সপ্তাহ ৩৭ । গর্ভধারনের প্রত্যেকটি সপ্তাহ

এ সপ্তাহে আপনার গর্ভের শিশুটির আকার হবে একটি চালকুমড়ার সমান এবং এখন থেকে প্রতিদিন সে আধা আউন্স করে বাড়বে। শিশুটি এখন সফলভাবে শ্বাস গ্রহণ ও নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে পারবে। যদিও তার ফুসফুস এখন যথেষ্ট পরিপক্ব, তারপরও শিশুটি আরও ক’দিন মায়ের পেটে থাকলে তার শ্বাসযন্ত্রটির পরিপূর্ণ বিকাশ সম্পন্ন হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

গর্ভের শিশুটি এখন তার মুখের পেশিগুলো ব্যাবহার করা শুরু করবে। তার পরিপাকতন্ত্র এখনও গঠিত হচ্ছে এবং জন্মের পর কয়েক বছর পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। জন্মের প্রথম এক বছরে তার খুদ্রান্ত ১০০ সেমি এর বেশী বাড়তে পারে।

যে নরম চুলের স্তর (Lanugo) এতদিন শিশুটির দেহ আবৃত করে রেখেছিলো, তা এখন প্রায় মিলিয়েই যাবে বলা যায়। দেহের ত্বককে সুরক্ষিত করে রাখা সাদা, পিচ্ছিল পদার্থটিও (Vernix Caseosa) আস্তে আস্তে পরিষ্কার হয়ে যেতে থাকবে। তবে জন্মের সময় শিশুটির গায়ে এই পদার্থ কিছুটা লেগে থাকবে।

এ সপ্তাহে শিশুটি প্রথমবারের মতো অন্ত্রের (intestine) ক্রিয়া হিসেবে মল ত্যাগ করবে। গর্ভের শিশুর এই মলকে বলা হয় মেকোনিয়াম (Meconium) । এটা একধরনের গাঢ় সবুজ বর্ণের আঠালো পদার্থ যা শিশুটি ভূমিষ্ঠ হবার পরবর্তী ২/৩ দিন পর্যন্ত মল হিসেবে বের হয়। পেটে থাকা অবস্থায় শিশুটি মুখ দিয়ে যা যা গ্রহণ করবে ( যেমন, অ্যামনিওটিক তরল, লানুগো, মিউকাস ইত্যাদি) তার সবকিছু মিলিয়েই এই মেকোনিয়াম তৈরি হয়। মেকোনিয়াম যদি অ্যামনিওটিক তরলে মিশে যায় এবং সেখান থেকে শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে যদি শিশুর ফুসফুসে গিয়ে ঢোকে তাতে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় Meconium Aspiration Syndrome । মায়ের প্রসব বেদনাকালীন জটিলতার কারণে শিশু যখন নাজুক অবস্থায় থাকে সাধারণত তখন এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এরকম হলে ডাক্তার তৎক্ষণাৎ জরুরি ভিত্তিতে সন্তান প্রসব করানোর সিদ্ধান্ত নেন।

গর্ভধারণের এ সপ্তাহে আপনি

শারীরিক পরিবর্তন যেহেতু অনিবার্য, তাই সারা দিন খুব ক্লান্ত লাগতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম খুব দরকার। ঘুমানোর সময় পাশ ফিরে শোওয়া উচিত। সাপোর্টের জন্য দুই পায়ের মাঝে এবং পেটের তলায় মোটামুটি বড় ও নরম বালিশ রাখা যায়।পিঠে ব্যথা একটি সাধারণ সমস্যা। বসার সময় পিঠের নিচের দিকে বালিশের সাপোর্ট নিন। এ সময়ে (শিশুর জন্মের আগেই) মায়ের নিপলস থেকে ফোঁটা ফোঁটা হলুদ দুধ (কোলোস্ট্রাম) গড়িয়ে পড়তে পারে। এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এটি অস্বাভাবিক কিছু নয়। সাপোর্টিভ ব্রা পরলে কিছুটা ভালো লাগবে।

যদি আপনি প্রথমবারের মতো গর্ভধারণ করে থাকেন, তাহলে ৩৭ তম সপ্তাহে এসে আপনি একটু হলেও আরাম বোধ করবেন। কারণ এতদিনে শিশুটি ভূমিষ্ঠ হবার জন্য একেবারে প্রস্তুত হয়ে গেছে এবং নিচের দিকে নেমে এসেছে। তবে, শিশুটির নিম্মমুখী অবস্থানের কারণে এখন আপনার তলপেটের ওপর চাপ বাড়বে। যদি এটা আপনার প্রথম গর্ভধারণ না হয় তাহলে শিশুটি আরও কয়েকদিন পর নিচের দিকে নামবে।

