শিশুর কানের ইনফেকশন বা সংক্রমণ

কিভাবে বুঝবেন আপনার শিশুর কানে ইনফেকশন বা সংক্রমণ হয়েছে?

আপনার শিশুর কানে সংক্রমণ (বা অন্যকোন অসুস্থতা) হয়েছে কিনা তা বোঝার সহজতম উপায় হচ্ছে তার আচরণের পরিবর্তনের প্রতি লক্ষ্য রাখা।

যদি আপনার শিশু অস্বস্তি বোধ করে বা অস্বাভাবিক ভাবে কাঁদতে থাকে, তবে সমস্যা সম্পর্কে সাবধান থাকতে হবে। যদি সে জ্বর আক্রান্ত হয়(সেটা হালকা বা বেশী মাত্রার), তবে সেটি আরেকটি বড় লক্ষণ। মনে রাখা প্রয়োজন, কানের সংক্রমণের আগে সাধারণত ঠান্ডা অথবা সাইনাস সংক্রমণ দেখা দেয়।

আপনাকে নিন্মলিখিত লক্ষণ গুলোর দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবেঃ

আপনার শিশু কি কান টানে, আঁকড়ে ধরে বা হেঁচকা টান মারে? এটা তার ব্যথার লক্ষণ হতে পারে।(শিশুরা অন্য অনেক কারণে কান টানতে পারে, তবে যদি আপনার শিশুকে স্বাভাবিক দেখায়, তাহলে ধরে নিতে পারেন কানের সংক্রমণ হয়নি।)

ডায়রিয়া বা বমিঃ  যে জীবাণু কানের সংক্রমণের জন্য দায়ী তা গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এর ফলে বাচ্চার ডায়রিয়া বা বমি হতে পারে।

রুচি কমে যাওয়াঃ  কানের সংক্রমণগুলো গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনালের কাজে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। তারা শিশুর খাদ্য গেলা এবং চাবানোর কাজকে কষ্টদায়ক করে তোলে। যদি আপনার শিশু কানের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে সে স্তনে বা বোতল ফিডার থেকে কয়েক চুমুক দুধ নেওয়ার পর মুখ সরিয়ে নেবে।

হলুদ বা সাদাটে তরল কান থেকে গড়িয়ে পড়েঃ  এটি সব শিশুদের ক্ষেত্রে ঘটে না, কিন্তু এটি নিশ্চিত ভাবে সংক্রমণের লক্ষণ। এটি আরো নির্দেশ করে যে, কানের পর্দায় ছিদ্র হয়েছে ।(ভয়ের কারণ নেই- সংক্রমণের চিকিৎসা নিলে এটি ভাল হয়ে যাবে।)

অপ্রীতিকর গন্ধঃ  আপনি শিশুর কান থেকে বাজে গন্ধ পেতে পারেন।

ঘুমের অসুবিধাঃ  শুইয়ে রাখলে কানের সংক্রমণ আরো কষ্টকর হয়ে উঠে, যার কারণে শিশুর ঘুমের সমস্যা হতে পারে।

 

শিশুদের ক্ষেত্রে কানের সংক্রমণ হওয়া কতটা স্বাভাবিক ব্যাপার?

ইউনাইটেড স্টেটসে কানের সংক্রমণের রোগগুলো হল দ্বিতীয় সর্বাধিক নির্ণিত রোগ (ঠান্ডা লাগা বা সর্দির পরে)।  একটি বড় সমীক্ষায় পাওয়া গেছে, ২৩ শতাংশ শিশু প্রথম জন্মদিন হওয়ার আগে অন্তত একবার কানের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছে, এবং অর্ধেকেরও বেশীর ক্ষেত্রে ৩ বছরে একবার কানের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়।

 

কি কারণে শিশুর কানে সংক্রমণ হয়?

কানের সংক্রমণ ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। এটি হয়ে থাকে যখণ তরল কানের পর্দার পিছনে জমতে থাকে এবং এর পরে সে ইনফেকশনে আক্রান্ত হয়।

সাধারণত যেকোন তরল যখন কানে প্রবেশ করে তখন তা দ্রুত ইউস্টাশিয়ান টিউবের  মাধ্যমে দ্রুত বেরিয়ে যায়, যেটা মধ্যকর্ণকে নাক এবং গলার পেছন দিকে সংযুক্ত করে। অবশ্য একটি ইউস্টাশিয়ান টিউব যদি বন্ধ থাকে- যা প্রায়শই ঘটে ঠান্ডা লাগলে, সাইনাস সংক্রমণে, এমন কি এর্লাজীতে – তখন তরল মধ্যম কর্ণে আটকা পড়ে।

