গর্ভাবস্থায় স্ট্রেচ মার্কস বা ফাটা দাগ । কারণ ও প্রতিকার

মা হওয়ার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। ছোট একটি শিশুর আগমণে পুরো জীবন পরিবর্তন হয়ে যায় মায়ের। কিছু কিছু পরিবর্তন অবশ্য অনাকাঙ্ক্ষিত। কোনো নারীই তার সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাক এমনটা চান না। গর্ভধারণের কারণে মায়ের পেটে কিছু দাগ পড়তে পারে। অধিকাংশ মায়েদের পেটেই এই দাগ পড়তে দেখা যায়। ইংরেজিতে এই দাগকে স্ট্রেচমার্কস বলে। নামে বোঝা যাচ্ছে, মানুষের ত্বকে কোনো কারণে টান পড়লে এ ধরনের দাগ পড়ে।

গর্ভাবস্থায় এই ধরণের দাগ হওয়া অনিবার্য। ক্রমবর্ধমান ভ্রুনের জন্য জায়গা তৈরি করতে জরায়ু বড় হতে থাকে এবং এতে পেটের চারপাশের ত্বক প্রসারিত হয়। ত্বকের এরকম প্রসারণের ফলে ত্বকে ফাটল সৃষ্টি হওয়ার প্রবণতা দেখা যায় এবং ত্বকের কোলাজেন এই ফাটলকে পূর্ণ করতে পারেনা যার ফলে লম্বা দাগের সৃষ্টি হয়।

কিছু হরমোন ত্বকে টান পড়লেও যেন ত্বক ফেটে না যায় তার জন্য কাজ করে, শরীরে সেসব হরমোনের উৎপাদন কম থাকলেও এই দাগগুলো পড়ে। শুধুমাত্র মোটা মানুষের এ দাগ পড়ে বা নারীদেরই পড়ে তা কিন্তু নয়। অনেক হালকা পাতলা মানুষেরও এ দাগ হতে পারে। পুরুষদেরও হতে পারে। এতে পেটে প্রথমে লালভাব, নীল সবশেষ ফাটা দাগ দেখা দেয় ৷ এই দাগ শিশুর জন্মের আগে পেট, ঊরু ও নিতম্বে হয় ৷ তবে এর পেছনে কিছুটা বংশগত কারণও থাকতে পারে ৷

স্ট্রেচমার্কস বা ফাটা দাগ কাদের বেশী হয়?

স্ট্রেচমার্কস বা পেটে ফাটা দাগ কাদের হবে বা বেশী হবে এটা কোনভাবেই বলা যায়না। প্রায় ৫০ ভাগ মায়দের গর্ভাবস্থায় ফাটা দাগ হতে পারে। তবে কিছু কিছু বিষয় এর সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। গবেষণা বলে এর পেছনে বংশগত কারণ থাকতে পারে। যদি মায়ের বা বোনের গর্ভাবস্থায় ফাটা দাগ হয় তবে আপনারও তা হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

এছারাও গর্ভাবস্থায় আপনার চামড়া যত বেশী এবং যত দ্রুত প্রসারিত হবে তত বেশী আপনার স্ত্রেচ মার্কস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ কারণে নিচের বিষয়গুলো হলে আপনার স্ত্রেচ মার্কস হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকবে।

গর্ভাবস্থায় স্ট্রেচ মার্কস কখন ও কোথায় দেখা দেয়?

গর্ভাবস্থার সাধারনত ৬ থেকে ৭ মাসের দিকে স্ট্রেচ মার্কস দেখা দেয় তবে অনেকের পেট বাড়তে থাকার সাথে সাথে দেখা যেতে পারে। যাদের গায়ের রঙ ফর্সা তাদের ক্ষেত্রে প্রথমে স্ট্রেচ মার্কসের রঙ থাকে হালকা গোলাপি আর শ্যামলা বর্ণের হলে এগুলো আশপাশের চামড়ার চাইতে হালকা বর্ণের হয়।

প্রথম দিকে ফাটা দাগ হালকা গোলাপি বর্ণের থাকে এবং এতে চুলকানি থাকতে পারে। এ দাগের আশপাশের চামড়া চ্যাপ্টা ও পাতলা দেখা যায়। আস্তে আস্তে দাগ গুলোর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ বাড়তে থাকে এবং লাল বা বেগুনী রঙ ধারন করে। প্রসবের পর এগুলো ধীরে ধীরে বিবর্ণ হয়ে যায় এবং ধুসর সাদা বা সিলভার কালারের হয়ে যায়।

বেশীরভাগ মহিলাদের সাধারণত পেটে ফাটা দাগ হয় তবে স্তন, উরু, কোমর এবং নিতম্বে দেখা যাওয়াটাও স্বাভাবিক। এগুলো শরীরের যে কোন জায়গাই দেখা দিতে পারে তবে যে সব অংশ বেশী চর্বি জমা থাকে সেসব অংশে বেশী দেখা যায়।

স্ট্রেচ মার্কস বা ফাটা দাগ কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়?

