শিশুর সঠিক খাদ্যাভ্যাস তৈরির ৭ টি টিপস (ছয় মাস থেকে ১৮ মাস বয়সী বাচ্চার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)

শিশুর সঠিক খাদ্যাভ্যাস

শিশুর সঠিক খাদ্যাভ্যাস এমন একটা দিনও সম্ভবত নেই  যেদিন কোন বাচ্চার মা অভিযোগ করছেন না, “আমার বাচ্চা কিছুই খায় না। প্লীজ, একটা কিছু করুন”। সত্যি বলতে কি, বাচ্চাদের খাওয়া সংক্রান্ত প্রশ্নই সব থেকে সাধারন প্রশ্ন যা প্রায় সবার কাছ থেকে আসে, কিন্তু যার সন্তোষজনক উত্তর দেওয়া সবথেকে কঠিন। একজন কমবয়সী মা পরিবারের সদস্য, বন্ধু, ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া, সমবয়সী বন্ধুবান্ধব ইত্যাদি বিভিন্ন উৎস থেকে প্রচুর সংখ্যায় পরস্পরবিরোধী মতামত এবং উপদেশ পান এবং তাঁরা প্রভাবিতও হন গভীরভাবে প্রোথিত পরম্পরাগত অভ্যাস, প্রাচীন বিশ্বাস এবং বাচ্চাদের খাদ্যাভ্যাস সংক্রান্ত ভুল ধারণার দ্বারা। বাচ্চাকে খাওয়ানোর জন্য…

Read More

শিশুর দাঁতের যত্ন । কখন থেকে ও কিভাবে ?

শিশুর দাঁতের যত্ন

শিশুদের দাঁত ও মাড়ির যত্নে অবহেলার কারণে অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। আপনার ছোট্ট শিশুটির দাঁত উঠার আগে ও পরে চাই যত্ন ও পরিচর্যা। আমাদের দেশের শিশুরা প্রায়ই দাঁত ও মাড়ির সমস্যায় ভোগে অথচ শিশুর দাঁতের যত্ন প্রাত্যহিক যত্নের মধ্যে পরে যার অভ্যাস শিশুদের খুব ছোটবেলা থেকেই শেখানো বা শিখিয়ে গড়ে তোলা প্রয়োজন। শিশুদের দাঁতের যত্ন নিতে হয় শুরু থেকেই কারন গর্ভেই শিশুর দাঁত উঠা শুরু করে আর সাধারনত তা ছয় মাস বয়সে দৃষ্টিগোচর হয় । কোমলমতি শিশুদের দাঁতের যত্ন নেওয়া শেখাতে পিতা মাতার ভূমিকাই প্রথম এবং যা তাদের অন্য…

Read More

প্রি-ম্যাচিওর বা সময়ের আগেই জন্ম নেয়া বাচ্চার যত্ন

প্রি-ম্যাচিওর বা সময়ের আগেই জন্ম নেয়া বাচ্চার যত্ন

বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা, মা কিংবা শিশুর কোন ধরণের সমস্যাসহ বিভিন্ন কারণেই শিশু নির্ধারিত সময়ের আগেই পৃথিবীতে আলোর মুখ দেখতে পারে। কিন্তু যেহেতু তারা নির্ধারিত সময়ের আগেই পৃথিবীতে আসে তাই তাদের যত্ন-আত্তি, তাদের দেখাশোনা সবকিছুই একটু অন্যরকম হয়। সাধারনত এদের প্রি-ম্যাচিউর বাচ্চা বলা হয়ে থাকে। গর্ভাবস্থার ৩৭ সপ্তাহ আগে জন্ম নেয়া শিশুকে প্রিম্যাচিউর বাচ্চা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সাধারণত গর্ভকাল ৪০ সপ্তাহ হলে জরায়ুতে ভ্রুণ যথেষ্ট বিকাশ লাভ করে। এসময় ভ্রুণ শিশুর ফুসফুস ও অন্যান্য অঙ্গ পরিপূর্ণতা লাভ করে। ফলে সন্তান প্রসবের পর মাতৃজঠর থেকে বেরিয়ে এসে শিশু যে পরিবেশ পায়…

Read More

শিশুর নাক ও গলার কফ কিভাবে পরিষ্কার করবেন ?

