শিশুর ঘুমের ঘোরে হাঁটা | স্লীপ ওয়াকিং

শিশুর ঘুমের ঘোরে হাঁটা | স্লীপ ওয়াকিং

স্লীপ ওয়াকিং বা ঘুমের ঘোরে হাঁটা কি? কম বয়সের বাচ্চাদের জন্য স্লীপ ওয়াকিং বা ঘুমের ঘোরে হাঁটা খুব সাধারণ একটি বিষয় । কৈশোর বয়সে (১৩ বছর বয়স থেকে শুরু) পদার্পণের পর থেকে স্লীপ ওয়াকিং এর সমস্যা ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যায়। সাধারণত, দেখা যায় বাচ্চারা ঘুমিয়ে পড়ার এক-দু’ঘন্টার মধ্যে ঘুমন্ত অবস্থায় কিছু সময়ের জন্য (কয়েক সেকেন্ড থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে) এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় চলাফেরা করছে। ঘুমন্ত অবস্থায় হাঁটছে তেমন কাউকে জাগানো সত্যি ভীষণ কষ্টসাধ্য। জেগে ওঠার পর পর সে কিছুক্ষণ ঘোরের মধ্যে থাকে। স্লীপ ওয়াকিং…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর এটেনশন ডেফিসিট হাইপারএক্টিভিটি ডিজঅর্ডার (এডিএইচডি)

শিশুর এটেনশন ডেফিসিট হাইপারএক্টিভিটি ডিজঅর্ডার (এডিএইচডি)

চারপাশের পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে এবং কি করতে হবে, কতটুকু করতে হবে – এই বিষয়গুলো যখন কোন শিশুর পক্ষে নিজে নিজে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে – এই অবস্থাকে এটেনশন ডেফিসিট হাইপারএক্টিভিটি ডিজঅর্ডার (এডিএইচডি) বলা হয়। শিশুর এডিএইচডি হলে অস্থিরতা বেড়ে যায়, কোন কাজ করার সময় একটানা মনযোগ ধরে রাখা তার পক্ষে কষ্টকর হয়ে পড়ে। একদম শিশু বয়স থেকেই এই ডিজঅর্ডার দেখা যেতে পারে এবং তা কৈশোর এমনকি পূর্ণবয়স্ক হওয়া পর্যন্তও স্থায়ী হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন, শিশুর বয়স ৪ বছর হওয়ার আগে এডিএইচডি আছে কিনা তা শনাক্ত…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর কৃমি হলে করনীয়

শিশুর কৃমি হলে করনীয়

কৃমি হওয়া বলতে কি বোঝায়? এর মানে হলো আপনার শিশুর অন্ত্রে কৃমির সংক্রমণ হয়েছে। আপনার শিশু অন্য কারো মাধ্যমে, সংক্রমিত স্থানে খালি পায়ে হাটা, দূষিত পানিতে খেলাধুলা করা কিংবা অপরিষ্কার খাবার খাওয়া সহ বিভিন্ন কারণেই কৃমি দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে। কৃমি দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার পর সেগুলো যদি শিশুর পেটের ভেতরে ডিম পাড়ে, তাহলে সেখান থেকে আরো কৃমির জন্ম হয়, সেগুলোও আরো ডিম পাড়ে এবং এই বিস্তারটি খুবই দ্রুত হয়। শিশুর কৃমির সংক্রমণ হওয়াটা কতটা স্বাভাবিক? কৃমির সংক্রমণ খুব অস্বাভাবিক কোন বিষয় নয় এবং এটি ছড়ায়ও খুব দ্রুত। তবে বড় কথা…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর ডেঙ্গু : কারণ, লক্ষণ ও করণীয়

ডেঙ্গু : কারণ, লক্ষণ ও করণীয়

ডেঙ্গু জ্বর কি? ডেঙ্গু (DEN-gee) জ্বর গ্রীষ্মকালীন এক ধরণের রোগ, ভাইরাসবাহী মশার কামড়ে এই অসুখ হয় এবং মশার মাধ্যমেই এ রোগ বিস্তার লাভ করে।  এই ভাইরাসের কারণে জ্বর, মাথাব্যথা, ফুসকুড়ি এবং সারা শরীরে প্রচুর ব্যাথা হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ডেঙ্গুজ্বর তত একটা সিরিয়াস হয় না এবং এক সপ্তাহ পরে আপনা আপনিই চলে যায়। উন্নত ও শীতপ্রধান দেশগুলোতে ডেঙ্গুজ্বর খুব একটা দেখা যায় না; বরং অনুন্নত, উন্নয়নশীল এবং গ্রীষ্মপ্রধান দেশেই এই রোগের প্রকোপ বেশী দেখা যায়৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের প্রায় ৫০ শতাংশ লোকের সাধারণ কিংবা ভয়াবহ মাত্রার ডেঙ্গুজ্বর হওয়ার…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর মেনিনজাইটিস

শিশুর মেনিনজাইটিস

মস্তিষ্ক এবং স্পাইনাল কর্ডকে আবরণ করে রাখা তিনটি ঝিল্লী বা মেমব্রেনের (মেনিনজেস) প্রদাহকে মেনিনজাইটিস বলা হয়।যদিও যে কোন বয়সের মানুষেরই মেনিনজাইটিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি থাকে অনেক বেশী। শিশুর শরীরের কোন অঙ্গ যদি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস কিংবা ফাঙ্গাস দ্বারা আক্রান্ত হয়, তাহলে রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে তা শিশুর মস্তিষ্ক এবং স্পাইনাল কর্ডে পৌছুলে, শিশুর মেনিনজাইটিস হতে পারে। ২০১৭ সালের এক হিসাব অনুযায়ী, জীবিত জন্ম নেওয়া প্রায় ১০০০ জন ২৮ দিনের কম বয়সী শিশুর মধ্যে ০.১ থেকে ০.৪ জন মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত। হিসাবটা বেশ ভয়াবহ,…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর চিকেন পক্স : লক্ষণ, করণীয়, প্রতিরোধ

