গর্ভাবস্থায় ওজন বৃদ্ধি । কতটুকু বাড়া স্বাভাবিক ?

গর্ভাবস্থায় ওজন বৃদ্ধি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং এটি মা ও শিশু উভয়ের জন্যই উপকারী। গর্ভাবস্থায় সঠিক পরিমানে ওজন বৃদ্ধি মায়ের এবং গর্ভের শিশুর স্বাস্থ্যরক্ষায় অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এ সময় আপানার ওজন কতটুকু বাড়বে সেটা নির্ভর করে, গর্ভধারণের আগে আপনার ওজন কেমন ছিল তার উপর। ব্যক্তি বিশেষে এই ওজন বৃদ্ধির পরিমান কম বেশি হতে পারে।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধি ১০ থেকে ১২.৫ কেজির মধ্যে থাকে। গর্ভাবস্থায় যতটুকু ওজন বাড়ে, তার সিংহ ভাগই বাড়ে ২০ সপ্তাহ পর থেকে। এর কারন হলো, এ সময়টায় গর্ভস্থ শিশুর ওজন বাড়তে থাকে, পাশাপাশি আপনার শরীরও অতিরিক্ত চর্বি জমাতে থাকে। শিশুর জন্মের পর তাকে বুকের দুধ খাওয়ানোর প্রস্তুতি হিসাবে শরীর এই কাজটি করে থাকে। গর্ভাবস্থায় মাত্রার চেয়ে বেশি ওজন বেড়ে যাওয়া বা ঠিকমত ওজন না বাড়া, দুটিই আপানর এবং আপনার গর্ভস্থ শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

গর্ভাবস্থায় ওজন বৃদ্ধি কেমন হওয়া উচিত?

এ সময় সাধারণত ১০-১২ কেজি পর্যন্ত ওজন বৃদ্ধি পাওয়া স্বাভাবিক। তবে এটা গর্ভের আগের ওজনের ওপর নির্ভর করে। যাঁদের বিএমআই ১৯ (বডি ম্যাস ইনডেক্স)-এর কম সেসব মায়েরা ১৭ কেজি পর্যন্ত বাড়তে পারেন, তবে বিএমআই ২৫-এর বেশি হলে সাত কেজি পর্যন্ত ওজন বাড়লেই যথেষ্ট।

গর্ভাবস্থায় কি পরিমান ওজন বৃদ্ধি স্বাভাবিক তা নির্ভর করে আপনার বিএমআই অথবা বডি-মাস ইন্ডেক্স কত তার উপর।উচ্চতা ও ওজনের অনুপাত কে বলা হয় বডি-মাস-ইন্ডেক্স (BMI). আপনার BMI জানার জন্য ঝটপট ক্যালকুলেটরে নিচের অঙ্কটি করে ফেলুন।

                   আপনার ওজন (কেজি তে)
BMI=—————————————————-
উচ্চতা (মিটার এ) x উচ্চতা (মিটার এ)

সোজা ভাষায় বলতে গেলে, আপনার ওজন (কেজি ) কে আপনার উচ্চতা (মিটার) এর স্কোয়ার দিয়ে ভাগ করুন।

এইবার আপনার BMI কত আসলো তা নিচের চার্টের সাথে মিলিয়ে নিন।

  • BMI= ১৮.৫ এর নিচে হলে আপনি “আন্ডার ওয়েট” বা প্রয়োজনের চাইতে কম ওজনের অধিকারী।
  • BMI= ১৮.৫ থেকে ২৪.৯ হলে আপনি স্বাভাবিক ওজনের অধিকারী।
  • BMI= ২৫ থেকে ২৯.৯ হলে আপনি “ওভার ওয়েট” বা প্রয়োজনের চাইতে বেশি ওজনের অধিকারী।
  • BMI= ৩০ এর বেশি হলে আপনি “ওবিস” বা স্থুল।

