শিশুর দেরীতে কথা বলা । কারণ ও করণীয়

শিশুর দেরীতে কথা বলা । কারণ ও করণীয়

সব পিতামাতাই সন্তানের মুখ থেকে প্রথম শব্দ শোনার জন্য অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করেন।  তাই সন্তানের কথা বলায় দেরী হলে তা অত্যন্ত দুশ্চিন্তা ও হতাশার কারণ হয়। তবে ভালো খবর হচ্ছে বেশিরভাগ শিশুরাই দেরীতে কথা বলা শুরু করে দুই বছর বয়সের মধ্যে কোন সমস্যা ছাড়াই। প্রতি চারজনে একজন শিশু বিলম্বে কথা বলা শুরু করে। এদের বেশিরভাগেরই বিশেষ সাহায্যের প্রয়োজন হয় না। শিশুর কথা বলার বিষয়ে এবং কখন একজন বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া প্রয়োজন সে বিষয়ে আজকের আলোচনা। শিশুর কথা বলা নিয়ে কখন চিন্তিত হবেন শিশু বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জিনিস শেখে। যেমন…

Read More

শিশুর হ্যান্ড, ফুট এন্ড মাউথ ডিজিজ বা হাত,পা ও মুখের রোগ

শিশুর হ্যান্ড, ফুট এন্ড মাউথ ডিজিজ বা হাত,পা ও মুখের রোগ

হ্যান্ড, ফুট এন্ড মাউথ ডিজিজ বা হাত, পা ও মুখের রোগ (HFMD)  কি? হাত, পা ও মুখের রোগ (HFMD) অত্যন্ত সংক্রামক একটি ব্যাধি। এন্টেরোভাইরাস পরিবারের কক্সাকি ভাইরাসের আক্রমণ এই রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী। এই ভাইরাস ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে সরাসরি ছড়িয়ে পরে অপরিষ্কার হাতের মাধ্যমে। এছাড়াও আক্রান্ত ব্যক্তির লালা, মল ও নিঃশ্বাসের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে। HFMD  হলে মুখে ফুসকুড়ি বা ঘা হয় এবং হাত পায়ে র‍্যাশ হয়। যেকোন বয়সের মানুষেরই এই রোগ হতে পারে তবে ৫ বছরের কম বয়সের শিশুদের বেশি হয়। এটি সাধারণত ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে নিজে নিজেই…

Read More

শিশুর ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন বা মুত্রনালীর প্রদাহ

শিশুর ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন বা মুত্রনালীর প্রদাহ

ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন বা মুত্রনালীর প্রদাহ কি? আমাদের শরীরে কিডনি রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ও পানি শুঁষে নিয়ে ইউরিন তৈরি করে। প্রতিদিন এই ইউরিন আমাদের শরীর থেকে বেরিয়ে গিয়ে শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। কিডনি থেকে বেরিয়ে ইউরিন এক সরু টিউবের মধ্য দিয়ে গিয়ে ইউরিনারি ব্লাডারে জমা হয়। বাচ্চার বয়সের ওপর নির্ভর করে, কতটা ইউরিন ব্লাডারে জমা থাকবে। এরপর ব্লাডার থেকে জমা ইউরিন ইউরেথ্রার মধ্য দিয়ে গিয়ে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ইউরিনারি ট্র্যাক্টে এমনিতে কোনো ব্যাকটেরিয়া থাকে না। কোনো কারণে ব্যাকটেরিয়া ব্লাডারে ঢুকে গেলে ইউরিনারি ট্র্যাক্টে ইনফেকশন হতে পারে। ব্লাডার…