শিশুর চিকেনপক্স

ভেরিসেলা-জোস্টার ভাইরাস দ্বারা বাহিত অত্যন্ত সংক্রামক এক রোগ চিকেন পক্স। যদিও একসময় শিশুদের এই রোগটা বেশ নিয়মিতই ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়তো, কিন্তু ১৯৯৫ সালে চিকেন পক্সের টিকা আবিষ্কারের পর এই রোগের মহমারি রুপ ধারণ করাটা অনেকটা কমে এসেছে এখন। শিশুর বয়স ১২ মাস হওয়ার আগ পর্যন্ত সে চিকেন পক্সের টিকা নিতে পারে না। তবে সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত এই সময়ে ১ বছরের কম বয়সী শিশুদের চিকেন পক্স হওয়ার ঘটনা প্রায় ৯০% পর্যন্ত কমে এসেছে। এর কারণ খুব সম্ভবত টিকার কারণে সৃষ্টি…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুদের জ্বরের পর র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি ওঠার কারণ কি?

শিশুদের জ্বরের পর র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি ওঠার কারণ কি?

শিশুরা অসুস্থ থাকলে তাদের জ্বর হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তাদের ঠান্ডা লাগলে কিংবা ছোটখাট অসুখের কারণে তাদের প্রায়ই জ্বর উঠতে পারে। এর মধ্যে কিছু অসুখ যেমন রোজিওলা ( roseola)  কিংবা স্কারলেট ফিভারের (scarlet fever)  কারণে জ্বর উঠলে জ্বর চলে যাওয়ার পর শিশুর শরীরে ছোট ছোট ফুসকুড়ি বা র‍্যাশ দেখা দিতে পারে। জ্বর মূলত কোন রোগ নয়, এটা একটা সিগন্যাল। শরীরের রোগ প্রতিরোধ সিস্টেম যে ইনফেকশনের সাথে যুদ্ধ করছে, সেটার সিগনালই হলো জ্বর। শরীর নিজের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করার মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ১ থেকে ৩ বছরের শিশুরা…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর হাম উঠলে করণীয়

শিশুর হাম উঠলে করণীয়

এখনো কি শিশুদের হাম হওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কিছু আছে? ১৯৭৯ সাল থেকে বাংলাদেশে ১ বছরের নিচে সকল শিশুদের হামের (measles or rubeola) টিকা দেওয়া হয়ে থাকে। হামের টিকা দেওয়া থাকলে এ নিয়ে দুশ্চিন্তা অনেকটা কমে যায় তবুও উন্নত দেশগুলোতে যে হারে হামের সংক্রমণ কমে গিয়েছে, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে কিন্তু হাম এখনও নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়নি বরং সারা বিশ্বজুড়ে এখনও হাম বেশ বড় একটি হুমকি বলা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর মতে, সারা বিশ্বজুড়ে ৩০ মিলিয়নের বেশী মানুষ প্রতি বছর হামে আক্রান্ত হয়। ২০০৬ সালে, দুই লাখ ৪২ হাজার…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর শরীরের তাপমাত্রা কিভাবে পরিমাপ করবেন ?

শিশুর শরীরের তাপমাত্রা কিভাবে পরিমাপ করবেন ?

শিশু যখন ছোট থাকে, তার শরীর এতটাই সংবেদনশীল থাকে যে, শরীরের তাপমাত্রা কখন যে কেমন আচরণ করে তা বলা মুশকিল। শিশুর মধ্যে যদি জ্বরের প্রাথমিক উপসর্গগুলো লক্ষ্য করে থাকেন, তবে দ্রুত সঠিক উপায়ে শিশুর শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করা জরুরী। থার্মোমিটারের শিশুর জ্বর কত দেখাচ্ছে তার উপর ভিত্তি করেই আপনার সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আপনি শিশুকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাবেন কি না। শিশুর শরীরের তাপমাত্রা কত হলে সেটাকে ‘বেশী‘ বলা যায়? স্বাভাবিকভাবে, শিশুর মুখের তাপমাত্রা ৩৬.৪ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড অথবা ৯৭.৫ ডিগ্রী ফারেনহাইট থাকলে, সেটাকে শিশুর শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বলে বিবেচনা করা হয়।…

বিস্তারিত পড়ুন

শিশুর আয়রনের ঘাটতি জনিত এনিমিয়া (Iron-deficiency anemia)

শিশুর আয়রনের ঘাটতি জনিত এনিমিয়া (Iron-deficiency anemia)

ফ্যাঁকাসে দেখানো এবং ক্লান্ত লাগা রক্ত শূন্যতার প্রাথমিক কিছু লক্ষণের মধ্যে অন্যতম। অন্যান্য কিছু লক্ষণ হল দ্রুত হৃৎস্পন্দন, বিরক্ত লাগা, ক্ষুধা মন্দা, ভঙ্গুর নখ এবং কালশিটে পড়া অথবা ফুলে যাওয়া জিহ্বা। কিন্তু এই ধরনের কোন লক্ষণ দেখা যাওয়া ছাড়াও শিশুদের রক্ত শূন্যতায় ভুগতে প্রায়শই দেখা যায়।

বিস্তারিত পড়ুন