জন্মগত হৃদরোগ । ধরন ও চিকিৎসা

শিশুর জন্মগত হৃদরোগের চিকিৎসা নির্ভর করে হৃদরোগের অবস্থার ওপর। কখন সার্জারি করা হবে সেটি নির্ভর করে কিছু বিষয়ের ওপর। এর মধ্যে একটি হলো এর আকার। ছিদ্রটা কতটুকু বড় তার ওপর নির্ভর করে এবং এই ছিদ্র থাকার কারণে শরীরে অন্য কোনো সমস্যা দেখা দিচ্ছে কি না, সেটি দেখে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রধান যে সমস্যাগুলো হয়, একটি হলো ওজন কম, দুই হলো হার্ট ফেইলিউর। হার্ট ফেইলিউর যদি বৃদ্ধি পায়, বৃদ্ধি যদি কমতে থাকে, অথবা পালমোনারি যদি হয়, উল্টো দিকে রক্ত যাওয়ার কারণে ফুসফুসের ভেতর যে নালিগুলো আছে পালমোনারি আর্টারি, সেটির চাপ বেড়ে যায়। এটাই আসলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয়ের ওপর নির্ভর করে দেখা হয় সার্জারি লাগবে কি লাগবে না। তবে ছিদ্র যদি ছোট হয়, সেই ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা অপেক্ষা করার পরামর্শ দেন। কারণ, ছোট ছিদ্রগুলো নিজে নিজে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। যেমন, ভিএসডির ক্ষেত্রে তিন থেকে চার বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করা যায়। তিন থেকে চার বছর পর্যন্ত এটা বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে যদি বড় হয়, সেই ক্ষেত্রে আর অপেক্ষা করা যায় না বা অন্য যে লক্ষণগুলো আছে, সেগুলো যদি বাড়ে তখনই তাকে হয় সার্জারি বা ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে বন্ধ করে ফেলতে হবে।

জন্মগত হৃদরোগের ধরন ও চিকিৎসাঃ

জন্মগত হৃদরোগ অনেক ধরনের হয় তবে সবচাইতে কমন ধরন গুলো হলো-

ভেন্ট্রিকুলার সেপ্টাল ডিফেক্ট (ভিএসডি)

জন্মগত হূদরোগীদের মধ্যে সর্বাধিক শতকরা ৩৬ ভাগ এই সমস্যায় আক্রান্ত। ভেন্ট্রিকুলার সেপ্টাল ডিফেক্ট বলতে বোঝায় হূৎপিণ্ডের বাম ও ডান ভেন্ট্রিকলকে পৃথককারী পর্দার মধ্যে এক বা একাধিক ছিদ্রের উপস্থিতি। ভেন্ট্রিকুলার সেপ্টাল ডিফেক্ট থাকলে শিশুর শরীরে অক্সিজেনযুক্ত বিশুদ্ধ রক্ত অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কার্বন ডাই-অক্সাইডসমৃদ্ধ দূষিত রক্তের সঙ্গে মিশে যায়, যা নানা সমস্যার সৃষ্টি করে।

ভেন্ট্রিকুলার সেপ্টাল ডিফেক্ট খুব ছোট হলে তা কোনও লক্ষণ প্রকাশ করে না এবং তা বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনা-আপনি ভালো হয়ে যায়। তবে ছিদ্রের আকার বড় হলে বাচ্চার হার্ট ফেইলিউর হতে পারে। দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস, শ্বাসকষ্ট, বুকের অস্বাভাবিক ওঠানামা, বয়স অনুপাতে ওজন না বাড়া, বার বার কাঁশি বা ঠাণ্ডা লাগা, অল্পতেই হাপিয়ে ওঠা, গায়ের রং পরিবর্তন হয়ে নীল হয়ে যাওয়া প্রভৃতি এ রোগের প্রধান লক্ষণ।

কার্ডিয়াক ক্যাথেরাইজেশনের মাধ্যমে বড় কোনও কাটা-ছেড়া ছাড়াই এ রোগের চিকিৎসা করা সম্ভব, তবে অনেক ক্ষেত্রে বড় ধরনের অস্ত্রোপচার করার মাধ্যমে এ রোগের চিকিৎসা করাতে হয়।

এট্রিয়াল সেপ্টাল ডিফেক্ট (এএসডি)

