হামাগুড়ি দেয়া ও সদ্য হাঁটতে শেখা শিশুর নিরাপত্তা

হামাগুড়ি দেয়া ও সদ্য হাঁটতে শেখা শিশুর নিরাপত্তা

ঘরের ছোট্ট শিশুর পেছন পেছন মায়ের চলে সারাদিন পাহারা। নতুন হাঁটতে শিখেছে ছোট্ট শিশুটি । চেয়ারের হাতল, টেবিল, খাট কিংবা দেয়াল ধরে ধরে ঘরময় হেঁটে চলে সে অবিরাম। এমন করে হাঁটতে গিয়ে কাঠের চেয়ার নিয়েই পড়ে গিয়ে ঘটে যায় নানা দুর্ঘটনা। এই বয়সের বাচ্চারা কোন কিছু বেয়ে উপরে উঠে যেতে পারে এবং বোতল বা কোন পাত্রের ঢাকনা খুলে ফেলার মত সাধারন কাজগুলো করতে পারে। এ সময় তারা যেকোনো জিনিস মুখে দিয়ে তার স্বাদ কেমন তা পরখ করতে চায়। এগুলো খুবই স্বাভাবিক, কিন্তু আপনি সাবধান না থাকলে এমন করতে গিয়ে সে…

Read More

শিশুর হাঁটতে শেখা

শিশুর হাঁটতে শেখা

শিশুর প্রথম হাঁটা  জন্মের প্রথম বছরে শিশু তাঁর শরীরের হাড়, পেশী এবং নার্ভাস সিস্টেম সম্পূর্ণভাবে গড়ে তোলা এবং এদের মধ্যে সমন্বয় করণের কাজ করে। প্রথম দিকে শিশু বসতে শিখে, একপাশ থেকে অন্যপাশে গড়াতে শিখে, এরপর হামাগুড়ি দেয় এবং শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপ পার হয়ে হাঁটতে শেখে।১১ মাস বয়স থেকেই যেকোনো সময় বাবু হাঁটতে শুরু করতে পারে। প্রতিটি বাচ্চাই আলাদা, তাই ঠিক কোন সময় আপনার সন্তান হাঁটতে শুরু করবে, তা বলা মুশকিল। নিচে বাচ্চার ২ বছর পর্যন্ত বয়স অনুযায়ী হাঁটতে শেখার ধাপ সম্পর্কে কিছু ধারনা দেয়া হোল। তবে মনে রাখতে হবে…

Read More

শিশুকে ভালো ভাবে কথা বলতে শেখানোর কিছু টিপস

শিশুকে ভালো ভাবে কথা বলতে শেখানোর কিছু টিপস

কিভাবে পায়চারি করতে হয় সেটা যেমন আপানার বাচ্চা সরাসারি শিখবেনা ঠিক একইভাবে কিভাবে কথা বার্তা বলতে হয় সেটাও আপনার বাচ্চা সরাসরি জানবেনা।জন্মের পরপরই একটি শিশু ভাষাজ্ঞান অর্জন করতে শেখে না। ভাষা বা কথা শেখার জন্য শিশুর মস্তিষ্ক তখন যথেষ্ট পরিপক্ক থাকে না। জন্মের প্রায় চার মাস পর্যন্ত একটি শিশুর ভাষা কান্নার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। এ সময় তার ভাষা জ্ঞান থাকে শূন্যের কোঠায়। মৌখিকভাবে ভাব আদান প্রদান বা কথা বলা হোল এমন একটি দক্ষতা যা বিভিন্ন ধরনের সামর্থ্যের উপর নির্ভর করে। সেটা হতে পারে- অন্যের বলা শব্দ বোঝার ক্ষমতা থাকা, সঠিক…

Read More

বাচ্চার প্রথম কথা বলা কখন থেকে শুরু হয় ?

বাচ্চার প্রথম কথা বলা কখন থেকে শুরু হয় ?

