শিশুদের মুখে অতিরিক্ত লালা তৈরি হয় কেন?

এই আর্টিকেলে যে সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে

  • মুখে অতিরিক্ত লালা তৈরি হওয়াটা কি শিশুদের জন্য খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার?
  • বয়সের সাথে সাথে শিশুর মুখে লালা তৈরির ধাপ
  • শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে মুখের লালা তৈরি হওয়ার কি কোন ভূমিকা আছে?
  • অতিরিক্ত লালা বলতে কি বুঝায়?
  • নবজাতক শিশুর অতিরিক্ত লালা বের হওয়ার কারণ কি?
  • শিশুর অতিরিক্ত লালা তৈরি হলে কি করবেন?
  • লালা’র কারণে কি ধরনের ঘা হতে পারে?
  • অতিরিক্ত লালা প্রতিকারে করনীয় পদক্ষেপ

শিশুর মুখ দিয়ে অনিচ্ছা সত্যেও লালা বের হওয়াকে ডাক্তারি ভাষায় “ড্রুলিং” (Drooling) বলা হয়। আমাদের মুখে ছয়টি গ্রন্থি আছে যেগুলো লালা উৎপন্ন করে, আর এই লালার পরিমাণ যখন খুবই বেশি হয়ে যায়, তখনই সেটা মুখ থেকে গড়িয়ে বের হয়ে যায়। শিশুদের মুখের মাংশপেশীগুলো পরিপূর্ণ বিকশিত থাকেনা বলে অনেকসময় তাদের মুখ থেকে অতিরিক্ত লালা বের হয়।

মুখে অতিরিক্ত লালা তৈরি হওয়াটা কি শিশুদের জন্য স্বাভাবিক একটা ব্যাপার?

শিশুর জন্মের প্রথম দুই বছর মুখ থেকে এমন অতিরিক্ত লালা পড়া খুবই স্বাভাবিক একটা বিষয়। যেহেতু এই বয়সে মুখের বিভিন্ন পেশির উপর শিশুর তেমন একটা নিয়ন্ত্রণ থাকে না, তাই ঘুমের মধ্যেও এমন লালা বের হতে পারে। ১৮ থেকে ২৪ মাস বয়স পর্যন্ত সাধারণত শিশুর এমন হয়ে থাকে। এছাড়াও দাঁত উঠার সময়ও শিশুর কাপড়ে এবং আশে পাশের বিভিন্ন জিনিসের মধ্যে লালা লেগে থাকার জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত থাকুন।

তবে মনে রাখতে হবে, শিশুর বয়স চার বছর অতিক্রম করার পরেও যদি মুখ থেকে লালা পড়তে থাকে তবে সেটা স্বাভাবিক কোন ব্যাপার নয়। শিশু যখন একটু বড় হয় তখন তার নিয়ন্ত্রণে না থাকা এই অতিরিক্ত লালার কারণে বেশ বিব্রত ও লজ্জিত হতে থাকে এবং এটা তার মনের উপর ও আচরণের উপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। 

বয়সের সাথে সাথে শিশুর মুখে লালা তৈরির ধাপগুলো

শিশুর বৃদ্ধির বেশ কয়েকটি পর্যায়ে মুখ থেকে লালা পড়াটা বেশ স্বাভাবিক ব্যাপার। নিম্নে শিশুর বৃদ্ধির সেই ধাপগুলো পর্যায়ক্রমে বর্ণীত হলঃ

১-৩ মাসঃ

প্রথম ৩ মাস পর্যন্ত মুখ থেকে লালা পড়ার বিষয়টি সচরাচর তেমন একটা দেখা যায় না, কেননা এই সময়টাতে সে বেশিরভাগ সময় চিৎ হয়ে থাকে এবং শিশুর মুখ একদম উপরের দিকে মুখ করা থাকে। তারপরেও এই সময়ে শিশুকে যখন কোন কিছুর সাথে সাপোর্ট দিয়ে বসিয়ে রাখা হয় অথবা শুইয়ে রাখা হয় তখন মুখ দিয়ে লালা পড়তে পারে।

৬ মাসঃ

এই সময়ে মুখ থেকে লালা পড়াটা অনেকটাই শিশুদের নিয়ন্ত্রণে থাকে তবে শিশু যখন কোন জিনিস অথবা খেলনা নেয়ার জন্য একটু ঝুঁকে যায় তখন তার মুখ থেকে লালা পড়তে পারে। এছাড়াও এই বয়সে যদি শিশুর দাঁত উঠতে থাকে তাহলেও লালা পড়তে দেখা যেতে পারে।