জীবাণু গড়ে উঠে অন্ধকার, উষ্ণ, ভেজা জায়গায়, তাই একটি তরল ভর্তি মধ্যম কর্ণ হল জীবাণুর বংশবৃদ্ধির উপযুক্ত জায়গা। সংক্রমণ যখন খারাপ হতে থাকে, কানের পর্দার ভেতরে ও বাইরে প্রদাহ আরো খারাপ হতে থাকে, পরিস্থিতিকে আরো যন্ত্রণাদায়ক করে তোলে। এ সময় শিশুর জ্বর আসতে পারে যা শরীরে সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে।

মধ্যম কর্ণের যন্ত্রণাদায়ক প্রদাহ,  তরলের উপস্থিতি, এবং কানের পর্দা লাল হয়ে যাওয়াকে মেডিকেলের পরিভাষায় Acute otitis media ( AOM) বলে যার সাথে সাথে কখনো কখনো জ্বরও হতে পারে।

পেসিফায়ার বা চুষনির এর ব্যবহার, নবজাতক ও শিশুদের মধ্যম কর্ণের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, কানের সংক্রমণের ঘটনা সে সব শিশুদের মধ্যে ৩৩ শতাংশ কম যারা পেসিফাইয়ার ব্যবহার করেনা।

বাচ্চাদের কানের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে কারণ তাদের ইউস্টাশিয়ান টিউবস ছোট (১/২ ইঞ্চির মত) এবং আড়াআড়ি হয়। বাচ্চার বয়স বাড়ার সাথে সাথে , এই টিউব লম্বায় প্রায় তিনগুন হয় এবং এর অবস্থান লম্বালম্বি হয়ে যায়, তাই তরল খুব সহজে বেড়িয়ে যেতে পারে।

 

শিশুর কানের সংক্রমণ দেখা দিলে  কখন চিকিৎসকের শরাণপন্ন হতে হবে?

কানের সংক্রমণের প্রথম লক্ষণ দেখা দিলেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। আপনার শিশুর কান পরীক্ষণের জন্য চিকিৎসক ওটোসকোপ নামক যন্ত্র ব্যাবহার করে । কানের পর্দা যদি লাল, স্ফীত এবং তা থেকে নিঃসরণ হয় তবে সংক্রমণের সম্ভাবনা আছে।

নিউমেটিক ওটোসকোপের সাহায্যে চিকিৎসক আরো পরীক্ষা করবেন, কানের পর্দা নড়ে কিনা, যা কানের মধ্য দিয়ে হালকা বাতাস প্রবাহিত করবে। যদি সেটা না সরে, তবে তা নির্দেশ করে ফ্লুইড মধ্যম কর্ণে সঞ্চিত হচ্ছে এবং সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

 

শিশুর কানের সংক্রমণের চিকিৎসা কি?

অধিকাংশ কানের সংক্রমণ আপনা আপনি সেরে যায়, তবু গুরুতর  ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসা করানো প্রয়োজন। অনেক বছর ধরে, অ্যান্টিবায়োটিক ছিল কানের সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রথম ব্যবস্থা, কিন্তু এখন চিকিৎসকরা অনেক চিন্তাভাবনা করে ওষুধ দেন কারণ অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক নেয়ার ফলে সন্তানের এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী সংক্রমণের প্রবণতা হতে পারে।

দ্যা আমেরিকান একাডেমী অব পেডিয়াট্রিক (এএপি) এর মতে যদি শিশুর অবস্থা অপেক্ষাকৃত সন্তোষজনক হয় তবে চিকিৎসক ও পিতা-মাতাদের, আরেকটু অপেক্ষা করে দেখবেন নাকি অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হবে তা নিয়ে আলোচনা করা উচিৎ ।

যদি আপনার শিশুর বয়েস ৬ মাস বয়সী হয়, আপনার চিকিৎসক শিশুর সংক্রমণের ব্যথা দুর করার জন্য বাচ্চাদের ‘অ্যাসিটামিনোফেন বা আইবুপ্রোফেন” দেয়ার কথা বলতে পারেন।(কখনো আপনার শিশুকে এসপিরিন খাওয়াবেন না, কারণ তা রাইয়েস সিন্ড্রোমের সম্ভাবনা জাগায়। এটি  একটি দূর্লভ কিন্তু ক্ষতিকর রোগ।)

