Articles

সিকেল সেল ডিজিজ (Sickle cell disease) ও গর্ভাবস্থা

সিকেল সেল ডিজিজ (Sickle cell disease) ও গর্ভাবস্থা

সিকেল সেল ডিজিজ কি ধরনের রোগ? সিকেল সেল ডিজিজ হল এক ধরনের বংশগত রোগ যার কারণে রক্তে কিছু অস্বাভাবিকতা দেখা যায়। সিকেল সেল শুধুমাত্র রক্তের লোহিত কণিকাগুলোর উপর প্রভাব বিস্তার করে। উল্লেখ্য যে লোহিত কণিকা আমাদের রক্তে অক্সিজেন বহন করে থাকে। রক্তের স্বাস্থ্যকর লোহিত কণিকাগুলো আকারে কিছুটা গোল এবং নমনীয় হয় যার ফলে এগুলো একদম ছোট রক্তনালী দিয়েও খুব সহজেই চলাচল করতে পারে। আপনি যদি সিকেল সেল রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন তাহলে আপনার রক্তের লোহিত কণিকাগুলো শক্ত, আঠালো এবং ইংরেজি বর্ণ “সি” এর মত আকৃতি ধারণ করে। লোহিত কণিকার এই…

Read More

শিশুর মেনিনজাইটিস

শিশুর মেনিনজাইটিস

মস্তিষ্ক এবং স্পাইনাল কর্ডকে আবরণ করে রাখা তিনটি ঝিল্লী বা মেমব্রেনের (মেনিনজেস) প্রদাহকে মেনিনজাইটিস বলা হয়।যদিও যে কোন বয়সের মানুষেরই মেনিনজাইটিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি থাকে অনেক বেশী। শিশুর শরীরের কোন অঙ্গ যদি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস কিংবা ফাঙ্গাস দ্বারা আক্রান্ত হয়, তাহলে রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে তা শিশুর মস্তিষ্ক এবং স্পাইনাল কর্ডে পৌছুলে, শিশুর মেনিনজাইটিস হতে পারে। ২০১৭ সালের এক হিসাব অনুযায়ী, জীবিত জন্ম নেওয়া প্রায় ১০০০ জন ২৮ দিনের কম বয়সী শিশুর মধ্যে ০.১ থেকে ০.৪ জন মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত। হিসাবটা বেশ ভয়াবহ,…

Read More

স্পাইনা বিফিডা (Spina bifida) বা শিশুর নিউরাল টিউব ডিফেক্ট

স্পাইনা বিফিডা (Spina bifida)

স্পাইনা বিফিডা কি? স্পাইনা বিফিডা একধরণের নিউরাল টিউব ডিফেক্ট (NTD) অর্থাৎ এক ধরণের স্নায়বিক ত্রুটি। শিশু গর্ভে থাকা অবস্থায় তার মেরুদণ্ড এবং স্পাইনাল কর্ড যদি ঠিকঠাকভাবে গড়ে না উঠে, তখন স্পাইনা বিফিডা হয়ে থাকে। নিউরাল টিউব ভ্রুণের একটি অংশ, যা বৃদ্ধি পেয়ে পরবর্তীতে শিশুর মস্তিষ্ক, স্পাইনাল কর্ড (spinal cord) এবং মেরুদণ্ডে  পরিণত হয়। সাধারণত গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে নিউরাল টিউব গঠিত হওয়া শুরু হয় । স্পাইনা বিফিডায় আক্রান্ত শিশুদের নিউরাল টিউবের একটি অংশ ঠিকভাবে বিকশিত হয় না বা এর গঠন প্রক্রিয়া ঠিকমতো শেষ হয় না। এ কারণে স্পাইনাল কর্ডে এবং মেরুদণ্ডের…

Read More

গর্ভাবস্থায় আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতা বা এনিমিয়া কিভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন

গর্ভাবস্থায় আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতা বা এনিমিয়া কিভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন

কীভাবে বুঝবেন আপনার আয়রনের ঘাটতি জনিত রক্তশূন্যতা বা এনিমিয়া হয়েছে? আয়রনের ঘাটতির কারণে যদি আপনার রক্তশুন্যতা হয়ে থাকে তাহলে আপনার মধ্যে হয়ত কোন ধরনের লক্ষণই দেখা যাবে না, বিশেষ করে আপনার সমস্যাটি যদি প্রাথমিক অবস্থায় থাকে অর্থাৎ সমস্যাটি যদি অল্প হয়। অন্যথায় আপনার ক্লান্ত, দুর্বল অথবা মাথা ঝিম ঝিম করার মত অনুভব হতে পারে। তবে এই ধরনের লক্ষণ গর্ভকালীন সময়ে এমনিতেই আপনার মধ্যে দেখা যেতে পারে, যার ফলে রক্ত পরীক্ষা করার আগ পর্যন্ত আপনি হয়ত বুঝতেই পারবেন না যে আপনার আয়রনের ঘাটতির কারণে রক্তশুন্যতা হয়েছে। এছাড়া যেহেতু গর্ভকালীন সময়ে অনেকেই আয়রনের…

Read More

গর্ভাবস্থায় দুইজনের জন্য খেতে হবে বলতে আসলে কি বোঝায়?

গর্ভাবস্থায় দুইজনের জন্য খেতে হবে বলতে আসলে কি বোঝায়?

গর্ভবতী মায়েদের গর্ভধারণের শুরু থেকে বেশি বেশি খেতে বলা হয়। কারণ, এখন আপনাকে যে দুজনের জন্য খেতে হবে ! কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এটি কি আদৌ সত্যি, নাকি কোনো উপকথা? গর্ভাবস্থায় আপনাকে কি দুইজনের সমপরিমাণ খাবার খেতে হবে? সরাসরি এই প্রশ্নের উত্তর, না দিয়েই দিতে হবে। তবে মাঝেমধ্যে আপনার দুইজনের সমপরিমাণ খাবার খেতে ইচ্ছে হতে পারে, তবে এটা মনে রাখবেন ডাক্তার আপনাকে “দুইজনের জন্য খাবার খাবেন” বলতে দুইজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের সমপরিমাণ খাবার খাওয়ার কথা বলেন নি। অনেকের মতে, একজন গর্ভবতী মাকে দুজনের খাবার খাওয়া উচিত। এটা ঠিক নয়। কারণ অতিরিক্ত…

Read More

সমান (Flat) এবং ভেতরের দিকে ঢুকানো (Inverted) নিপল থাকলে কিভাবে বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়াবেন

সমান (Flat) এবং ভেতরের দিকে ঢুকানো (Inverted) নিপল

ফ্ল্যাট এবং ইনভার্টেড নিপল কি? আশেপাশের যায়গা (এরিওলা) থেকে যদি নিপলটা উঁচু না হয় কিংবা উত্তেজনা বা স্টিমুলেশনের  সময়েও যদি বাইরের দিকে প্রসারিত না হয়, সে নিপলকে সমান বা ফ্ল্যাট নিপল বলা হয়। উত্তেজনার সময়ে বা স্টিমুলেশনের পরও নিপল যদি সামনের দিকে প্রসারিত না হয়ে ভেতরে ঢুকে যায়, তাকে ইনভার্টেড কিংবা ভেতরের দিকে ঢুকানো নিপল বলা হয়। ইনভার্টেড নিপল দেখতে বেশ সমান, অনেকটা গালের টোলের মত অথবা মাঝখানটা কিছুটা আঁকাবাকা থাকবে। প্রায় ১০% নারীদের নিপল ইনভার্টেড কিংবা ভেতরের দিকে ঢুকানো থাকে। সমান কিংবা ভেতরের দিকে ঢুকানো নিপলের সাহায্যে শিশুকে ঠিকভাবে…

Read More

শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় বাচ্চার মাথা গরম থাকে কেন ?

জ্বর না থাকা সত্ত্বেও বাচ্চার মাথা গরম থাকে কেন ?