বাচ্চা কখন কথা বলতে শুরু করবে? শিশুদের বড় হওয়ার মুহূর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম স্মরণীয় হলো যখন তার মুখে কথা ফোটে। বয়স তিন হতে হতেই বাচ্চারা কথা বলতে শিখে যায়। সাধারণত এক বছর বয়সে শোনা যায় বাবুর মুখে প্রথম বুলি। দুই বছরে পা দিলে এক সঙ্গে দুতিনটি শব্দ বলতে পারে বাচ্চারা, বয়স আড়াই বছর হতে না হতেই ছোট ছোট বাক্য বলতে শিখে ফেলে। নিচে বাচ্চার কথা বলতে শেখার পর্যায় ক্রমিক ধাপ সম্পর্কে কিছু ধারনা দেয়া হোল- বাচ্চা যখন মায়ের পেটে অনেক বিশেষজ্ঞের মতে বাচ্চার ভাষা বোঝার প্রক্রিয়া শুরু হয় যখন সে মায়ের…

Read More

শিশুর চুষনি বা প্যাসিফায়ারের ব্যাবহার এবং যত্ন নেয়া

শিশুর চুষনি বা প্যাসিফাইয়ারের ব্যাবহার এবং যত্ন নেয়া

শিশুদের জন্য চুষনি ব্যাবহার করা উচিত কি?  কখনও কখনও মায়েরা শিশুদের দুই খাবারের মাঝে শান্ত করার জন্য চুষনি ব্যাবহার করে দীর্ঘ সময় পাওয়ার চেষ্টা করেন। এটি একটি সমস্যা হতে পারে কারণ শিশু এতে শিশু পর্যাপ্ত খাবার নাও খেতে পারে এবং আপনার স্তনগুলো কম দুধ তৈরি করতে শুরু করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যে বুকের দুধ খাওয়ানোর আগে চুষনি ব্যবহার করলে দুধ খাওয়ার সময় কম লাগে। এটা মনে করা হয় যে চুষনি এবং স্তনের ক্ষেত্রে বাচ্চার চোষণ পদ্ধতি ভিন্ন। এতে করে বুকের দুধ সরবরাহে নেতিবাচক প্রভাব তৈরী করতে পারে। বয়স্ক বাচ্চারা…

Read More

৬-৯ মাস বয়সী শিশুর বিকাশে যেভাবে সাহায্য করবেন

৬-৯ মাস বয়সী শিশুর বিকাশে যেভাবে সাহায্য করবেন

৬-৯ মাসে পরিবর্তনীয় বৈশিষ্ট্য খুব শীঘ্রই সে তার প্রথম পা ফেলবে। আপনার কাজ হবে তার নিজস্ব ভঙ্গিতে তাকে একটা সঠিক পথ বেছে নিতে উৎসাহিত করা। আপনি এখন আরও ভাল করে বুঝতে পারবেন সে কিভাবে স্বাচ্ছন্দ্য পেতে পছন্দ করে- তাকে খাওয়ানো , তাকে জড়িয়ে ধরে রাখা বা দোল খাওয়ানো, আপনার কোলে দাঁড়ানো অবস্থায় সাহায্য পেতে নাকি স্ট্রলারে করে চুপচাপ বেড়াতে যেতে। আপনারা দুজনে কোন শব্দ উচ্চারণ না করে ও নিজেদের মধ্যে কথা বার্তা  বলতে শিখবেন। মনোযোগ সহকারে তার কথা শুনবেন। আপনি ও আপনার শিশু যত এক অপরকে চিনতে থাকবেন, আপনি ততই…

Read More

নবজাতকের নাভি সংক্রান্ত কিছু জরুরী বিষয়

নবজাতকের নাভি সংক্রান্ত কিছু জরুরী বিষয়

সন্তানের সাথে মায়ের থাকে নাড়ির সম্পর্ক। এই নাড়িকে ডাক্তারি ভাষায় বলা হয়ে থাকে আম্বিলিকাল কর্ড (Umbilical Cord)। এটি আসলে মা এবং বাচ্চার মধ্যে যোগসূত্র তৈরি করে। মায়ের দিকের অংশটি লাগানো থাকে জরায়ুতে (গর্ভফুলে) এবং বাচ্চার অংশটি থাকে বাচ্চার নাভিতে। এই পথে মায়ের কাছে থেকে বাচ্চা গর্ভকালীন সময়ে পুষ্টি পেয়ে থাকে। জন্মের পর বাচ্চার দিকের অংশটি কিছু রেখে এটি কেটে ফেলা হয় এবং এই সময় প্রয়োজন সঠিক যত্নের। অনেক সময় অভিভাবকরা দুশ্চিন্তায় থাকেন নাভির যত্ন কিভাবে নিবেন? শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর নাভির যত্ন নিয়ে অনেকে চিন্তিত থাকেন। কেউ ভাবেন তেল লাগিয়ে…

