শিশুর বেড়ে ওঠা । এগারো মাস

১১ মাসের বাবুটি এখন অনেক কিছুই বুঝতে শিখবে- যেমন ‘না’ বলা। আমরা শিশুদের একটি ক্যাম্পাইনের কথা জানি শিশুদের জন্য ‘হ্যাঁ’ বলুন। কিন্তু আপনাকে দিনে অসংখ্যবার এই ক্ষুদে হামাগুড়ি-মাস্টারকে ‘না’ বলতে হবে। কোন কোন বাবু অবশ্য এর মধ্যেই হাটি-হাটি পা পা শুরু করে দিতে পারে। কোন কিছু ধরে বা সাপোর্ট নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়বে, গড়িয়ে বা হামাগুড়ি দিয়ে অনেক দ্রুতই পোঁছে যাবে ঘরের আনাচে কানাচে। তাই বিপদজনক কিছুর প্রতি আগ্রহী হলে , দ্রুত তাকে না বলুন।

তবে অনেক সময় এই না বলার পরিমান এত বেড়ে যায় যে, শিশু আপনার ‘না’ কে উপেক্ষা করতে শুরু করে, সেক্ষেত্রে শিশুর মনোযোগ অন্য কিছুর দিকে নিয়ে যাবার চেষ্টা করতে হবে। মনে রাখতে হবে, এই সময় বাচ্চার পরিমিতি বোধ কিংবা বাবা-মায়ের অবাধ্যতা করার বিষয়টি উপলব্ধি হয় না। এসময় তার কৌতূহল অনেক বেশি থাকে , এবং নিত্য-নুতন আবিষ্কারের তাড়নায় সে বেশির-ভাগ আদেশ ও উপদেশ উপেক্ষা করে। সুতরাং এসময় বিরক্তি বা রুঢতা প্রদর্শন না করে, তাকে বিপদজনক কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত কাজটি বা জায়গাটি থেকে সরিয়ে নিন। আদেশ –নির্দেশের জন্য গলার টোনের পরিবর্তন করা যেতে পারে।

শিশুকে কথা শেখানো 

উজ্জ্বল রঙিন বই , অ্যাক্টিভিটি টয় ইত্যাদি এসময় তার কাছে খুবই আকর্ষনীয়। তাই আপনি কাছাকাছি বুক-শপ কিংবা শিশুদের লাইব্রেরী থাকলে সেখানে নিয়ে যাতে পারেন। এসময় বাচ্চা বড়দের বিভিন্ন অঙ্গ-ভঙ্গি, কাজ কিংবা অনেক ধরনের শব্দ নকল করার চেষ্টা করে। ‘বলটা নিয়ে আসো দেখি’ কিংবা ‘চামচটা তোল তো সোনা’  – এ-ধরনের ইন্সট্রাকশান দেয়া শুরু করতে পারেন, সে যদি নাও বোঝে , চিন্তার কিছু নেই। বাচ্চার সাথে সাবলীল ভাষায় কথা বলতে শুরু করলে আশা করা যায় দুই-এক মাসের মধ্যেই সে আপনার অনেক কথাই বুঝতে শুরু করবে।

এসময় তাকে বই কিংবা ম্যাগাযিনের বিভিন্ন জিনিসের ছবি দেখিয়ে সেগুলোর নাম বলতে পারেন। এসময় তাকে যথাসম্ভব বেশি সময় দিন, এবং তার সাথে কথা বলা অব্যহত রাখুন। যেমন আপনি হয়ত বাবুকে কোলে নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠছেন, প্রতিটি স্টেপ দেয়ার সময় এক-দুই-তিন করে গুনে গুনে উঠতে পারেন, গোনার বিষয়টি ছন্দে-ছন্দে করতে পারেন।

