নবজাতকের মাথায় খুশকি সদৃশ স্তর বা ক্র্যাডল ক্যাপ

নবজাতকের মাথায় খুশকি সদৃশ স্তর বা ক্র্যাডল ক্যাপ

নবজাতকের মাথার তালুতে খুশকির মত যে স্তর পরে সেটা কি খুশকি নাকি অন্য কিছু?  যদি আপনার বাচ্চার মাথার তালুতে শুষ্ক স্তরপূর্ণ আবরণ থাকে যেটি দেখতে খুশকির মত  বা স্তরটি যদি ঘন, তৈলাক্ত, হলুদ অথবা বাদামী বর্ণের হয়, তবে এটি সম্ভবত ক্র্যাডল ক্যাপ।ডাক্তাররা একে ইনফ্যান্টাইল সেবোরিয়িক ডারমাটাইটিস (InfantileSeborrheic Dermatitis) বলে থাকে যা নবজাতকের জন্য খুবই স্বাভাবিক। ক্র্যাডল ক্যাপ শিশুদের একটি খুব সাধারণ সমস্যা। এটি শিশুদের মাথাতেই বেশী হয়ে থাকে। ক্র্যাডল ক্যাপ দেখতে অনেকটা খুশকির মতো হয়।ক্র্যাডেল ক্যাপের ক্ষেত্রে মাথার ত্বক প্রথমে লালচে হয়ে যায়। তারপর হলদে বর্ণ ধারণ করে। এরপর সেটি…

Read More

শিশুর ল্যাকটোজ ইন্টলারেন্স

শিশুর ল্যাকটোজ ইন্টলারেন্স

ল্যাকটোজ হল দুধে থাকা চিনি বা শর্করা। আমরা যখন দুধ বা দুগ্ধজাত কোন খাবার খাই তখন আমাদের শরীর এক ধরনের এনজাইমের (Lactase) সাহায্যে ল্যাকটোজকে ভেঙ্গে ফেলে যেন আমাদের শরীর তা শোষণ করে নিতে পারে। অনেকেই আছেন যাদের শরীরে Lactase এর পরিমান কম থাকে, যে কারনে তারা দুধ বা দুগ্ধজাত কিছু খেলে সমস্যা দেখা দেয়।   ল্যাকটোজ ইন্টলারেন্স (Lactose Intolarence) কি? ধরুন আপনি ল্যাকটোজ অসহনশীল, তার মানে আপনি যখন দুধ বা দুগ্ধজাত কোন কিছু খান তখন আপনার শরীর দুধে থাকা শর্করা পরিপাক করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমানে Lactase উৎপাদন করতে পারেনা। ফলে উক্ত শর্করা…

Read More

শিশুর রিফ্লাক্স (Reflux) ও গ্যাস্ট্রোএসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ GERD

শিশুর রিফ্লাক্স (Reflux) ও গ্যাস্ট্রোএসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ GERD

এসিড Riflux বা গ্যাস্ট্রিকের কারনে বুক জালা পোড়া করাটা শুধু বড়দের ক্ষেত্রেই হয়না, বাচ্চাদের ক্ষেত্রেও হয়ে থাকে। অনেকেই জীবনধারায় পরিবর্তন করে অথবা ওষুধের সাহায্যে এই সমস্যাটা কে নিয়ন্ত্রনে রাখে। এই আর্টিকেলে আজকে আমরা বাচ্চার রিফ্লাক্স (Riflux) এবং গ্যাস্ট্রোএসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ নিয়ে আলচনা করবো।    বাচ্চা ঘন ঘন দুধ উগলে দেয়া কি স্বাভাবিক? এটা আসলে নির্ভর করে। বাচ্চাকে খাওয়ানোর পর উগলে দেয়া (তুলে দেয়া) অথবা কোন কারণ বা অসুস্থতা ছাড়া মাঝে মাঝে বমি করাটা স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। আসলে কোন কোন বাচ্চা কোন রকম অসুখ ছাড়াই ঘন ঘন উগলে দেয় । একে…

