পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম | গর্ভধারণে কিভাবে প্রভাব ফেলতে পারে?

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম কি?

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম একধরনের হরমোনাল ইম্ব্যালান্স যা মহিলাদের হয়। প্রতি একশ জন নারীর মধ্যে আট থেকে দশ জনের এ সমস্যা থাকতে পারে। এই রোগে ডিম্বাশয়ে অনেকগুলো সিস্ট হয় বলেই এর এমন নামকরন। তরুণীদের মধ্যে সাধারণত এই রোগটি বেশী হয়ে থাকে।

মহিলাদের ডিম্বাণু তৈরি হয় একধরনের তরলপূর্ণ থলীর ভেতর যাকে ফলিকল বা সিস্ট বলে। যখন ডিম্বাণু পরিপক্ক হয় তখন এই থলী ফেটে যায় এবং ডিম্বাণু বেরিয়ে আসে। এই অবস্থা কে ওভুলেশন বলে। পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম এই প্রক্রিয়াই বাঁধা সৃষ্টি করে। যাদের পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম আছে সেসব নারীদের ডিম্বাশয় স্বাভাবিকের চাইতে বেশি পুরুষ হরমোন (এন্ড্রোজেন) নিঃসরণ করে যার ফলে ডিম্বাণু পরিপক্ক হওয়ার পর ফলিকল ফেটে যায়না এবং ডিম্বাণু বের হতে পারেনা। এর ফলে নারীদের মাসিক অনিয়মিত বা একবারেই হয়না।এটাকে ‘এন অভুলেটরি’ সাইকেল বলা হয়। এই তরল ভর্তি ফলিকলগুলো তখন ডিম্বাশয়ে সিস্ট হিসেবে রয়ে যায়।

আসলে পলিসিস্টিক ওভারির মানে হচ্ছে ওভারির (ডিম্বাশয়) ভেতর অনেক ছোট সিস্ট।এই সমস্যার সাথে অনিয়মিত মাসিক হয়, কারো দেখা যায় অনেক দেরি করে মাসিক হচ্ছে, অথবা কারো কারো অনেকদিন ধরেই হয় না। এর সাথে ওজনাধিক্যের সমস্যা থাকে, অবাঞ্চিত লোমের সমস্যা থাকে- অনেকগুলো বিষয় আসলে চলে আসে। একে সম্মিলিতভাবে বলা হয় পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম। এর সাথে বন্ধ্যাত্বের বিষয়টিও জড়িত।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম কেন হয়?

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম  এর সঠিক কারণ যদিও অজানা। কিন্তু ডাক্তারা বিশ্বাস করেন যে, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং বংশগতি একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এ ক্ষেত্রে। যেসব নারীর মা এবং বোনের পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম  আছে তাদের এ সমস্যা  হবার সম্ভাবনা বেশি।

নারীদের শরীরে পুরুষ হরমোন অ্যান্ড্রোজেনের অত্যাধিক উৎপাদনও এর আরো একটি কারণ। অ্যান্ড্রোজেন হরমোন নারী দেহেও উৎপাদিত হয় কিন্তু পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম  থাকা নারীদের দেহে মাঝে মাঝে এর উৎপাদনের মাত্রা বেড়ে যায়। যা ডিম্বাশয় থেকে ডিম বের হওয়া এবং এর বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে।

অতিরিক্ত ইনসুলিন উৎপাদনও অ্যান্ড্রোজেন হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি কারণ হতে পারে। ইনসুলিন হচ্ছে এমন একটি হরমোন যা শর্করা এবং শ্বেতসারকে শক্তিতে রুপান্তরিত করতে সাহায্য করে। এছাড়াও শরীরের ওজন বৃদ্ধি,  স্থূলতা,  শারীরিক পরিশ্রমের অভাব,  ফাস্ট ফুড ও তেল-চর্বিযুক্ত খাবার বেশি গ্রহণ ইত্যাদিকেও এ সমস্যার কারণ বলে মনে করা হয়।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম এর লক্ষন