এবার জেনে নিন গর্ভাবস্থায় আপনার ওজন কতটুকু বাড়াতে হবে-

যদি গর্ভে একটি সন্তান থাকে-

  • যদি আপনার BMI গর্ভধারণের আগে স্বাভাবিক এর চেয়ে কম (“আন্ডার ওয়েট”) অর্থাৎ ১৮.৫ এর কম হয়, তাহলে আপনার ওজন ১২-১৮ কেজি বাড়ানো উচিত।
  • যদি আপনার BMI গর্ভধারণের আগে স্বাভাবিক অর্থাৎ ১৮.৫ ত্থেকে ২৪. ৯ হয়, তাহলে আপনার ওজন ১১-১৬ কেজি বাড়ানো উচিত। গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে ০.৫-২.৫ কেজি এবং এরপর প্রতি সপ্তাহে আধা কেজি করে ওজন বাড়া উচিৎ।
  • যদি আপনার BMI গর্ভধারণের আগে স্বাভাবিক এর চেয়ে বেশী (“ওভার ওয়েট”) অর্থাৎ ২৫ এর বেশী হয়, তাহলে আপনার ওজন ৭-১১ কেজি বাড়ানো উচিত।
  • যদি আপনি গর্ভধারণের আগেই “ওবিস” বা স্থুল হন অর্থাৎ BMI ৩০ এর বেশী হয়, তাহলে আপনার ওজন ৫-৯ কেজি বাড়ানো উচিত।

যদি গর্ভে যমজ সন্তান থাকে-

  • আপনার ওজন ১৬.৫-২৪.৫ কেজি বাড়ানো উচিৎ যদি আপনার ওজন গর্ভধারণের আগে স্বাভাবিক হয়।
  • গর্ভধারণের আগে আপনার ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী বা “ওভার ওয়েট” হলে এক্ষেত্রে আপনার ওজন বাড়ানো উচিৎ ১৮.৫-২২.৫ কেজি
  • গর্ভধারণের আগে “ওবিস” বা স্থুল হয়ে থাকলে এক্ষেত্রে আপনার ওজন বাড়ানো উচিৎ ১১-১৯ কেজি।

যদি আপনি ওভার ওয়েট বা ওবিস হয়ে থাকেন এবং আপনার ওজন যদি ওজন পরিমান মত না বাড়ে তবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। যদি বাচ্চা ঠিক মত বাড়তে থাকে তবে ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তার তেমন কিছু নেই।

ধীরস্থির ভাবে গর্ভাবস্থায় ওজন বৃদ্ধি পাওয়া সবচাইতে ভালো। প্রথম ট্রাইমেস্টারে ওজন খুব বেশী না বাড়লে ঘাবড়ে যাওয়ার কোন কারণ নেই। মাঝে মাঝে এমনও হতে পারে খুব অল্প সময়ে ওজন হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে। ওজন বৃদ্ধি নিয়ে কোন সন্দেহ থাকলে অবশ্যয় বিশেষজ্ঞের সাথে আলোচনা করুন। কখনও গর্ভাবস্থায় ওজন কমানোর বা ডায়েটের চেষ্টা করবেন না।

গর্ভাবস্থায় শরীরের কোন কোন স্থানে ওজন বৃদ্ধি পায়?

গর্ভাবস্থায় ওজন বৃদ্ধি শুধু মায়ের পেটেই হয়না। শরীরের বেশ কিছু অঙ্গের সমন্বিত ওজন বৃদ্ধির কারণে এ সময় শরীরের ওজন বৃদ্ধি পায়। যেমন যদি গর্ভধারণের আগে আপনার ওজন যদি স্বাভাবিক থাকে এবং গর্ভাবস্থায় আপনার ওজন যদি ৩০ পাউন্ড বৃদ্ধি পায় তবে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ওজন নিম্নলিখিত পরিমানে বৃদ্ধি পায়-

  • গর্ভের শিশু- ৭.৫ পাউন্ড
  • প্লাসেন্টা- ১.৫ পাউন্ড
  • এমনিওটিক ফ্লুইড – ২ পাউন্ড
  • জরায়ু – ২ পাউন্ড
  • স্তন – ২ পাউন্ড
  • রক্ত – ৪ পাউন্ড
  • শরীরের তরল – ৪ পাউন্ড
  • চর্বি – ৭ পাউন্ড

গর্ভাবস্থায় ওজন অতিরিক্ত বেড়ে গেলে কি হতে পারে?