৯ মাসঃ

এই সময়ে শিশু সাধারণত হামাগুড়ি দেয় ও বিছানায় গড়াগড়ি করে এবং শিশুর মুখ দিয়ে লালা পড়াটাও বেশ নিয়ন্ত্রণে থাকে। তবে দাঁত ওঠা শুরু হলে এই সময়ে বেশ লালা পড়তে দেখা যায়।

১৫ মাসঃ

এই বয়সে আপনার শিশু হয়তো হাঁটা শুরু করে দিয়েছে, এমনকি সে হয়ত দৌড়াতেও পারছে। তবে  এই হাঁটাহাঁটি অথবা দৌড়ানোর জন্য শিশুর মুখ থেকে লালা পড়তে খুব কম সময়েই দেখা গেছে। তবে যে সমস্ত খেলার মধ্যে সূক্ষ্ম চিন্তাভাবনার প্রয়োজন সেই ধরনের খেলার সময় শিশুর মুখ থেকে লালা পড়তে পারে। এছাড়াও এই বয়সে দাঁত উঠার সময়েও লালা পড়তে পারে।

১৮ মাসঃ

এই বয়সে মুখের লালার উপর শিশুর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে আসে। তবে এই বয়সেও খাওয়ানোর সময় এবং কাপড় পরার সময় শিশুর মুখ দিয়ে লালা বের হতে পারে।  

২৪ মাসঃ

এই বয়সে সাধারণত শিশুর মুখ দিয়ে অতিরিক্ত লালা ঝরা পুরোপুরি কমে যায়।

শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে মুখের লালা তৈরি হওয়ার কি কোন ভূমিকা আছে?

হ্যাঁ! শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে মুখে লালা তৈরি হওয়ার বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। শিশুর দাঁত উঠছে এবং এটা ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে, এগুলো মুখে অতিরিক্ত লালা তৈরি হওয়া থেকে বোঝা যায়। এছাড়াও এই ধরনের অতিরিক্ত লালা তৈরি হওয়া এবং তা দিয়ে বাবল বানানো থেকে বোঝা যায় যে শিশুর দৈহিক বৃদ্ধি হচ্ছে এবং সেই বৃদ্ধি এক ধাপ থেকে আরেক ধাপে উন্নত হচ্ছে। আপনি যখন দেখবেন দুধ অথবা অন্যান্য খাবারের গন্ধে শিশুর মুখে লালা তৈরি হচ্ছে তখন আপনি কিন্তু এটাও বুঝতে পারছেন যে শিশুর ঘ্রাণ শক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

চার থেকে ছয় মাস বয়সের সময় শিশু অল্প শক্ত অথবা ঘন খাবার গ্রহণ করে, আর মুখের অতিরিক্ত লালার মধ্যে যে এনজাইম থাকে সেগুলো শিশুর খাবার হজম করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। শিশুর মুখের এই লালাগুলো তার পাকস্থলীর এসিডকে ঘনীভূত করে এবং এর মাধ্যমে তার হজমশক্তি ধীরে ধীরে পরিপক্বতা লাভ করে। এছাড়াও মুখের লালা শিশুর খাবারকে একত্রিত করে রাখে এবং গিলে নিতে সাহায্য করে।

শিশুর মুখের অতিরিক্ত লালা বলতে আসলে কি বুঝায়?

শিশু মুখ দিয়ে লালা বের হওয়ার স্বাভাবিক বয়স পার হওয়ার পরেও যখন অনিচ্ছাকৃত ভাবে তার মুখ দিয়ে লালা বের হয়, তাকে শিশুর মুখের অতিরিক্ত লালা বলা হয়। কোন কারণ ছাড়াই যখন শিশুর মুখ দিয়ে এমন অতিরিক্ত লালা বের হতে থাকবে তখন বাবা মা’দের এই বিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়াটাই স্বাভাবিক। যদিও বেশিরভাগ সময় অতিরিক্ত লালা তৈরি হওয়ার কারণে এমনটা হয়ে থাকে, তবে কখনো কখনো মুখ ও জিহ্বার সমন্বয় তেমন ভালো না থাকার কারণেও মুখ থেকে লালা বের হতে পারে। মুখ ও জিহ্বার সমন্বয় না থাকার অন্যতম একটি ফলাফল হল শিশুর খাবার গিলতে সমস্যা হওয়া।

নবজাতক শিশুর অতিরিক্ত লালা বের হওয়ার কারণ কি?