কোন আত্মীয় বা পরিচিত ব্যাক্তি বাসায় বেড়াতে আসলে  বড়দের মতই তার সাথে পরিচয় করিয়ে দিন। তবে হ্যাঁ, এ বয়সে অনেক বাচ্চাই অপরিচিত কারো কোলে যেতে চায় না, এসব ক্ষেত্রে তাকে একটু স্বচ্ছন্দ্য হবার সময় দিন। সবার সাথে আপনি নিজে সছন্দ্য হয়ে কথা বলুন, পারিবারিক তর্ক-বিতর্ক কিংবা ঝগড়া-ঝাঁটি যতদূর সম্ভব এড়িয়ে চলুন, বাচ্চার স্বাছন্দ্য কিন্তু বহুলাংশেই পরিবারে মায়ের ও পরিবারের অন্যদের স্বছন্দ্য ও সাবলীল আচরণের উপর নির্ভর করে, কারন একটি সুস্থ ও হাসিখুশি পরিবেশে বাচ্চা নিরাপদ বোধ করে, এবং স্বভাবতই শিশুর মানসিক বৃদ্ধি এবং সামাজিকীকরণ ত্বরান্বিত হয়।

আপনার বাচ্চা হাঁটতে শেখেনি?

আশেপাশের অনেক বাচ্চাই হয়তো দেখবেন, ৯ থেকে ১০ মাস থেকেই নিজে থেকে  স্টেপ ফেলতে পারছে। আর আপনার বাচ্চা এখনো হামাগুড়ি দিচ্ছে কিংবা শুধু আসবাব কিংবা আপনার হাত ধরেই হাঁটছে ? চিন্তার কিছুই নেই, বেশীরভাগ বাচ্চাই কোন কিছুর সাপোর্ট না নিয়ে স্বাধীনভাবে পা ফেলতে শুরু করে ১১ থেকে ১৪ মাস বয়সের মাঝে। কিছু বাচ্চার ক্ষেত্রে নিজে নিজে হাঁটা শুরু করতে বয়স ১৭ থেকে ১৮ মাস হয়ে যেতে পারে। ১৮ মাস পরও হাঁটতে শুরু না করলে , প্রয়োজনীয় চেক-আপ করিয়ে নেয়া উচিত।

বাচ্চাকে খুব মজা করে হাঁটতে শেখাতে পারেন। তার সামনে দাঁড়িয়ে বা হাঁটু গেড়ে বসে আপনার হাতদুটো বাড়িয়ে দিন। তার হাত দুটো ধরে তাকে আপনার দিকে হাঁটান। সে হয়তো প্রথম হাঁটার সময় দু পাশে হাত ছড়িয়ে রাখবে এবং কনুই থেকে হাত ভাঁজ করে রাখবে। টাল সামলানোর জন্য সে পা দুটোও বাইরের দিকে করে আর পেছনটা উঁচু করে রাখতে পারে।

মাঝ-রাতে বুকের দুধ খাওয়ানো

দুই বছর পর্যন্ত বাচ্চাদের চাদিহা মত বুকের দুধ দেয়া উচিত। তবে এ সময় থেকে আস্তে আস্তে বুকের দুধ খাওয়ার সময়ের ইন্টারভেল বাড়িয়ে দেয়া যায়। বুকের দুধ অপ্রতুল হলে কিংবা অন্য কোন কারনে বাচ্চার বুকের দুধ খাওয়ার সুযোগ না থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুজায়ী ফর্মুলা দুধ খাওয়াতে পারেন। মাঝ-রাতে দুধ খাওয়ানোর অভ্যাস থাকলে যেহেতু বাচ্চার মুখ পরিষ্কার করার সুযোগ থাকে না,মায়েরও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে, তাই আস্তে আস্তে এসময় থেকে মাঝরাতে বুকের দুধ ছাড়ানোর অভ্যাস করানো শুরু করতে পারেন।