স্ট্রেচ মার্কস প্রতিরোধের তেমন কোন উপায় নেই। গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত ওজন না বাড়া এবং ধীরে ধীরে ওজন বাড়ানোর মাধ্যমে এর ঝুঁকি কমানো যায়। কোন ক্রীম বা লোশন এর মাধ্যমে এর প্রতিরোধ করা যায় এমন কোন প্রমান পাওয়া যায়নি। তাই কোন ক্রীম বা লোশন কোম্পানি যদি এমন দাবী করে যে তাদের পণ্য ব্যাবহারে আপনার ফাটা দাগ পুরোপুরি মিলিয়ে যাবে তবে তা ভুল। তাই এসবের পেছনে অযথা টাকা অপচয় করবেন না। তবে ত্বকে সুন্দর এবং মসৃণ দেখাতে, হাইড্রেটেড রাখতে এবং গর্ভাবস্থায় দেখা দেয়া চুলকানির উপশম করতে লোশন বা ক্রীম ব্যাবহার করতে পারেন। গর্ভকালীন শরীরের ফাটা দাগ নির্মূল করার তেমন কোনো স্থায়ী উপায় নেই। তবে গর্ভকালীন সময়ে চিকিৎসকরা গর্ভবতী মায়েদের কিছু ক্রিম ও তেল সাজেস্ট করে থাকেন। এক্ষেত্রে আপনি একজন গাইনী বিশেষজ্ঞের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে এগুলোর নাম জেনে নিতে পারেন।

তবে গর্ভাবস্থায় স্ট্রেচ মার্কস পুরোপুরি প্রতিরোধ করা না গেলেও কিছু কিছু উপায়ে আপনি তা নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারেন।

ম্যাসাজ ও ময়েশ্চারাইজিং

গর্ভের শিশুর বেড়ে উঠার সাথে সাথে পেটে, এর চারপাশে, নীচের দিকে, উরুতে ও পায়ে চাপ পড়ে বলে এই জায়গা গুলোতে স্ট্রেচ মার্ক পড়ার প্রবণতা দেখা যায়। তাই এই স্থান গুলোতে পর্যাপ্ত ময়েশ্চারাইজার দিতে হবে। স্ট্রেচ মার্ক হওয়ার সম্ভাবনা আছে এমন স্থানগুলোতে আস্তে আস্তে মালিশ করুন দিনে দুইবার। মনে রাখবেন খুব বেশি চাপ দেয়ার প্রয়োজন নেই, ধীরে ধীরে ঘষুন তেল মিলিয়ে যাওয়া পর্যন্ত।

ভিটামিন

ভিটামিন এ, ই ও সি ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারি। ভিটামিন এ ত্বকের টিস্যুকে মেরামতে সাহায্য করে, ভিটামিন ই ত্বকের ঝিল্লিকে অক্ষত রাখতে সাহায্য করে, কোলাজেনের উৎপাদনে সাহায্য করে ভিটামিন সি। কোলাজেন ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং ত্বকের কোষের পুনর্জন্ম হতে সাহায্য করে। ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবারও আপনার খাওয়া উচিৎ কারণ এটি শুধু আপনার ত্বকের পর্দাকে স্বাস্থ্যবান করেনা বরং আপনার ত্বককে প্রাকৃতিক, স্বাস্থ্যকর উজ্জ্বলতা দান করে।

পানি

পানি শরীরকে বিষ মুক্ত হতে সাহায্য করে এবং আপনার ত্বককে স্ট্রেচের চাপকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে। তাই গর্ভাবস্থায় অবশ্যই ৬-৮ গ্লাস পানি পান করুন।

