মায়ের বুকের দুধ কিভাবে তৈরি হয় এবং কিভাবে তা সচল রাখবেন।

লেখাটা মায়েরা পড়ার থেকে হবু মায়েরা পড়লে লেখার উদ্দেশ্য বেশী সার্থক হবে। এমনকি হবু দাদা দাদি, নানা নানী যদি পড়েন তবে ভালো হয়। কারণ দেখা যায় বেশিরভাগ মা এবং দাদি নানীরাই অভিযোগ করেন যে বাচ্চা বুকের দুধ পায় না, খাবে কি?

সত্যিই তো, ছোট শিশু বুকের দুধ না পেলে, কান্না কাটি করলে, কোনও মা-বাবা বা দাদা দাদি চুপ থাকতে পারেন? কাজেই কিনে আনতে হয় ল্যাক্টোজেন বা নান বা সে রকম অন্য দুধ, খাওয়াতে হয় শিশুকে। মা নিশ্চিন্ত হয়, বাবা নিশ্চিন্ত হয়। কিন্তু কি হয়ে গেল- তা কেউ জানল না। পাঁচ সাতদিন পর শিশু বাড়ি এলো কিন্তু বুকে দুধ এলো না।

অনেকে বলবেন- তবে কি সব মায়েরই দুধ হবেই? আমরা বলব- হ্যাঁ হবে। এটাই প্রকৃতির নিয়ম। পৃথিবীতে কয়েক লক্ষ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী আছে। তার মধ্যে একমাত্র মানুষের শিশুর জন্যই বাইরের দুধ তৈরি হয়।আর কারো লাগে না কেন? কোনও কোনও মা শারীরিক ভাবে রুগ্ন বা অসমর্থ হতে পারেন, কোনও মায়ের অপারেশনের বড় ধকল যায়, তাদের ছাড়া আর কারও শিশুর জন্য বাইরের দুধের প্রয়োজন হওয়ার কথা নয়। তারা যদি দুধ তৈরির শরীরবৃত্তীয় ব্যাপারটা ঠিক বুঝতে পারেন, তবে তারাও বলবেন মায়ের দুধ হবে।

স্তনের বিকাশ

শিশুর ভ্রূণ  অবস্থার চতুর্থ সপ্তাহেই স্তন তৈরি হতে শুরু করে। জন্মাবার কিছু আগেই কন্যা সন্তানের স্তন গঠিত হয়ে যায়- যেখানে ১৫-২৫ টি সরু নালিকা থাকে। মানুষের স্তনই একমাত্র গ্রন্থি যা জন্মানোর সময় সম্পূর্ণ তৈরি হয়না। মেয়েদের ১০-১২ বছর বয়স থেকে স্তনের বিকাশ শুরু হয়। এই পরিবর্তন আসে ইস্ট্রোজেন নামে একটি হরমোনের প্রভাবে। তার এক-দু বছর পর থেকেই মেয়েদের মাসিক শুরু হয়। প্রত্যেক মাসিকে হরমোনের প্রভাবে একটু একটু করে স্তনের বিকাশ ও বৃদ্ধি ঘটে। যে ১৫-২৫ টি নালিকা ছিল না ডালপালা মেলে একটি গাছের মত আকার ধারণ করে। গাছের গোড়া থাকে স্তনের বৃন্তে আরে ডাল পাতা থাকে বুকের দিকে।  তার চারদিকে জমা হয় চর্বি বা ফ্যাট। স্তন গোল হয়ে নির্দিষ্ট আকার ধারণ করতে থাকে। এই বিকাশ ২০ বছর পর্যন্ত দ্রুত গতিতে চলতে থাকে। এমনকি ৩৫ বছর পর্যন্ত ও চলতে পারে। কিন্তু মা না হলে কোনও মায়েরই স্তনের বিকাশ সম্পূর্ণ হয়না।