নবজাতক শিশুর মুখ দিয়ে নিম্নক্ত কারণে অতিরিক্ত লালা বের হতে পারেঃ

দাঁত উঠার কারনে

যদিও ৬ থেকে ৮ মাসের আগে শিশুর দাঁত উঠে না, তবে এর প্রক্রিয়া শুরু হয় তার বেশ আগে থেকেই। আর তাই তিন মাস বয়সের সময়েই দাঁত উঠার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাওয়ার কারণে শিশুর মুখ থেকে অতিরিক্ত লালা বের হতে পারে। প্রাথমিক ভাবে শিশুর মুখ থেকে অতিরিক্ত লালা বের হয় যখন দাঁত শিশুর মাড়ি ভেদ করে ধীরে ধীরে তার নিজের জায়গায় চলে আসতে থাকে।

মুখ হা করে রাখার কারনে

নাক বন্ধ হয়ে থাকার কারণে অথবা অভ্যাস বসত শিশুর মুখ যখন হা হয়ে থাকে তখন সেই ঠিকমত লালা গিলে ফেলতে পারেনা যার ফলাফল হিসেবে তার মুখ থেকে লালা বের হতে পারে।

কোন কিছুতে অতিরিক্ত মনযোগী হলেঃ

যখন শিশু খুব মনোযোগ দিয়ে কোন কাজ করতে থাকে বা কোন কিছুর দিকে তাকিয়ে থাকে তখন সে লালা গিলে নিতে ভুলে যায় আর তখন তার মুখ দিয়ে অতিরিক্ত লালা বের হয়ে থাকে।

খাবার

কিছু কিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে মুখের মধ্যে অতিরিক্ত লালা তৈরি হয় আর এই অতিরিক্ত লালার কারণে তার মুখ থেকে লালা বের হতে পারে।

স্নায়ুর অপরিপক্বতা:

স্নায়ুর অপরিপক্বতা জনিত রোগ যেমন, Bell’s palsy এবং Cerebral Palsy এর লক্ষণ হিসেবেও শিশুর মুখ থেকে অতিরিক্ত লালা বের হয়ে থাকে। Bell’s palsy হল স্নায়ুর এমন একটা সমস্যা যেটা মুখের যে কোন এক পাশের উপর প্রভাব ফেলে। আর এই সমস্যার কারণে চোখ দিয়ে পানি পড়া সহ মুখের এক সাইড দিয়েও অতিরিক্ত লালা বের হয়ে থাকে।

Cerebral Palsy হল স্নায়ুর এমন একটা সমস্যা যে সমস্যার কারণে শিশুর মুখের পেশীগুলোর উপর তেমন একটা নিয়ন্ত্রণ থাকে না।

ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াঃ

কিছু ওষুধ সেবন শিশুর মুখের পেশীগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্ষমতার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। কখনো কোন পেশি অথবা ঠোঁট ফুলে উঠতে পারে আর যার ফলে শিশুর মুখ দিয়ে অতিরিক্ত লালা বের হয়। 

শিশুর অতিরিক্ত লালা তৈরি হলে কি চিকিৎসা গ্রহণ করবেন?

সাধারণত শিশুর মুখ দিয়ে একটু লালা বের হলে সেটার জন্য আলাদা করে চিকিৎসা গ্রহণ করতে হয় না, কেননা এটা তার স্বাভাবিক বৃদ্ধিরই একটা অংশ। তবে আপনার বাচ্চা যখন আর শিশু থাকে না অর্থাৎ তার শৈশবের বয়স পার হয়ে যাওয়ার পরেও মুখ থেকে অতিরিক্ত পরিমাণে লালা বের হতে থাকে তখন তার জন্য চিকিৎসা গ্রহণ করাটা জরুরী হয়ে পড়ে। এছাড়াও এই লালা বের হওয়া যদি শিশুর সামাজিক এবং দৈনন্দিন কাজের উপরে প্রভাব ফেলে তাহলেও চিকিৎসা গ্রহণের প্রয়োজন আছে। ডাক্তাররা শিশুর যে সকল অবস্থা দেখে নির্ধারণ করেন যে তার চিকিৎসা গ্রহণের প্রয়োজন আছে কি না তা নিম্নে বর্ণিত হলঃ

  • শিশুর তার ঠোঁট ঠিকমত বন্ধ করতে এবং তার জিহ্বা ঠিকমত নাড়াতে পারছে কি না
  • স্বাভাবিক ভাবে যে কোন কিছু গিলতে পারছে কি না
  • শিশুর নাক কি কোন কারণে বন্ধ হয়ে আছে কি না
  • স্বাভাবিক ভাবে কিছুক্ষণ পরপর লালা গিলে ফেলতে পারছে কি না
  • শিশুর চোয়াল এবং মুখের বাহ্যিক অবস্থা ঠিক আছে কি না

