গর্ভবতী হওয়ার উপায় | শারীরিক মিলন

Spread the love

অসংখ্য মানুষের অসংখ্য রকমের সমস্যা। কেউ না চাইলেও কোনো নিয়ম না মানলেও গর্ভধারণ করতে পারেন আবার অনেক দম্পতি সন্তান গ্রহণ করতে চান কিন্তু অজানা কারণে তা হয় না। কনডম ব্যবহার না করা বা পিল খাওয়া বন্ধ করে দিলেই একজন নারী গর্ভবতী হয়ে যাবেন তা কিন্তু নয়। নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন, স্বাস্থ্যকর খাবার-দাবার ইত্যাদি বিষয় ঠিক রাখা খুব জরুরী মা হতে চাইলে।

তবে গর্ভবতী হওয়ার উপায়গুলোর মধ্যে আরও একটি ব্যাপার আছে। শারীরিক মিলন। শারীরিক মিলনের কিছু নিয়ম গর্ভবতী হওয়াটা সহজ করে দিতে পারে। তাই গর্ভবতী না হয়ে থাকলে ভয় না পেয়ে স্বামীর সাথে মিলনে সচেতন হতে পারেন। যা ঘরে বসে করতে পারেন তার জন্য আর ডাক্তারের কাছে যাওয়া কেন? নিজেই এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে সহবাস করার চেষ্টা করে দেখুন।

তবে প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে ডিম্বাণু নিষিক্ত হওয়ার সম্ভাব্য সময় সম্পর্কে। মাসিকের সঠিক হিসাব রাখতে হবে যেন আপনি চাইলে সে সময় মাথায় রেখে শারীরিক মিলনের নিয়ম কাজে লাগাতে পারেন।

ডিম্বানু নিষিক্ত হওয়ার  সম্ভাব্য সময়

গর্ভবতী হওয়ার জন্য অনেক উপায় অবলম্বন করা হলো, এবার ভেবে দেখতে হবে স্বামীর সাথে মিলিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে। অনেকে কনডম ব্যবহার না করলেও গর্ভবতী হতে পারেন না প্রায়ই। এর কারণ তেমন কিছুই না অনেক ক্ষেত্রে। হিসাব করলে দেখা যাবে স্ত্রীর ডিম্বানু নিষিক্ত হওয়ার সময় হয়তো মিলন ঘটেনি যার ফলে গর্ভধারণও হয় নি।

একজন নারীর ডিম্বাশয়  মাসে একবার ডিম্বানু তৈরি করে। একে ওভুলেশন বলে। যখন এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় শুধুমাত্র তখনই বীর্যের সংস্পর্শে এলে ডিম্বানুটি নিষিক্ত হতে পারে। তবে শুক্রাণু নারীর গর্ভে গিয়ে প্রায় পাঁচদিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।। তখন যদি নারীর ডিম্বানু প্রস্তুত হয় তখনই শুক্রাণু ডিম্বানুটির সাথে মিলিত হতে পারে।

একজন নারীর মাসিক শুরুর দিন থেকে গুণে গুণে সাতদিন পর্যন্ত এই ডিম্বাণু পুরোপুরি তৈরি হওয়ার সুযোগ নেই বলা চলে। যাদের মাসিক অনিয়ম তাদের কথা আলাদা। কিন্তু যাদের প্রতিমাসে ঠিকঠাক মতো সঠিক সময় মাসিক হয় তারা এ বিষয়টা মাথায় রাখতে পারেন। ইমার্জেন্সি পিল খেলে এ হিসাব কাজ করবে না, এটাও মনে রাখতে হবে।

স্বাভাবিক মাসিক হয় যাদের তাদের পিরিয়ড শুরুর প্রথম দিন থেকে সাত দিন পর্যন্ত স্বামীর সাথে মিলিত হলেও এ থেকে গর্ভধারণ করার সুযোগ খুব কম। গর্ভবতী হতে চাইলে এর পরের ১০ দিন স্বামীর সাথে একবার করে মিলিত হলে কোনো সমস্যা না থাকলে গর্ভবতী হবেন নারী। কারণ এ সময়ের ভিতরেই ডিম্বানুটি প্রস্তুত হয়।

