গর্ভকালীন সময়ে অযাচিত উপদেশ কীভাবে এড়িয়ে যাবেন?

গর্ভকালীন সময়টাতে একজন নারীকে হাজারো পরিবর্তনের মুখোমুখি হতে হয়। আর এই পরিবর্তন শুধুমাত্র তার শরীরেরই  হয় না বরং মানসিকভাবেও গর্ভবতী নারীকে অনেক চাপ ও পরিবর্তনের সম্মুখীন হতে হয়। কেননা এই সময়টাতে একজন নারী উপলব্ধি করতে পারেন যে, তার জীবনটা পুরোপুরি পালটে যাচ্ছে এবং সবকিছু আর কখনই আগের মত থাকবে না।

আর যেহেতু একজন নারী এখন মা হতে চলছেন, তাই তিনি আসলেই কি সন্তানের লালন পালন করার জন্য দক্ষ কি না অথবা তিনি আদৌ সন্তানকে স্বাভাবিক ভাবে বড় করতে পারবেন কি না, এমন হাজারো প্রশ্ন তার মনে ভিড় করতে থাকে।

এই হাজারো প্রশ্ন এবং দক্ষতা নিয়ে সন্দেহের জালে আবদ্ধ হয়ে থাকা নারীর মধ্যে তাই এই সময়টাতে খুব সহজেই উচ্চ মাত্রার উদ্বেগ চলে আসতে পারে। বিশেষ করে সবাই যখন বুকের দুধ খাওয়ানো থেকে শুরু করে শিশুর ডায়পার এবং এই সময়ে কি কি খাওয়া উচিৎ এই ধরনের হাজারো তথ্য বর্ষণে একজন গর্ভবতী নারীকে জর্জরিত করতে শুরু করে। তখন এই সময়টা গর্ভবতী নারীর জন্য মোটেও সুখকর কোন অনুভূতি তৈরি করে না।

আর তাই ভালো উদ্দেশ্য নিয়েও যখন সবাই উপদেশ দিতে আসে, সেই সব উপদেশ শুনতে শুনতে গর্ভবতী নারীর মাথা ঘুরানো শুরু করলে তাতে মোটেও অবাক হওয়ার মত কিছু নেই।

গর্ভকালীন সময়ে আপনি যদি ঠিক এই ধরনেরই পরিস্থিতির শিকার হয়ে থাকেন তাহলে নিজেকে একা ভাববেন না। কেননা, পুরো গর্ভাবস্থায় অন্তত একবার হলেও সব গর্ভবতী নারীকেই এই ধরনের উপদেশের বাণে জর্জরিত হতে হয়।

সবাই কেন এত উপদেশ দেয়?

এটা সত্য যে এই ধরনের উপদেশগুলো উপেক্ষা করা আসলেই একটু কষ্টকর, বিশেষ করে সেই উপদেশের মধ্যে যদি আপনাকে চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়ে থাকে। আর ইন্টারনেটের জগত জুড়েও ঠিক এমনটাই হচ্ছে, একজন গর্ভবতী মা তার ব্রাউজারটি ওপেন করলেই দেখতে পাচ্ছেন হাজারো উপদেশ।

গর্ভাবস্থায় কি করবেন আর কি এড়িয়ে যাবেন এসব নিয়েই নানা জনের নানা মত যেন ছেয়ে আছে একজন গর্ভবতী মায়ের চারপাশ! অথচ এই সময়টাতে একজন নারীর পাশে থাকাটাই যেখানে সবচাইতে জরুরী, সেই কাজটি না করে সবাই কেবল উপদেশ নিয়েই ব্যস্ত।

এসব কিছুই তার মাত্রা ছাড়িয়ে ফেলে যখন আশেপাশের মানুষরা মনে করতে থাকে গর্ভবতী নারীর ওজন, খাওয়া দাওয়া এমনকি শিশুটি কি ছেলে হবে না মেয়ে হবে এগুলো নিয়েও মন্তব্য করার অধিকার তাদের সবার রয়েছে। তারা এও মনে করে যে এ অবস্থায় তাকে নিয়ে হাসি- ঠাট্টা,রসিকতা করা এবং সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য। এই সমস্ত অযাচিত বিষয় থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার মূল উপায় হচ্ছে, এসব উপদেশ কাদের কাছ থেকে আসছে সেটা নিজেকে মনে করিয়ে দেয়া।

তবে এক্ষেত্রে অনেক ডাক্তাররা মনে করেন, কোন নারী যদি ইতোপূর্বে কোন ধরনের গর্ভকালীন জটিলতায় ভুগে থাকে তাহলে সেই সমস্যাগুলোতে অন্য কেউ যাতে না ভোগে এজন্যও সব ধরনের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার মনোভাব অনেকের মধ্যে দেখা যায়। কেননা, তারা ভাবেন কেউ যদি এই ধরনের তথ্যগুলো আগে থেকেই তাদের বলে দিত তাহলে হয়ত তারা কোন ধরনের জটিলতায় ভুগতেন না।

