শিশুর বেড়ে ওঠা । পঞ্চম মাস

শিশুর বেড়ে ওঠা । পঞ্চম মাস

চতুর্থ থেকে পঞ্চম মাসে পদার্পণের সময়টা অনেকটাই চতুর্থ মাসের সাথে মেলে। তবে এসময় যে প্রশ্নগুলো  মুখ্য হয়ে দাঁড়ায় সেগুলো হলো- বাচ্চাকে কি সলিড খাবার শুরু করা উচিত হবে? বাচ্চা কবে বসতে/ হামাগুড়ি দিতে শিখবে? বাচ্চার দাঁত ওঠার সঠিক সময় কোনটি?

এসময়টিতে বাচ্চা প্রতিনিয়ত অনেক কিছু শিখবে, বাবা –মা এবং পরিবারের অন্যান্যদের আলাদা করে চিহ্নিত করতে পারবে, তার কাকে পছন্দ, আর কাকে নয়, তাও অনেকটা প্রকাশ করতে জানবে। শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলে এই বয়সে সে অনেক হাসিখুশি থাকবে।

শ্রবন ও দৃষ্টিশক্তি আরও সুগঠিত হতে থাকবে। কণ্ঠস্বরের পার্থক্য বুঝতে পারবে, ঘাড় ঘুড়িয়ে তাকাবে এবং ঘাড় আগের চেয়ে আরও সুস্থিত হবে। ছোট ছোট জিনিস যেমন দেয়ালে হেটে চলা টিকটিকি কিংবা কোন পোকার নড়াচড়া বুঝতে পারবে এবং তার দৃষ্টি কোন চলমান কিছুকে অনুসরণ করারও চেষ্টা করবে। বিভিন্ন রঙ্গিন খেলনা, ঝুনঝুনি, র‍্যাটল টয়, কাপড়ের বই এবং কামড়ানোর উপযোগী টিদিং টয়গুলো এখন সে অনেক উপভোগ করবে।

বাচ্চার খাবার

পঞ্চম মাসে পদার্পণের পর বাচ্চার পাকস্থলী অনেকটাই গঠিত হয়ে যায় সাধারণত। সাড়ে পাঁচ মাস বয়সে অনেকে সেমি –সলিড খাবার শুরু করেন, তবে, এক এক বাচ্চার পরিপাকযন্ত্রের গঠন ও বৃদ্ধি আলদা হতে পারে, তাই এই মাসে কেউ সলিড শুরু করতে চাইলে খুব সাবধান থাকতে হবে, সবচেয়ে ভালো হয় ছয় মাসের কাছাকাছি বা ছয় মাস পার হলে weaning বা সলিড খাওয়ানো শুরু করলে।

কখন বুঝবেন সলিড খাবার শুরু করার জন্য বাচ্চা প্রস্তুত?  

বাচ্চার সলিড খাবার শুরু করা একটা বড় পদক্ষেপ! আপনি নিজেই বুঝতে পারেন আপনার শিশু শক্ত খাবার খাওয়ার জন্য তৈরী কিনা৷  যে শিশু শক্ত খাবার খাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে সে সাধারণত এই কাজগুলি করতে পারে:

  • সে মাথা উপরদিকে তুলতে পারে৷
  • হেলান দেওয়ার সুবিধা পেলে, সে ভালো করে বসতে পারে৷ প্রথমে হয়ত আপনার শিশুকে কোলে নিয়ে বসাতে হবে৷
  • সে চিবানোর মত মুখভঙ্গী করবে৷ আপনার শিশু তার মুখের ভিতরে খাবার ঢোকাতে পারবে ও গিলে খেতে পারবে৷
  • আপনি কী খাচ্ছেন সেই ব্যাপারে সে উৎসুক হবে৷ যখন শিশুরা আপনার খাবারের দিকে তাকায় ও সেদিকে হাত বাড়িয়ে দেয় তার মানে সে শক্ত খাবার খাওয়ার জন্য প্রস্তুত৷
  • তার শরীরের ওজন স্বাস্থ্যকর৷ বেশির ভাগ শিশুর জন্মের সময় যা ওজন থাকে তার দ্বিগুণ ওজন হয়ে গেলে তারা মন্ড করা শক্ত খাবার খাওয়ার জন্য তৈরী হয়ে যায়৷ এটা সাধারণত প্রায় ৬ মাস বয়সে হয়৷