Read More

শিশুর মুখে থ্রাশ বা ইস্ট ইনফেকশন

শিশুর মুখে থ্রাশ বা ইস্ট ইনফেকশন

ছোটবেলায় শিশুদের যথাযথ যত্নের অভাবে শিশুদের মুখে অনেক ধরণের সমস্যা দেখা দেয়। শিশুদের মুখের বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে ওড়াল থ্রাশ বা ইস্ট সংক্রমণ সাধারণত বেশি হয়ে থাকে। ওরাল থ্রাশ মায়ের জন্যও খুব চিন্তার ব্যাপার। ওড়াল থ্রাশ হলে তা বাচ্চার কাছ থেকে মায়ের স্তনে ও স্তনবৃন্তে ইস্ট সংক্রমণ করতে পারে। এতে নবজাতককে দুধ পান করানোর সময় মা ও ব্যথা অনুভব করতে পারেন। এসব ক্ষেত্রে নবজাতকের চিকিৎসার পাশাপাশি মায়েরও চিকিৎসা নিতে হয়। ওড়াল থ্রাশ কি? এটি ক্যানডিডা অ্যালবিকানস নামের ইস্ট বা ফাংগাসের সংক্রমণে হয়ে থাকে। ওরাল থ্রাশ অনেক সময় গলা পর্যন্ত বিস্তৃত হতে…

Read More

নতুন জন্মানো বাচ্চা: সাধারণ বৈশিষ্ট্য এবং সমস্যাসমূহ

নবজাতকের বৈশিষ্ট্য 

নবজাতকের বৈশিষ্ট্য  পরিবারের সবাইকে আনন্দের বন্যায় ভাসিয়ে আগমন ঘটে একটি শিশুর। ভূমিষ্ঠ হওয়ার মুহূর্ত থেকে প্রথম যে প্রশ্নটা সবাইকে তাড়া করে—নবজাতক কি সুস্থ স্বাভাবিক হয়েছে? একটি শিশুর জন্মের পর পরই কিছু পর্যবেক্ষণ করে তা বোঝা যেতে পারে। যেমন- ওজন স্বাভাবিকভাবে গর্ভকাল ৩৭ থেকে ৪২ সপ্তাহ পার করেই একটি সুস্থ শিশু জন্ম নেয়। জন্মের সময় তার স্বাভাবিক ওজন আড়াই থেকে চার কেজি হওয়ার কথা। উচ্চতা স্বাভাবিক শিশু জণ্মের সময় মোটামুটি ভাবে ৫০ সেন্টিমিটার বা ২০ ইঞ্চির মতো লম্বা হয়৷ শরীরের অনুপাত শিশুর মাথা শরীর হাত-পা-এর অনুপাত বড়দের শরীরের তুলনার অন্যরকম হয়৷…

Read More

প্রি-ম্যাচিওর শিশু । বাচ্চা যখন সময়ের আগেই জন্ম নেয়

প্রি-ম্যাচিওর শিশু । বাচ্চা যখন সময়ের আগেই জন্ম নেয়

বাচ্চা প্রি-ম্যাচিওর বলতে কি বোঝায়?  যদিও অধিকাংশ গর্ভাবস্থা ৩৭ থেকে ৪২ সপ্তাহ পর্যন্ত চলে, কোন কোন শিশুর তাড়াতাড়ি জন্ম নেয়া অস্বাভাবিক কিছু না। ৩৭ সপ্তাহের পূর্বে শিশু জন্মগ্রহণ করলে তাকে অকাল বা অপরিপক্ক বাচ্চা বলে ধরা হয়।অকালে শিশুর আগমন ঘটতে পারে কারণ: গর্ভফুল বা যোনীমুখে সমস্যার কারণে গর্ভে একের অধিক সন্তান থাকলে পানি ভেঙ্গে গেলে মায়ের উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসের কারণে মায়ের কোন একটি সংক্রমন থাকলে, বিশেষ করে মুত্রথলিতে। অল্প বয়সে মাতৃত্ব কম সময়ের ব্যবধানে গর্ভধারণ মায়ের পুষ্টিহীনতা গর্ভাবস্থায় মায়ের ইনফেকশন যে সকল মহিলারা প্রসবপূর্ব সেবা নেননি তাদের অপরিপক্ক প্রসবের…

Read More

নবজাতকের বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগ

নবজাতকের চর্মরোগ

ছোট শিশুদের ত্বক খুবই সংবেদনশীল। নানা কারণে শিশুদের ত্বকে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। কিছু কিছু সমস্যা আমরাই সৃষ্টি করি। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এগুলো তেমন বড় সমস্যা নয় এবং ভয় পাওয়ারও কিছু নেই।জন্মের পর পরই নবজাতকের কয়েকটি চর্মরোগ হতে পারে। শিশুর ত্বক খুব স্পর্শকাতর হওয়ায় এ রোগগুলো সম্পর্কে তাই ধারণা রাখা জরুরি। সঠিক পরিচর্যা ও চিকিৎসা হলে অনেক জটিলতা এড়ানো সম্ভব। ত্বক হল শরীরের একটি অন্যতম অঙ্গ, যা নানা রকমের জীবাণুকে শরীরে ঢুকতে বাধা দেয়। তবে ত্বকের বেশীরভাগ অংশই যেহেতু উন্মুক্ত থাকে, তাই অনেকক্ষেত্রেই মারাত্মক ধরণের কিছু জীবাণুকে আটকানো ত্বকের…

