নবজাতকের ডায়রিয়া । কারণ, লক্ষন ও প্রতিকার

শিশুদের মলত্যাগ নিয়ে প্রায়ই অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন হতে দেখা যায়। কখনো শিশু দিনে বেশ কয়েকবার মলত্যাগ করছে, কখনো কয়েক দিন দিন ধরে করছেই না। আবার কখনো মলের ধরন ও রং পরিবর্তন হচ্ছে ঘন ঘন। কোনটা স্বাভাবিক, কোনটা অস্বাভাবিক—বুঝতে গিয়ে মা-বাবা গলদঘর্ম হন।

নবজাতক, বয়স ১০ দিন। বারবার পাতলা পায়খানা করছে। সে শুধু মায়ের দুধ খাচ্ছে। মা-বাবা উদ্বিগ্ন, মায়ের দুধ খাওয়া সত্ত্বেও শিশুর কেন ডায়রিয়া? যে শিশু শুধু মায়ের দুধ খায় তাদের অনেকেরই এ রকম সমস্যা দেখা দেয়। মায়ের দুধই শিশুর সেরা খাবার, এটা আমরা সবাই জানি। মায়ের দুধ শিশুকে অনেকভাবে ভালো রাখে। তবে তার পাশাপাশি মায়ের দুধে এমন কিছু আছে, যা খেলে শিশুর বারবার পাতলা পায়খানা হতে পারে। কখনো পানি বেশি থাকে, কখনো সবুজ বা ফেনা ফেনা পায়খানা হয়। এমনকি দিনরাত ২৪ ঘণ্টায় ২৪ বারও পায়খানা হতে পারে। শিশুর ডায়রিয়া হচ্ছে ভেবে অনেক মা-বাবাই নিজে নিজে মায়ের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করে দেন অথবা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। এ ক্ষেত্রে মাকে বলছি, এ নিয়ে আপনি উদ্বিগ্ন হবেন না। শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে থাকুন, আস্তে আস্তে এ সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে।

নবজাতকের পায়খানা কেমন হতে পারে সে সম্পর্কে জেনে নিন।

নবজাতকের ডায়রিয়া হলে পায়খানা অনেক পাতলা হয়ে যায় এবং এতে পানির পরিমান বেশী থাকে। মলের রং হলুদ, সবুজ বা বাদামী বর্ণের হতে পারে। ডায়রিয়া সাধারনত ইনফেকশনের বা অ্যালার্জির লক্ষন হতে পারে এবং যদি কয়েকদিন ধরে চলতে থাকে তবে বাচ্চার পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। বাচ্চা যদি ৩ মাস বা তার চাইতে কম বয়সী হয় তবে বাচ্চা দিনে দুই থেকে তিনবার পাতলা পায়খানা করলে বা পাতলা পায়খানা ২ থেকে ৩ দিন থাকলে দেরী না করে ডাক্তারকে জানান। যদি বাচ্চার ডায়রিয়ার সাথে রক্ত বা মিউকাস দেখেন সে ক্ষেত্রেও দ্রুত ডাক্তারকে জানাতে হবে।

নবজাতকের ডায়রিয়া কিভাবে বোঝা যাবে?

আসলে আপনাকে বুঝতে হবে, আপনার বাচ্চার জন্য কোনটা স্বাভাবিক আর কোনটা অস্বাভাবিক।নবজাতক বাচ্চারা সাধারনত বারবার পায়খানা করে- হতে পারে সে যতবার দুধ খাবে ততবার; গড়পড়তা তাদের পায়খানা বেশ নরম হয়। বিশেষ করে বাচ্চা যদি বুকের দুখ খায় তবে পায়খানা তরল হবার সম্ভাবনা বেশি। এছাড়াও আপনি মা হিসেবে কি খাচ্ছেন, তার ওপরও বাচ্চার পায়খানার গতিপ্রকৃতি নির্ভর করে।

যেই মাত্র বাচ্চা শক্ত খাবার খাওয়া শুরু করে, আপনি খেয়াল করবেন বাচ্চার পায়খানা শক্ত হওয়া শুরু করেছে। তবে যাই হোক না কেন, বাচ্চার খাদ্যাভ্যাসের উপর নির্ভর করে তার পায়খানা সবসময় বদলাতে থাকে।

