গর্ভাবস্থায় স্তনের পরিবর্তন এবং তা থেকে স্বস্তির উপায়

গর্ভাবস্থায় স্তনের পরিবর্তন

গর্ভাবস্থায় শরীরের স্বাভাবিক সব প্রক্রিয়ার একটি বিরাট পরিবর্তন ঘটে। যার প্রভাবে স্তনবৃন্ত বা নিপল আকারে বড়, সংবেদনশীল এবং গাঢ় রং ধারণ করে। আপনি যদি গর্ভবতী হন তাহলে তার প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে স্তন অতি সংবেদনশীল হয়ে যাওয়া, ব্যথা করা ও শিরশির করা। গর্ভাবস্থার তৃতীয় বা চতুর্থ সপ্তাহ থেকে আপনার এই অনুভূতিগুলো শুরু হবে। গর্ভাবস্থায় স্তনের পরিবর্তন কেমন হতে পারে? গর্ভাবস্থায় স্বাভাবিক কারনেই স্তনের আকৃতিগত পরিবর্তন দেখা দেয়। এটিই প্রকৃতির নিয়ম। ৬-৮ সপ্তাহের দিকে স্তন এর আকার বৃদ্ধি পাওয়া শুরু হতে পারে যা পুরো গর্ভকালীন সময় ধরে চলে। এসময় স্তনের…

Read More

গর্ভাবস্থায় নাভিতে এবং আশপাশে ব্যাথা হয় কেন?

গর্ভাবস্থায় নাভিতে ব্যাথা

গর্ভাবস্থায় মায়ের জরায়ুতে বেড়ে ওঠা শিশুর কারণে মায়ের শরীরে অনেক পরিবর্তন সাধিত হয়। এই পরিবর্তনগুলো আভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক দুইধরনেরই হয়। গর্ভাবস্থায় নাভিতে ব্যাথা সাধারণত মায়ের শরীরের আভ্যন্তরীণ পরিবর্তনের কারণে হয়। এই সময় কেউ কেউ নাভিতে এবং এর চারপাশে ব্যাথা ও জ্বলুনি অনুভব করতে পারেন। নাভির জায়গা ফুলেও যেতে পারে। গর্ভাবস্থায় নাভিতে ব্যাথা কেন হয়? গর্ভাবস্থায় অনেক মায়েরাই নাভিতে ব্যাথা অনুভব করেন। বেশিরভাগ মায়েদের ক্ষেত্রে এ ব্যাথা মৃদু হয় এবং কোন ভয়ের কারণ থাকেনা তবে কিছু কিছু মায়দের ক্ষেত্রে এ ধরনের ব্যাথায় ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। গর্ভাবস্থায় নাভিতে ব্যাথা হওয়ার কারণগুলো…

Read More

গর্ভাবস্থায় হঠাৎ পেট শক্ত হয়ে যাওয়া বা পেটে টান লাগা অনুভূতি কেন হয়?

গর্ভাবস্থায় হঠাৎ পেট শক্ত হয়ে যাওয়া বা পেটে টান লাগা অনুভূতি কেন হয়?

গর্ভাবস্থায় পেটে ব্যাথা সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। এই সময়ে বেশ কিছু কারণের জন্য পেটে ব্যথা হওয়া, পেট শক্ত হয়ে যাওয়া বা পেটে হঠাৎ টান লাগা অনুভূতি হওয়া  স্বাভাবিক। কারণ এসময়ে নারীদের দেহের অনেক অঙ্গের মাঝে পরিবর্তন ঘটে, জরায়ু আকারে বড় হয়ে যায়, লিগামেন্ট টান টান হয়ে যায়। বাচ্চার ওজন বহন করার কারনে এ সময় মায়েদের শরীরের পেশী, জয়েন্ট এবং শিরার উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে যার কারণে পাকস্থলীর আশপাশের জায়গাগুলোতে অস্বস্তি বোধ হয়। তবে তাই বলে সব ব্যাথাকেই স্বাভাবিক ভাবা উচিত নয়। যখন পেটে ব্যথা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়, তখন অবশ্যই চিন্তার কারণ…