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম এর উপসর্গ শুরু হয় সাধারণত নারীদের মাসিক শুরু হওয়ার পর থেকেই। তবে উপসর্গের ধরণ এবং তীব্রতা একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে। তবে সবচেয়ে সাধারণ যে উপসর্গ সবার মাঝে দেখা দেয় তা হলো অনিয়মিত পিরিয়ড। অন্যান্য লক্ষনগুলো হলো-

  • মাসিকের সমস্যা যেমনঃ অনিয়মিত/ অনেকদিন পর পর মাসিক হওয়া,মাসিক বন্ধ থাকা,অনেকদিন বন্ধ থাকার পর অতিরিক্ত পরিমানে মাসিক হওয়া।
  • মুখে, বুকে, পেটে, পিছনে  বা পায়ের আঙ্গুলে চুল গজানো ও বাড়া।
  • ডিম্বাশয়ে সিস্ট হলে সেই সঙ্গে ব্রণ, তৈলাক্ত ত্বক বা খুশকি হতে পারে।
  • এতে ওজন বাড়া বা স্থূলতা হতে পারে, সাধারণতঃ কোমরের চারপাশে ওজন বাড়ে এবং পুরুষের মতো টেকো ভাব বা চুল পাতলা হয়ে যায়।
  • ঘাড়, হাত, স্তন বা উরুতে চামড়ায় পুরু গাঢ় বাদামী বা কালো প্যাচ দেখা যেতে পারে। এটা বগলে নিচে বা পায়ের(thigh) ভাঁজেও হতে পারে।
  • স্তনের আকার ছোট হয়ে যায়
  • গলার স্বর গভীর হয়ে যায়
  • মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা
  • বন্ধ্যাত্ব
  • ওভারি আকারে বড় হয়ে যায় এবং ডিম্বাশয়ের চারদিকে অসংখ্য তরল পূর্ণ সিস্ট তৈরি হয়
  • অনিদ্রার এবং ঘুমের সময় নিঃশ্বাসে সমস্যা হয়
  • অতিরিক্ত ইন্সুলিনের উৎপাদন
  • কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া
  • ডায়াবেটিস হওয়া

উল্লিখিত উপসর্গের অনেকগুলোই অনেকের ক্ষেত্রে হয়ত দেখা নাও দেখা দিতে পারে।

বন্ধ্যাত্ব (ইনফার্টিলিটি)-এর সাথে সম্পর্ক 

কোনো নারী পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম এ আক্রান্ত হলে সাধারণত প্রথমবার তখনই শনাক্ত করা যায় যখন দম্পতিরা সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করে অসফল হোন । এটি বিশ্বব্যাপী বন্ধ্যাত্ব সমস্যার জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী ।  যখন কোনো মহিলা এ সমস্যায় আক্রান্ত হন, তখন প্রত্যেক মাসে তাদের ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নির্গত হয় না এবং কয়েক মাস ধরে ডিম্বস্ফোটন বন্ধ থাকতে পারে । ফলে কোনো নারী গর্ভবতী হওয়ার পূর্বে মাসের পর মাস সেই দম্পতিকে সন্তান নেয়ার চেষ্টা করতে হয়। এটি অনেক মহিলার জন্য বেদনাময় ও হৃদয়বিদারক হতে পারে ।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম এ আক্রান্ত হওয়ার মানে এই নয় যে আক্রান্ত হওয়া নারী কখনোই মা হতে পারবেন না । এতে আক্রান্ত হওয়ার এই অর্থ দাঁড়ায় যে গর্ভবতী হওয়ার জন্য সার্বজনীনভাবে যে সময় প্রয়োজন হয়, আক্রান্ত নারী তার থেকে একটু সময় বেশি লাগতে পারে ।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে কয়েকটি নির্দিষ্ট চিকিৎসা গ্রহণ ও জীবনপদ্ধতিতে পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে।  স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ, শরীরচর্চা, মেটফোরমিন অথবা ক্লোমিফেন সাইট্রেট জাতীয় ঔষধ গ্রহণ কিংবা গোনাড্রোট্রোফিনস এর সাথে ডিম্বাশয় উদ্দীপতকারী ঔষধ প্রভৃতি গ্রহণের মাধ্যমে পিসিওএসে আক্রান্ত মহিলা গর্ভবতী হতে পারেন । ল্যাপোরোস্কোপিক ওভারিয়ান ডায়াথার্মি নামক একটি ছোট অস্ত্রোপচার পদ্ধতি পরিচালনা কিছু ক্ষেত্রে প্রয়োজন হতে পারে। এতে অত্যাধুনিক ল্যাপারোস্কোপ যন্ত্রের মাধ্যমে ডিম্বাশয়ের গায়ে কয়েকটি ছিদ্র করা হয়। তাই এ প্রক্রিয়াকে ওভারিয়ান ড্রিলিংও বলা হয়। যেকোনো ওষুধ খেতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে।