Read More

শিশুর ফুড অ্যালার্জি বা খাবারে অ্যালার্জি

শিশুর ফুড অ্যালার্জি বা খাবারে অ্যালার্জি

শিশুর ফুড অ্যালার্জি বা খাবারে অ্যালার্জি কেন হয়? কোন কিছু খাওয়ানোর পরে খাবারের কোন উপাদানের প্রতি বাচ্চার শরীরের প্রতিরক্ষা সিস্টেম (Immune System) যখন কোন ধরনের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং বিভিন্ন অ্যান্টিবডি উৎপন্ন করে যখন তা প্রতিরোধের চেষ্টা করে তখন সেটাকে ফুড অ্যালার্জি বলা হয়। খাবারের এসব উপাদান বাচ্চার শরীরের জন্য ক্ষতিকর না হওয়া সত্ত্বেও তার ইমিউন সিস্টেম এসব উপাদানের প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। আরেকটু সহজ করে বলতে, যখন বাচ্চাকে এমন কিছু খাওয়ানো হয় যেগুলোর প্রতি সে অ্যালার্জিক, তৎক্ষনাৎ বা অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই তার শরীর ইম্যুন সিস্টেমে সঙ্কেত পাঠায় তাকে…

Read More

শিশুর অ্যালার্জি

শিশুর অ্যালার্জি

বড়দের চেয়ে শিশুদের অ্যালার্জিজনিত অসুখ-বিসুখ বেশি হয়ে থাকে। কারণ শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। অ্যালার্জিতে হাঁচি থেকে শুরু করে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। অ্যালার্জি সামান্য অসুবিধা করে আবার কারও জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।   এ্যালার্জী কি? আমাদের শরীরের ইমিউন সিস্টেম ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া থেকে আমাদের শরীরকে রক্ষা করার কাজে নিয়োজিত। তবে মাঝে মাঝে এই ইমিউন সিস্টেম এমন কিছু উপাদানের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখায় বা তা প্রতিরোধের চেষ্টা করে যেগুলো আমাদের শরীরের জন্য তেমন ক্ষতিকারক নয়। এই উপাদানগুলোকে বলা হয় অ্যালার্জেন। যখন আমাদের শরীর এসব অ্যালার্জেনের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া করে তখন অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন…

Read More

নবজতকের হেঁচকি ওঠা নিয়ে যে বিষয়গুলো জানা জরুরী

নবজতকের হেঁচকি

নবজাতকের হেঁচকি কেন হয়? আমাদের বুক আর পেটের মাঝখানে মাংসপেশি দিয়ে তৈরি একটি দেয়াল বা পার্টিশন রয়েছে। এই মাংসপেশিকে ডায়াফ্রাম বলে। এই ডায়াফ্রাম অবিরত এক নির্দিষ্ট ছন্দে প্রসারিত ও সংকুচিত হয়। কোন কারনে স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হয়ে ডায়াফ্রাম যদি হঠাত বেশি করে সংকুচিত ও প্রসারিত হতে থাকে তবেই হেঁচকি উঠে। ডায়াফ্রামের সংকোচন-প্রসারনের স্বাভাবিক ছন্দ বজায় রাখতে সাহায্য করে “ফ্রেনিক নার্ভ” নামক এক বিশেষ ধরনের স্নায়ু। গলা বেশি শুকিয়ে গেলে বা ঝাল খেলে অনেকের ফ্রেনিক নার্ভ উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং তার ফলে ডায়াফ্রামের সংকোচন-প্রসারণ এর মাত্রা বেড়ে যায়। ডায়াফ্রামের এই সংকোচনের…

Read More

শিশুর কানের ইনফেকশন বা সংক্রমণ

শিশুর কানের ইনফেকশন বা সংক্রমণ

কিভাবে বুঝবেন আপনার শিশুর কানে ইনফেকশন বা সংক্রমণ হয়েছে? আপনার শিশুর কানে সংক্রমণ (বা অন্যকোন অসুস্থতা) হয়েছে কিনা তা বোঝার সহজতম উপায় হচ্ছে তার আচরণের পরিবর্তনের প্রতি লক্ষ্য রাখা। যদি আপনার শিশু অস্বস্তি বোধ করে বা অস্বাভাবিক ভাবে কাঁদতে থাকে, তবে সমস্যা সম্পর্কে সাবধান থাকতে হবে। যদি সে জ্বর আক্রান্ত হয়(সেটা হালকা বা বেশী মাত্রার), তবে সেটি আরেকটি বড় লক্ষণ। মনে রাখা প্রয়োজন, কানের সংক্রমণের আগে সাধারণত ঠান্ডা অথবা সাইনাস সংক্রমণ দেখা দেয়। আপনাকে নিন্মলিখিত লক্ষণ গুলোর দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবেঃ আপনার শিশু কি কান টানে, আঁকড়ে ধরে বা…