Read More

প্রসব পরবর্তী সহবাস । যে বিষয়গুলো জেনে রাখা উচিত

প্রসব পরবর্তী সহবাস

সন্তান জন্মদানের পর অনেক মা’ই শারীরিক এবং মানসিক ভাবে ক্লান্ত বোধ করেন, অনেকের ক্ষেত্রে যৌন সম্পর্কের তেমন সুযোগও ঘটে না। হয়তো আপনি এবং আপনার সঙ্গী এই পরিস্থিতিতেও খুশি থাকতে পারেন, কিন্তু আপনার প্রসব পরবর্তী সহবাস যদি একটি সমস্যায় পরিণত হয়, তাহলে কিছু পরিবর্তন নিয়ে আসা জরুরী। যৌনমিলনের অভাব কিংবা আনন্দহীন সহবাস অনেক হতাশা ও দুশ্চিন্তার জন্ম দেয় এবং একটি সুসম্পর্কের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। প্রসব পরবর্তী সহবাস কখন নিরাপদ?  প্রসবের পর রক্তপাত বন্ধ হওয়া পর্যন্ত সহবাস করা উচিৎ নয়। এই রক্তপাত সাধারণত প্রসবের পর ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে। এ…

Read More

গর্ভাবস্থায় মায়ের পেটের আকার । কখন দুশ্চিন্তার, কখন নয়

গর্ভাবস্থায় মায়ের পেটের আকার

বেশিরভাগ গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রেই যখনই কেউ তার গর্ভাবস্থার খবর জানতে পারে তখন থেকেই শুরু হয় নানা ধরনের উপদেশ। আশেপাশের সবাই হয়ে ওঠেন গর্ভধারণ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। সবার নজর থাকে মায়ের পেটের দিকে। মায়ের পেট বড় নাকি ছোট তা নিয়ে শুরু হয় বিস্তর গবেষণা এবং নিজেদের সাথে তুলনা। এসব শুনতে শুনতে দেখা যায় মা তার নিজের গর্ভধারণ নিয়েই দুশ্চিন্তা গ্রস্থ হয়ে পড়েন। আমাদের কাছে নিয়মিত যেসব প্রশ্ন আসে তার মধ্যে অন্যতম হলো- পেট বেশী বোঝা না যাওয়া কি কোন সমস্যা কিনা। তাই আজকের আলোচনা গর্ভাবস্থায় মায়ের পেটের আকার  কেমন হতে পারে তা…

Read More

গর্ভে যখন যমজ শিশু । কিছু জরুরী বিষয়

গর্ভে যখন যমজ শিশু । কিছু জরুরী বিষয়

যমজ সন্তান হলো একই গর্ভধারনে সৃস্ট দুটি সন্তান।যমজ মনোজাইগোটিক (“অভিন্ন”) হতে পারে, অর্থাৎ তারা একটিমাত্র জাইগোট থেকে বড় হতে পারে পরে বিচ্ছিন্ন হয়ে দুটি এমব্রায়োস গঠন করে, অথবা ডিজাইগোটিক (“ভ্রাতৃসম”), অর্থাৎ তারা আলাদা ডিম্বক থেকে বড় হয়, প্রত্যেকটি নিষিক্ত হয় আলাদা শুক্রানু দ্বারা। যমজ সন্তান কেন হয়? এ নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। গর্ভে একের অধিক সন্তান ধারণ করা অস্বাভাবিক কিছু নয়। অনেক ক্ষেত্রে বংশগত কারণে এটি হতে পারে। এটি প্রকৃতি প্রদত্ত বা গড গিফটেড বলা যেতে পারে। দুই রকমের যমজ সন্তান হতে পারে। অভিন্ন যমজ শিশু (আইডেন্টিক্যাল টুইন) একটি…

Read More

কতবার সিজার করা নিরাপদ? একের অধিক সিজারিয়ান ডেলিভারির ঝুঁকি

কতবার সিজার করা নিরাপদ? একের অধিক সিজারিয়ান ডেলিভারির ঝুঁকি

যেসব মায়ের ক্ষেত্রে অনাগত শিশু স্বাভাবিকভাবে জন্ম নিতে পারে না, সেসব মায়ের ক্ষেত্রে শিশুকে সুস্থ অবস্থায় প্রসব করতে বিকল্প পথ বা সিজারিয়ানের আশ্রয় নিতে হয়৷  তাদের জন্য এই ‘সিজারিয়ান চিকিৎসা পদ্ধতি’ নিঃসন্দেহে আশীর্বাদ স্বরূপ৷ সিজারিয়ান করানো খুব সাধারণ ব্যাপার হলেও এটা একটা বড় অপারেশন তাই এর নিজস্ব কিছু ঝুঁকি থাকে। গর্ভাবস্থায় কোনো জটিল সমস্যা যদি সৃষ্টি না হয় তাহলে ভ্যাজাইনাল বার্থ বা নরমাল ডেলিভারি নিরাপদ। নরমাল ডেলিভারি শুধু বর্তমান গর্ভাবস্থার জন্যই ভালো নয় বরং পরবর্তীতে গর্ভধারণের জন্যও ভালো। সিজারিয়ান কেন করা হয়ে থাকে? স্বাভাবিক পদ্ধতি বলতে বোঝায় জরায়ু থেকে যোনিপথ দিয়ে…