সুতরাং দেখা গেল স্তন তৈরি হয় প্রথমে ১৫-২৫ টি দুগ্ধ নালিকা দিয়ে। সেগুলো থাকে মরা ডালপালার মত। তারপর তাদের শাখা প্রশাখা বেরোল, পাতাই ভরে গেল। এভাবে প্রতিটি গাছ একটি করে আলাদা আলাদা বিভাগ তৈরি করলো- তাদের বলে “লোব”। যেগুলোকে পাতা বললাম তাদেরকে ডাক্তারি ভাষাতে হলে “অ্যালভিওলাই”। একে আঙ্গুরের থোকার সাথে তুলনা করা যায়। সেখানেই ভবিষ্যতে দুধ তৈরি হয়। সেই দুধ শাখা প্রশাখা বেয়ে চলে আসে গোড়ার দিকে। এই গোড়া থাকে বাইরের দিকে। প্রতিটি গোরা উন্মুক্ত হয় স্তনবৃন্তে বা নিপলে।

এই সম্পূর্ণ গাছটিকে ঠিকভাবে ধরে রাখে একধরনের যোগকলা। প্রতিটি শাখা প্রশাখাকে তারা বেষ্টন করে থাকে। তাদের আবার আরও শক্ত দড়ির মত “কুপার্স লিগামেন্ট” ঠিকমতো বেধে রাখে। আর এই সুতলি দড়ির মাঝে  চারদিকে থেকে চর্বি বা ফ্যাট। গাছের গোরা, যা স্তনবৃন্তে শেষ হয়, সেটি কিছু আগে স্ফীত হয়ে থলির মত হয় যায়। তাকে সাইনাস বলে। স্তনবৃন্তের চার পাশে যে কালো অংশ থাকে তাকে বলে অ্যারিওলা। তার নিচে সাইনাসের অবস্থান। দুধ তৈরি হয়ে এখানে এসে সঞ্চিত হয়। এই অ্যারিওলা গর্ভাবস্থায় কালো হয়ে যায়, যা নবজাতকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ফলে নবজাতকে স্তনের প্রতি আকৃষ্ট হয়। শিশু ঠোট দিয়ে এই অ্যারিওলার উপর চাপ দেয়, ফলে সাইনাস থেকে দুধ নির্গত হয়ে তার মুখে এসে যায়। এর উপর এবং চারপাশে ছোট ছোট উঁচু উঁচু কিছু গ্রন্থি থাকে- এদের বলে মন্টগোমারি গ্রন্থি। এটা এক ধরনের সিবেসিয়াস গ্রন্থি। এখান থেকে যে রস নিঃসৃত হয় তা স্তন ও স্তন বৃন্তকে নরম রাখে, জীবাণু মুক্ত রাখে। অর্থাৎ গর্ভাবস্থার আগেই প্রকৃতি শিশুর দুধের ব্যাবস্থা বা দুধ তৈরির কারখানা তৈরি করে রাখে।

দুধ তৈরি শুরু

সমগ্র দুধ তৈরি প্রক্রিয়াকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়।

  • প্রথম পর্যায়- ল্যাক্টোজেনেসিস-১
  • দ্বিতীয় পর্যায়- ল্যাক্টোজেনেসিস-২
  • তৃতীয় পর্যায়- ল্যাক্টোজেনেসিস-৩

প্রথম পর্যায়- ল্যাক্টজেনেসিস-১

প্রথম এবং দ্বিতীয় পর্যায় দুটি হরমোনের নিয়ন্ত্রণাধীন। প্রজেস্টেরন ও ইস্ট্রজেন নামক হরমোন দুটি গর্ভাবস্থার প্রধান হরমোন। শিশুর সম্ভাব্য জন্মের ১২ সপ্তাহ আগে এই পর্যায় সম্পূর্ণ হয়। যদিও শুরু হয় গর্ভাবস্থার চার পাঁচ মাস থেকে। এই সময় শুধু “কলস্ট্রাম” নামক প্রাথমিক দুধ তৈরি শুরু হয়। দুধে ল্যাক্টোজ, প্রোটিন, ইমিউনোগ্লবিনের পরিমাণ বাড়ে। সোডিয়াম ও ক্লোরিনের পরিমাণ কমে। দুধ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় পদার্থ স্তনে এসে জমা হতে থাকে।