Read More

শিশুর জ্বর । কখন স্বাভাবিক, কখন নয়

শিশুর জ্বর

মায়ের কাছে তার সন্তান অনেক মূল্যবান, অনেক বেশি আদরে। এই আদরের সন্তান যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন সবচেয়ে বেশি অস্থির হয়ে পড়েন মা। আর তা যদি হয় সদ্য জন্মগ্রহণ করা শিশু তবে চিন্তা বেড়ে যায় আরোও বহুগুণ। সাধারণত শরীরে অভ্যন্তরীণ কোন ইনফেকশন দেখা দিলে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। যাকে আমরা জ্বর বলে থাকি। শিশুর জ্বর বলতে কি বোঝায়?  বাচ্চার কপালে হাত দিয়ে বা চুমু খেয়ে যদি মনে হয় বাচ্চার শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চাইতে বেশি তবে হয়ত তার জ্বর এসেছে। স্বাভাবিকের চাইতে বেশী তাপমাত্রাকেই আমরা জ্বর বলে থাকি। সাধারণভাবে জ্বরকে বলা…

Read More

নবজাতকের বুক থেকে দুধ নিঃসরণ বা ডাইনীর দুধ (Witch’s Milk)

নবজাতকের বুক থেকে দুধ নিঃসরণ বা ডাইনীর দুধ (Witch's Milk)

সম্প্রতি দেখা নবজাতকের বুকের একটি ছবি দেখে শিউরে উঠলাম- এটি ছিল কয়েকদিন বয়সী এক নবজাতকের, যে সম্পুর্ন স্বাভাবিক এবং সুস্থভাবেই জন্ম নিয়েছিলো।  নবজাতকের বুকের একটি স্তনবৃন্ত ভয়াবহভাবে ফুলে আশেপাশের বেশ বড় একটি জায়গা জুড়ে ইনফেক্টেড হয় – ঠিক এরকমই আরো বেশ কিছু ঘটনা ও নবজাতকের বুকের বেশ কিছু বীভৎস ছবি দেখা যায় নবজাতকের স্বাস্থ্য-বিষয়ক তথ্যগুলোতে, বিশেষ করে, অনুন্নত দেশগুলোয়, যেখানে কুসংস্কার ও বিভিন্ন ভ্রান্ত ধারণার শিকার হয়ে প্রায়ই প্রসূতি কিংবা নবজাতকের জীবনে নেমে আসে ভয়াবহ দুর্ভোগ। নবজাতকের স্তনে একটি স্ফীত অংশ ও পুঁজ কিংবা দুধের মত কিছু জমে আছে লক্ষ্য…

Read More

শিশুর দেরীতে কথা বলা । কারণ ও করণীয়

শিশুর দেরীতে কথা বলা । কারণ ও করণীয়

সব পিতামাতাই সন্তানের মুখ থেকে প্রথম শব্দ শোনার জন্য অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করেন।  তাই সন্তানের কথা বলায় দেরী হলে তা অত্যন্ত দুশ্চিন্তা ও হতাশার কারণ হয়। তবে ভালো খবর হচ্ছে বেশিরভাগ শিশুরাই দেরীতে কথা বলা শুরু করে দুই বছর বয়সের মধ্যে কোন সমস্যা ছাড়াই। প্রতি চারজনে একজন শিশু বিলম্বে কথা বলা শুরু করে। এদের বেশিরভাগেরই বিশেষ সাহায্যের প্রয়োজন হয় না। শিশুর কথা বলার বিষয়ে এবং কখন একজন বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া প্রয়োজন সে বিষয়ে আজকের আলোচনা। শিশুর কথা বলা নিয়ে কখন চিন্তিত হবেন শিশু বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জিনিস শেখে। যেমন…

Read More