জন্ম বিরতিকরণ প্রক্রিয়া বন্ধ করা 

যদি আপনার ড্রয়ারে কনডম থাকে তা আপনি যে কোন সময় ফেলে দিতে পারেন। যদি আপনি গর্ভ নিরোধক বড়ি সেবন করেন তবে আপনি এটা গ্রহণ বন্ধ করতে পারেন এবং সরাসরি চেষ্টা শুরু করতে পারেন। অথবা আপনি মাসিক শুরুর আগ পর্যন্ত পিল চালিয়ে যেতে পারেন। এক্ষেত্রে ডাক্তারের শিশু জন্মের তারিখ নির্নয় করতে সহজ হয়।

আপনার মাসিকচক্র ফিরে আসতে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। আপনি পিল খাওয়া অবস্থায় গর্ভধারন করলে পিল খাওয়া বন্ধ করে ডাক্তারের স্বরনাপন্ন হন। পিল খাওয়া অবস্থায় গর্ভধারন করলে যে শিশুর ক্ষতি হবে তা নয়, তবে সাবধানতা অবল্বন করা ভাল। যদি আপনি গর্ভনিরোধের জন্য ইন্জেকশন ব্যবহার করে থাকেন তবে সন্তান ধারন করার জন্য এক বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।

ডিম্বাণু প্রস্তুত হওয়ার আগেই শারীরিক মিলন

পুরুষের শুক্রাণু জরায়ু বা ডিম্বনালীতে দুই থেকে তিনদিন বেঁচে থাকে। কিন্তু নারীর ডিম্বাণু মাত্র ১২ থেকে ২৪ ঘন্টা নিষিক্ত হওয়ার অবস্থায় থাকে। এরপর সেখানে আর কোনো শুক্রাণু কাজ করতে পারে না।

তাই ডিম্বাণু নিষিক্ত হওয়ার সম্ভাব্য দিনে শারীরিক মিলন না করে মাসিক শেষ হওয়ার পর একদিন পর পর শারীরিক মিলন করতে হবে। যেন ডিম্বাণু প্রস্তুত হলে শুক্রাণু মিলিত হতে পারে। জরায়ুতে অপেক্ষমাণ শুক্রাণুও সেটা করতে পারে।

শারীরিক মিলন প্রতিদিন নয়   

অনেকের ধারণা বাচ্চা চাইলে প্রতিদিন শারীরিক মিলন জরুরী। এটা ঠিক নয়। প্রতিদিন শারীরিক মিলনে অবসাদ বা ক্লান্তি চলে আসতে পারে। নারীর মিলিত হওয়ার আগ্রহ কমে যেতে পারে এবং পুরুষের বীর্যের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এর ফলে ডিম্বাণু প্রস্তুত হওয়ার সময় শারীরিক মিলন না ঘটার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

তাই এক দিন পর পর শারীরিক মিলন গর্ভবতী হওয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো উপায়। এতে করে শারীরিক মিলনের আগ্রহও থাকে আবার ডিম্বাণু নিষিক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও বেশী থাকে।

কোন পজিশনে সহবাস করলে সন্তান ধারণের সম্ভাবনা বেশি থাকে

গর্ভধারণের জন্য সহবাসের কিছু পজিশন চেষ্টা করা যেতে পারে। যৌন মিলনের বহুল প্রচলিত পজিশন নারীর উপরে পুরুষ। একে মিশনারি পজিশন বলে। মিশনারি পজিশনে সহবাস এক্ষেত্রে সাহায্য করেতে পারে বলে মনে করেন অনেকে। কারণ এতে নারী কোনো রকম নড়াচড়া ছাড়াই বিছানায় পিঠ লাগিয়ে শুয়ে থাকতে পারেন। যদিও এ সম্পর্কে সঠিক কোন তথ্য নেই বা তেমন কোন গবেষনা হয়নি।

