গর্ভাবস্থায় মায়ের স্তন থেকে তরল (দুধ) নিঃসরণ কেন হয়?

গর্ভাবস্থায় মায়ের স্তন থেকে তরল (দুধ) নিঃসরণ কেন হয়?

গর্ভাবস্থায় মায়ের স্তন থেকে তরল বা দুধ নিঃসরণ কেন হয়? একজন গর্ভবতী মহিলার গর্ভকালীন সময়ে স্তন থেকে দুধ নিঃসৃত হতে পারে।  পুরু, চটচটে, হলদেটে কমলা রঙের যে তরল পদার্থ বেরিয়ে আসে তা আসলে দুধ নয়, সেটি প্রকৃতপক্ষে কোলোস্ট্রাম। কোলোস্ট্রাম শিশুর জন্য পুষ্টিগুণ সম্পন্ন একটি তরল।  শিশুটিকে সুস্থ রাখার জন্য এতে চর্বি কম থাকে এবং কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, এবং অ্যান্টিবডিগুলি বেশী পরিমাণে থাকে।  এর পরিমান কম হয় কিন্তু নবজাতকের জন্য ঘন পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ হয়। একজন স্ত্রী যখন গর্ভবতী হন, তখন তার শরীরে হরমনাল পরিবর্তন হতে থাকে। হরমোন পরিবর্তনের সাথে সাথে শারীরিক কিছু…

Read More

গর্ভপাত বা মিসক্যারেজ সংক্রান্ত প্রচলিত কিছু ভ্রান্ত ধারণা

গর্ভপাত বা মিসক্যারেজ সংক্রান্ত প্রচলিত কিছু ভ্রান্ত ধারণা

গর্ভপাত বা মিসক্যারেজ সংক্রান্ত প্রচলিত কিছু ভ্রান্ত ধারণা মিসক্যারেজ বা গর্ভপাত এক অত্যন্ত সাধারণ সমস্যা। প্রায় ২০ শতাংশ মেয়েদের এই দুর্ভাগ্যজনক অভিজ্ঞতার মধ্য দিতে যেতে হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোন কারণ খুঁজে পাওয়া যায়না। একে প্রতিরোধের উপায়ও খুব কম। তা সত্ত্বেও প্রচলিত রয়েছে নানা ধরনের কুসংস্কার, ভ্রান্ত ধারনা, সামাজিক বিধিনিষেধ। শিক্ষিত মানুষজনও এর ব্যাতিক্রম নন। এরকমই কিছু মিথ বা ভ্রান্ত ধারনা নিয়ে আমাদের আজকের আলোচনা।  অবশ্য সব ধরনের গর্ভপাত নিয়ে আমরা এখানে আলোচনা করবনা। গর্ভাবস্থার প্রথম তিনমাসে ঘটা গর্ভপাত যার পেছনে কোন জ্ঞাত ডাক্তারি কারণ নেই, সেগুলি নিয়ে যেসব ভুল ধারনা…

Read More

গর্ভাবস্থায় ঠাণ্ডা পানি খেলে কি বাচ্চার কোন ক্ষতি হয়?

গর্ভাবস্থায় ঠাণ্ডা পানি খেলে কি বাচ্চার কোন ক্ষতি হয়?

গর্ভাবস্থায় ঠাণ্ডা পানি খেলে কি বাচ্চার কোন ক্ষতি হয়? মায়ের শরীরে খাদ্যনালীর সাথে জরায়ুর কোন সরাসরি যোগাযোগ নেই। মায়ের শরীর থেকে বাচ্চা যে পানি, অক্সিজেন বা পুষ্টি পায় তা মায়ের রক্ত থেকে বাচ্চার রক্তে প্লাসেন্টার মাধ্যমে প্রবাহিত হয়। মা যখন কিছু খায় তখন তা মায়ের খাদ্যনালীর মাধ্যমে মায়ের পাকস্থলীতে যায়। সেখানে খাবারের পুষ্টি –  ফ্যাটি অ্যাসিড, কার্বোহাইড্রেট, অ্যামাইনো অ্যাসিড, মিনারেল ও ভিটামিন হিসেবে শোষিত হয়। এই পুষ্টিগুলো প্লাসেন্টা গ্রহন করে এবং রক্তের মাধ্যমে ভ্রূণের সব অঙ্গে সরবরাহ করে। খাদ্যের যেসব অংশ ভ্রূণের দরকার হয়না তা আবার প্লাসেন্টার মাধ্যমে মায়ের রক্তে…