Read More

শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য । কারণ, লক্ষন ও প্রতিকার

শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য

প্রতিটি বাচ্চারই নতুন জিনিসের সাথে অভ্যস্থ হতে একটু সময় লাগে। সময়ের সাথে সাথে সে সব কিছুর সাথেই নিজেকে খাপ খাইয়ে নেয়। তাই বাচ্চার মা বাবাদের ব্যাপার গুলো নিয়েও খুব দুশ্চিন্তার মাঝে পড়তে হয়।বেশির ভাগ বাচ্চাদের ক্ষেত্রেই কোষ্ঠকাঠিন্য একটি সাধারণ সমস্যা। বেশি সমস্যায় পরতে হয় যখন শিশু নতুন বা শক্ত খাবার শুরু করে। শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য হলে কান্নাকাটি করে, পেট মোচড়ায় এবং খাওয়াদাওয়াও কমিয়ে দেয়। অস্বস্তি হয় বলেই এমনটা করে তারা। শিশুর এই অস্বস্তি মায়েদের উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে দেয়।স্বাভাবিক পায়খানা দুই-তিন দিন পরপর হলেও তাকে কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানে কোষ্ঠকাঠিন্য বলে না। পরপর তিন দিন…

Read More

নবজাতকের ডায়রিয়া । কারণ, লক্ষন ও প্রতিকার

নবজাতকের ডায়রিয়া

শিশুদের মলত্যাগ নিয়ে প্রায়ই অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন হতে দেখা যায়। কখনো শিশু দিনে বেশ কয়েকবার মলত্যাগ করছে, কখনো কয়েক দিন দিন ধরে করছেই না। আবার কখনো মলের ধরন ও রং পরিবর্তন হচ্ছে ঘন ঘন। কোনটা স্বাভাবিক, কোনটা অস্বাভাবিক—বুঝতে গিয়ে মা-বাবা গলদঘর্ম হন। নবজাতক, বয়স ১০ দিন। বারবার পাতলা পায়খানা করছে। সে শুধু মায়ের দুধ খাচ্ছে। মা-বাবা উদ্বিগ্ন, মায়ের দুধ খাওয়া সত্ত্বেও শিশুর কেন ডায়রিয়া? যে শিশু শুধু মায়ের দুধ খায় তাদের অনেকেরই এ রকম সমস্যা দেখা দেয়। মায়ের দুধই শিশুর সেরা খাবার, এটা আমরা সবাই জানি। মায়ের দুধ শিশুকে অনেকভাবে ভালো রাখে।…

Read More

শিশুর নাক ও গলার কফ কিভাবে পরিষ্কার করবেন ?

শিশুর নাক ও গলার কফ

কফ কি এবং কেন হয়? কফ হলো গলার অস্বস্তিকর পিচ্ছিল পদার্থ। এটা শ্বাস নালীতে তৈরি এবং সেখান থেকে নিঃসৃত রস যা কাশির মাধ্যমে শ্বাসনালী থেকে বের হয়ে আসে তাকেই কফ বলা হয়। বাইরের জিনিস শ্বাসনালীতে প্রবেশ করলে শরীরের Protective mechanism এর ফলে শ্বাসনালী তা কফের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়- এই প্রক্রিয়াকে কাশি বলা হয়। গলার গ্ল্যান্ডগুলো দিনে প্রায় এক থেকে দুই লিটার কফ তৈরি করে। কফ হলো আমাদের শ্বাসনালীর রস। শ্বাসনালীকে ভিজিয়ে রাখা কফের কাজ। শ্বাসনালী কোনো কারণে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কফ তৈরী করলে আমরা গলায় অস্বস্তিকর কফের অনুভুতি…

Read More