হূৎপিণ্ডের উপরের অংশের দুটি প্রকোষ্ঠের মাঝে ছিদ্র থাকলে তাকে এট্রিয়াল সেপ্টাল ডিফেক্ট বলে। ছোট আকারের ছিদ্র থাকলে ভিএসডি-র মতো এএসডিও আপনা-আপনি ঠিক হয়ে যায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই সমস্যা ভালো না হলে কার্ডিয়াক ক্যাথেরাইজেশন বা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এই রোগের চিকিৎসা করা হয়।

এট্রিও ভেন্ট্রিকুলার সেপ্টাল ডিফেক্ট (এভিএসডি)

এই সমস্যাটি একটু জটিল প্রকৃতির। মোট জন্মগত হূদরোগের শতকরা ৪ ভাগ রোগী এ সমস্যায় আক্রান্ত। এখানে হূৎপিণ্ডের দুই প্রকোষ্ঠের মাঝখানে ছিদ্র থাকে এবং একই সঙ্গে রক্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণকারী বাল্বগুলো সঠিকভাবে কাজ করে না। এট্রিও ভেন্ট্রিকুলার সেপ্টাল ডিফেক্ট হলে হূৎপিণ্ড অতিরিক্ত পরিশ্রম করে ফুসফুসে বেশি বেশি রক্ত পাঠায়, ফলে হূৎপিণ্ড আকারে বড় হয়ে যায় এবং ফুসফুসে রক্তচাপ বেশ বেড়ে যায়। জটিল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এই রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

পালমোনারি স্টেনোসিস

আমাদের শরীরে পালমোনারি বাল্বের অবস্থান হল রাইট ভেন্ট্রিকল ও পালমোনারি আর্টারির মাঝে এবং এতে তিনটি লিফলেট বা পাতা থাকে যা ফুসফুসে রক্তের একমুখী প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। পালমোনারি স্টেনোসিসের ক্ষেত্রে পালমোনারি বাল্ব সংশ্লিষ্ট লিফলেটগুলো বা পালমোনারি আর্টারিগুলো সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহ নিশ্চিত করতে পারে না, ফলে রাইট ভেন্ট্রিকল থেকে ফুসফুসে রক্ত প্রবাহে ব্যাঘাত ঘটে। অনেক ক্ষেত্রেই শিশু বড় না হওয়া পর্যন্ত এই রোগের কোনও লক্ষণ প্রকাশ পায় না। রোগীর অবস্থা বিবেচনায় কম কাটা ছেড়ার কার্ডিয়াক ক্যাথেরাইজেশন বা বড় ধরনের অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এ রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

কোয়ার্কটেশন অফ অ্যাওর্টা

অ্যাওর্টার কোনও অংশ স্বাভাবিকের চেয়ে চিকন হয়ে গেলে তাকে কোয়ার্কটেশন অব অ্যাওর্টা বলে। প্রচণ্ড ঘাম, সব সময় পা ঠাণ্ডা থাকা, ওজন বৃদ্ধি না পাওয়া, দুই পা শরীরের অনুপাতে চিকন হয়ে যাওয়া, পায়ে পালস না পাওয়া বা দুর্বল পালস, শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট হওয়া প্রভৃতি এ রোগের প্রধান লক্ষণ। বেলুন ডাইলেশনের মাধ্যমে বড় কোনও অস্ত্রোপচার ছাড়া কোয়ার্কটেশন অফ অ্যাওর্টার চিকিৎসা সম্ভব। তবে অনেক ক্ষেত্রে বড় রকমের অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়।

বাইকাসপিড এওর্টিক বাল্ব ডিজিস

এওর্টিক বাল্বের অবস্থান আমাদের হূৎপিণ্ড ও অ্যাওর্টার (প্রধান রক্তনালি) মাঝে যা শরীরে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহের গতিপথ ঠিক রাখে। সাধারণত বাল্বে তিনটি লিফলেট থাকে যার বন্ধ ও খোলার মাধ্যমে রক্তের গতিপ্রবাহ ঠিক থাকে। কোনও শিশুর বাল্বে তিনটির পরিবর্তে দুটি লিফলেট থাকলে তাকে বাইকাসপিড এওর্টিক বাল্ব ডিজিস বলে। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বাল্ব প্রতিস্থাপন বা ক্যাথেরাইজেশনের মাধ্যমে বাল্বোপ্লাস্টি করে এই রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়। শ্বাসকষ্ট, অতি সহজেই হাপিয়ে যাওয়া, প্রচণ্ড ঘাম প্রভৃতি এ রোগের প্রধান লক্ষণ।

টফ (টেট্রালজি অব ফেলট)