তবে, এ ব্যাপারে বাচ্চা খুব বেশি নাছোড়বান্দা হলে বেচারাকে আরো কয়েকটি মাস মাঝরাতে দুধ অফার করতে পারেন। তবে বাচ্চা ১৮ মাস পার করলেও যদি এটি চলতে থাকে তাহলে পরবর্তিতে মাঝ –রাতে দুধ খাওয়া এবং দুই বছরে বুকের দুধ ছাড়ানোর সময় বেশ ভোগান্তি পোহাতে হতে পারে, যেহেতু বাচ্চা অনেকখানি ম্যাচিওর হয়ে যায়। তাই দিনে, সময়মত কিংবা সুবিধামত দুধ খাওয়ালেও মধ্য রাতে দুধ না খাওয়ানোর অভ্যাস ছাড়ানোর কিছু কলাকৌশল এখন থেকেই চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

আপনার বাচ্চার দাঁত ওঠা

১১ মাসে অনেক বাচ্চারই দু-চারটা দাঁত উঠে যায়। যদিও ৫ মাস থেকে ১৫ মাসের যেকোনো সময়েই বাচ্চাদের দাঁত উঠতে পারে, এটা নিয়ে দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই। যে বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে, তা হল এই বয়সে যদি দাঁত নাও ওঠে, মাড়ি শক্ত হতে থাকে এবং মুখগহ্বরের ভেতর আলাদা করে পরিষ্কার করতে হয়। এ বয়সী বাচ্চার মুখের উপযোগী বিভিন্ন ওরাল কেয়ার কিটস পাওয়া যায়। সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন বাবুর মাড়ি ও ছোট্ট দাঁতগুলো পরিষ্কার করতে। অরগ্যানিক ভালো ব্র্যান্ডের টুথ-জেল পাওয়া না গেলে অন্য কিছু ব্যবহার না করাই ভালো। সবচেয়ে সুবিধাজনক ও কার্যকরী উপায় হল একটি পরিষ্কার নরম কাপড় খাওয়ার পানিতে ভিজিয়ে পরিষ্কার হাতের আঙুল বাচ্চার মুখে ঢুকিয়ে আলতোভাবে মুছে নেয়া।

শিশুর খাবার  

এর মধ্যে যদি শুরু না করে থাকেন, তাহলে বাচ্চাকে স্বাধীনভাবে খেতে দেয়া অভ্যাস করানো শুরু করতে পারেন, সব বেলা সম্ভব না হলে, যেকোনো এক বেলা দিতে পারেন। হাই-চেয়ার এসময় খুব ভালো সাপোর্ট হতে পারে। এছাড়া আজকাল সাকশান ওয়ালা বাটী পাওয়া যায়, যেগুলো টেবিল হাই-চেয়ারের ট্রে’র সাথে আটকে থাকে, বাচ্চা সহজে বাটি ঠেলে দিতে বা উপুড় করে দিতে পারে না।

শিশুর পরিপূরক খাবার সম্পর্কে জেনে নিন।

বাচ্চাকে স্বাধীনভাবে খেতে দিলেও অবশ্যই একজন অভিভাবককে সার্বক্ষনিক তত্বাবধানে থাকতে হবে যতক্ষণ বাচ্চার খাবার প্রক্রিয়া পুরোপুরি শেষ না হয়। খাবার কতখানি গরম, কতখানি শক্ত বা নরম ইত্যাদি ভালোভাবে চেক করে তারপর বাচ্চার সামনে খাবার পরিবেশন করা উচিত। খাওয়ার সরঞ্জাম বিশেষ করে চামচ যেন বাচ্চার হাতে নেয়া এবং মুখে দেয়ার উপযোগী হয়, সেটি খেয়াল রাখা বিশেষ জরুরী।

খাওয়ার আগে ও পরে বাচ্চার হাত , মুখ, খাবার জায়গার চারপাশ ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এ বয়স থেকেই বাচ্চার খাবারে কিছু নতুন মাত্রা যুক্ত করতে পারেন, ডিমের সাদা অংশ, টক ফল এবং কিছু সব্জি যেগুলো হজমের সমস্যার কারনে দেয়া থেকে বিরত ছিলেন, সেগুলো আস্তে আস্তে শুরু করে দেখতে পারেন।