এসব বিষয়ের কারণে আপনার বাচ্চার ডায়রিয়া হয়েছে কি-না, তা বুঝা কঠিন হতে পারে। মোদ্দাকথা হলো, আপনার বাচ্চার পায়খানা হঠাৎ নরম হওয়া মানেই কিন্তু ডায়রিয়া নয়, তা নিয়ে চিন্তিত হওয়ারও তেমন কিছু নেই। তবে এই পরিবর্তন যদি এমন হয়, যে আপনার বাচ্চা স্বাভাবিক সময়ে তুলনায় বেশি বা বারবার পায়খানা করছে এবং তা প্রতিবারই একেবারে তরল পানির মতো হয়, তবে সম্ভবত এটা ডায়রিয়া। এছাড়াও জ্বরের সাথে বাচ্চার অতিরিক্ত কান্নাকাটি, শরীরে র‍্যাশ (rash) এসব ডায়রিয়ার লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ডায়রিয়া কি না তা বাচ্চার মা-ই বুঝে ফেলেন। কারণ প্রকৃতিগতভাবে আমাদের দেশের মায়েরা অনেক সতর্ক ও যত্নবান। এছাড়াও বর্তমানে নতুন বাবা-মা হওয়া দম্পতিরা আগের তুলনায় বেশি সচেতন। তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ডায়রিয়া মারাত্মক  হওয়ার আগেই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ায় তা ভাল হয়ে যায়।

ডায়রিয়ায় আক্রান্ত বাচ্চার জন্য সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো পানিশূন্যতা। ডায়রিয়াজনিত পানিশূন্যতা খুবই মারাত্মক, এমনকি জীবনঘাতি। তাই ডায়রিয়া হোক বা না হোক, খেয়াল রাখুন বাচ্চা যেন সবসময়ই পর্যাপ্ত পানি বা পানি জাতীয় খাবার গ্রহন করে।

কী দেখে বোঝা যাবে শিশুর পানিশূন্যতা হয়েছে

  • অস্থির ভাব, খিটখিটে মেজাজ বা নিস্তেজ হয়ে যায়
  • চোখ ভেতরে ঢুকে যায়
  • তৃষ্ণার্ত ভাব বা একেবারেই খেতে না পারা
  • চামড়া ঢিলে হয়ে যাওয়া

যদি পানিশূন্যতার লক্ষণ থাকে তাহলেই শিশুকে হাসপাতালে নিতে হবে। আর না হলে বাড়িতেই শিশুর চিকিৎসা সম্ভব।

নবজাতকের ডায়রিয়া কেন হয়?

নবজাতকের ডায়রিয়া বিভিন্ন কারণে হতে পারে- ব্যাক্টেরিয়া ঘটিত ডায়ারিয়া, ভাইরাস ঘটিত ডায়ারিয়া, ছত্রাক ঘটিত ডায়ারিয়া, কৃমি ঘটিত ডায়ারিয়া, প্রোটোজোয়া ঘটিত ডায়ারি বা অনেক সময় যেমন যে কোন ঔষধের রিয়েকশনের ফলে দেখা দিতে পারে, তবে সাউথ এশিয়ার দেশ সমুহে ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়া ঘটিত ডায়রিয়া ( ফুড পয়জন ) বেশী হয়ে থাকে গরমের সময়।

ভাইরাস জনিত

বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালে ব্যাপক হারে ডায়রিয়ার প্রধান কারণ রোটা ভাইরাস, কখনো কখনো নোরো ভাইরাস। এছারাও ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের কারণেও নবজাতকের ডায়রিয়া হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে ডায়রিয়ার সাথে বমি, পেটে ব্যাথা, জ্বর এবং কাঁপুনিও হতে পারে।

ব্যাকটেরিয়া জনিত

যে সব ব্যাকটেরিয়া বেশী দায়ী বলে মনে করা হয় সেগুলো হলো – সালমোনেলা (Salmonella, শিগেলা (Shigella flexneri), ব্যাসিলাস (Bacillus cereus) , ইশ্চেরিচিয়া কোলাই (Escherichia coli), ভিব্রিও (Vibrio )। বাচ্চার যদি ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন হয় তবে তীব্র ডায়রিয়া হতে পারে, সাথে ক্র্যাম্পিং, মলের সাথে রক্ত এবং জ্বর হতে পারে। এক্ষেত্রে বমি হতে পারে আবার নাও হতে পারে।

কিছু কিছু ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন নিজে থেকে সেরে যায়। কিন্তু কিছু ইনফেকশন যেমন- ই কোলাই এর ক্ষেত্রে তা মারাত্মক আকার ধারন করতে পারে। তাই যদি বাচ্চার এসব লক্ষন থাকে তাহলে দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিতে হবে।

কানের ইনফেকশন

কিছু কিছু ক্ষেত্রে নবজাতকের কানের ইনফেকশন (ব্যাকটেরিয়াল বা ভাইরাল) হলেও ডায়রিয়া দেখা দিতে পারে। এমন হলে বাচ্চা খিটখিটে হয়ে থাকে এবং কান মোচড়ানোর চেষ্টা করে। বাচ্চা খেতে চায়না এবং বমি করে। বাচ্চার সর্দির পর সাধারনত এটা দেখা যায়।