বাচ্চার মাথার তাপমাত্রা যদি হুট করেই স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে একটু বেশি হয়ে যায় আর ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে ডাক্তার ঘোষণা দিয়ে দেন যে শিশুর কোন জ্বর নেই, এমন পরিস্থিতি বাবা মায়েদের জন্য খুবই আশঙ্কাজনক হয়ে উঠে। তারা তখন উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেন যে, যেহেতু জ্বর নেই তাহলে বাচ্চার মাথা গরম কেন? অগ্রাধিকারের দিক থেকে শিশুর স্বাস্থ্যই সবসময় বাবা মায়েদের জন্য প্রথমে আসে, বিশেষ করে শিশুর যদি কোন ধরনের জ্বর অথবা কোন ধরনের ফ্লু হয়ে থাকে তাহলে তো কোন কথাই নেই। আপনার ছোট শিশুটির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়দের তুলনায় অনেক কম থাকে।…

Read More

শিশুর চিকেনপক্স : লক্ষণ, করণীয়, প্রতিরোধ

শিশুর চিকেনপক্স

ভেরিসেলা-জোস্টার ভাইরাস দ্বারা বাহিত অত্যন্ত সংক্রামক এক রোগ চিকেনপক্স। যদিও একসময় শিশুদের এই রোগটা বেশ নিয়মিতই ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়তো, কিন্তু ১৯৯৫ সালে চিকেনপক্সের টিকা আবিষ্কারের পর এই রোগের মহমারি রুপ ধারণ করাটা অনেকটা কমে এসেছে এখন। শিশুর বয়স ১২ মাস হওয়ার আগ পর্যন্ত সে চিকেনপক্সের টিকা নিতে পারে না। তবে সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত এই সময়ে ১ বছরের কম বয়সী শিশুদের চিকেন পক্স হওয়ার ঘটনা প্রায় ৯০% পর্যন্ত কমে এসেছে। এর কারণ খুব সম্ভবত টিকার কারণে সৃষ্টি হওয়া ‘সামষ্টিক রোগ…

Read More

গর্ভাবস্থায় চিকেন পক্স কতটা ঝুঁকিপূর্ণ

গর্ভাবস্থায় চিকেন পক্স কতটা ঝুঁকিপূর্ণ

গর্ভাবস্থায় চিকেন পক্স ভাইরাসের সংস্পর্শে আসলে তার ঝুঁকি কতটুকু? পুরো ব্যাপারটাই আসলে আরো বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে যেমন অতীতে যদি আপনার একবার চিকেন পক্স হয়ে থাকে তাহলে সাধারণত আপনার আবার চিকেন পক্স হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এছাড়া আপন যদি চিকেন পক্সের টিকা নিয়ে থাকেন তাহলেও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একদম নেই বললেই চলে। চিকেন পক্সের ভ্যাক্সিন বা টিকা সর্বপ্রথম যখন চালু হয়েছিল তখন এক ডোজ এই টিকা গ্রহণকারী প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ ভাগ ব্যাক্তি চিকেন পক্স প্রতিরোধী ছিল । তখন থেকেই বিভিন্ন রকম গবেষণায় উঠে এসেছে যে দ্বিতীয়বার…

Read More

চাইল্ড অ্যাবিউস বা শিশু নির্যাতন : কিভাবে আপনার শিশুকে নিরাপদ রাখবেন

চাইল্ড অ্যাবিউস বা শিশু নির্যাতন

শিশু নির্যাতন, বর্তমানে অভিভাবকদের অন্যতম আতঙ্কের বিষয়। বাংলাদেশে প্রতি ৪ জন মেয়ে শিশুর মধ্যে একজন এবং ৬ জন ছেলে শিশুর মধ্যে একজন যৌন নির্যাতনের শিকার। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো, ৭৫% যৌন হয়রানির ঘটনাই ঘটে পরিবারের ঘনিষ্ঠজন, বন্ধু বা আত্মীয়-স্বজনদের মাধ্যমে। (সূত্র) শুধু পুরুষ নয়, শিশুরা কখনো কখনো নারীর হাতেও যৌন হয়রানির শিকার হয়৷ শিশুদের যৌন হয়রানির মধ্যে ধর্ষণ ছাড়াও তাদের ওপর নানা ধরনের শারীরিক আক্রমণ, বলাৎকার, স্পর্শকাতর ও যৌনাঙ্গে অসৎ উদ্দেশ্যে স্পর্শ অন্যতম৷ হয়রানি বা নির্যাতন শিশুর মস্তিষ্কে স্থায়ী প্রভাব ফেলে যা অনেকে বড় হওয়ার পরও বয়ে বেড়ায়…

Read More