এছাড়াও গর্ভকালীন সময়টা অনেক চাঞ্চল্যকর, তাই অনেকেই উপদেশ দেয়ার মাধ্যমেও আপনার এই অন্যরকম অভিজ্ঞতায় নিজেরাও অংশগ্রহণ করতে চান।

একটা ব্যাপার মনে রাখবেন, সব নারীরাই নিজেদের এই অভিজ্ঞতাগুলোর কথা স্মরণ করতে অনেক বেশি পছন্দ করেন, আর একারণেও অনেকে নিজেদের সেই সব অভিজ্ঞতাগুলোর কথা আপনার সাথে শেয়ার করে থাকেন। এমন ক্ষেত্রে আপনি তাদের সাথে হাস্য-জ্বল মুখ নিয়ে নিজের কাজে ব্যস্ত থাকুন, কেননা একদিন হয়ত আসবে যখন আপনিও আজকের এই অভিজ্ঞতাগুলোর কথা কারো সাথে শেয়ার করতে চাইবেন!

সে যাই হোক, এসবের মধ্যেও অনেককে দেখা যায় যে তারা কেবলমাত্র উপদেশ দিয়েই ক্ষান্ত হন না বরং নিজেদের এই উপদেশগুলো যাতে আপনি অবশ্যই মেনে চলেন সে ব্যাপারে আপনাকে জোর করে থাকেন। এমন ধরনের পরিস্থিতিগুলো স্বাচ্ছন্দ্যে মোকাবেলা করার জন্য বেশ কিছু কৌশল অবলম্বন করতে পারেন।

স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে উপদেশ গ্রহণ করতে পারার জন্য কিছু পরামর্শ

আপনার পরিবারের মানুষগুলো, বন্ধুরা এবং অফিসের সহকর্মি সহ সবাই যদি আপনার সাহায্যে এগিয়ে আসে তাহলে এই গর্ভকালীন সময়টা আপনি বেশ চমৎকার ভাবে কাটিয়ে উঠতে পারবেন। তবে আশেপাশের সবাই যদি আপনার দোষ গুনগুলোর চুলচেরা বিশ্লেষণের মাধ্যমে আপনাকে বিভিন্ন উপদেশ দিয়ে থাকেন তাহলে সেটা ভালোভাবে গ্রহণ করাটা খানিকটা কষ্টকরই বটে! এই ধরনের পরিস্থিতিগুলো আপনি কীভাবে সামলে উঠবেন সে সম্পর্কে কিছু টিপস নিয়ে আলোচনা করা হল-

শিশুর বাবা এবং আত্মীয়রা যখন অযাচিত উপদেশ দেয়!

অনেক সময় এই ধরনের অযাচিত উপদেশ এমনকি জোর পূর্বক মন্তব্যগুলো আপনার খুব কাছের মানুষদের কাছ থেকেও আসতে পারে যাদের আপনি অনেক বেশি পছন্দ করেন। এই পরিস্থিতি সামলে উঠা আপনার জন্য কিঞ্চিৎ কষ্টকর হয়ে দাঁড়াবে। যদি আপনার সঙ্গী এই ধরনের মন্তব্য করে থাকেন তাহলে সবচাইতে ভালো হবে তার মন্তব্যগুলো আপনাকে কষ্ট দিচ্ছে এই ব্যাপারটা তাকে জানিয়ে রাখুন।

এরপরেও যদি তারা আপনার খাওয়া, ঘুম, করনীয় এবং পরিত্যাজ্য বিষয়গুলো নিয়ে জোর করে থাকে তাহলে আপনার গর্ভকালীন অভিজ্ঞতার মধ্যে তাদেরকে আরো বেশি জড়িয়ে নিন। আপনি যখন ডাক্তার দেখাতে যাচ্ছেন তখন তাদের সঙ্গে রাখুন অথবা পেটে যখন শিশু নড়াচড়া করে তখন সেটা তাদের অনুভব করতে দিন।

বেশীরভাগ সময়েই আপনার সঙ্গীর মনে হয় পুরো বিষয়টির সাথে তিনি হয়তোবা ঠিকভাবে থাকতে পারছেন না। আর তাই সংশ্লিষ্ট হওয়ার পরিবর্তে দেখা যায় তারা আপনাকে অযাচিত উপদেশ এবং নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে ফেলছেন।