এ বিষয়টি মনে রাখা সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ যে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম এ আক্রান্ত হলে গর্ভবতী হওয়া যাবে না, এ কথা ঠিক নয় । যদি পরীক্ষাতে আপনার এটি ধরা পড়ে, তবে আশাহত হবেন না। চিকিৎসা গ্রহণ ও জীবনপদ্ধতিতে পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনি গর্ভধারণে সক্ষম হবেন।

গর্ভাবস্থায় পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম এর প্রভাব

গর্ভাবস্থায় পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম এর কারণে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে। পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমে আক্রান্ত গর্ভবতী মায়েদের প্রি-এক্লাম্পশিয়া, গর্ভপাত, উচ্চ-রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, প্রি-টার্ম বার্থ ইত্যাদিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস হলে বাচ্চার আকার বড় হয় যার ফলে প্রসবের সময় জটিলতা দেখা দিতে পারে। এ সব ক্ষেত্রে সি-সেকশনের মাধ্যমে বাচ্চা প্রসবের প্রয়োজন হয়। এছাড়াও জন্মের পর বাচ্চাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার প্রয়োজন পড়ে।

গবেষণায় দেখা গেছে যদি মেয়ে বাচ্চা হয় সেক্ষেত্রে তারও এতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে শতকরা ৫০ ভাগ। আপনি যদি পলিসিস্টিক ওভারির রোগী হন , তবে গর্ভধারণকালীন সময়ে আপনাকে অবশ্যই অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে ৷ নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন এবং চেকআপ করাবেন ৷

রোগ নির্ণয়ঃ

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম এর লক্ষন দেখা দিলে ডাক্তাররা সাধারণত বেশ কিছু টেস্ট করেন এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার জন্য। এগুলো হলো-

  • একটি আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষা
  • রক্তে টেস্টোস্টেরন, এফএসএইচ, এলএইচ, প্রোল্যাকটিন প্রভৃতি হরমোনের মাত্রা পরিমাণ পরীক্ষার জন্য রক্ত পরীক্ষা
  • শর্করার মাত্রা, বিশেষ করে সকালের নাস্তা করার ২ ঘন্টা পর পরিমাপের জন্য রক্ত পরীক্ষা।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম এর চিকিৎসা

পিসিওএস একেবারে সেরে যায় না। তবে বহু ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। পিসিওএস এর নির্দিষ্ট কোন চিকিৎসা পদ্ধতি নেই। লক্ষণ এবং রোগীর চাহিদা অনুযায়ী চিকিৎসা দেয়া হয়।

যারা বাচ্চা নিতে আগ্রহী তাদেরকে ডিম্বস্ফুটনের জন্য প্রয়োজনীয়  ঔষুধ দেয়া হয়।  কারো কারো ক্ষেত্রে অপারেশন করার দরকার হতে পারে। সাধারণত ল্যাপারোস্কপি করে সিস্ট রাপচার করা হয়(ওভারিয়ান ড্রিলিং)। এই চিকিৎসা পদ্ধতি ওভারি থেকে হরমোনের অস্বাভাবিক নি:সরণকে স্বাভাবিক করে ডিম্বস্ফুটনের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