দ্বিতীয় পর্যায়- ল্যাক্টোজেনেসিস-২

এই পর্যায়ও হরমোনের নিয়ন্ত্রণাধীন। শিশুর জন্মের ৩০ থেকে ৪০ ঘণ্টা পরে এই পর্যায় শুরু হয়। বাচ্চার জন্মের সাথে সাথে প্লাসেন্টা জরায়ু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, তাই প্লাসেন্টা থেকে বের হওয়া হরমোন, যেমন- প্রজেস্টেরন, ইস্ট্রজেন ও প্লাসেন্টাল ল্যাক্টজেনও হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। শুরু হয় প্রোল্যাক্টিনের কাজ। দুধ তৈরিতে এই হরমোন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একে বলে মাতৃত্ব হরমোন বা mothering hormone. এর কাজ হোল প্রকৃত দুধ তৈরি করা। প্রোল্যাক্টিনের ক্ষরণ অ্যারিওলার উত্তেজনার উপর নির্ভরশীল। শিশু স্তন মুখে নিয়ে টানলেই এই উত্তেজনা তৈরি হয়। না টানলে হবেনা, তাই প্রোল্যাক্টিনও বের হবেনা- দুধও তৈরি হবেনা।

কাজেই দেখা যাচ্ছে শিশু দুধ না খেলে দুধ তৈরির পদ্ধতি গোড়াতেই ধাক্কা খাবে। দুধই তৈরি হবেনা। তাই দুধ বুকে আসুক না আসুক, বুকের দুধ পেতে গেলে জন্মের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, শিশুকে বুকে দিতে হবে। শিশু স্তন মুখে নিয়ে টানলে তবেই ভবিষ্যতে দুধ হবে, না হলে হবেনা। প্রতিবার দুধ খাবার পরে এই প্রোল্যাক্টিনের পরিমাণ দ্বিগুণ হয়ে যায়। দিনে রাতে সব সময় এই ঘটনা ঘটে। তাই দুধের পরিমাণ বাড়াতে হলে বা ঠিক রাখতে হলে দিনে রাতে সব সময়ই শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে হবে।

প্রোল্যাকটিন হরমোন তো দুধ তৈরি করলো। অ্যালভিওলাই ভরে গেল দুধে। কিন্তু সে দুধ তো সেখান থেকে বের হতে হবে।  অ্যালভিওলাই চেপে দুধ বের করে যে হরমোন তার নাম অক্সিটোসিন। শিশু জন্মানোর পর অক্সিটোসিনের কার্যক্ষমতা দশ গুন বেড়ে যায়। এই হরমোন পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে বের হয়। স্তন বৃন্তে উত্তেজনার ফলে পিটুইটারি থেকে অক্সিটোসিন নিঃসৃত হয়। শিশু মুখ দিয়ে টানলেই এই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একে লেট ডাউন রিফ্লেক্স বা মিল্ক ইজেকশন রেসপন্স বলে।