এটি বেশ জটিল একটি জন্মগত রোগ। হার্ট এর আভ্যন্তরীন চারটি ত্রুটির সমন্বয়ে এই রোগটি হয়। জন্মের সপ্তাহ দুয়েক পর থেকেই শিশুর শ্বাস কষ্ট দেখা দেয় এবং খাবার সময় অথবা কান্না করলে শিশুটি নীল হয়ে যেতে থাকে। ক্রমান্বয়ে এই লক্ষন গুলো বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং শিশুর শারীরিক বৃদ্ধিও ব্যাপক ব্যহত হয়। মাঝে মাঝে হঠাৎ করেই সে নীল হয়ে যায়, তবে এই মুহুর্ত গুলোয় মলত্যাগের ভঙ্গিমায় বসে থাকলে রোগীর আরাম হয়। ইকোকার্ডিওগ্রাম করে এই রোগ নির্ণয় করা যায়, তবে কার্ডিয়াক ক্যাথেটার করাও বেশ জরুরী। অপারেশনই এই রোগের একমাত্র চিকিৎসা। অপারেশন না করালে অধিকাংশ শিশু শৈশবেই জীবন হারাতে পারে।

প্যাটেন্ট ডাক্টাস আর্টারিওসাস (পি.ডি.এ)

ফুসফুসের ধমণীর সাথে মহাধমণীর (এওরটা) অস্বাভাবিক সংযোগই পিডিএ। সাধারণত পূর্ণ পরিণত হবার আগেই যেসব শিশু জন্ম গ্রহণ করে তদের এই রোগ বেশী হয়। অভিজ্ঞ চিকিৎসক রোগীকে পরীক্ষা করেই রোগ নির্ণয় করতে পারেন। ইকোকার্ডিওগ্রাম দ্বারা এই রোগ সহজেই নির্ণয় করা যায়। এটির আকার ছোটো হলে ক্যাথেটার দ্বারা ডিভাইস ক্লোজার, বড় হলে সার্জারি করা লাগে।

হাইপারট্রপিক কার্ডিওমায়োপ্যাথি (এইচওসিএম)

জন্মের পর অনেক সময় শিশুর হৃদযন্ত্রের মাংসপেশি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে। এ অবস্থাকে বলা হয় হাইপারট্রপিক কার্ডিওমায়োপ্যাথি (এইচওসিএম)। মায়ের গর্ভধারণজনিত ডায়াবেটিস থাকলে শিশুর মধ্যে এইচ ও সিএম দেখা দিতে পারে। ইনসুলিনের প্রভাবে শিশুর হৃদযন্ত্রে এ ধরনের অস্বাভাবিক অবস্থা আলট্রাসনোগ্রাম বা ইকো মেশিনে ধরা পড়ে। বিচলিত হবেন না। শিশুর বয়স বছর পেরোতেই এ ধরনের অস্বাভাবিক অবস্থা স্বাভাবিক হয়ে আসে।

ট্রান্সিয়েন্ট ট্রাকিয়েপনিয়া অব নিউবর্ন (টিটিএন)

অলিন্দ বা অ্যাট্রিয়ামের ছিদ্রের মতো নিলয়ের পর্দাও ছিদ্র থাকতে পারে। বিশেষ করে নিলয়ের মাংসপেশির মাঝখানে ছোট ছিদ্র থাকলে তা সময়কালে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ৫ মিলিমিটারের কম ব্যাসার্ধের ছিদ্রগুলো বন্ধ হতে ৭-৮ বছর সময় লাগলেও শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা আরও বেশি সময় নিতে পারেন ছিদ্র বন্ধের অপেক্ষায়। সুতরাং নিরাশ হওয়ার কিছু নেই, বিশেষ করে এ ধরনের মাসকুলার ভিএসডির ক্ষেত্রে অনেক সময় শিশু জন্মের সময় জটিল কোনো হৃদরোগ থাকা না সত্ত্বেও নীলাভ বর্ণ ধারণ করতে পারে। তার হৃদকম্পন অস্বাভাবিক মাত্রায় বেড়ে যেতে পারে। পরিণত বয়সের নবজাতকই অধিকাংশ ক্ষেত্রে এ ধরনের হৃদরোগসদৃশ অবস্থার শিকার হয়ে থাকে। এ রোগটিকে বলা হয়ে থাকে ট্রান্সিয়েন্ট ট্রাকিয়েপনিয়া অব নিউবর্ন (টিটিএন) শিশুদের ফুসফুসের জলীয় পদার্থ জন্মের সঙ্গে সঙ্গে বের হয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও টিটিএনের শিকার শিশুদের ফুসফুসের কিছু জলীয় পদার্থ থেকে যাওয়ার কারণে এ ধরনের বিপত্তি ঘটে থাকে। সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শিশু ভূমিষ্ঠ হলে, দ্রুত শিশু জন্মলাভ করলে অনেক ক্ষেত্রে কোনো কিছু ছাড়াও নবজাতক শিশুর মধ্যে এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তবে আশার কথা হলো, ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে শিশু ভালো হয়ে ওঠে, কোনো ধরনের ওষুধের প্রয়োজন হয় না।