গর্ভাবস্থায় ওজন বৃদ্ধি খুব বেশী হলে আপনার স্বাস্থ্যর উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে, আপানার রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে। গর্ভাবস্থায় ওজন অতিরিক্ত বেড়ে গেলে যে সমস্থ জটিলতা দেখা দিতে পারে-

গর্ভকালীন ডায়বেটিস – রক্তে অতিরিক্ত গ্লুকোজ থাকার কারনে গর্ভকালীন ডায়বেটিস দেখা দিতে পারে, যার কারনে শিশুর আকার বড় হতে পারে

প্রি-এক্লামসিয়া – অতিরিক্ত ওজনের কারনে উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিতে পারে যা প্রি-এক্লামসিয়ার প্রথম চিহ্ন। যদিও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এতে কোন বিপদ হয় না, তবে কখনও কখনও এটা বিপদজনক হতে পারে

প্রি-ম্যাচিউর বাচ্চা- প্রি-ম্যাচিউর বাচ্চার জন্মের সময় এবং জন্মের পরবর্তী সময়ে অনেক জটিলতা দেখা দিতে পারে, যেমন- অতিরিক্ত মোটা এবং ওবিস হওয়া।

বাচ্চার ওজন বেশী হওয়ার কারণে ডেলিভারির সময় সমস্যা হতে পারে এবং অতিরিক্ত রক্তপাত হতে পারে। আপনার ওজন গর্ভাবস্থায় যতটুকু বাড়ার কথা, তারচেয়ে বেশী বেড়ে গেলে প্রাকৃতিক উপায়ে সন্তান জন্মের সম্ভাবনা কমে যায়। তখব হয়তো আপনাকে সিজারিয়ান পদ্ধতির মধ্য দিয়ে যেতে হবে।বাচ্চার জন্মের পর ওজন কমানোও কঠিন হয়ে পড়ে।

তবে এটা মনে রাখতে হবে, গর্ভাবস্থায় কোন অবস্থাতেই কম খেয়ে ওজন কমানোর চেষ্টা করা উচিত না। এতে গর্ভস্থ শিশুর ক্ষতি হতে পারে। যেটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা হলো আপনি স্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছেন কিনা। এছাড়াও গর্ভাবস্থায় নিরাপদ ব্যায়াম করতে পারেন। তবে তার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে জেনে নিতে হবে কোন ব্যায়ামগুল আপনার জন্য নিরাপদ।

গর্ভাবস্থায় ওজন কম বাড়লে কি হবে?

গর্ভাবস্থায় ওজন বৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম হলে, গর্ভস্থ শিশু সময়ের আগে প্রসব হয়ে যেতে পারে এবং শিশু আকারে ছোট ও কম ওজনের হতে পারে। শিশু কম ওজনের হওয়ার অর্থ হলো শিশুর শরীরে প্রয়োজনীয় চর্বি জমা হতে পারেনি। যদি গর্ভাবস্থায় আপানার পুষ্টি ঠিকমত না হয় বা গর্ভধারণের আগেই আপানর ওজন কম থাকে তবে এমনটা হতে পারে।

তবে কিছু মেয়েরা প্রাকৃতিক ভাবেই ছিপছিপে স্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে থাকে, গর্ভাবস্থায়ও তাদের ওজন খুব বেশি বাড়ে না কিন্তু সুস্থ স্বাভাবিক সন্তানের জন্ম দেয়।

গর্ভাবস্থায় কিভাবে ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়?

গর্ভাবস্থায় ওজন বৃদ্ধি  কেমন হবে সেটা ব্যাক্তি ভেদে কম বেশি হয়। গর্ভাবস্থায় যে ওজনটুকু বাড়ে তার কিছু অংশ হলো চর্বি, যা গর্ভকালীন সময়ে মেয়েদের শরীরে জমা হয়। বাকী টুকু হলো গর্ভস্থ শিশু, গর্ভফুল, বিশেষ তরল যার মধ্যে শিশু ভেসে থাকে এবং মায়ের শরীরে যে পরিমান রক্ত ও অন্যান্য তরল বেড়ে থাকে- তাদের ওজন।