পরিপাক তন্ত্রের (Digestive system) ওপর চাপ বাড়ার কারণে আপনার বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা আরও অসহনীয় হয়ে উঠতে পারে। বুক জ্বালাপোড়ার সাথে সাথে আপনার সঙ্কোচনের মতো অনুভূতিও হতে পারে। আপনার যদি মনে হয় যে প্রসব বেদনা শুরু হয়ে গেছে, তাহলে নিশ্চিত হবার জন্য ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিন। যেহেতু শিশুটি এখন শ্রোণীচক্রের (pelvis) একদম ওপরে অবস্থান করছে, আবারো আপানর মুত্রথলির (bladder) ওপর চাপ বাড়বে এবং প্রচণ্ড চাপের কারণে মুত্রথলি এখন খুব বেশি পরিমাণ প্রস্রাব ধরে রাখতে পারবে না। ফলে, এখন একটু পর পরই আপনাকে বাথরুমে যেতে হবে।

গর্ভবস্থায় প্রত্যেক মায়েরই কিছুটা ওজন বাড়ে। প্রথম কয়েক সপ্তাহে বমিভাব কিংবা বমি হওয়ার কারণে ওজন কিছুটা কমে যেতে পারে। এরপর গর্ভের ৩৮ সপ্তাহ পর্যন্ত ওজন ধীরে ধীরে বাড়তেই থাকে। শেষ দুই সপ্তাহে ওজন একই থাকে অথবা কিছুটা কমে যায়। গড়পড়তা, গর্ভকালীন সময়ে প্রথম ৩ মাসে ১ কেজি, পরবর্তী প্রতি ৩ মাসে ৫ কেজি এবং শেষের ৩ মাসে আরও ৫ কেজি, মোট ১১ কেজি (২৪ পাউন্ড) ওজন বাড়ে।

গর্ভাবস্থায় সাধারণত মা ১৬ থেকে ২০ সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চার নড়াচড়া অনুভব করেন। পেটের ভেতর বাচ্চা ঘুমায় ও খেলা করে, যার অনুভূতি মা বাইরে থেকে বুঝতে পারেন। বাচ্চার নড়াচড়ার একটা নির্দিষ্ট সীমা এবং সময় রয়েছে যা শুধু মা-ই অনুভব করেন। এর কোনো ব্যতিক্রম হলে মা সেটা খুব দ্রুত বুঝতে পারেন। বাচ্চার অধিক নড়াচড়া বা কম নড়াচড়া দুটিই ক্ষতিকর এবং এসব ক্ষেত্রে নিয়মিত এবং নির্দিষ্ট সময় পরপর ডাক্তারকে দেখানো উচিত।

ব্রাক্সটন-হিকস কনট্রাকশন প্রেগন্যান্সির সময় খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। জরায়ুর পেশীর সংকোচনের কারণে পেটে চাপ অনুভূত হয়। গর্ভাবস্থার ৩৭ সপ্তাহ পর্যন্ত মাঝে মাঝেই এ রকম হতে পারে। ফলস পেইন বা “ব্রাক্সটন হিক্স” হলো আসল লেবার পেইন হওয়ার আগে ইউটেরাসের প্রস্তুত হওয়ার একটা প্রাকৃতিক প্র্যাকটিস। লাস্ট ট্রাইমেস্টারে ব্রাক্সটন হিক্স অনেকেই ফিল করে আবার কেউ কেউ করে না। কিন্তু সমস্যা হল কোনটা ফলস পেইন আর কোনটা আসল লেবার পেইন তা ফার্স্ট টাইম প্রেগন্যান্ট রা অনেক সময় বুঝতে পারে না।যদি খুব বেশি সমস্যা হয় তা হলে অবশ্যই চিকিত্সককে জানান।

গর্ভাবস্থায় মায়েরা নানারকম দুঃস্বপ্ন দেখতে পারেন যা নিয়ে তারা বিষণ্ণ থাকেন। এসব মানসিক পরিবর্তন সব নারীর ক্ষেত্রেই কম বেশী ঘটে। তবে এটি “ক্লিনিকাল বিষন্নতা” রোগ নয়, তাই এর কোন ধরণের চিকিতসার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন শুধু পরিবার ও আশেপাশের মানুষ দের ভালোবাসা। তবে এই যত্ন টুকু যদি আপনি তার না করেন, তাহলে সে আস্তে আস্তে সে বিষন্নতা রোগের দিকে অগ্রসর হতে পারে। তখন তা গর্ভের সন্তানের ঝুকির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। তাছড়া এই সময়টাতে এখন আরেকজ কে সাপোর্ট দেয়ার মাধ্যমে সম্পর্ক একটা নতুন মোড় পায়।