Read More

স্বাভাবিক প্রসবে কাটা ছেড়া বা এপিসিওটমি

স্বাভাবিক প্রসবে কাটা ছেড়া বা এপিসিওটমি

এপিসিওটমি কি? অনেক সময় প্রসব চলাকালীন সময়ে ডাক্তার মায়ের যোনিপথের কিছু জায়গা (পেরিনিয়ামের বা যোনির শুরু থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত টিস্যু)  কেটে দিতে পারেন যেন যোনিপথ বড় হয়ে আসে। এতে বাচ্চা সহজেই বেরিয়ে আসতে পারে। একে এপিসিওটমি (Episiotomy) বলে। অনেক সময় কেটে না দিলে এই জায়গাটা চাপে এমনিতেই ছিড়ে যায়, যার জন্য সেলাই দেয়ার প্রয়োজন পড়ে। প্রসবের কোনও পর্যায়ে এপিসিওটমি প্রয়োজন হলে ডাক্তার আপনার সম্মতি নিয়ে তবেই এপিসিওটমি দিবেন। এপিসিওটমি কেন লাগতে পারে? একসময় অনেক ডাক্তাররাই প্রসবের সময় পেরিনিয়াম কাট বা এপিসিওটমি করতেন। এখন প্রয়োজন ছাড়া এপিসিওটমি করা হয় না। সাধারনত…

Read More

গর্ভাবস্থায় স্তনের পরিবর্তন এবং তা থেকে স্বস্তির উপায়

গর্ভাবস্থায় স্তনের পরিবর্তন

গর্ভাবস্থায় শরীরের স্বাভাবিক সব প্রক্রিয়ার একটি বিরাট পরিবর্তন ঘটে। যার প্রভাবে স্তনবৃন্ত বা নিপল আকারে বড়, সংবেদনশীল এবং গাঢ় রং ধারণ করে। আপনি যদি গর্ভবতী হন তাহলে তার প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে স্তন অতি সংবেদনশীল হয়ে যাওয়া, ব্যথা করা ও শিরশির করা। গর্ভাবস্থার তৃতীয় বা চতুর্থ সপ্তাহ থেকে আপনার এই অনুভূতিগুলো শুরু হবে। গর্ভাবস্থায় স্তনের পরিবর্তন কেমন হতে পারে? গর্ভাবস্থায় স্বাভাবিক কারনেই স্তনের আকৃতিগত পরিবর্তন দেখা দেয়। এটিই প্রকৃতির নিয়ম। ৬-৮ সপ্তাহের দিকে স্তন এর আকার বৃদ্ধি পাওয়া শুরু হতে পারে যা পুরো গর্ভকালীন সময় ধরে চলে। এসময় স্তনের…

Read More

গর্ভাবস্থায় নাভিতে এবং আশপাশে ব্যাথা হয় কেন?

গর্ভাবস্থায় নাভিতে ব্যাথা

গর্ভাবস্থায় মায়ের জরায়ুতে বেড়ে ওঠা শিশুর কারণে মায়ের শরীরে অনেক পরিবর্তন সাধিত হয়। এই পরিবর্তনগুলো আভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক দুইধরনেরই হয়। গর্ভাবস্থায় নাভিতে ব্যাথা সাধারণত মায়ের শরীরের আভ্যন্তরীণ পরিবর্তনের কারণে হয়। এই সময় কেউ কেউ নাভিতে এবং এর চারপাশে ব্যাথা ও জ্বলুনি অনুভব করতে পারেন। নাভির জায়গা ফুলেও যেতে পারে। গর্ভাবস্থায় নাভিতে ব্যাথা কেন হয়? গর্ভাবস্থায় অনেক মায়েরাই নাভিতে ব্যাথা অনুভব করেন। বেশিরভাগ মায়েদের ক্ষেত্রে এ ব্যাথা মৃদু হয় এবং কোন ভয়ের কারণ থাকেনা তবে কিছু কিছু মায়দের ক্ষেত্রে এ ধরনের ব্যাথায় ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। গর্ভাবস্থায় নাভিতে ব্যাথা হওয়ার কারণগুলো…

Read More

গর্ভাবস্থায় হঠাৎ পেট শক্ত হয়ে যাওয়া বা পেটে টান লাগা অনুভূতি কেন হয়?

গর্ভাবস্থায় হঠাৎ পেট শক্ত হয়ে যাওয়া বা পেটে টান লাগা অনুভূতি কেন হয়?