কারন এ গবেষনা করতে হলে সহবাসের সময় এমআর স্ক্যানিং এর দরকার পড়ে। দেখা প্রয়োজন হয় যোনি পথে বীর্য কিভাবে প্রবেশ করছে। দুটি পদ্ধতি নিয়ে সামান্য গবেষনা হয়েছে। একটি মিশনারি এবং অন্যটি ডগি স্টাইল। ডগি পদ্ধতি হচ্ছে মহিলা চার হাত-পায়ে ভর দিয়ে উপুড় হয়ে থাকে এবং সঙ্গী পিছন দিক থেকে যৌন সংসর্গ করে।

সাধারন ভাবে বুঝা যায় এই পদ্ধতিতে বীর্য সহজেই সারভিক্স পর্যন্ত পৌছাতে পারে। এই দুটি পদ্ধতিতেই বীর্য সহজে যোনি হয়ে সারভিক্সের সম্মুখে পৌছে। হতে পারে দাঁড়িয়ে বা আপনি উপরেও ভালো পজিশন। এ সম্পর্কে খুব বেশী তথ্য নেই। তাই আপনি আপনার মতো যৌন সংসর্গ চালিয়ে যান।

গর্ভধারনের জন্য কি বীর্যপাত জরুরী?

অবশ্যই। বীর্যপাত ছাড়া গর্ভধারন সম্ভব নয়। বীর্যপাতের আগে কিছু তরল পদার্থ নিঃসরন হতে পারে। কিন্তু বীর্যপাত গর্ভধারনের জন্য জরুরী। এরকম কোন প্রমান নেই যে গর্ভধারনের জন্য মহিলাদের বীর্যপাত দরকার।

মহিলাদের বীর্যপাত হয় প্রচণ্ড উত্তেজনা, আনন্দ এবং সন্তুষ্টি থেকে। এটা ডিম্বানুর মিলনে কোন ভুমিকা রাখে না। জরায়ুর হালকা সংকোচন গর্ভধারনে ভুমিকা রাখতে পারে আপনার কোন বীর্যপাত ছাড়াই। তাই আপনার বীর্যপাত(আপনার সঙ্গীর বীর্যপাতের আগে বা পরে) গর্ভধারনে তেমন কোন ভুমিকা রাখেনা।

বিজ্ঞাপণ

এমন কোনও পজিশন কি আছে যা ছেলে সন্তান বা মেয়েকে সন্তান নির্ধারনে ভুমিকা রাখে?

কথায় প্রচলন আছে মেয়েরা যদি উপরে থাকে তবে কন্যা সন্তান এবং ছেলেরা সেক্সের সময় যদি উপরে থাকে তবে ছেলে সন্তান হয়।কিন্তু এসবই ভ্রান্ত ধারণা। গবেষণায় এর কোন প্রমান মিলেনি।

সহবাসের পর কতক্ষণ শুয়ে থাকতে হয়

বীর্য সাধারনতঃ যোনী এবং সারভিক্সের আশে পাশে থাকে। একবার বীর্যপাত হওয়া মানে আপনার যোনীতে কয়েক লক্ষ শুক্রানুর প্রবেশ। আপনি যৌন মিলনের পরে দাঁড়িয়ে পড়লেও সব শুক্রানুর সরে যাওয়ার কোন কারন নেই। তাই যৌনমিলনের পর সাথে সাথে দাঁড়িয়ে পড়লেও গর্ভধারনে কোন সমস্যা হয় না।

যদি আপনার হাতে পর্যাপ্ত সময় থাকে এবং কোন সমস্যা না থাকে তবে যৌনমিলনের পর ৩০ মিনিট শুয়ে থাকা ভালো। শারীরিক মিলনের পর বিছানায় পিঠ লাগিয়ে শুয়ে থাকুন। যেন বীর্য জরায়ুর দিকে সহজে প্রবাহিত হতে পারে।