৬ মাস বয়সের আগেই আপনার শিশুর এই লক্ষণগুলি হয়ত আপনার চোখে পড়ে৷ তবে তাকে সলিড খাবার খেতে দেওয়ার আগে তার ৬ মাস বয়স হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা নিরাপদ৷ ততদিনে তার হজমশক্তি আরো মজবুত হয়ে যায়৷ তার অর্থ এই যে তার পেটের গোলমাল বা খাবারে খারাপ প্রতিক্রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে৷

শিশুর দাঁত ওঠা

দাঁত ওঠার সময় ৪ মাস থেকে শুরু করে ১৪ কিংবা ১৬ মাসের মধ্যে যেকোনো সময়ই হতে পারে। তবে, পাঁচ মাসে বাচ্চার মাড়ি কিছুটা শক্ত হতে শুরু করবে। কোন কিছু হাতের কাছে পেলেই আঁকড়ে ধরে মুখের দিকে টেনে নেবার চেষ্টা করবে। বেশীরভাগ বাচ্চারই এসময় প্রচুর লালা উৎপন্ন হয়। এসময় তার হাতের কাছে খেলনা ইত্যাদি ধুয়ে রাখতে পারেন, বিশেষ করে যদি বেড়াতে আসা অন্য কোন বাচ্চা সেগুলো নিয়ে খেলে থাকে কিংবা নোংরা কোন জায়গায় পরে যায়।

মুখ থেকে লালা পরে বুক ভিজে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে বীব ব্যবহার করতে পারেন। তবে সরু ফিতার বীব-গুলো ব্যবহার না করাই শ্রেয়, এতে গলায় ফিতে টান খাবার ঝুকি থাকে। অনেকে শিশুর গলার চেইন এবং তাবিজ ঝুলিয়ে রাখেন, মনে রাখবেন এসব খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু প্র্যাকটিস, এ থেকে অবশ্যই বিরত থাকবেন।

কখন শিশু বসতে পারবে?

৪ থেকে ৭ মাস বয়সে আপনার শিশু বসে থাকার মত যথেষ্ট শক্তপোক্ত হয়ে যায়৷ যদি তাকে আপনার কোলে বসিয়ে রাখেন বা মেঝেতে বসিয়ে দেন, তাহলে কয়েক মুহূর্ত আপনার কোনোরকম সাহায্য ছাড়া সে হয়ত বসে থাকতে পারবে৷

শিশুকে বসতে শেখানোর জন্য, তার পা দুটো ছড়িয়ে রাখুন যাতে ওর শরীরের ওজনের ভারসাম্য থাকে৷ এটা তার উল্টে পড়ার ভয় কমিয়ে দেয়। এইভাবে তাকে বসিয়ে দেওয়ার পরে,  সামনে তার প্রিয় খেলনা রেখে দিন৷ শিশুর চারপাশে কম্বল বা বালিশ ঠেস দিয়ে রাখুন যাতে পড়ে গেলে ব্যথা না লাগে৷ তার প্রতি নজর রাখার জন্য কাছাকাছি থাকুন৷

এছাড়া আপনার শিশুকে পেটে ভর দিয়ে খেলতেও উৎসাহিত করতে পারেন৷ একটা খেলনা দেখার জন্য আপনার শিশুকে যে মাথা ও বুক উপরদিকে তুলে রাখতে হবে তাতে ওর ঘাড়ের মাংসপেশী মজবুত হবে এবং বসে থাকার জন্য তার মাথার ভার সামলানোর ক্ষমতারও বিকাশ হবে৷