পরজীবী

মলে বসবাস করা পরজীবীর সংক্রমনেও ডায়রিয়া হতে পারে। এর সাথে পেটে গ্যাস, পেট ফুলে যাওয়া এবং তৈলাক্ত মলের লক্ষন থাকতে পারে। এ ধরনের ডায়রিয়ার ক্ষেত্রে ডাক্তারকে জানাতে  হবে।

অ্যান্টিবায়োটিক

যদি বাচ্চার অ্যান্টিবায়োটিকের কোন কোর্সের মাঝে বা পরে ডায়রিয়া হয় তবে তা ওষুধের কারনেই হতে পারে। এমন হলে ডাক্তারের সাথে আলাপ করুন। কিন্তু কোনভাবেই ডাক্তারের দেয়া অ্যান্টিবায়োটিক বন্ধ করা যাবেনা।

অতিরিক্ত জুস

অতিরিক্ত জুস পান করলে তা বাচ্চার ডায়রিয়ার কারণ হতে পারে। জুস বন্ধ করার সপ্তাহ খানেকের ভেতর উপসর্গের উন্নতি হতে পারে। তবে আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব পেডিয়াট্রিক্স এর মতে বাচ্চাকে ১ বছরের আগে কোন ধরনের জুস দেয়া উচিত নয়।  এছারাও বাচ্চার ফর্মুলাতে পানি এবং ফর্মুলার মিশ্রণে তারতম্য থাকলেও ডায়রিয়া হতে পারে। তাই ফর্মুলাতে যাতে সঠিক পরিমানে পানি মেশানো হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

খাবারে অ্যালার্জি

খাবারে অ্যালার্জি হলে তাৎক্ষনিক বা কয়েকঘণ্টার মধ্যে মৃদু বা মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হতে পারে। এর লক্ষণগুলোর মধ্যে আছে- ডায়রিয়া, গ্যাস, পেটে ব্যাথা এবং মলের সাথে রক্ত যাওয়া। মারাত্মক ক্ষেত্রে হাইভস, র‍্যাশ, ফুলে যাওয়া এবং শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা হতে পারে।

দুধের প্রোটিনের কারণে সাধারানত অ্যালার্জি বেশী হয়। বাচ্চাকে ১ বছরে আগে গরুর দুধ দেয়া উচিত নয়। তবে গরুর দুধ থেকে তৈরি ফর্মুলা বা বাচ্চা সলিড খেতে শুরু করার পর দুধের তৈরি খাবার খেলে অ্যালার্জি হতে পারে। এছারাও মা যদি ডেইরী প্রোডাক্টস গ্রহন করে তবে তা বুকের দুধের মাধ্যমে শিশুর শরীরে গিয়ে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। বাচ্চা ল্যাকটোজ ইন্টলারেন্ট হলেও ডায়রিয়া হতে পারে।

শিশুর ডায়রিয়া প্রতিকারে কি করা যেতে পারে?

যদি আপনার শিশুর পেটের গোলমাল হয় তাহলে তার শরীর থেকে যে তরল বের হয়ে যাচ্ছে সেটার অভাবপূরণ করা দরকার, তা না হলে তার শরীরে পানিশূন্যতা হবে৷ তাকে বার বার বুকের দুধ খেতে দিন এবং যতবার চাইবে ততবার তাকে খাওয়ান৷যদি বাচ্চার বয়স ৬ মাসের কম হয়, তার পানির প্রয়োজন নেই৷ বুকের দুধ তার সব প্রয়োজন পূরণ করবে৷ তবে তাকে আরো বেশি করে বুকের দুধ খেতে দিন৷ তার হয়ত একবারে খাওয়ার শক্তি থাকেনা, তাই আরো বেশি করে ওকে খাওয়ানো দরকার৷

যদি বাচ্চার বয়স ৬ মাসের বেশি হয়, বুকের দুধ খাওয়ানো ছাড়াও মাঝেমধ্যে তাকে অল্প অল্প করে চুমুক দিয়ে পরিষ্কার, সুরক্ষিত (ফুটিয়ে ঠান্ডা করা) পানি খাইয়ে দিন৷ সম্ভব হলে, তাকে প্রতি ঘন্টায় কয়েক বার চুমুক দিয়ে ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন (ওআরএস) খাওয়ানোর চেষ্টা করুন৷ ওআরএস এক প্রকারের পাউডার, যা এক লিটার পরিষ্কার, ফুটিয়ে ঠান্ডা করা পানিতে গুলে নিতে হয়৷ আপনি এটা তৈরী করে রেখে দিতে পারেন এবং ৮-১২ ঘন্টার মধ্যে ব্যবহার করে নিতে পারেন৷ প্রত্যেকবার পাতলা পায়খানার পরে আপনার শিশুকে ১৫-২০ চা-চামচ ওআরএস খাইয়ে দিন৷ যদি আপনার শিশু ওআরএস না খেতে চায়, তাহলে আপনি লবন চিনি দিয়ে লেবুর পানি, ডাল বা ভাতের মাড় বা ডাবের পানি  দিতে পারেন৷