একটা কোলবালিশ পায়ের নীচে দিয়ে রাখতে পারেন যেন পাগুলো একটু উঁচু হয়ে থাকে। মোট কথা বীর্য যতখানি সময় ধরে জরায়ুর ভিতরে রাখা যায় ততই ভালো। এভাবে শুয়ে থাকলে বীর্য সহজে জরায়ু, সারভিক্স হয়ে ফ্যালোপেন টিউবে প্রবেশ করে।

শারীরিক মিলনের জন্য ঘুমের আগের সময় বেছে নিন। যেন মিলনের সাথে সাথেই উঠে না যেতে হয় বিছানা থেকে। কিন্তু যদি আপনার জরুয়ুতে ইনফেকশন থাকে এবং ডাক্তার সহবাসের পরপর মুত্রথলি খালি করতে বলে তবে যৌনমিলনের পর দেরী করা ঠিক হবে না।

মিলনের পর পরই নিজেকে পরিষ্কার করে নেয়ার অভ্যাস খুবই ভালো। এতে কোনো রকম ইনফেকশনের ভয় থাকে না। কিন্তু গর্ভধারণের জন্য অন্তত ১ ঘন্টা পানি বা সাবান দিয়ে যৌনাঙ্গ না ধুয়েই থাকতে হবে।

গর্ভবতী হওয়ার জন্য শারীরিক মিলনের ব্যাপারে হিসাবি হতে হবে। অনিয়ন্ত্রিত শারীরিক মিলন পরিত্যাগ করতে হবে। মাসিকের সঠিক হিসাব রেখে নিয়ম মেনে শারীরিক মিলন গর্ভধারণ খুব সহজ করে দেবে। তার মানে এই না যে নিজেদের আনন্দ বিসর্জন দিয়ে দিতে হবে!

শারীরিক মিলনের সম্পুর্ন আনন্দ বজায় রেখেই গর্ভধারণের চেষ্টা করতে হবে। এতে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের জন্য পুরো ব্যাপারটা আনন্দদায়ক হয়ে উঠবে। গর্ভধারনের প্রথম শর্ত হচ্ছে নিয়মিত সহবাস। সপ্তাহে একদিন সহবাসের চেয়ে প্রতি ২/৩ দিন পরপর সহবাস এক বছরের মধ্যে গর্ভধারনের মাত্রা বাড়ায়।

আরও পড়ুনঃ গর্ভধারণের প্রস্তুতি । যে ১০ টি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরী

যদি এক বছর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন এবং আপনার মাসিক অনিয়মিত হয় তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

সবার জন্য শুভকামনা।

যে প্রশ্নগুলো নিয়মিত করা হয়ে থাকে

কোন পজিশনে সহবাস করলে বাচ্চা হয়?

কোন নির্দিষ্ট পজিশনে সহবাস বা মিলন করলে বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি এমন কোন প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

গর্ভবতী হওয়ার জন্য মৌলিক বিষয় হলো পুরুষের শুক্রাণুকে মহিলার সার্ভিক্সের যতটা সম্ভব কাছাকাছি পৌঁছান যাতে তা ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করতে পারে। এর জন্য উপরে উল্লেখিত দুটি পদ্ধতি চেষ্টা করা যেতে পারে কারণ এতে শুক্রাণু মধ্যাকর্ষণ শক্তির দিকে প্রবাহিত হয় এবং সারভিক্সে পৌঁছান কিছুটা সহজ হয়।

যদি আপনার হাতে পর্যাপ্ত সময় থাকে এবং কোন সমস্যা না থাকে তবে যৌনমিলনের পর ৩০ মিনিট শুয়ে থাকা ভালো। শারীরিক মিলনের পর বিছানায় পিঠ লাগিয়ে শুয়ে থাকুন। যেন বীর্য জরায়ুর দিকে সহজে প্রবাহিত হতে পারে।