Read More

শিশুর গুরুতর অসুস্থতার লক্ষন ও সনাক্তকরণ

শিশুর গুরুতর অসুস্থতার লক্ষন ও সনাক্তকরণ

বাড়ির ছোট বাচ্চাটি অসুস্থ হলে পরিবারের সকলেই দারুন চিন্তিত হয়ে পড়েন। সব থেকে দুশ্চিন্তা যে মায়েরই হয় তা তো বলাই বাহুল্য। ছোট শিশুরা শারীরিক অসুবিধার কথাগুলো পরিষ্কার করে আমাদের বলতে পারে না। তবে বাচ্চাকে দুর্বল দেখালে,খেতে না চাইলে,খেলা ধুলা না করলে ধরে নেয়া যায় যে বাচ্চার শরীরে কোন সমস্যা হচ্ছে। বাচ্চা অসুস্থ কি করে বুঝবেন তাই নিয়েই আজকের আলোচনা- বাবা কিংবা মা হিসেবে আপনি জানেন সুস্থ থাকলে আপনার সন্তানকে কেমন দেখায়, আর এজন্যই তার মেজাজ, আচরন, ক্রিয়াকলাপ এবং ক্ষুধায় খুব সামান্য পরিবর্তন হলে আপনি বুঝতে পারেন আপনার বাচ্চা হয়ত অসুস্থ…

Read More

নবজাতককে বুকের দুধ খাওয়ানো সংক্রান্ত নির্দেশিকা

নবজাতককে বুকের দুধ খাওয়ানো সংক্রান্ত নির্দেশিকা

শিশুর যথাযথ পুষ্টির জন্য মায়ের বুকের দুধের কোন বিকল্প নেই।বুকের দুধ খাওয়ানোর মাধ্যমে মা ও শিশুর মধ্যে গড়ে উঠে এক স্বর্গীয় নিবিড় সম্পর্ক। শিশুকে দুধ খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে মা তার মাতৃত্ব পুরোপুরি উপভোগ করেন।বুকের দুধ আপনার শিশুকে যোগাবে জীবনের সম্ভাব্য সবচেয়ে ভাল শুরু। বুকের দুধ ওদেরকে দেয় সবচেয়ে বেশী পুষ্টি, ওদের বিকাশে সাহায্য করে এবং ওদের অসুখবিসুখ হবার এবং সংক্রমণে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি কমায়। শাল দুধের উপকারিতা প্রসবের পরে মায়ের বুকে প্রথম যে দুধ আসে তাকে শালদুধ বলে। শালদুধ ঘন, আঁঠালো এবং একটু হলুদ রংয়ের হয়ে থাকে। শিশুকে শাল দুধ খাওয়ানোর…

Read More

নতুন জন্মানো বাচ্চা: সাধারণ বৈশিষ্ট্য এবং সমস্যাসমূহ

নবজাতকের বৈশিষ্ট্য 

নবজাতকের বৈশিষ্ট্য  পরিবারের সবাইকে আনন্দের বন্যায় ভাসিয়ে আগমন ঘটে একটি শিশুর। ভূমিষ্ঠ হওয়ার মুহূর্ত থেকে প্রথম যে প্রশ্নটা সবাইকে তাড়া করে—নবজাতক কি সুস্থ স্বাভাবিক হয়েছে? একটি শিশুর জন্মের পর পরই কিছু পর্যবেক্ষণ করে তা বোঝা যেতে পারে। যেমন- ওজন স্বাভাবিকভাবে গর্ভকাল ৩৭ থেকে ৪২ সপ্তাহ পার করেই একটি সুস্থ শিশু জন্ম নেয়। জন্মের সময় তার স্বাভাবিক ওজন আড়াই থেকে চার কেজি হওয়ার কথা। উচ্চতা স্বাভাবিক শিশু জণ্মের সময় মোটামুটি ভাবে ৫০ সেন্টিমিটার বা ২০ ইঞ্চির মতো লম্বা হয়৷ শরীরের অনুপাত শিশুর মাথা শরীর হাত-পা-এর অনুপাত বড়দের শরীরের তুলনার অন্যরকম হয়৷…

Read More