যদি আপনার শিশুর অবস্থা খারাপ হতে থাকে বা কয়েক দিনের মধ্য অবস্থার উন্নতি না হয় তবে ডাক্তার দেখাতে দেরী করা উচিত নয়। যদি আপনার শিশুর অবস্থা ৪৮ বা ৭২ ঘন্টার মধ্য ভাল না হয়, চিকিৎসক অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করার জন্য বলতে পারেন এবং আবার পরীক্ষার জন্য আসতে বলতে পারেন। যদি আপনার শিশুর  অ্যান্টিবায়োটিক নেয়ার কয়েক দিন পরও অবস্থার উন্নতি না হয়, চিকিৎসক সে ক্ষেত্র ঔষধপত্র পরিবর্তন করে দিতে পারেন বা আবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে দিতে পারেন।

চিকিৎসক অ্যান্টিবায়োটিক দিলে অবশ্যই ঔষধের কোর্স সম্পূর্ণ শেষ করতে হবে। ওষুধের কোর্স সমাপ্ত হওয়ার আগেই শিশুটি সুস্থবোধ করতে পারে। তবে এতে ওষুধ বন্ধ না করে কোর্স সম্পূর্ণ করতে হবে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা তা না হলে ইনফেকশন সৃষ্টিকারী জীবাণু ওষুধটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। তখন শিশুটির কানে ইনফেকশন হওয়ার অশঙ্কাও বেড়ে যায়।  আপনি  কয়েক সপ্তাহ পর কানের আরেকটি পরীক্ষা করাতে পারেন, তাহলে চিকিৎকদের নির্ধারন করতে সুবিধা হবে ঔষধ ভালভাবে কাজ করছে কিনা।

 

কিভাবে ভবিষ্যতে কানের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায়?

কানের সংক্রমণ সংক্রামক না, কিন্তু শ্বাসযন্ত্রের যেসব সংক্রমণের কারণে কানের ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে সেগুলো সংক্রামক।জীবাণু ছড়িয়ে পড়া রোধ কারার জন্য  টয়লেটের পর, ডায়াপর পরিবর্তনের পর, এবং খাওয়ার আগে বা খাওয়া তৈরী করার আগে হাত ধুয়ে (এবং আপনার শিশুর হাতও)ফেলতে হবে।

আপনি আরো যেসব সাবধানতা অবলম্বন করতে পারেন তা হোলঃ

আপনার শিশুর টীকা হালনাগাদ রাখাঃ  ইমিউনাইজেশন কিছু কিছু অসুস্ততাকে প্রতিরোধ করে যা কানের সংক্রমণেরও কারণ হয়। উদাহরণ স্বরুপ, ‘নিউমোকক্কাল কনজুগেট ভ্যাকসিন (পিসিভি)’ দারুনভাবে শিশুদের কানের সংক্রমণ সংখ্যা কমিয়ে এনেছে। গবেষণায় দেখা গেছে ইমিউনাইজেশন জন্য যখন থেকে ‘নিউমোকক্কাল কনজুগেট ভ্যাকসিন (পিসিভি)’ দেয়া হচ্ছে, ৩ বছর বয়েসী শিশু যাদের অন্তত পক্ষে একবার কানের সংক্রমণ হয়েছে  তাদের সংখ্যা ২০ শতাংশে কমে এসেছে।

আপনার শিশুর যদি বারবার কানের সংক্রমণে আক্রান্ত হয় বিশেষত ফ্লু হওয়ার পর, সেক্ষেত্রে আপনার শিশুর ফ্লু ভ্যাকসিন নেয়া উচিত কিনা তার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন । (শুধুমাত্র ৬ মাস বয়েসী শিশু ফ্লুর টীকা নিতে পারে।)

শিশুকে কমপক্ষে ছয় মাস পর্যন্ত বুকের দুধ পান করাতে হবেঃ    ইউএস সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এবং ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এর একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, যেসব শিশুকে তাদের জীবনের প্রথম ছয়মাস মায়ের বুকের দুধ পান করানো হয়েছে, তারা কম কানের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়। যাদের টিনের দুধ দেয়া হয়, তাদের ৭০ শতাংশ বাচ্চার ক্ষেত্রে কানের সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

ওটোল্যারিঙ্গোলজিস্ট রবার্ট রুবেন এর মতে মায়ের বুকের দুধের সাথে সাথে ইমিউন-বিল্ডিং অ্যান্টিবডি শিশুর শরীরে প্রবেশ করে থাকে। তবে অ্যান্টিবডি গুলো ছয়মাস পরে হ্রাস পেতে থাকে।

