গর্ভের শিশুর কোন ক্রুটি আছে কিনা তা কিভাবে জানবো ?

0 like 0 dislike
174 views
asked Jul 14, 2017 by admin (1,560 points)
গর্ভের শিশুর কোন ক্রুটি আছে কিনা তা কিভাবে জানবো ?

1 Answer

0 like 0 dislike
answered Jul 14, 2017 by admin (1,560 points)

অনেক ত্রুটি শিশুর জন্মের আগেই নির্ধারণ করা যায় এবং অল্পসংখ্যক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে প্রতিরোধ করা সম্ভব। কারণ যা-ই হোক, নতুন এ প্রিনেটাল ডায়াগনোসিস বা গর্ভস্থ অবস্থায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে শতকরা ৯৩ ভাগ সমস্যা নির্ণয় করা যায়। গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাসের মধ্যেই গর্ভস্থ শিশুর কোনো শারীরিক সমস্যা আছে কি-না অথবা আপাতত না থাকলেও পরবর্তী সময়ে ঝুঁকি আছে কি-না, তা নির্ণয় করা যাবে দ্বিতীয় তিন মাসে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার স্তর তিনটি। অতি আধুনিক আলট্রাসাউন্ড স্ক্যান, মায়ের রক্তরস স্ক্রিনিং ও জেনেটিক পরীক্ষা

প্রথমত, প্রয়োজন নিখুঁত ছবি তোলার উপযোগী হাইরেজুলেশন আলট্রাসাউন্ড স্ক্যানার এবং অবশ্যই গর্ভস্থ শিশু চিকিৎসাবিজ্ঞানে অভিজ্ঞ চিকিৎসক।

দ্বিতীয়ত, প্রয়োজন মায়ের রক্তরসের বায়োকেমিক্যাল কিছু পরীক্ষা। এই দুই স্তরের সমন্বয়ে প্রায় ৯৩ শতাংশ জটিলতা নির্ণয় করা যায়। এই দুই স্তরে সমস্যা পেলেই কিছু ইনভেসিভ পরীক্ষা তৃতীয় ও শেষ স্তরে করতে হয়। আলট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে গর্ভস্থ শিশুর ঘাড়ের পেছনে পরীক্ষা (নিউক্যাল ট্রান্সলুসেন্সি) অথবা শিশুর মাথার বেড় (বিপিডি) এবং মায়ের রক্তরসের বিশ্লেষণের মাধ্যমে গর্ভস্থ শিশুর প্রায় ১০০টির ওপর গঠনগত শারীরিক ত্রুটি নির্ণয় করা অথবা ধারণা পাওয়া যায়।

তৃতীয়ত, যেসব গর্ভস্থ শিশুকে আলট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে ত্রুটিযুক্ত হিসেবে নির্ণয় করা যায় অথবা নির্ণয় করা না গেলেও (মাইনর অথবা অকাল্ট ত্রুটি) গর্ভস্থ শিশুর ঝুঁকি হিসেবে নির্ণয় করা যায়। অর্থাৎ প্রথম স্তরের ত্রুটি অথবা দ্বিতীয় স্তরে ঝুঁকিযুক্তদের তৃতীয় স্তরে জেনেটিক টেস্টের মাধ্যমে চূড়ান্ত সমস্যা নির্ণয় করা সম্ভব। উল্লেখযোগ্য, শিশুর জন্মগত ত্রুটির মধ্যে অন্যতম একটি ডাউনস সিনড্রোম। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০ বছর বয়সী মায়েদের ক্ষেত্রে প্রতি ৮০০ শিশুর মধ্যে একজন এবং ৩৫-ঊর্ধ্ব বয়সী মায়েদের ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ শিশুর মধ্যে একজন এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন।

গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাসে এ ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা মাকে দুশ্চিন্তামুক্ত করতে সাহায্য করে।
এ পরীক্ষার মাধ্যমে গর্ভাবস্থায়ই বিভিন্ন ঝুঁকি ও ত্রুটি সম্পর্কে জেনে নিয়ে প্রয়োজনীয় আগাম ব্যবস্থা নেওয়া যায়। মেরামতযোগ্য কিছু ত্রুটি সারিয়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা বা প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব।ইতিপূর্বে এ ধরনের পরীক্ষার জন্য গর্ভবতী মাকে বিদেশে যেতে হতো। বর্তমানে মাতৃজঠরে শিশুর জন্মগত রোগ নির্ণয়ের ডিএনএ পরীক্ষা বাংলাদেশেই সম্ভব হচ্ছে।

জন্মগত ত্রুটি নিয়ে বিস্তারিত পরুনঃ

http://myfairylandbd.com/%e0%a.....%e0%a6%bf/

34 questions

26 answers

2 comments

1 user

গর্ভাবস্থা, গর্ভধারণ, শিশু লালন পালন বা মা ও শিশু বিষয়ক যে কোন প্রশ্ন করুন। আমাদের টীম এবং আমাদের ইউজাররা যথাসাধ্য চেষ্টা করবে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেও অবদান রাখতে পারেন।
...