ব্যায়াম

সাধারণত মনে করা হয় যে গর্ভবতী নারীর ব্যায়াম করা ঠিক নয় এবং তারা শুধু বিশ্রাম করবে। কিন্তু এটি ঠিক নয়। গর্ভবতী নারীর ব্যায়াম করা প্রয়োজনীয়। ব্যায়াম করলে অভ্যন্তরীণ জন্ম প্রক্রিয়াটি সহজ হয় এবং লেবার পেইন ম্যানেজ করতে সাহায্য করে। ব্যায়াম করলে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় থাকে, শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় এবং অনেক বেশি অক্সিজেন গ্রহণে সাহায্য করে। অধিক অক্সিজেন ও অধিক রক্তচলাচল ত্বককে টান টান হতে সাহায্য করে যার ফলে দাগ সৃষ্টি হয়না। যদি আপনি প্রেগনেন্সির সময় ব্যায়াম করতে চান তাহলে আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তারপর শুরু করুন। হাঁটা, সাঁতার কাটা, এরোবিকস ও কার্ডিওভাস্কুলার ব্যায়ামগুলো প্রেগনেন্সির সময় অনায়াসেই করা যায়। তবে পিঠে চাপ পড়ে বা বেশিক্ষণ দম বন্ধ করে রাখতে হয় এমন ব্যায়ামগুলো প্রেগনেন্সির সময় করা যাবেনা।

সুসংবাদ হোল বাচ্চার জন্মের ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে এর প্রখরতা অনেক কমে আসে। আস্তে আস্তে এর রঙ মলিন হতে থাকে এবং সাধারনত শরীরের অন্যান্য অংশের চামড়ার চাইতে হালকা বর্ণ ধারন করে।

প্রসবের পরে ফাটা দাগ দূর করতে কি করা যেতে পারে?

স্ট্রেচ মার্কস পুরোপুরি দূর করা সম্ভব নাও হতে পারে। যদি দাগ নিয়ে বেশী সমস্যা হয় তবে একজন ডার্মাটোলজিস্টের সাথে কথা বলতে পারেন। বেশ কিছু ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে দাগ কমিয়ে আনা যেতে পারে। 0.১ % ট্রেটনইন ক্রিম , লোশন , ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এটি গর্ভাবস্থায় ব্যাবহার নিরাপদ নয়। আর এটি ব্যাবহারের ফলে বুকের দুধ খাওয়ানো বাচ্চার কোন ক্ষতি হয় কিনা তা এখনো বোঝা যায়নি। তাই বুকের দুধ খাওয়ালে এসব ব্যাবহার না করায় ভালো।

লেজার থেরাপি অনেকের ক্ষেত্রেই ভালো কাজ করে। কিন্তু নিজে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে ভালো একজন ডার্মাটলজিস্ট দেখাতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ ব্যাতিত কিছুই করা যাবে না। মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়ার কিছু নেই। নিজেকে বোঝাবেন এটি খুবি স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। সকল মায়েদেরই এটি হয়। দেখতে খারাপ লাগলেও এই নিয়ে চিন্তা করবেন না।

প্রসবের পর ফাটা দাগ পুরোপুরি মুছে না গেলেও ত্বকের স্বাভাবিক রঙের সাথে মিশে যাবে। চলুন জেনে নেই মাতৃত্বজনিত দাগ দূর করার প্রাকৃতিক উপাদান কি কি এবং কীভাবে সেগুলো ব্যবহার করতে হবে।

অলিভ অয়েল

যুগ যুগ ধরে ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েল ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর কারন অলিভ অয়েলে আছে পরিমাণ মতো ভিটামিন আর অ্যান্টি অক্সিডেন্টস। এই তেল ত্বককে ভিতর থেকে নরম করে তোলে। অলিভ অয়েল হালকা গরম করে দাগের জায়গায় নরম করে ম্যাসাজ করতে হবে। এই তেল ধুয়ে ফেলার কোনো প্রয়োজন নেই। এটি ত্বকের সাথে যতক্ষণ মিশে থাকবে ততক্ষনই ত্বকের জন্য ভালো।

ক্যাস্টর অয়েল

ক্যাস্টর অয়েল যেকোনো সুপার শপ বা কসমেটিকসের দোকানে পাওয়া যায়। দামও খুব বেশী না। ত্ত্বকের বলিরেখা দূর করতে বা যেকোনো দাগ দূর করতে এই তেল ব্যবহার করা হয়। পেটের দাগ দূর করার জন্য ক্যাস্টর অয়েল দিয়ে পেট ম্যাসাজ করে একটি পাতলা কাপড় দিয়ে ত্বক ঢেকে দিতে হবে। এরপর একটি হট ওয়াটার ব্যাগ তার উপর রেখে ৩০ মিনিট রাখতে হবে। এরপর গোসল করাই ভালো। এটা অন্তত এক মাস করলে মাতৃত্বজনিত দাগ প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

