একলাম্পশিয়া বা গর্ভকালীন খিঁচুনি কি?

0 like 0 dislike
131 views
asked Jul 14, 2017 in গর্ভকালীন by admin (1,560 points)
একলাম্পশিয়া বা গর্ভকালীন খিঁচুনি কি?

1 Answer

0 like 0 dislike
answered Jul 14, 2017 by admin (1,560 points)
edited Jul 17, 2017 by admin

এক্লাম্পশিয়া মূলত প্রি-এক্লাম্পশিয়ার গুরুতর অবস্থা৷ গর্ভবতী মায়ের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে একলাম্পশিয়া বা গর্ভকালীন খিঁচুনী। নবজাতকের মৃত্যুরও অন্যতম কারণ একলাম্পশিয়া। সা ধারণত ৬ মাস গর্ভধারণের পর অথবা প্রসবের সময় এ উপসর্গ দেখা দেয়। কখনো কখনো প্রসব পরবর্তী অবস্থায়ও এটি দেখা দিতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রসবের কাছাকাছি সময়ে এ রোগ দেখা দেয়। যেসব মায়ের আগে একবার একলাম্পশিয়া হয়েছে তাদের পরবর্তী প্রসবের সময় আবারো একলাম্পশিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
একলাম্পশিয়া হলে রোগীর বারবার খিঁচুনী হবে। খিঁচুনীর ফলে রোগী অজ্ঞান হয়ে যায়। অনেক সময় প্রবল খিঁচুনীতে এমনিতেই প্রসব শুরু হয়ে যেতে পারে। একলাম্পশিয়া হওয়ার আগে যে অবস্থাটা তাকে বলা হয় প্রি-একলাম্পশিয়া। এটি একলাম্পশিয়ার পূর্ব লক্ষণ।
প্রিএকলাম্পশিয়া/একলাম্পশিয়া বা গর্ভকালীর খিঁচুনীর তিনটি উপসর্গ রয়েছেঃ
১। হাতে-পায়ে পানি আসা।
২। রক্তচাপ বৃদ্ধি পাওয়া।
৩। প্রস্রাবে প্রোটিন বেরিয়ে যাওয়া।
একলাম্পশিয়ার জটিলতা সমূহ
একলাম্পশিয়া রোগীর সন্তানের মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।পরপর খিঁচুনির ফলে গর্ভস্থ সন্তান পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয়। ফলে সন্তানের শরীরের ক্ষতি হয়।এছাড়া খিঁচুনি বন্ধ করার জন্য যেসব ওষুধ মাকে দেয়া হয়, তার জন্যও সন্তান মারা যেতে পারে।এ রোগ কিডনিতে জটিলতা সৃষ্টি করে এবং প্রস্রাব অনেক সময় বন্ধ হয়ে যায়।প্রথম সন্তানের বেলায় এই অসুখ বেশি দেখা দেয়। মায়ের একলাম্পশিয়ার ইতিহাস থাকলে মেয়ের গর্ভকালীন সময়েও এ রোগ হতে পারে।
চিকিৎসা ও সেবা প্রদানের স্থান
প্রি-একলাম্পশিয়ার চিকিৎসা সময়মতো হলে একলাম্পশিয়া হওয়ার ঝুঁকি থাকে না। এজন্য প্রি-একলাম্পশিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়া মাত্রই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরী। গর্ভকালীন সেবা বা এএনসি সঠিকভাবে গ্রহন করলে প্রি –একলাম্পিশয়া বা একলাম্পশিয়ার ঝুঁকি কমে যাবে।
প্রতিরোধের উপায়
একলাম্পশিয়া বা গর্ভকালীন খিঁচুনী প্রতিরোধ করা সম্ভব। এজন্য প্রয়োজনঃ
নিয়মিত এন্টিনেটালা চেকআপ-প্রসব-পূর্ব বা গর্ভকালীন পরিচর্যা নিয়মিত রক্তচাপ মাপা,প্রসাবে প্রোটিন যায় কিনা পরীক্ষা করা, রক্তশূন্যতা আছে কিনা তা পরীক্ষা করা ,হাতে পায়ে পানি ইত্যাদি পরীক্ষা করা। যেহেতু একলাম্পশিয়া হওয়ার আগে প্রি-একলাম্পশিয়া হয়, তাই প্রি-একলাম্পশিয়া প্রতিরোধ করা গেলেই একলাম্পশিয়া হবে না।

এ ব্যাপারে বিস্তারিত পড়ুনঃ

http://myfairylandbd.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be/

33 questions

26 answers

2 comments

1 user

গর্ভাবস্থা, গর্ভধারণ, শিশু লালন পালন বা মা ও শিশু বিষয়ক যে কোন প্রশ্ন করুন। আমাদের টীম এবং আমাদের ইউজাররা যথাসাধ্য চেষ্টা করবে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেও অবদান রাখতে পারেন।
...