পরিশিষ্ট

শিশুদের জন্মগত হৃদরোগ থাকলেই যে ওপেন হার্ট সার্জারি বা বুক কাটতে হবে তা নয়। বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব অগ্রযাত্রার কারণে ডিভাইস পদ্ধতি এবং কয়েল ও বেলুনের সাহায্যে পিডিএ, এএসডি (অ্যাট্রিয়াল সেন্ট্রাল ডিফেক্ট বা অলিন্দের পর্দার ছিদ্র), বড় আকারের ভিএসডি (ভেন্ট্রিকুলার সেন্টাল ডিফেক্ট বা নিলয়ের পর্দার ছিদ্র) হার্টের সংকুচিত ভাল্বের প্রসারণ (পালমোনারি বেলুন ভালবিউলোপ্লাস্টি, পিটিএমসি, অ্যাওর্টিক ভালবিউলোপ্লাস্টি) ধরনের অসুখের শতভাগ চিকিৎসা করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে বুক কাটার প্রয়োজন পড়ে না। শিশু অভিনব পদ্ধতিতে চিকিৎসা পাওয়ার পরদিনই সুস্থ হয়ে ওঠে।

শিশুরা যখন টিওএফ টেট্রালজি অব ফেলট, টিজিএ, বড় ও অস্বাভাবিক আকারের এএসডি, ভিএসডি, পিডিএ, টিএপিডিসি, এডি ক্যানেল ডিফেক্ট, ট্রাঙ্কাস আর্টারিওসমথ এসব বিচিত্র ধরনের জন্মগত হৃদরোগের শিকার হয় তখন সার্জারি ছাড়া আর কোনো পথ খোলা থাকে না। তবে সার্জারি কখন করাবেন, কোথায় করাবেন- এগুলোও সে ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

বাংলাদেশে শিশুদের হৃদরোগের চিকিৎসার সবচেয়ে বড় কেন্দ্রটি হলো জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল। এখানে শিশুদের জন্মগত এবং জন্মের পরবর্তী সময়ে দেখা দেওয়া হৃদরোগের চিকিৎসার পাশাপাশি সার্জারি করা হয়। শিশুদের জন্মগত হৃদরোগ শুধু হৃদযন্ত্রকে কেন্দ্র করেই হয় না, রক্তনালির অস্বাভাবিক গড়নের ফলে দেখা দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে ভাসকুলার সার্জারির প্রয়োজন। সে ব্যবস্থাও রয়েছে এ সরকারি প্রতিষ্ঠানটিতে। অপেক্ষাকৃত স্বল্পমূল্যে অপারেশন ছাড়াও, ডিভাইস বা বুক না কেটেও চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে ২০ শয্যাবিশিষ্ট শিশু কার্ডিওলজি এবং পৃথক শিশু কার্ডিয়াক সার্জারি ওয়ার্ডে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি নির্দিষ্ট সময়ান্তে বিদেশি বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে সম্পূর্ণ বিনা খরচে ডিভাইস বা বেলুন চিকিৎসার আয়োজন করে থাকে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, শিশু হাসপাতাল, আমর্ড ফোর্স মিলিটারি হাসপাতাল, হার্ট ফাউন্ডেশন মিরপুর- এসব প্রতিষ্ঠানেও শিশু হৃদরোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়। শিশুর জন্মগত হৃদরোগ দেখা দিলে বা ধারণা করা হলে, কালবিলম্ব না করে শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া একান্ত প্রয়োজন, নতুবা সাধারণ হৃদরোগ সময়কালে জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

আরও পড়ুন ঃ শিশুর জন্মগত হৃদরোগ । কারণ, লক্ষন ও করনীয়

সবার জন্য শুভকামনা। সবার শিশু ভালো থাকুক।

Related posts

Leave a Comment