একটা কোলবালিশ পায়ের নীচে দিয়ে রাখতে পারেন যেন পাগুলো একটু উঁচু হয়ে থাকে। মোট কথা বীর্য যতখানি সময় ধরে জরায়ুর ভিতরে রাখা যায় ততই ভালো। এভাবে শুয়ে থাকলে বীর্য সহজে জরায়ু, সারভিক্স হয়ে ফ্যালোপেন টিউবে প্রবেশ করে।

কখন মিলন করলে পুত্র সন্তান হয়

কখন মিলন বা সহবাস করলে পুত্র সন্তান হবে তার পক্ষে কোন অকাট্য প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

একটি তত্ত্ব মতে যদি ওভুলেশনের দিন বা তার এক থেকে দুই দিন পর সহবাস করা হয় তবে ছেলে সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এর পক্ষে যুক্তি হচ্ছে ছেলে সন্তান হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় Y ক্রোমোজম তুলনামূলক X ক্রোমোজমের চাইতে দ্রুতগতির হয়। তাই ওভুলেশনের সময় বা নারীর শরীরে ডিম্বাণু উৎপন্ন হওয়ার ১-২ দিনের মধ্যে সহবাস করলে Y ক্রোমোজম X ক্রোমোজমের আগে ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করতে পারে। যাতে ছেলে সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

তবে এই তত্ত্বের উপর বেশিরভাগ গবেষণাতেই এর পক্ষে তেমন কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

কিভাবে সহবাস করলে যমজ সন্তান হয়

কিভাবে সহবাস করলে যমজ সন্তান হবে তার কোন সমাধান এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। এর নির্দিষ্ট কোন উপায় নেই। অনেকেই প্রশ্ন করেন পর পর দুইবার সহবাস করলে যমজ সন্তান হয় কিনা। এর উত্তরও “না”।
যমজ সন্তান কেন হয় এবং এর বিস্তারিত জানতে আমাদের আর্টিকেলটি পড়ুন।

গর্ভবতী হওয়ার উপযুক্ত সময়

সন্তান ধারণের জন্য নারীদের ২৫ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত বয়স সবচেয়ে নিরাপদ ও উপযুক্ত। এর নিচে ও ওপরে ঝুঁকি বাড়তে থাকে। গর্ভধারণের ঠিক সময়টা নির্ভর করে নারীর মাসিক ঋতুচক্রের ওপর।

যদি মাসিক নিয়মিত হয়, তবে পরবর্তী মাসিক শুরুর অন্তত ১০ থেকে ১৬ দিন আগে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নিঃসৃত হওয়ার কথা এবং এই সময়টুকু হচ্ছে সবচেয়ে উর্বর।ওভুলেশন বা ডিম্বোস্ফোটনের পাঁচ দিন আগে থেকে ওভুলেশনের দিন পর্যন্ত সময়কে সবচাইতে বেশী উর্বর সময় ধরা হয়ে থাকে যদিও শেষ তিন দিন গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা সবচাইতে বেশী।

মেয়েদের মাসিকের সময় যৌন মিলন করলে গর্ভধারনের সম্ভাবনা থাকে না, তবে এই সময়ে শারীরিক মিলন বা সেক্স থেকে বিরত থাকাই ভালো।

বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে জানা যায় পিরিয়ড হওয়ার ৭ দিন আগে ও পরের সময়ে শারীরিক মিলন করলে গর্ভ ধারণের সম্ভাবনা কম থাকে এবং এর মাঝামাঝি সময়গুলোতে গর্ভ ধারণের সম্ভাবনা থাকে।

কিভাবে সহবাস করলে ছেলে সন্তান জন্ম নেয়

কিভাবে সহবাস করলে ছেলে সন্তান হবে তারও কোন নির্দিষ্ট উপায় নেই। এর সম্পর্কে যদিও বেশ কিছু তত্ত্ব প্রচলিত আছে তবে এর কোনটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত হয়নি।

গর্ভধারণের শারীরিক মিলন | Audio Article

Spread the love

Related posts

Leave a Comment