এই সমস্ত কিছু চেক করার পর ডাক্তাররা নিম্নে বর্ণিত চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেনঃ

  • শিশুকে তার ঠোঁট ঠিকমত বন্ধ করার ব্যাপারে সাহায্য করা
  • শিশুর খাদ্যাভ্যাস থেকে সে সকল খাওয়া সরিয়ে নেয়া যেগুলোর কারণে অতিরিক্ত লালা তৈরি হয়
  • শিশুর গিলে নেয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি করা
  • মুখের পেশীগুলোর স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা নিশ্চিত করা
  • মুখের সংবেদনশীলতা সম্পর্কে শিশুর মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা যাতে সে বুঝতে পারে কখন তার মুখের ভেতর এবং বাইরের অংশ ভিজে যাচ্ছে
  • মুখের চোয়াল, গাল এবং ঠোঁট শক্ত করার জন্য ‘ওরাল মোটর থেরাপি’ দেয়া। এই থেরাপি শিশুকে লালা গিলে ফেলতে সাহায্য করে এবং যার ফলে তার মুখ থেকে অতিরিক্ত লালা বের হওয়া বন্ধ হয়ে যায়।
  • এছাড়াও ডাক্তাররা মুখের ভীতরে অর্থাৎ দাঁতের সাথে এক ধরনের ডিভাইস ফিট করে দিয়ে জিহ্বার অবস্থান ঠিক করার ব্যাপারে উপদেশ দিয়ে থাকেন এবং এই ডিভাইসের ফিট করে দিলে শিশু ঠিকমত ঠোঁটও বন্ধ করতে পারে।  

লালার কারণে কি র‍্যাশ (Drool Rash) হতে পারে?

প্রতিনিয়ত মুখ দিয়ে লালা বের হয়ে ভিজে থাকার কারণে, শিশুর ঠোঁট, গাল, গলা এবং বুকে এক ধরনের ঘা হতে পারে। আপনি দেখবেন এই সমস্ত জায়গা কিছুটা লাল হয়ে থাকে এবং এই অংশগুলোতে র‍্যাশ হচ্ছে। শিশুর মুখের আশেপাশের জায়গায় এই ধরনের র‍্যাশকে “Drool rash” বলা হয়ে থাকে।

এই সমস্ত জায়গা ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন এবং এতে ল্যানোলিন ক্রিম লাগিয়ে রাখতে পারেন। মুখের আশেপাশের অংশে লালা দিয়ে ভিজে যাওয়া রোধ করতে শিশুর গলায় বিব পরিয়ে রাখতে পারেন। আক্রান্ত স্থানে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে সে অংশ আর্দ্র রাখলে দ্রুত ঠিক হয়ে যায়। তবে শিশুর ত্বকে যে কোন ধরনের ক্রিম অথবা লোশন লাগানোর আগে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিবেন।

অতিরিক্ত লালা প্রতিকারে করনীয় পদক্ষেপ

চার বছর বয়স অতিক্রম করার পরেও যদি শিশুর মুখ দিয়ে অতিরিক্ত পরিমাণে লালা বের হতে থাকে তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করুন। শিশুর স্বাস্থ্য জনিত বেশ কিছু কারণে অতিরিক্ত মাত্রায় লালা বের হতে পারে এবং শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে কারণগুলো চিহ্নিত করা সম্ভব। যদি বিভিন্ন থেরাপি’র মাধ্যমেও এই সমস্যা ঠিক না হয় তাহলে উচ্চ চিকিৎসা সম্পর্কে আপনাকে ভাবতে হবে।  

শিশুর মুখের লালা খুবই স্বাভাবিক একটা বিষয়, এটা শিশুর মুখের খাবারকে আর্দ্র রাখে এবং শিশু যাতে সহজে খাবার গিলে ফেলতে পারে সে ব্যাপারে সহায়ক ভূমিকা রাখে। মুখের লালা শিশুর বেশ কিছু কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, তবুও শিশুর বয়স চার বছর অতিক্রম করার পরেও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত লালা বের হওয়া বন্ধ হচ্ছে কি না সেদিকে বিশেষ ভাবে নজর রাখুন। মুখের অতিরিক্ত লালা’র কারণে আরো বড় কোন ধরনের সমস্যা তৈরি হওয়ার আগেই ডাক্তারের সহায়তা নিন।   

সবার জন্য শুভকামনা।

Related posts

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.