টোবাকোর ধোঁয়া থেকে আপনার শিশুকে নিরাপদে রাখুনঃ  গবেষকার এই সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছেন, যেসব পিতামাতা নিয়মিত ধূমপান করেন তাদের শিশুদের কানের সংক্রমণ হয় এবং শ্রবণে সমস্যা হয়। শিশু যখন ধূমাপয়ীদের সাথে থাকে তাদের ৩৭ শতাংশের মধ্যম কর্ণের সংক্রমণ এবং শ্রবণে সমস্যা হয়, এবং ধূমপায়ী মায়েরা যারা বাসায় ধুমপান করেন তাদের ৬২ শতাংশ শিশু উচ্চ ঝুঁকিতে থাকে। যেসব মায়েরা বাসায় ধূমপান করেন তাদের বাচ্চাদের ৮৬ শতাংশর ক্ষেত্রে মধ্যম কানের সমস্যার জন্য অপারেশন করাতে হয়, যাদের বাসায় কোন ধূমপায়ী নেই তাদের তুলনায়।

এমনকি সপ্তাহে একদিনও যদি শিশুরা একজন ধূমপায়ীর বাসায় অবস্থান করে তবে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং কানের সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে। ট্যোবাকোর ধোঁয়া ইমিনিউ ব্যবস্থাকে দাবিয়ে রাখে, সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলায় প্রতিবনদ্ধকতা সৃষ্টি করে। লোকজনকে বাসায় ধূমপান করতে দিবেন না, এবং ধোঁয়াটে পরিবেশ থেকে আপনার শিশুকে সরিয়ে রাখুন।

 

কানের টিউব কি কানের সংক্রমণের পুনারাবৃত্তি বন্ধ করতে পারে?

যেসব শিশুদের একাধিক বার কানের সংক্রমণ হয় যা এন্টিবায়োটিক চিকিৎসা সত্ত্বেও দীর্ঘস্থায়ী হয়, এদের সাধারণত কানের ভেতর টিউব ঢোকানো হয়ে থাকে।ইউনাইটেড স্টেটসে প্রতিবছের আনুমানিক ৬৭০,০০০ শিশু এই চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করে।

সাধারণত অ্যানাসথেসিয়ার মাধ্যমে কানের ভিতর টিউব প্রবেশ করানো হয়। একজন ওটোল্যারিঙ্গোলজিস্ট কানের পর্দায় ছোট ছিদ্র করেন এবং ফুটো করা অংশের মধ্যদিয়ে ছোট টিউব প্রবেশ করান। টিউবটি চাপ কমায় এবং নির্গমনপথ হিসাবে কাজ করে বাতাস প্রবেশ করায় আর তরলকে বের করে দেয়, তাই ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারেনা।

এটি একটি কৃত্রিম ইউস্টাশিয়ান টিউব যা কানে বাতাস চলাচলে সাহায্য করে যতক্ষণ না আসল ইউস্টাশিয়ান টিউব তার স্বাভাবিক কাজ করছে।

আপনার শিশুর চিকিৎসক এই অস্ত্রোপচাররে সিদ্ধান্ত দিতে পারেন কারণ শিশুর কানে ঘনঘন পানি জমতে থাকলে, তা বার বার কানের সংক্রমণের এবং শ্রবণ শক্তি হারাবার কারণ হতে পারে।

শিশুর কানের সংক্রমণগুলো গুরুতর কি?

কানের সংক্রমণগুলো গুরুতর হতে পারে। কানের সংক্রমণ গুরুতর হলে এবং এর চিকিৎসা করা না হলে  আপানার শিশুর কানের পর্দা ফেটে যেতে পারে। তবে কানের পর্দা খুব ঘন ঘন ফাটে না এবং দ্রুত ঠিকও হয়ে যায়, কিন্তু এটা গুরুত্বপূর্ণ যে , আপনার শিশুর চিকিৎসকে অবশ্যই নজর রাখতে হবে সংক্রমণের জায়গা পরিষ্কার আছে কিনা এবং কানের পর্দা ভাল হয়ে উঠছে কিনা?

ঘনঘন কানের সংক্রমণ কখনো কখনো শ্রবণ ক্ষমতা হারনোর কারণ হতে পারে। খুব অল্প কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসা নেয়া না হলে কানের সংক্রমণে mastoiditis (একটি খুলির সংক্রমণ )বা মেনিনজাইটিস হতে পারে।

সবার জন্য শুভকামনা।

Related posts

Leave a Comment