তবে, যদি দেখেন সে বসা অবস্থায় তেমন আনন্দ পাচ্ছে না, তাহলে এই চেষ্টা কিছুদিন পর করুন। বাচ্চারা কেউ কেউ পাঁচ মাস থেকেই বসতে শেখে, তবে সাপোর্ট দরকার হয়। ৬ থেকে ৯ মাসের মধ্যে বেশীরভাগ বাচ্চাই স্বাধীনভাবে বসতে শিখে যায়।

মা- বাবার যেসব ব্যাপার জেনে রাখা উচিত

এসময় থেকে বাচ্চার সাথে বাবা-মায়ের সবচেয়ে মধুর আর আবেগপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হওয়া শুরু হয়। সেই সাথে, নতুন কাউকে দেখলে তার কাছে যাওয়ার অনীহা দেখাবে এবং বাবা মা কিংবা যারা তাকে সারাক্ষণ দেখাশোনা করে তাদেরই বেশি ন্যাওটা হয়ে পরবে। কারো কোলে যেতে না চাইলে ক্ষোভ প্রকাশ করবে এবং জনবহুল জায়গায় কান্নাকাটি করে তার অস্বস্তি জানান দেবে। বাবা মায়ের প্রতি গভীর আস্থা  এবং আবেগের কারণে তৈরি হওয়া এই নিরপত্তাহীনতাকে বলা হয় ‘সেপারেশান অ্যাংযাইটি’ এবং এই অনুভূতি সামনের বেশ কিছু মাসে আরো প্রকট হবে।

তবে, এটি বাচ্চার স্বাভাবিক বৃদ্ধির একটি বহিঃপ্রকাশ। তাই যেকোনো মেহমান আসলে, তাকে বাচ্চার সাথে পরিচিত করান-বাচ্চার সামাজিকীকরণের জন্য এটি প্রয়োজন, কিন্তু কারো কোলে যেতে না চাইলে জোর করা একেবারেই উচিত না, এতে তার ভীতি আরো প্রোথিত হবে, এবং বাচ্চা নতুন মানুষ দেখলে খিটখিটে হয়ে উঠতে পারে।

চাকুরীজীবী মায়েদের হয়তো এর মধ্যে মাতৃত্ব-কালীন ছুটি (ম্যাটারনিটি লিভ) শেষ, কিংবা শেষের পথে। অনেক টেনশান, আর অনেক মন খারাপ করা অনুভূতি । বাবুটা দিন দিন মায়ের এত ভক্ত হচ্ছে, আর এখনই কিনা চাকরিতে জয়েন করতে হবে? অনেকে হয়তো পারিবারের অন্যদের কোন সাপোর্টও পাবেন না। কিভাবে ব্রেস্ট-ফিড করাবেন? কার তত্বাবধানে রেখে যাবেন? বাবু অসুস্থ হলে কি হবে-এমনি হাজারো চিন্তা। কারো সাথে শেয়ার করতে গেলে হয়তো শুনতে হবে, আরে, কত মা-ই তো চাকরি করছে, বাচ্চাও বড় হচ্ছে, বেশি টেনশান করোনা।

কিন্তু এই কথাগুলো মনে হয় না আদৌ কোন বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তা কমাতে পারে। তাই এসময় সবচেয়ে বেশি যেটা প্রয়োজন তা হলো মায়ের মনোবল এবং একটা মজবুত প্ল্যান-অফ অ্যাকশান। ছুটি শেষ হবার বেশ কিছুদিন আগে থেকেই মা-বাবার কিছু বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে। পুনরায় চাকরিতে ফেরা আদৌ সম্ভব কিনা? ফিরলে, পারিবারিক সাপোর্ট জোগাড় করা, ডে-কেয়ার  ন্যানি নির্বাচনে কি কি বিষয় মাথায় রাখা উচিত?  ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভেবে, আপনার পরিস্থিতি অনুযায়ী আপনাকেই মূল ডিসিশানটি নিতে হবে।