অ্যালোভেরা

ইংরেজিতে অ্যালোভেরা বলা হলেও বাংলায় এর নাম ঘৃতকুমারী। নানা ঔষধি গুণের জন্য অনেকে এর শরবত করেও খান। মাতৃত্বজনিত দাগের জন্য অ্যালোভেরার জেল সরাসরিই লাগানো যায়। একটি অ্যালোভেরার পাতা নিয়ে চা চামচ দিয়ে এর জেল করে নিয়ে তা দাগের জায়গায় লাগাতে হবে। ২০ মিনিট পর হালকা গরম পানিতে ধুয়ে নিলেই হবে। এটা কয়েক সপ্তাহ করলে দাগ অবশ্যই কমে আসবে।

মধু

মধু স্ট্রেচ মার্কস কমাতে সাহায্য করে। আঙুলে বা তুলায় মধু নিয়ে যেখানে স্ট্রেচ মার্কস আছে তার উপরে হালকা করে মালিশ করুন। কিছুক্ষণ রেখে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে মুছে নিন।

ডিমের সাদা অংশ

ডিমের প্রোটিন ত্বকের কোষ পুনর্নির্মাণে সাহায্য করে। ডিমের সাদা অংশ প্রতিদিন স্ট্রেচ মার্কসের উপর লাগান। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর শুকিয়ে গেলে সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন, তা না হলে ডিমের গন্ধে আপনার অস্বস্তি হতে পারে।

লেবুর রস

লেবুর রস স্ট্রেচ মার্কসের দাগ হালকা করতে সাহায্য করে। লেবু কেটে দাগের উপর ভালো করে লাগিয়ে নিন। কিছুদিন ব্যবহার করলেই দেখবেন কয়েক দিনের মধ্যে স্ট্রেচ মার্কস হালকা হতে শুরু করেছে। তবে একদিন দিয়ে বাদ দিলে ফল পাবেন না। আপনাকে প্রতিদিন ব্যবহার করতে হবে।

 চিনি

আমরা যেই চিনি সাধারণ ভাবে খাদ্যে ব্যবহার করে থাকি, সেটি প্রসারিত চিহ্ন কমানোর একটি অনন্য পদার্থ। চিনি বহু ভাবে ব্যবহার করে লাগানো যেতে পারে। একটুখানি কাগজী বাদাম অর্থাৎ আলমন্ড তেলের মধ্যে কয়েক ফোটা পাতিলেবুর রস ও এক চামচ চিনি নিন।তারপর সেটি ভাল করে মেশান ও স্ট্রেচ মার্কসের অংশগুলিতে ও শরীরের নানা অংশে লাগান। এভাবে রোজ গোসল করার পূর্বে এটি স্বল্প মালিশ আকারে নিয়মিত লাগিয়ে যান। টানা এক মাস লাগানোর পর আপনি ফাটা দাগ আবছা হয়ে আসতে দেখবেন।

আলুর রস

মাতৃত্বজনিত দাগ হালকা করার জন্য আলুর ভিটামিন আর মিনারেল খুবই ভালো ওষুধ। বাজারে পাওয়া যায় এমন রাসায়নিক ক্রীমের চেয়ে আলুর রস খুব ভালো কাজে দেবে এ কাজে। একটি বড় সাইজের আলু ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিয়ে সেই পেস্টটি দাগের জায়গায় লাগাতে হবে। হাত দিয়ে মুছে পেস্টের ভেজা বাড়তি অংশ ফেলে দিতে হবে। রস শুকিয়ে এলে হালকা গরম পানিতে ধুতে হবে।

পরিশিষ্ট

এখানে যেসব উপায়ের কথা বলা হলো তা প্রসবের পর শারীরিকভাবে সুস্থ হওয়ার পর প্রয়োগযোগ্য। গর্ভবতী অবস্থায় অলিভ অয়েল ম্যাসাজ খুব ভালো কাজে দেবে ত্বকের জন্য। এখানকার পদ্ধতিগুলো শুধুমাত্র বাচ্চা হওয়ার পর প্রয়োগ করা যাবে। গর্ভাবস্থায় এসব পদ্ধতি গর্ভের সন্তানের ক্ষতি করতে পারে। স্ট্রেচ মার্কস বা ফাটা দাগ নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না। আপনার দুশ্চিন্তা আপনার সন্তানের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। সুন্দর কথা ভাবুন। কীভাবে সন্তানের সঠিক যত্ন নেয়া যায় তাই নিয়ে ভাবুন। মন ছোট করার কিছু নেই এখানে। আপনি চিন্তা করে দেখুন পৃথিবীতে কত নিঃসন্তান মা আছেন। আপনি কত সুখী ! নিজেকে নিজে বোঝানোর থেকে ভালো কোন উপায় হতে পারেনা।

 

সবার জন্য শুভকামনা।

Related posts

Leave a Comment