তাকে চিনি মেশানো ফলের রস, কোলা বা চিনিসহ পানীয় দেবেন না৷ এতে পেটের গোলমাল বেড়ে যেতে পারে৷

শিশুকে অন্যান্য খাবার দিতে হবে

শিশুর বয়স ছয় মাসের বেশি হলে বুকের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার অবশ্যই দিতে হবে। অনেক পরিবার শিশুর ডায়রিয়া হলে শিশুকে মাছ, মাংস, ডাল, কলা, শাকসবজি খেতে দেন না; শুধু চালের গুঁড়া, বার্লি বা জাউভাত খেতে দেয়। অসুস্থ অবস্থায় শিশুকে স্বাভাবিক খাবার খেতে না দিলে, পরে শিশুর অপুষ্টি দেখা দিতে পারে।

কাঁচকলা সেদ্ধ করে নরম ভাতের সঙ্গে চটকে দিন বা খিচুড়ির সঙ্গে কাঁচকলা দিন। প্রতিদিনের খাবার প্রতিদিন তৈরি করুন। সারাদিন কমপক্ষে ছয়বার, অর্থাৎ তিন-চার ঘণ্টা পর পর শিশুকে খাবার দিন। অল্প করে দিলে শিশুর পক্ষে খাবার হজম করা সহজ হবে।

কখন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে?

বাচ্চা যদি তিন মাস বা তার ছোট হয় তবে ডায়রিয়া দেখা দেয়ার সাথে সাথে ডাক্তারকে জানাতে হবে। যদি বাচ্চা ৩ মাসের বেশী হয় এবং ২৪ ঘন্টার মধ্যে বাচ্চার ডায়রিয়ার উন্নতি না হয় সেখেত্রেও ডাক্তারকে জানাতে হবে। যদি ডায়রিয়ার সাথে বাচ্চার নিচের লক্ষণগুলো থাকে তবে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যেতে হবে-

  • বেশ কয়েকবার বমি করলে।
  • পানিশূন্যতার লক্ষন থাকলে, যেমন- শুকনো মুখ, ছয় ঘন্টা বা তার বেশী সময় ধরে প্রস্রাব না হলে, কান্নার সময় চোখে পানি না থাকলে।
  • মলের সাথে রক্তে গেলে বা মল কালো হলে।
  • ৩-৬ মাসের বাচ্চার ক্ষেত্রে ১০১ ডিগ্রী বা তার বেশী, ৬ মাসের বেশী বাচ্চার ক্ষেত্রে ১০৩ ডিগ্রীর বা তার বেশী এবং বাচ্চা যদি ৩ মাসের কম হয় সে ক্ষেত্রে জ্বর ১০০.৪ ডিগ্রীর উপরে গেলেই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।

নবজাতকের ডায়রিয়া প্রতিরোধে করণীয়

নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করা। শুধু বাচ্চাদের নয়। বাবা মা এবং আত্মীয় স্বজনদেরও বাচ্চাকে কোলে নেয়ার আগে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিতে হবে। বাচ্চার ডায়াপার পালটানোর পর এবং বাচ্চার খাবার তৈরি করার আগে ভালোভাবে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন।

ছোটো শিশুরা প্রায়ই মুখে হাত দেয়, কাজেই ঘরদোর পরিষ্কার রাখতে হবে ও শিশুদের হাত প্রায়ই পানি ও সাবান দিয়ে ধোয়াতে হবে, বিশেষ করে তাদের খাবার দেবার আগে ৷

খাবার ঠিক খাদ্যগ্রহণের আগেই তৈরী ও ভালোভাবে রান্না করা উচিত৷ খাবার রেখে দিলে তাতে জীবাণু জমতে পারে যা থেকে ডায়রিয়া হওয়া সম্ভব৷ খুব গরম বা খুব ঠাণ্ডা না রাখলে দু ঘণ্টা পরে রান্না করা খাবার আর নিরাপদ থাকে না৷

মাছিরা যাতে রোগ ছড়াতে না পারে সেইজন্য সমস্ত জঞ্জাল পুঁতে, পুড়িয়ে বা নিরাপদ ভাবে ফেলে দিতে হবে৷

সবার জন্য শুভকামনা

Related posts

Leave a Comment