট করে দেখতে পারো ওর ভিটামিন ডি এবং আয়রন লেভেল ভালো আছে কিনা, না থাকলে ঐটা একটু পূরণ করা জরুরি । আর তুমি ওর ফুড প্যাটার্নে লিখেছো রাতে ওকে এক বোতল দুধ দেয়া হয় এবং ও এইটা খেয়ে ঘুমায় । তুমি এই দুধ বন্ধ করে দেবে । একেবারেই পারবে না, একটু একটু করে পরিমান কমাবে এবং একসময় বন্ধ করে দেবে । শুরুটা করবে ছুটির দিনের আগের রাতে কারণ ওই রাতে ও উঠে যেতে পারে এবং কান্না করতে পারে ।

আমি আশ্চর্য হয়ে বললাম, খায় ই ওই এক বোতল দুধ, ঐটা বন্ধ করে দেবো মানে ??

– বাচ্চা যখন থেকে শক্ত খাবার খায়, দুধ আস্তে আস্তে কমিয়ে দিতে হয় । ১৬ মাস বয়সী বাচ্চা ২ কাপ এর বেশি দুধ বা তার সমপরিমাণ ডেইরী প্রোডাক্ট (দই, পনির) এর বেশি খাওয়ার প্রয়োজন নেই । দুধ খাওয়া সহজ, টানলেই পেট ভরে । তোমার বাচ্চা জানে রাতে ঐটা খেয়ে সহজেই তার পেট ভরবে । তাই সে কষ্ট করে শক্ত খাবারটা খায় না । আর যখন সে জানবে তার ওই অপশন বন্ধ, আস্তে আস্তে সে ডিনার ঠিক মতো করবে । শুরুতে তোমাদের দুইজনেরই একটু স্ট্রাগল হবে তবে এক সপ্তাহ ফলো করে দেখো ,উন্নতি হবে অবস্থার ।

ও বলে চললো ,আমরা মূল যে ব্যাপারটা খেয়াল করি সেটা হচ্ছে বাচ্চা সব ফুড গ্রূপের খাবার খাচ্ছে কিনা, ফিজিক্যালি একটিভ আছে কিনা, গ্রোথ চার্ট ঠিক আছে কিনা । পাশাপাশি এটাও মনে রাখা দরকার সব বাচ্চার বৃদ্ধি এক বয়সে হয় না । কোনো কোনো সময় বৃদ্ধি একটু স্লো ডাউন হতে পারে, এটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং এটা যদি “রিমার্কেবলি লং পিরিয়ড এসোসিয়েটেড উইথ আদার সিম্পটমস” না হয় সেই ক্ষেত্রে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই । তোমার নিশ্চই এমন কোনো সহপাঠী ছিলো যে শৈশবে বেশ লম্বা থাকলেও কৈশোরে এসে আর অতো লম্বা হয়নি বা উল্টোটা ? এটা একটা উদাহরণ হতে পারে গ্রোথ স্লো ডাউনের । তেমনি মেটাবলিজম ও আপ ডাউন হয় । তোমার হয়না ? কোনো কোনো দিন তোমার নিশ্চই খেতে ইচ্ছে করে না, আবার কোনো কোনোদিন অনেকটা খেয়ে ফেলো ! ওরও তাই । এছাড়া দাঁত ওঠার সময় বা অন্য কোনো সাময়িক পরিবর্তনের কারণেও বাচ্চা কম খেতে পারে । কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে ওই ফেইজ টা কেটে গেলে বাচ্চা বেশ ভালো খাওয়া দাওয়া করে নিজে থেকেই নিজের ঘাটতি পুষিয়ে নেয় ! অসুস্থতা থেকে সুস্থ হবার পরেও বাচ্চার ক্ষুধা বাড়ে এইজন্য।

আমি রিলেট করছি মনে মনে – ভাবি, বাচ্চা ক্যামন আছে ? এর উত্তরে প্রায়ই বলি, আর বৈলেন্না ভাবি, দুইদিন ঠিক মতো খায় তো তিন দিনের দিন আবার যেই সেই ! আচ্ছা, ঘটনা তাইলে এই !

সুতরাং ফারিনা, ওকে তুমি ওর খাবার দেবে । ও খেতে না চাইলে আধা ঘন্টা খেলতে দেবে এরপর একই খাবার আবার একটু গরম করে দেবে । বুঝতে পারলে? পৃথিবীর কোনো জীব ক্ষুধা পেটে সামনে খাবার রেখে উপোষ থাকে না । একসময় ও খাবেই । ওকে এটা বুঝতে হবে, সারাজীবন ওকেই খাবারের পেছনে ছুটতে হবে, খাবার ওর পেছনে ছুটবে না । যত তাড়াতাড়ি তুমি ওকে এটা বুঝতে দাও, ততই মঙ্গল !

আমি মাথা নাড়লাম । আমার দ্বিধাগ্রস্থ চেহারা দেখে মহিলা হেসে বলে উঠলো,

– এটলিস্ট হি ইস গ্রোইং হাইওয়াইজ হুইচ ইউ কান্ট্ মেইক হ্যাপেন বাই ফোর্স ! এন্ড এবাউট ওয়েট? ডোন্ট ওরি, প্রবাব্লি ওয়ান ডে হি উইল অলসো গো টু জিম টু গেট রীড অফ এক্সট্রা কিলোস !

আপডেট : আজ অবধি, আড়াই বছর বয়সী ছেলে আমার স্কিনি একটিভ বয় ,জামা কাপড় যথারীতি ঢিলে ঢালাই ! তবে আমি রাতে ওই বোতল ভরা দুধ বন্ধ করে দিয়ে এবং খাবার নিয়ে ওকে জোরাজুরি বন্ধ করে যেই উপকারটা পেয়েছি তা হচ্ছে খাবারের প্রতি ওর আগ্রহ বেড়েছে । আমার কাছে এটাই বড় কথা । যেটুকু খায়, আনন্দ নিয়ে খায় । পছন্দের খাবার নিজে চেয়েও খায় মাঝে মাঝে । আমি এতেই খুশি । ওর খাবার পরিমান বাড়ানোর চেয়ে আমার নিজের খাবারের পরিমান কমানো নিয়েই বেশি দুশ্চিন্তায় আছি !

সতর্কতা : আমি চিকিত্সক নই, ডায়েটিশিয়ান নই, আমি যা লিখলাম তা একান্ত আমার অভিজ্ঞতা । কারো সাথে মিলবে এমন কথাও নেই । যে কোনো ব্যাপারে সন্দেহ থাকলে উপযুক্ত মানুষের পরামর্শ নেয়াই ভালো ।

হ্যাপি মাদারহুড !

Related posts

Leave a Comment