খুব কাছের আত্মীয়দের মধ্যেও এমনটা দেখা যায়, আর তাই পুরো বিষয়টির মধ্যে সবাইকে যতটা সম্ভব বেশি বেশি সংশ্লিষ্ট রাখুন। আর এভাবেই আপনি এবং আপনার সঙ্গী দুজন মিলে সবাইকে বুঝিয়ে বলতে পারবেন যে এই গর্ভকালীন সব কিছু নিয়ে কীভাবে আপনারা দুইজন সবকিছু সামলে নিচ্ছেন।

এছাড়াও সবার সাহায্য এবং উপদেশগুলোর জন্য আপনারা সবার কাছে কৃতজ্ঞ, সেটাও তাদের জানিয়ে রাখুন। তবে এরমধ্যে সবচাইতে জরুরী বিষয়টি হল এই পুরো প্রক্রিয়ার মধ্যে যে আপনিই কর্তৃত্ব করছেন সেটা আপনার বক্তব্যে ফুটিয়ে রাখা। এতে বাচ্চার আগমনের পরও সবাই অযাচিত উপদেশ দেয়া থেকে বিরত থাকবে।

আপনার বক্তব্যে ডাক্তারের পরামর্শগুলোকে বেশি প্রাধান্য দিন!

আপনি যদি সবার উপদেশ শুনতে শুনতে ক্লান্ত অনুভব করতে থাকেন, বিশেষ করে কখন ঘুমবেন, কোন ধরনের ফরমুলা দুধ শিশুকে খাওয়াবেন অথবা শিশুর কান্না না থামিয়ে তাকে কাঁদতে দেয়ার বিষয়গুলো নিয়ে যখন একটু বেশি ক্লান্ত হবেন তখন সবাইকে বলে দিন, আপনার ডাক্তার আপনাকে যেভাবে বলেছেন আপনি সেভাবেই থাকতে বেশি আগ্রহী।

ডাক্তারের বিষয়কে সামনে নিয়ে আসার ব্যাপারটা প্রায় বেশীরভাগ সময়েই বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। ডাক্তারকে নিয়ে এই বক্তব্য যে শুধুমাত্র আপনাকে এই ধরনের পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আসতে সাহায্য করবে তা নয় বরং এই বক্তব্যের মাধ্যমে যে ব্যক্তি অযাচিত উপদেশ দিচ্ছেন তাকে এটাও স্মরণ করিয়ে দেয়া হয় যে, আপনি একজন বিশেষজ্ঞর পরামর্শ অনুযায়ী চলছেন এবং আপনার এই ধরনের উপদেশের কোন প্রয়োজন নেই।

চুপচাপ থাকুন

কখনো কখনো আশেপাশের মানুষরা আপনাকে বিভিন্ন ধরনের উপদেশ দিয়ে যাবে, বিশেষ করে তারা যদি আপনার আত্মীয় হয়ে থাকে। এই সমস্ত ক্ষেত্রে সবচাইতে ভালো উপায় হল প্রতিউত্তরে কিছুই না বলে একদম চুপচাপ থাকা। হ্যাঁ! আপনার মনে হতে পারে যে আপনার সবাইকে বুঝিয়ে বলা উচিৎ আপনি যেটা করছেন তা কেন করছেন, তবে কিছু না বলে চুপ থাকাটাও বেশ বুদ্ধিমানের কাজ। 

বিতর্কিত কোন কিছু নিয়ে অযথা কথা বাড়িয়ে আরো তর্কের সৃষ্টি না করে বরং নিজের মতামতগুলো নিজের মধ্যেই রেখে দেয়া ভালো। এক্ষেত্রে একটা বিষয় সর্বদা মনে রাখবেন, একদম কিছু না বলাও কিন্তু এক ধরনের প্রতিবাদ। আর এই ধরনের প্রতিবাদের ক্ষেত্রে সবচাইতে ভালো বিষয়টি হল আপনি তাদের আচরণ কেন পছন্দ করছেন না সেটা আর ব্যাখ্যা  করে কাউকে বলে দেয়ার প্রয়োজন পরে না। 

অপরিচিতদের উপদেশ এড়িয়ে যেতে কিঞ্চিৎ কৌশল অবলম্বন করুন

এই অপরিচিত ব্যক্তি হতে পারে দোকানে দেখা হয়ে যাওয়া কোন বৃদ্ধ মহিলা, আপনার বস এর স্ত্রী, ডাকপিয়ন, এমনকি যে কেউ! আপনার কিন্তু তাদের উপদেশ শোনারও প্রয়োজন নেই এবং তাদের উপদেশের ক্ষেত্রে কোন ধরনের মন্তব্য করারও প্রয়োজন নেই। এইসব ক্ষেত্রে একটু হেসে মাথা ঝাঁকিয়ে চলে আসুন, এতে কোন ক্ষতি তো নেই বরং অযথা তর্কের হাত থেকে বেঁচে গেলেন!