গর্ভাবস্থায় পেটে ব্যাথা সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। এই সময়ে বেশ কিছু কারণের জন্য পেটে ব্যথা হওয়া, পেট শক্ত হয়ে যাওয়া বা পেটে হঠাৎ টান লাগা অনুভূতি হওয়া  স্বাভাবিক। কারণ এসময়ে নারীদের দেহের অনেক অঙ্গের মাঝে পরিবর্তন ঘটে, জরায়ু আকারে বড় হয়ে যায়, লিগামেন্ট টান টান হয়ে যায়। বাচ্চার ওজন বহন করার কারনে এ সময় মায়েদের শরীরের পেশী, জয়েন্ট এবং শিরার উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে যার কারণে পাকস্থলীর আশপাশের জায়গাগুলোতে অস্বস্তি বোধ হয়। তবে তাই বলে সব ব্যাথাকেই স্বাভাবিক ভাবা উচিত নয়। যখন পেটে ব্যথা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়, তখন অবশ্যই চিন্তার কারণ…

Read More

প্রসব পরবর্তী সহবাস । যে বিষয়গুলো জেনে রাখা উচিত

প্রসব পরবর্তী সহবাস

সন্তান জন্মদানের পর অনেক মা’ই শারীরিক এবং মানসিক ভাবে ক্লান্ত বোধ করেন, অনেকের ক্ষেত্রে যৌন সম্পর্কের তেমন সুযোগও ঘটে না। হয়তো আপনি এবং আপনার সঙ্গী এই পরিস্থিতিতেও খুশি থাকতে পারেন, কিন্তু আপনার প্রসব পরবর্তী সহবাস যদি একটি সমস্যায় পরিণত হয়, তাহলে কিছু পরিবর্তন নিয়ে আসা জরুরী। যৌনমিলনের অভাব কিংবা আনন্দহীন সহবাস অনেক হতাশা ও দুশ্চিন্তার জন্ম দেয় এবং একটি সুসম্পর্কের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। প্রসব পরবর্তী সহবাস কখন নিরাপদ?  প্রসবের পর রক্তপাত বন্ধ হওয়া পর্যন্ত সহবাস করা উচিৎ নয়। এই রক্তপাত সাধারণত প্রসবের পর ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে। এ…

Read More

গর্ভাবস্থায় মায়ের পেটের আকার । কখন দুশ্চিন্তার, কখন নয়

গর্ভাবস্থায় মায়ের পেটের আকার

বেশিরভাগ গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রেই যখনই কেউ তার গর্ভাবস্থার খবর জানতে পারে তখন থেকেই শুরু হয় নানা ধরনের উপদেশ। আশেপাশের সবাই হয়ে ওঠেন গর্ভধারণ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। সবার নজর থাকে মায়ের পেটের দিকে। মায়ের পেট বড় নাকি ছোট তা নিয়ে শুরু হয় বিস্তর গবেষণা এবং নিজেদের সাথে তুলনা। এসব শুনতে শুনতে দেখা যায় মা তার নিজের গর্ভধারণ নিয়েই দুশ্চিন্তা গ্রস্থ হয়ে পড়েন। আমাদের কাছে নিয়মিত যেসব প্রশ্ন আসে তার মধ্যে অন্যতম হলো- পেট বেশী বোঝা না যাওয়া কি কোন সমস্যা কিনা। তাই আজকের আলোচনা গর্ভাবস্থায় মায়ের পেটের আকার  কেমন হতে পারে তা…

Read More

গর্ভে যখন যমজ শিশু । কিছু জরুরী বিষয়

গর্ভে যখন যমজ শিশু । কিছু জরুরী বিষয়

যমজ সন্তান হলো একই গর্ভধারনে সৃস্ট দুটি সন্তান।যমজ মনোজাইগোটিক (“অভিন্ন”) হতে পারে, অর্থাৎ তারা একটিমাত্র জাইগোট থেকে বড় হতে পারে পরে বিচ্ছিন্ন হয়ে দুটি এমব্রায়োস গঠন করে, অথবা ডিজাইগোটিক (“ভ্রাতৃসম”), অর্থাৎ তারা আলাদা ডিম্বক থেকে বড় হয়, প্রত্যেকটি নিষিক্ত হয় আলাদা শুক্রানু দ্বারা। যমজ সন্তান কেন হয়? এ নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। গর্ভে একের অধিক সন্তান ধারণ করা অস্বাভাবিক কিছু নয়। অনেক ক্ষেত্রে বংশগত কারণে এটি হতে পারে। এটি প্রকৃতি প্রদত্ত বা গড গিফটেড বলা যেতে পারে। দুই রকমের যমজ সন্তান হতে পারে। অভিন্ন যমজ শিশু (আইডেন্টিক্যাল টুইন) একটি…

Read More