সব মহিলারই গর্ভাবস্থায় যোনীর নিঃসরণ বেড়ে যায়। এটা সাধারণত সাদা হয়, তবে গন্ধ থাকে না। যদি যোনীর নিঃসরণ গন্ধযুক্ত, রঙিন হয় এবং আপনি অস্বস্তি বোধ করেন, তবে বুঝতে হবে আপনার যোনীতে জীবাণুর সংক্রমণ হয়েছে। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় মায়েদের মানসিক পরবির্তন সাধারণতঃ গর্ভাবস্থায় শারীরিক পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত। মা গর্ভাবস্থায় স্বাভাবিক ভাবেই ক্লান্তি এবং অবসাদে ভোগেন এবং এই ক্লান্তি এবং অবসাদ মায়েদের মনের অবস্থায় পরিবর্তন (Mood Change) করে থাকে। গর্ভাবস্থার মায়েদের মনে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে যা তার পরিবারের কাছে অস্বাভাবিক বলে মনে হতে পারে। কিন্তু প্রকৃত অর্থে মা তার নিজের অজান্তেই এই ব্যবহার করছেন যা তার গর্ভাবস্থার কারণে শারীরিক পরিবর্তনের বহিঃপ্রকাশ। গর্ভাবস্থায় কিছু কিছু মায়েদের মেজাজ খিটখিটে, কিছু বুঝতে চেষ্টা না করা, দুঃখী ভাব ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। গর্ভাবস্থার বিভিন্ন হরমোনের জন্য এ সকল মানসিক প্রভাব হতে পারে এবং অনেক ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে মায়েদের ভিতর দ্বৈত সত্ত্বা কাজ করে এবং তার ভিতর অতিরিক্ত দায়িত্ব রোধের সৃষ্টি হয় যা তার মানসিকতার পরিবর্তন করে।

গর্ভধারণের এ সপ্তাহের কিছু টিপস

আপনার প্রসব পরিকল্পনা ইতিমধ্যে তৈরি হয়ে যাওয়া উচিত । প্রসবের সময় আপনি কি কি চান , কীভাবে এবং কোথায় প্রসব করাতে চান সেটা তো অবশ্যই ঠিক করে ফেলা জরুরী । যদি আপনার আরও সন্তান থাকে, তাহলে আপনি না থাকা অবস্থায় তার / তাদের দেখাশুনার জন্য কে থাকবে সেটাও ঠিক করে ফেলতে হবে। হাসপাতালে যাবার জন্য ব্যাগ গুছাতে শুরু করে দিন যাতে করে যে কোনো সময়ই প্রসব যন্ত্রণা শুরু হয়ে গেলে সাথে সাথে কেবল ব্যাগটা তুলে নিয়ে যেতে পারেন ।হাসপাতালে থাকার সময় নানা ধরনের খরচ হতে পারে। আর সে জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান আগেই করুন। প্রয়োজনে আত্মীয়-স্বজনকে বলে রাখুন।আপনার আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে যাদের সঙ্গে আপনার রক্তের গ্রুপ মিলে যায় তাদের বলে রাখুন। রক্তের প্রয়োজনে তাদের ডাকার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন।

গর্ভবতী মায়েদের জন্য ক্যালসিয়াম ও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ! ক্যালসিয়ামের অভাবে উচ্চ রক্তচাপ , প্রি এক্লামসিয়া হবার সম্ভাবনা থাকে ! দুধ , ঘি , মাখন , দিমের কুসুম , ছোট মাছ , কলিজা , ডাল , মাছ ,মাংস এবং সবুজ শাক সবজি ও ফলমূল ইত্যাদি খেলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূর্ণ হবে !