তবে এমন কাউকেও আপনি পেতে পারেন যে কি না একটু বেশিই নাক গলানো স্বভাবের। তখন কিন্তু একদম চুপচাপ হেসে চলে এসে কোন লাভ হবে না, আর ঠিক তাই আপনি স্পষ্ট করে তাদের জানিয়ে দিন, “মতামত প্রদানের জন্য ধন্যবাদ তবে এইসব সিদ্ধান্ত একান্তই আমার এবং আমার সঙ্গীর”।

স্ব-ঘোষিত বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে একটু হাসি দিয়েই এড়িয়ে চলুন!

একটা মজার ব্যাপার হল, যখনই কেউ গর্ভকালীন সময়ে কোন ধরনের উপদেশ দেয় তখন তারা এটা বিশ্বাস করে যে তাদের এই মতামতটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আবার কিছু মানুষের মুখোমুখি হতে হবে যারা কি না এই ধরনের উপদেশ দেয়ার সময় নিজেদের এই ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ হিসেবে মনে করে থাকেন। আর তাই তারা আপনাকে যে কোন বিষয়েই হোক না কেন, সামান্য ধরনের উপদেশ দেয়ার সুযোগও হাতছাড়া করবেনা।

আর এসমস্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে আপনাকে একটু কৌশলী হতে হবে, আপনি তাদের বলুন যে, “হ্যাঁ! এই ধরনের কথাগুলো আমার ডাক্তারও বলেছে। আপনি আসলেই সত্যি এবং ঠিক কথাই বলেছেন”। এসব কথার মাধ্যমে আপনি কিন্তু তাদের জানিয়ে দিতে পারছেন যে তাদের থেকে আপনি নতুন কিছুই শিখছেন না বরং এগুলো আপনি আগে থেকেই জানেন। যার ফলে একসময় তারা এই ধরনের অযাচিত উপদেশ দেয়া বন্ধ করে দিবে।

মানুষকে বাঁধা দিতে শিখুন

গর্ভকালীন সময়ে অনেককেই দেখবেন যে তারা আপনার পেটে হাত দিয়ে অনুভব করতে চাচ্ছে। তাদের মধ্যে কেউ আছে প্রথমে জিজ্ঞেস করে নিবে আবার কেউ আছে কোন কিছু জিজ্ঞেস না করেই আপনার পেটে হাত বোলানো শুরু করে দেবে! এই ধরনের লোকেরা আদতে জানে না যে কোন বিষয়টি মানুষের ব্যক্তিগত আর কোনটি নয়। সে যাই হোক, কখনো এমনটা ভাবতে শুরু করবেন না যে আপনি গর্ভধারণ করেছেন তার মানে এই নয় যে আপনার পেট এখন যে কেউ স্পর্শ করতে পারবে।

গর্ভকালীন সময়টা সবসময়েই ব্যক্তিগত একটি ব্যাপার, যদি না আপনি একে ব্যক্তিগত না রাখেন! তাই যখন কেউ আপনার পেট স্পর্শ করতে চাইবে তখন আপনি তাদের বাঁধা দেয়াটা শিখে রাখুন। হুট করেই যাতে কেউ স্পর্শ না করে ফেলতে পারে তাই সবসময় হাত সামনের দিকে রাখুন অথবা আপনার পার্সটি সামনের দিকে রাখুন। এতে করে কেউ হুট করেই আপনার পেট স্পর্শ করতে পারবে না।

১৯৫৬ সালে গ্রেস কেলি নামের এক মহিলা ঠিক এমনটাই করেছিলেন কারণ তিনি চাননি ফটোগ্রাফার তার গর্ভাবস্থার ছবি তুলুক। ছবিটি লাইফ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছিলো এবং দ্রুত তার পার্সটি “কেলি ব্যাগ” নামে পরিচিতি লাভ করেছিলো ।

আমাদের পক্ষ হতে কিছু কথা

পরিশেষে একটি বিষয় মনে রাখবেন আপনার গর্ভকালীন সময়ে সবাই নিজের ব্যক্তিগত পরামর্শ দিতেই থাকবে। তবে বেলা শেষে আপনার নিজস্ব ইচ্ছেটাই কিন্তু প্রাধান্য পাচ্ছে! আপনার এবং শিশুর যেটা সবচেয়ে ভালো হবে বলে মনে করবেন সেটাই করুন। শুধু একটা বিষয়ই মনে রাখবেন যে, কেবলমাত্র ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া আর কোন উপদেশই কখনো আপনার জন্য জরুরী নয়।  

সবার জন্য শুভকামনা।

What to Say to People With Opinions About Your Pregnancy – https://www.verywellfamily.com/what-to-say-to-people-with-opinions-about-your-pregnancy-4174384 [Accessed- November 18,2019]

Related posts