লেট ডাউন রিফ্লেক্স বা মিল্ক ইজেকশন রেসপন্স

এই ব্যাপারটাও ভালো ভাবে বোঝা দরকার। একটা পানি ভর্তি বেলুনকে যেমন বাইরে থেকে চাপ দিলে পানি বেলুনের মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে, তেমনি অ্যালভিওলাইকে বাইরে থেকে চাপ দিলে তাতে জমে থাকা দুধ নালী দিয়ে বেরিয়ে এসে শিশুর মুখে যায়। এই চাপের কাজটা করে অ্যালভিওলাই ঘিরে থাকা মাংশপেশী। আর চাপের কাজটা করায় অক্সিটোসিন হরমোন। মা যখন ভাবেন যে তিনি দুধ খাওয়াবেন, তখন থেকেই এই রিফ্লেক্স শুরু হয়ে যায়। তখন থেকেই অক্সিটোসিন নিঃসরণ শুরু হয়। তারপর শিশুর মুখ স্তনবৃন্তে চাপ দিলে আরও অক্সিটোসিন বের হয়। অক্সিটোসিন শুধু অ্যালভিওলাইকেই চাপ দেয় না, এটি জরায়ুর মাংসপেশিকেও চাপ দেয়, ফলে অনেক মা শিশুকে দুধ খাওয়ানোর সময় তলপেটে ব্যাথা অনুভব করেন। প্রথম দিকে দুধ আসতে ৫ থেকে ৮ মিনিট সময় লাগতে পারে। পরে কম সময় লাগে। মাও বুঝতে পারে যে বুকে দুধ এসেছে বা দুধ নামছে। নতুন মায়ের এটা বুঝতে এক দু সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

কাজেই বোঝা যাচ্ছে যে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে হবে এই চিন্তা থেকেই শুরু হয় দুধ তৈরি এবং দুধ বেরোনোর কাজ। শিশু দুধ টানলে তবেই দুধ তৈরি হয় এবং বুকে দুধ আসে।

তৃতীয় পর্যায় (ল্যাক্টোজেনেসিস-৩)

এই পর্যায়ে বুকে পরিণত দুধ তৈরি হয়। প্রথম দুটি পর্যায় নির্ভর করে প্রধানত হরমোনের উপর। কিন্তু তৃতীয় পর্যায় নির্ভর করে বুকের অটোক্রিন বা স্থানীয় অবস্থার উপর। প্রথম দুটি পর্যায় দুধ তৈরি শুরু করে- তৃতীয় পর্যায় এটিকে চালু রাখে। এই চালু রাখাটা নির্ভর করে সম্পূর্ণভাবে শিশুর উপর, সে দুধ খাচ্ছে কি না তার উপর। এই পর্যায় শুরু হয় শিশু জন্মের ৫০ থেকে ৭৩ ঘণ্টা পড়। এই পর্যায়ের আগে আমরা দেখলাম, অ্যালভিওলাইগুলো দুধে ভরে যায়। শিশু মুখ দিয়ে টানলে তবে সে দুধ বেরিয়ে আসে।

কিন্তু শিশু যদি না টানে? কি হবে?

অ্যালভিওলাইতে জমে থাকা দুধ নতুনভাবে দুধ তৈরিতে বাধা দেয়। দুভাবে-

১। দুধে এক প্রকার প্রোটিন থাকে, তাকে বলে FIL (Feedback Inhibitor of lactation), এটি দুধ তৈরিতে বাধা দেয়। বুকে দুধ যত জমতে থাকে, ততই এই প্রোটিনের পরিমাণ বাড়তে থাকে আর নতুন দুধ তৈরি কমতে থাকে। শিশু দুধ টেনে খেলে অ্যালভিওলাই ফাঁকা হয়ে যায়, ফলে আবার নতুন দুধ তৈরি শুরু হয়।

২। এছাড়া আগে যে প্রোল্যাক্টিন হরমোনের কথা বলেছি, যত দুধ জমতে থাকে, এই হরমোনের কাজও কমতে থাকে- ফলে নতুন দুধ তৈরি কমে যায়।

আবার শিশু না খেলে অ্যালভিওলাইতে জমে থাকা দুধ আবার শোষিত হয়ে অ্যালভিওলাই শুকিয়ে যেতে পারে, কিংবা বেশী দুধ জমে ফেটে যেতে পারে।