বাচ্চার দেখাশোনা এবং সামনের বেশ কিছু দুশ্চিন্তা-পূর্ণ সময় যেন মা-কে গ্রাস করে না ফেলে, তার জন্য বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। কিছু কিছু মা হয়তো এখনো প্রসব পরবর্তি বিষণ্ণতা কাটিয়ে উঠতে পারে না-এসব ক্ষেত্রে অবশ্যই মা কে পরিবারের অন্যদের এবং একজন ভালো মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। আস্তে আস্তে বাচ্চা ও মা- উভয়ের ঘুমের সময়, খাওয়া ইত্যাদি ছকে ফেলার চেষ্টা শুরু করতে হবে। বাবা ও পরিবারের অন্যানদের সহযোগীতা বিশেষভাবে কাম্য এই সময়টিতে।

সবাইকেই মনে রাখতে হবে, একটি সুস্থ সাবলীল পরিবেশ বাচ্চার বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অনেক বাবাই এখন সন্তান লালন-পালন ও গৃহস্থালির কাজে সাহায্য করলেও, সমাজের বড় একটি অংশেই এখনো কিন্তু বাবারা এসব কাজে হাত লাগান না। সাহায্য করলেও তা নিজের দায়িত্ব মনে না করে, স্ত্রী দাবি পূরণ করা কিংবা স্ত্রীকে সাহায্য করতে করা –এই মনোভাব নিয়ে করছেন। অপরদিকে নতুন বাবা হবার পর একজন স্বামীর যেসব দুশ্চিন্তার বিষয় যুক্ত হচ্ছে, কিংবা পরিবর্তন ঘটছে, সেটি হয়তো স্ত্রী এই সময়টায় ঠিক অনুধাবন করতে পারছেন না। যার ফলে একটা সময় পর সংসারে ব্যাক্তিত্বের সংঘাত শুরু হচ্ছে, যা আজকাল ডিভোর্স পর্যন্ত গড়াচ্ছে। বেশ কিছুটা ‘নাজুক’ এই সময়টিতে তাই মা বাবা উভয়কেই কিছুটা সমঝোতায় আসতে হয়,  এবং সম্পর্কের নতুন করে চাষ করতে হয় ।

এসময় আপনি অনেক ব্যস্ত থাকলেও চেষ্টা করুন আপনার স্পাউসের সাথে মাঝে মধ্যে হলেও একলা কিছু সময় কাটাতে, কিংবা খুব কাছের বন্ধুদের বাসায় ডেকে আড্ডা দিতে, পার্টনারের পছন্দের কিছু রান্না করতে কিংবা কোন গিফট দিয়ে সারপ্রাইয দিয়ে। বাচ্চা লালল-পালনের কঠিন বিষয়গুলো যেন আপনাদের সম্পর্ককে আঘাত না করে, কিংবা করলেও যেনো দ্রুত সেই আঘাতের যত্ন নিয়ে তাকে সারিয়ে তুলতে পারেন। দুজনের একান্তে কিছু সময় কাটানো , একে অন্যের কথা শুনে নিয়ে তারপর মন্তব্য করা এবং কমপ্লেইনিং-টোন ব্যবহার না করে একে অন্যকে নিজেদের কোন সমস্যা কিংবা অপারগতার কথা আলোচনা করা।

মায়ের মানসিক স্বাস্থ্য এবং পারিবারিক বন্ধনের বিষয়টি নিয়ে এতো কথা বলার কারন এই বয়স থেকে বাচ্চাদের আবেগ-অনূভুতিগুলো আস্তে আস্তে পরিণত হতে থাকে। তাই বাচ্চার জন্য যথাসম্ভব একটি সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য বাবা-মায়ের মধ্যকার সুস্থ সম্পর্ক একটি বিশেষ গুরুত্বপুর্ন বিষয়।

পরিশিষ্ট

এক একটি বাচ্চার শারীরিক ও মানসিক গঠন এক এক রকম , সুতরাং তাদের বৃদ্ধিতেও তারতম্য হবে। প্রি-ম্যাচিওর বাচ্চা হলে, তাদের বৃদ্ধি কিছুটা বিলম্বিত হতে পারে। আপনার বাচ্চার বৃদ্ধি ঠিকমত হচ্ছে কিনা বোঝার জন্য একই বয়সের অন্য একটি বাচ্চার সাথে তুলনা না করে , কিছু মাইলফলক অনুসরন করতে পারেন, এবং কোন কিছু অস্বাভাবিক মনে হলে, অবশ্যই এক্সপার্ট ও ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