বাথরুমে যাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। যে ধরনের স্যান্ডেলগুলোতে পা সিøপ করার সামান্যতম আশঙ্কাও থাকে, সেগুলো দ্রুত বাতিল করে ‘নিরাপদ’ প্যাটার্নের স্যান্ডেল ব্যবহার করতে হবে। আপনার বাথরুম যেন ব্যবহারের সময় শুকনো থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

প্রেগন্যান্ট অবস্থায় কখনোই সহবাস করা যাবে না এটিও একধরনের ভ্রান্ত ধারণা। বিশেষ কোনো শারীরিক সমস্যা বা ঝামেলা না থাকলে কনসিভ করার পর প্রথম দুই মাস এবং শেষের মাস ছাড়া পুরোটা সময়েই সহবাস নিরাপদ। গর্ভাবস্থায় শারীরিক মিলনের ক্ষেত্রে সব সময় কনডম ব্যবহার করা উচিত। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের জীবাণুর সংক্রমণ থেকে ইউটেরাস নিরাপদ থাকে। একই সঙ্গে ইউটেরাইন কন্ট্রাকশান বা হঠাৎ ব্লিডিং হওয়ার আশঙ্কা অনেক কম থাকে।

সাধারণত তৃতীয় বা চতুর্থ মাসেই ডাক্তাররা এক্সপেকটেড ডেলিভারি ডেট জানিয়ে দেন। তখন থেকেই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে হাসপাতাল বা নার্সিং হোমের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করুন। আগে থেকে খোঁজ নিয়ে বা সশরীরে গিয়ে জেনে নিন ডেলিভারির পেমেন্ট প্যাকেজ, হাসপাতালের সুবিধা, সেবা, ব্যবস্থাপনার অবস্থা ইত্যাদি।

ডেলিভারি ডেটের দুই-তিন মাস আগে অফিসের সঙ্গে মেটার্নিটি লিভ-সংক্রান্ত কথাবার্তা বলে রাখুন। ডক্টরস সার্টিফিকেট অ্যাটাচ করে ঊর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষ বা হিউম্যান রিসোর্স ডিপার্টমেন্টকে চিঠি দিয়ে নিজের প্রেগন্যান্সির কথা জানান। জমানো ছুটির হিসাব বুঝে নিন, ডেলিভারির জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে শুরু করুন। যেকোনো খটকায় বা প্রয়োজনে চিকিৎসককে দ্বিধাহীনভাবে প্রশ্ন করুন। সিজারিয়ান ডেলিভারির সময়ে ঠিক কী ঘটে, তার জন্য আপনি ও পরিবারের সদস্যরা কীভাবে প্রস্তুত থাকতে পারেন, সে বিষয়ে কিছু পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় মায়েরা নানারকম দুঃস্বপ্ন দেখতে পারেন যা নিয়ে তারা বিষণ্ণ থাকেন। এসব মানসিক পরিবর্তন সব নারীর ক্ষেত্রেই কম বেশী ঘটে। তবে এটি “ক্লিনিকাল বিষন্নতা” রোগ নয়, তাই এর কোন ধরণের চিকিতসার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন শুধু পরিবার ও আশেপাশের মানুষ দের ভালোবাসা। তবে এই যত্ন টুকু যদি আপনি তার না করেন, তাহলে সে আস্তে আস্তে সে বিষন্নতা রোগের দিকে অগ্রসর হতে পারে। তখন তা গর্ভের সন্তানের ঝুকির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। তাছড়া এই সময়টাতে এখন আরেকজ কে সাপোর্ট দেয়ার মাধ্যমে সম্পর্ক একটা নতুন মোড় পায়।

যত্ন করে গুছিয়ে রাখুন মেডিকেল ফাইলগুলো। হাসপাতালে ভর্তির সময় এগুলোর দরকার হবে। প্রথম চেকআপ থেকে মেডিকেল টেস্ট যা যা করিয়েছেন এবং যেসব টিকা নিয়েছেন, তার প্রতিটি রিপোর্ট তারিখ অনুযায়ী ফাইলে গুছিয়ে রাখুন। ডাক্তারের নাম, ঠিকানা, যাবতীয় ফোন নম্বর ইত্যাদির পরিষ্কার করে লিখে ফাইলের শুরুতে রাখুন।

৩৬ সপ্তাহের পর প্রতি সপ্তাহে একবার করে মাকে স্বাস্থ্যকর্মী বা ডাক্তার দেখানো উচিত।

“প্রতিটি জন্মই হোক পরিকল্পিত, নিরাপদ হোক মাতৃত্বের প্রতিটি মুহূর্ত ”

<<গর্ভাবস্থা সপ্তাহ- ৩৬
গর্ভাবস্থা সপ্তাহ- ৩৮>>

তথ্যসূত্রঃ
maya.com.bd/content/web/wp/1923/
babycenter.com
parents.com

 

 

Related posts

Leave a Comment