পটি ট্রেইনিং

অনেকেই এর মধ্যে বাচ্চাকে পটিতে বসানো শুরু করে দেন। এ  বিষয়টি বাচ্চার সহযোগিতা, নিয়ম করে বাচ্চাকে পটিতে বসানো অভ্যাস করানোর পরিস্থিতি,  এবং লোকবল এবং ন্যাপী কেনার সামর্থ্য ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে। তবে, এ বয়স থেকে পটি ট্রেইনিং শুরু করতে চাইলে করা যায়, তবে যতদিন বাচ্চার নিজের মল-মুত্রের উপর নিয়ন্ত্রন না আসে, ততদিন বাচ্চা পুরোপুরি পটিতে বসতে এবং পটিতে বসার প্রয়োজন হলে তা ঠিক সময়ে বলবে- এমনটা আশা না করাই বাঞ্ছনীয় । সাধারণত দুই থেকে তিন বছর বয়সের মধ্যে বেশীরভাগ বাচ্চাই পটি বা কমডে গিয়ে বাথরুম করতে অভ্যস্ত হয়। কারো কারো আর কিছুদিন বেশি সময়ও লাগতে পারে।

বাচ্চার প্রথম জন্মদিন আসছে সামনের মাসেই?

প্রত্যেক বাবা-মায়ের জন্য তাদের বাচ্চার জন্মদিন বিশেষ- ভূমিকা রাখে, বিশেষ করে তা যদি হয় প্রথম জন্মদিন, তাহলে তো কথাই নেই। অপার বিস্ময়ে আপনি হঠাৎ আবিষ্কার করবেন কিভাবে একটা বছর কেটে গেলো! বাচ্চার প্রথম জন্মদিন সব বাব-মায়েরই খুব ধুম-ধাম করে পালন করতে ইচ্ছে করলেও কিছু বিষয় বাচ্চার স্বার্থেই বাবা-মা এবং পরিবারকে মাথায় রাখতে।

বিশেষ করে , খুব বেশি লোকজনের ভিড় এক বছর বয়সী বাচ্চারা তেমন পছন্দ করে না। জন্মদিনের উৎসব যদি বাচ্চার খুশির জন্যই আয়োজন করতে চান, তাহলে তাকে নিয়ে শুধু পরিবারের এবং ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা একান্তে আনন্দময় কিছু সময় কাটিয়ে কিংবা ছোটখাটো একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারেন। এতে বাচ্চা তার আপনজনদের সান্নিধ্যে আনন্দ পাবে, আর বাবা-মাকেও আমন্ত্রিতদের নিয়ে খুব বেশি বিচলিত হতে হবে না।

আবার অনেকে বাচ্চার জন্মদিনকে উপলক্ষ্য করে বড় কোন পার্টি আয়োজন করার প্ল্যান করেন  যেটি মূলত সব পরিচিত-জনদের নিয়ে গেট-টুগেদারের উদ্দেশ্যে হয়ে থাকে। এসব ক্ষেত্রে এক বছর বয়সী বাচ্চাকে নিয়ে বেশ কয়েক ঘণ্টার জন্য একটি জনবহুল জায়গায় অবস্থান করা বাচ্চার এবং মায়ের জন্য স্বাচ্ছন্দ্য-পুর্ন নাও হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে,  কম্যুনিটি হলে কিংবা রেস্টুরেন্টে আয়োজন করা যাতে পারে। এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে শিশুটিকে যত কম সময়ের জন্য পার্টিতে রাখা যায় সেই চেষ্টা করা উচিত। এ ধরনের বার্থডে-পার্টি সাধারনত ৩ থেকে চার বছরের পর থেকে বাচ্চারা উপভোগ করা শুরু করে।