যারা বাচ্চা নিতে  চান না এবং অনিয়মিত মাসিকে ভুগছেন তাদেরকে মাসিক নিয়মিত করার জন্য জন্মনিয়ন্ত্রণের পিল বা প্রজেস্টেরন জাতীয়  ঔষুধ দেয়া হয়। এই ঔষুধগুলো একদিকে যেমন হরমোনের ভারসাম্য ফিরিয়ে এনে মাসিক নিয়মিত করে, অন্যদিকে  পুরুষ হরমোনের মাত্রা ঠিক করে ত্বকের ব্রন ও অতিরিক্ত লোম দূরীকরণে সাহায্য করে।

পিসিওএসের সর্ব প্রথম চিকিৎসা হচ্ছে ওজন কমানো । পিসিওএসে আক্রান্ত নারীদের অধিকাংশদেরই ওজন সাধারণত অতিরিক্ত থাকে । নিয়মিত ব্যায়াম ও মিষ্টিমুক্ত খাবার গ্রহণ ওজন কমাতে সাহায্য করে এবং পিসিওএসের উপসর্গগুলোকে নিয়ন্ত্রনে আনে । ইনসুলিন ও ডায়াবেটিসের সাথে পিসিওএস এর সম্পর্ক আছে। সেই কারণে অতিরিক্ত চিনিও শর্করাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়া হয় । চিনিমুক্ত খাবার গ্রহণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কেননা শুধুমাত্র ওজন হ্রাসের মাধ্যমেই অনেক মহিলা গর্ভবতী হতে পারেন ।

প্রতিকার

কারা পিসিওএসে আক্রান্ত হবেন তা ভবিষ্যদ্বাণী করা কঠিন। এর পিছনে কোনো প্রত্যক্ষ কারণ নেই। তবে, তরুণী ও কিশোরী মেয়েরা যাতে সুষম খাদ্য গ্রহণ ও স্বাস্থ্যকর জীবন পদ্ধতি অনুসরণ করে তার উপর জোর দেয়া প্রয়োজন। আপনার মেয়েকে সবচেয়ে মূল্যবান যে শিক্ষাটি দিতে পারেন তা হচ্ছে তাকে শরীরচর্চা ও ব্যায়ামের গুরুত্ব শেখানো। যেসব পরিবারে পিসিওস হওয়ার ইতিহাস আছে, সেসব পরিবারে এ শিক্ষা দেওয়া অত্যন্ত জরুরী।

পিসিওএসের যেহেতু কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই, তাই এই অসুখে যাতে আক্রান্ত হতে না হয়, সেই দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করুন। অধিক প্রোটিন ও ফাইবারযুক্ত খাবার খান, খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ফলমূল, ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার রাখুন। প্রচুর পানি পান করবেন। একবারে না খেয়ে নিয়মিত বিরতিতে একটু পরপর খাবেন, দরকার হলে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট লাগতে পারে। চা, কফি কম খাবেন।

নিয়মিত ব্যায়াম করুন এবং সক্রিয় থাকুন। দুশ্চিন্তা, হতাশা থেকে দূরে থাকুন। শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। ধূমপান ছাড়ুন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করুন। বন্ধ্যাত্বের সমস্যা থাকলে বিশেষ চিকিৎসা নিতে হবে ।

সময়মতো চিকিৎসা না করলে পরে নানা জটিলতা হতে পারে। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্‌রোগ বা হার্ট অ্যাটাক, রক্তে চর্বির পরিমাণ বৃদ্ধি, হতাশা, বিষণ্নতা, স্লিপ অ্যাপনিয়া, বন্ধ্যাত্ব, গর্ভপাত ও জরায়ু ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

আপনি একা এই সমস্যায় ভুগছেন না, এমন হাজার হাজার রোগী আছেন। হতাশা আর লজ্জা দূর করে অন্যদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলুন। নিজের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তুলুন। আপনার যেকোনো প্রশ্ন বা সহায়তার জন্য চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

সবার জন্য শুভকামনা

 

তথ্যসূত্রঃ

www.healthline.com/health/pregnancy/pcos#breastfeeding5

americanpregnancy.org/womens-health/polycystic-ovarian-syndrome/

www.maya.com.bd/content/web/wp/1739/

 

Related posts

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.