Read More

গর্ভকালীন সময়ে প্রচলিত কিছু ভ্রান্ত ধারনা

গর্ভকালীন সময়ে প্রচলিত কিছু ভ্রান্ত ধারনা

নারীর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় হল গর্ভাবস্থা। শুধু নারী নয়, তার শিশুর জীবন কীভাবে গড়ে উঠবে তা অনেকটাই নির্ভর করে এ সময়ের ওপরে।দুঃখজনক হলেও সত্যি, যে সময়টাতে নিবিড় পরিচর্যা এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশের মাঝে গর্ভবতী মায়ের থাকা উচিত সে সময়টাতেই কিছু ভুল ধারণার কারণে তাকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়। প্রাচীন এবং অকেজো কিছু ধারণা এখনও কিছু মানুষ আঁকড়ে ধরে আছেন। এগুলো হতে পারে ধর্মীয়, হতে পারে পারিবারিক কোনো প্রথা। পরিবারের প্রবীণ মানুষের কাছে এসব প্রথার মূল্য বেশি।তাদের মাথার ভেতরে এসব প্রথা এমনভাবে গেঁড়ে বসে আছে যে, গর্ভবতী মা এবং অনাগত শিশুর ক্ষতি হতে…

Read More

প্রসবের সম্ভাব্য তারিখ এবং গর্ভাবস্থার সপ্তাহ বা মাস কিভাবে হিসাব করবেন ?

প্রসবের সম্ভাব্য তারিখ এবং গর্ভাবস্থার সপ্তাহ বা মাস কিভাবে হিসাব করবেন ?

প্রসবের দিন (Due Date) কিভাবে হিসাব করা হয়?  গর্ভধারণের সময় গণনা সাধারণত শুরু হয় মাসিক এর প্রথম দিন হতেই। এই সময়ের সপ্তাহ দুই এক এর মধ্যেই সাধারণত গর্ভসঞ্চার হয়ে থাকে। যেহেতু গর্ভসঞ্চার এর নির্দিষ্ট সময় নির্ণয় করা অসম্ভব তাই বিশেষজ্ঞরা শেষ মাসিক এর প্রথম দিন হতে পরবর্তী ৪০ সপ্তাহকে গর্ভধারণ এর সময় হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। এই হিসেবেই প্রসবের দিন (Due Date) গণনা করা হয়। যদি আপনার নিয়মিত মাসিক হয়, অর্থাৎ ২৮ দিন পর পর মাসিক হয় তবে আপনি নিম্নলিখিত উপায়ে আপনার প্রসবের দিন গণনা করতে পারেন – প্রথমে আপনার…

Read More

শিশুর জন্ম পূর্ববতী স্ক্রীনিং এবং রোগ নির্ণয় সম্পর্কিত পরীক্ষা

শিশুর জন্ম পূর্ববতী স্ক্রীনিং এবং রোগ নির্ণয় সম্পর্কিত পরীক্ষা

সকল মা-বাবাই একটি সুস্থ বাচ্চা চায়। যদিও দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু অভিভাবক রয়েছে যাদের বাচ্চার মারাত্মক শারীরিক এবং/অথবা মানসিক সমস্যা হতে পারে। কিছু আলাদা পরীক্ষা-নিরীক্ষা রয়েছে যা দ্বারা তাদের শিশুর জন্মের পূর্বেই স্বাস্থ্য ও বৃদ্ধি সম্পর্কে ধারণা করা যায়। প্রতিটি পরীক্ষার কিছু সুবিধা,অসুবিধা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। গর্ভাবস্থায় পরীক্ষা করানোর সিদ্ধান্ত একান্ত ব্যক্তিগত। এছাড়াও এটি ভালো যদি সকল তথ্য একত্র করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রসব পূর্ববর্তী (জন্মপূর্ব) পরীক্ষাগুলো কি কি? জন্মপূর্ব পরীক্ষা হলো সেইগুলো যেগুলো গর্ভবতী অবস্থায় করা হয়, বাচ্চার স্বাস্থ্য ও বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করার জন্য। প্রধান দুই ধরনের জন্মপূর্ব পরীক্ষা আছে: স্ক্রীনিং…

Read More