শিশুর মাইলস্টোনঃ এগারো মাস

  • দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে, কিছু ধরে নিজেকে টেনে তুলতে পারবে  এবং  সাহায্য নিয়ে দাঁড়াতে পারবে বা হাঁটতে পারবে।
  • কোন জিনিষ হতবদল করতে পারবে।
  • হাত থেকে কিছু পড়ে গেলে তা খোঁজার চেষ্টা করবে।
  • হাত থেকে খেলনা নিয়ে নিলে প্রতিবাদ জানাবে।
  • কোন জিনিষের দিকে নির্দেশ করতে পারবে।
  • খেলনা নাগালের বাইরে থাকলে তার কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করবে।
  • দু আঙ্গুলের সাহায্যে কিছু তুলতে পারবে।
  • ছোট ছোট শব্দ বলার চেস্টা করবে যেমন দাদা, বাবা, মা ।
  • নিজের মতামত দিতে চেস্টা করবে- যেমন কি চায় বা কি চায় না ।
  • নিজে নিজে খাবার খাওয়ার চেস্টা করবে।
  • বড়দের অনুকরণ করতে শিখবে যেমন: মোবাইলে কথা বলা বা চিরুনি দিয়ে মাথা আচঁড়ানো।
  • হাত নেড়ে বিদায় জানাতে পারবে।
  • নাম ধরে ডাকলে সাড়া দিতে পারবে বা ফিরে তাকাবে।
  • “না” বললে বুঝতে পারবে। যদিও সবসময় তা পালন করবে না।

বিপদচিহ্ন

  • জড়সড় বা নিস্তেজ থাকা।
  • চলন্ত কিছুর দিকে দৃস্টি না দেয়া।
  • মাথার ভারসাম্য বজায় রাখতে না পারা
  • কারও দিকে তাকিয়ে না হাঁসা।
  • আকর্ষনীয় কিছু দেখলে আগ্রহী না হওয়া
  • কোন ধরনের শব্দ না করা
  • দাঁর করিয়ে দিলে পায়ে ভর দিতে না পারা।
  • কোন কিছু হাত দিয়ে মুখের কাছে আনতে না পারা
  • যিনি সর্বাধিক যত্ন নেন (খাবার খেতে দেন) তার প্রতি কোন আগ্রহ না দেখানো
  • কোন শব্দে প্রতিক্রিয়া না দেখানো।
  • কোন দিকে গড়াগড়ি দিতে না পারা।
  • কোন কিছু মতামত দিতে না পারা যেমন পছন্দ বা অপছন্দ

এ সময় কি কি  মাইলস্টোন আপনার শিশু অর্জন করতে যাচ্ছে তা জানার সাথে সাথে ভুলে যাবেন না যে এট শুধু মাত্র একটা গাইডলাইন। প্রতিটি শিশুই ইউনিক ( স্বকীয় ) এবং তার বেড়ে ওঠার গতিও ভিন্ন।যে শিশুটি অন্যদের থেকে প্রথমে বসতে শিখেছে সে হয়ত সবার শেষে হামাগুড়ি দিতে শিখবে। অথবা ১৮ মাস বয়সী যে শিশুটি শব্দ ও অঙ্গাভঙ্গির মাধ্যমে এখনো ভাবের আদান প্রদান করছে সে হটাৎ করেই দুই বছর বয়সে ভাঙ্গা ভাঙ্গা বাক্য বলা শুরু করতে পারে।এই টাইমলাইন সিরিজ যেন আপনার কোন রকম দুঃশ্চিন্তার কারন না হয় খেয়াল রাখবেন। প্রতিটি টাইমলাইনকে একটি গাইড হিসেবে ধরে নিতে হবে ।নবজাতক এর বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কোন আশঙ্কা বা জিজ্ঞাসা থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন।

সব বাবা-মায়েদের এবং তাদের বেড়ে উঠতে থাকা ছোট্ট সোনার জন্য শুভকামনা।

 <<শিশুর বেড়ে ওঠা – ১০ মাস

শিশুর বেড়ে ওঠা – ১২ মাস>> 

Related posts

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.