মাইলস্টোন- পঞ্চম মাস

  • অন্যদের সাথে হাঁসতে শুরু করে
  • খেলতে পছন্দ করে, খেলা বন্ধ হলে কান্না শুরু করে।
  • গলার আওয়াজ অনুকরন করার চেষ্টা করবে।
  • ব ধ্বনি দিয়ে শব্দ তৈরী করা শুরু করে যেমন বাব্বা, আব্বা, বু…, বেবে ইত্যাদি।
  • ক্ষুধা, ব্যাথা বা ক্লান্তির জানান দিতে হয়তো ভিন্নভাবে কান্না শুরু করবে।
  • শিশু হাসবে, কিছু বলার চেস্টা করবে।
  • এখন শিশুরা গড়াগড়ি খায়, আকর্ষনীয় জিনিসের দিকে নিজে এগিয়ে যায়
  • পেটের উপর শুয়ে থাকলে বুক ও মাথা উপরে তুলতে পারে।
  • দাঁর করালে পায়ের উপর ভর দিতে পারে
  • অন্যদের মুখভঙ্গী দেখে অনুভুতি পড়ার চেষ্টা করা শুরু করে।
  • মা অথবা যিনি সর্বাধিক যত্ন নেন (খাবার খেতে দেন) তার সাথে অন্যদের পার্থক্য করতে শেখে।
  • উজ্জ্বল রঙের বস্ত ও এর নড়াচড়ার দিকে খেয়াল করে এবং সাড়া দেয়।
  • শব্দের দিকে ঘুরে তাকায়।
  • অন্যের চেহারার দিকে আগ্রহ নিয়ে তাকায়।
  • আপনি তার দিকে তাকিয়ে হাসলে সেও ফিরতি হাসি দেয়।

বিপদ চিহ্ন:

  • জড়সড় বা নিস্তেজ থাকা।
  • চলন্ত কিছুর দিকে দৃস্টি না দেয়া।
  • মাথার ভারসাম্য বজায় রাখতে না পারা
  • কারও দিকে তাকিয়ে না হাঁসা।
  • আকর্ষনীয়কিছু দেখলে আগ্রহী না হওয়া
  • কোন ধরনের শব্দ না করা
  • দাঁর করিয়ে দিলে পায়ে ভর দিতে না পারা।
  • কোন কিছু হাত দিয়ে মুখের কাছে না আনা

এ সময় কি কি  মাইলস্টোন আপনার শিশু অর্জন করতে যাচ্ছে তা জানার সাথে সাথে ভুলে যাবেন না যে এট শুধু মাত্র একটা গাইডলাইন। প্রতিটি শিশুই ইউনিক ( স্বকীয় ) এবং তার বেড়ে ওঠার গতিও ভিন্ন।যে শিশুটি অন্যদের থেকে প্রথমে বসতে শিখেছে সে হয়ত সবার শেষে হামাগুড়ি দিতে শিখবে। অথবা ১৮ মাস বয়সী যে শিশুটি শব্দ ও অঙ্গাভঙ্গির মাধ্যমে এখনো ভাবের আদান প্রদান করছে সে হটাৎ করেই দুই বছর বয়সে ভাঙ্গা ভাঙ্গা বাক্য বলা শুরু করতে পারে।এই টাইমলাইন সিরিজ যেন আপনার কোন রকম দুঃশ্চিন্তার কারন না হয় খেয়াল রাখবেন। প্রতিটি টাইমলাইনকে একটি গাইড হিসেবে ধরে নিতে হবে ।নবজাতক এর বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কোন আশঙ্কা বা জিজ্ঞাসা থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন।

 <<শিশুর বেড়ে ওঠা – ৪ মাস

শিশুর বেড়ে ওঠা – ৬ মাস>> 

Related posts

Leave a Comment