শিশুর নাক ও গলার কফ

কফ কি এবং কেন হয়? কফ হলো গলার অস্বস্তিকর পিচ্ছিল পদার্থ। এটা শ্বাস নালীতে তৈরি এবং সেখান থেকে নিঃসৃত রস যা কাশির মাধ্যমে শ্বাসনালী থেকে বের হয়ে আসে তাকেই কফ বলা হয়। বাইরের জিনিস শ্বাসনালীতে প্রবেশ করলে শরীরের Protective mechanism এর ফলে শ্বাসনালী তা কফের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়- এই প্রক্রিয়াকে কাশি বলা হয়। গলার গ্ল্যান্ডগুলো দিনে প্রায় এক থেকে দুই লিটার কফ তৈরি করে। কফ হলো আমাদের শ্বাসনালীর রস। শ্বাসনালীকে ভিজিয়ে রাখা কফের কাজ। শ্বাসনালী কোনো কারণে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কফ তৈরী করলে আমরা গলায় অস্বস্তিকর কফের অনুভুতি…

Read More

শিশুর শরীর মাসাজ বা মালিশ কেন করবেন, কিভাবে করবেন? (ভিডিও)

শিশুর শরীর মাসাজ বা মালিশ

শরীর মাসাজ শিশুর নিয়মিত পরিচর্যার অংশ। স্বাস্থ্যকর মাসাজ  শিশুর মানসিক ও শারীরিক বিকাশেও ভালো ভূমিকা রাখে। আর নিয়মিত মাসাজ করলে শিশু হবে প্র্রাণবন্ত ও ফুরফুরে।০-৩ বছরের শিশুদের মালিশ করার নিয়ম টা বেশ আগে থেকেই রয়েছে। শিশুর পুরো শরীরে মালিশ করা হয়ে থাকে যা তার দেহের অভ্যন্তরীন গঠন এবং রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। শিশুর দেহ গঠনে এই মালিশ করার কাজটি আসলেই অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ তবে আফসোসের ব্যাপার এই যে আমরা অনেকেই এর সঠিক নিয়ম জানিনা।তাই জেনে নিন শিশুকে কিভাবে মাসাজ  করাবেন এবং এর খুঁটিনাটি। মাসাজ এর উপকারিতা মাসাজ এর ফলে…

Read More

শিশুর ডায়াপার র‍্যাশ । কারণ ও প্রতিকার

শিশুর ডায়াপার র‍্যাশ

ডায়াপার র‍্যাশ কি? শিশুদের প্রায়ই ডায়াপার-জনিত র‌্যাশ বা অ্যালার্জি, এমনকি প্রদাহ পর্যন্ত হতে দেখা যায়। ডায়াপারে ঢাকা অংশটুকু কখনো লাল, ফোলা ফোলা বা দানাদার দেখা গেলে এবং সেখানে ছোঁয়া লাগলে ব্যথায় শিশু কেঁদে উঠলে বুঝতে হবে ডায়াপার র‌্যাশ হয়েছে। আমরা জানি বেশিরভাগ পিতামাতাই সন্তানের প্রতি যত্নশীল। ডায়াপার সংক্রান্ত সমস্যার ক্ষেত্রেও তারা বিভিন্ন সতর্কতা অবলম্বন করেন। কিন্ত এতকিছুর পরও শিশুর সংবেদনশীল ত্বকে কখনো কখনো ডায়াপার র‍্যাশের সৃষ্টি হতে পারে। সাধারণত শিশুর জন্মের এক বছরের মধ্যে বিভিন্ন কারণে ডায়াপার র‍্যাশ হতে পারে। ডায়পার র‌্যাশ দেখতে কেমন হয়? ডায়াপার র‍্যাশের ফলে শিশুর কোমল…