দুধ যত খালি হয় ততই নতুন দুধ তৈরি হয়। শিশু যত দিন ধরে দুধ খায়, তত দিন ধরে এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে এবং বুকে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা কম বেশী দুধ তৈরি হতে থাকে। কাজেই বুকে দুধ নেই এরকম হয়না। সকালের দিকে দুধ বেশ জমে থাকে, দিন যত বাড়ে, দুধের জমার পরিমাণ কমতে থাকে। তবে কারও বুকে অনেক দুধ জমা থাকতে পারে, কারও বুকে কম জমে। দুধ জমার পরিমাণ বুকের আকারের উপর নির্ভর করেনা। যে মায়ের বুকে কম দুধ জমে, তাকে বার বার করে শিশুকে দুধ দিতে হবে। তবে দুধ তৈরি হবে এবং শিশু সম্পূর্ণ পুষ্টি পাবে। প্রতিবার শিশু তার মায়ের বুকের ৭৫-৮০% দুধ খেতে পারে। শিশু দুধ না খেলে কয়েক দিনের মধ্যেই দুধ তৈরি কমে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

বুকের দুধের রকমফের

 

কোলস্ট্রাম

প্রথমে তৈরি হয় কোলস্ট্রাম নামের দুধ। দেখতে কিছুটা হলদেটে বা হালকা কমলা রঙের গাড় দুধ। এতে বিভিন্ন খনিজ লবণ, ভিটামিন বেশী থাকে। প্রতি ১০০ মিলিলিটারে ৫৮ কিলোক্যালরি শক্তি থাকে। পেটে গিয়ে এই দুধ শিশুর পায়খানা নরম করে গর্ভে থাকাকালীন পেটের জমা ময়লা মল বের করে দেয়। এর ফলে শিশুর নিওনেটাল জন্ডিসও কম হয়। প্রথম দিনে (২৪ ঘণ্টায়) মাত্র ৭-১২৩ মিলি কোলস্ট্রাম তৈরি হয়, শিশু প্রতিবার ৭-১৪ মিলি গ্রহন করে। দ্বিতীয় দিন থেকে বাড়তে বাড়তে ৫ম দিনে এর পরিমাণ হয় ৫০০ মিলি।

ট্রানজিশনাল দুধ

পরিণত দুধ ও কোলস্ট্রামের মাঝামাঝি এই দুধ। জন্মের ১২ ঘণ্টা থেকে ৭-১৪ দিন পর্যন্ত এই দুধ তৈরি হয়। এই দুধে ক্যালোরি এবং প্রোটিন, ইমিউনোগ্লবিনের পরিমাণ কমে আর ল্যাক্টোজ ও ফ্যাটের পরিমাণ বাড়ে।

পরিণত দুধ

জন্মের নবম দিনের মাথায় এই দুধই প্রধান দুধ। তারপর থেকে এই দুধই তৈরি হয়। এটি দেখতে কিছুটা নীলচে, পাতলা ধরনের দুধ। এতে শিশুর প্রয়োজনীয় সব রকমের উপাদান থাকে। পানি পরিমাণ থাকে ৮৭ শতাংশ। কাজেই এই দুধ খেলে শিশুর আর পানির প্রয়োজন হয়না।

আপাতত এইটুকুই। এই লেখার উদ্দেশ্য যাতে মায়েরা তার শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান। দুধ খাওয়াব, এই চিন্তা মাথায় আনতে হবে, শিশুকে জন্মের পর পরই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বুকে ধরে টানাতে হবে- তবেই বুকে দুধ আসবে। এই জন্য ধৈর্য ধরতে হবে।

সবার জন্য শুভকামনা।

Related posts

2 Thoughts to “মায়ের বুকের দুধ কিভাবে তৈরি হয় এবং কিভাবে তা সচল রাখবেন।”

  1. jahidul

    আল্লাহুআকবার, আপনাকে যে কি বলে ধন্যবাদ জানাবো ভেবে পাচ্ছিনা। এতো সুন্দর একটা লেখা। অনেক কিছু জানতে পারলাম। আল্লাহর সৃষ্টি নৈপুর্ন। আল্লাহুআকাবার, ইস! কি অসাধারণ আল্লাহর সৃষ্টি।

    1. আপনাকে ধন্যবাদ।

Leave a Comment