Read More

শিশুর পেটে গ্যাস । কারণ, লক্ষন ও করণীয়

শিশুর পেটে গ্যাস

শিশুর পেটে গ্যাস হলে মা-বাবা চিন্তায় পড়ে যান কী করলে ভালো লাগবে, কান্নাকাটি একটু থামবে কিংবা কোন ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবেন ইত্যাদি। কেউ কেউ বলেন, বাচ্চার পেটে বাতাস লেগেছে, দুধে বাতাস লেগেছে, যার কারণে বমি করে দিচ্ছে।আসল কথা হলো, পেটে গ্যাস বাচ্চাদেরও হয় আবার বড়দেরও হয়। বাচ্চারা বলতে পারে না যে তাদের কেমন লাগছে আর তাই আমরা বুঝতেও পারি না। শিশুর পেটে গ্যাস কেন হয়? বাচ্চার পেটে গ্যাস হওয়ার বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে। জন্মের তিন মাস পর্যন্ত নবজাতকের গ্যাসের সমস্যা খুবই স্বাভাবিক কারণ এ সময় বাচ্চার পরিপাক্তন্ত্র ধীরে ধীরে…

Read More

নবজাতকের পায়খানা । কখন স্বাভাবিক, কখন নয়

নবজাতকের পায়খানা

নবজাতকের মল বা পায়খানার ধরন, পরিমান এবং কতবার করা উচিত, এসব প্রশ্ন নিয়ে বাবা মায়েদের চিন্তার শেষ নেই। প্রকৃতপক্ষে নবজাতকের পায়খানার এত বেশী ধরন আছে যে কয়েক বাচ্চার মায়েরাও হয়ত সবগুলো সম্পর্কে জানেন না। তাই আজকের আলোচনায় আমরা চেষ্টা করেছি বাচ্চার বেড়ে ওঠার সাথে সাথে কিংবা বাচ্চার খাবারের পরিবর্তনের সাথে সাথে বাচ্চার পায়খানার ধরন কিভাবে পরিবর্তিত হতে পারে, নবজাতকের পায়খানা কখন স্বাভাবিক, কখন নয় সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরার। এ  আলোচনা থেকে আপনি বুঝতে পারবেন কখন আপনার চিন্তিত হওয়া দরকার এবং দ্রুত ব্যাবস্থা নেয়া দরকার।   নবজাতকের পায়খানা দিনে কতবার…

Read More

নবজাতকের চুল কাটা নিয়ে বিভ্রান্তি ?

নবজাতকের চুল কাটা

নবজাতকের চুল কাটা সম্পর্কে নানান ধারণা প্রচলিত। কেউ মনে করেন, জন্মের সাত দিনের মধ্যে চুল ফেলে দিতেই হবে। কেউ আবার ভাবেন, ছোট বয়সে চুল লম্বা রাখলে পরবর্তী সময়ে চুল পাতলা হয়ে যায়। সন্তান জন্মের পর অনেকের এমন কথা ভাবনায় ফেলে দিতে পারে মা’কে। এসব ধারণা ভুল। নবজাতকের চুল কাটতে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। নবজাতকের চুল কাটা নিয়ে প্রচলিত ধারনাঃ জন্মের পর প্রথম চুল কাটা প্রকৃতপক্ষে বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রথা। ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করা হয় যে, বাচ্চার জন্মগত চুল কেটে দেওয়ার অর্থ হচ্ছে মায়ের জঠর থেকে নিয়ে আসা গর্ভফুলের রক্ত বা অন্য…

Read More

শিশুর টিকা । প্রয়োজনীয় তথ্যসমূহ

শিশুর টিকা

শিশুর জন্মের সাথে সাথেই পরিবারের সবার মুখে হাসি ফুটে উঠে। আত্মীয় স্বজন সবাই নতুন শিশুকে দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকে। আর তার সাথে সাথে বিভিন্ন রোগ জীবাণুর আক্রমনের শঙ্কায় বাবা মায়ের চিন্তা বাড়ে। সবার একটাই কামনা, শিশুটি যেন সুস্থ থাকে। শিশুর সুস্থতার জন্য শিশুর টিকা দেয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।  চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোগ কে দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। এক. যেসব রোগ বিভিন্ন জীবাণু দিয়ে হয়। এসব রোগ ঐ নির্দিষ্ট জীবাণু থেকে বেঁচে থাকতে পারলে প্রতিরোধ করা যায়। যেমন- ডায়রিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা, পোলিওমায়েলাইটিস, নিউমোনিয়া ইত্যাদি। দুই. যেসব রোগ সংক্রামক জীবাণু দিয়ে হয় না। এসব…

Read More