গর্ভাবস্থায় কম খেয়ে ওজন কমানো উচিত না, এতে গর্ভস্থ শিশুর ক্ষতি হতে পারে। আবার দুইজনের খাবারও খাওয়া উচিত না, পূর্ণ চর্বিযুক্ত দুধও খাওয়া উচিত না। বাস্তবতা হলো প্রথম ৬ মাস অতিরিক্ত ক্যালোরির প্রয়োজন হয় না, এসময় অন্য সব মেয়েদের মতোই দৈনিক ২০০০ ক্যালোরি গ্রহন করতে হবে। শুধু শেষ ৩ মাস দৈনিক ২০০ ক্যালোরি অতিরিক্ত প্রয়োজন হয়।

বিভিন্ন রকম খাবার থেকে আমরা খাবারের উপাদানগুলো পেয়ে থাকি। খাবার নির্বাচনের সময় তাই সতর্ক থাকতে হবে যাতে সব রকম উপাদানই প্রয়োজনীয় মাত্রায় থাকে। দিনে ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি এবং আঁশ জাতীয় খাবার যেমন- লাল আটার রুটি, শাকসবজি, কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে সাহায্য করে। শক্তি প্রদানকারী খাবারগুলোর মধ্যে আছে আটা, গম, পাস্তা, নুডুলস, ওটস, আলু ইত্যাদি। ফলমূল ও শাকসবজি থেকে আমরা পাই বিভিন্ন রকম ভিটামিন ও এন্টি অক্সিডেন্ট। প্রোটিনের উৎকৃষ্ট উপাদানগুলো হলো- মাছ, মাংস, ডিম, বাদাম, শিম, সয়া প্রডাক্ট। প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ আমাদের ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে পারে। এ ছাড়া ক্যালসিয়ামের অন্য সোর্সগুলো হচ্ছে চিজ, দই, ব্রকলি, এলমন্ড, আইসক্রিম ইত্যাদি। আয়রন জাতীয় খাবারগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সবুজ শাক, লাল মাংস, বাদাম, কচু জাতীয় সবজি। প্রতিদিনের খাবারের অর্ধেকটা জুড়ে থাকা উচিত ফলমূল ও শাকসবজি এবং ফ্যাটের পরিমাণ সব খাদ্যের ৩০ ভাগ বা এর কম হতে হবে।

এ সময় আনপাস্তুরাইজ দুধ, আধা সিদ্ধ মাংস, অপরিষ্কার শাক-সবজি থেকে কিছু ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হতে পারে, যা গর্ভপাতের জন্য দায়ী। এ ছাড়া এলকোহল, অতিরিক্ত চা-কফি, কোল্ড ড্রিংক পরিহার করা উচিত।

গর্ভাবস্থায় কি কি খাওয়া উচিত তা জানতে ক্লিক করুন।

গর্ভাবস্থায় কিছু কিছু শারীরিক কাজকর্ম করা উচিত, এটা শরীরকে প্রসবের জন্য প্রস্তুত করে। আপনি দৈনন্দিন যে কাজকর্ম গুলো করে থাকেন, যে হালকা ব্যায়াম করে থাকেন সেগুলো বন্ধ করবেন না, যদি না কোন কারনে ডাক্তার নিষেধ করে থাকেন। সাধারনত মাঝারি ভারী কাজ মা এবং গর্ভস্থ সন্তানের কোন ক্ষতি করে না, বরং দিনে ৩০ মিনিট এই ধরনের মাঝারি ভারী কাজ করার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। যেমন, সাতার কাটা, জোরে হাটা, ইত্যাদি। যদি কারো এরকম ব্যায়ামের অভ্যাস না থাকে, তবে তারা শুরুতে ১৫ মিনিট করে এই ব্যায়াম গুলো করতে পারেন, তারপর ধীরে ধীরে বাড়িয়ে দিনে ৩০ মিনিট পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারেন।

গর্ভাবস্থায় ব্যায়াম সম্পর্কে জানুন।

সন্তান জন্মের পরে বাড়তি ওজন কিভাবে কমাবেন?

সাধারণত সন্তান জন্মের ৬ সপ্তাহের মধ্যে আপনার ওজন যতটুকু বেড়েছিলো তার অর্ধেক ই কমে যায়। শিশুর নিজের ওজনই তো থাকে প্রায় ৩.৫ কেজি, তাছাড়া গর্ভথলী, গর্ভফুল, পেটে থাকা পানি এসব বের হয়ে গিয়েও প্রায় ৮-৯ কেজি ওজন কমে। যেহেতু ওজন অর্জন করতে আপনার ৯ মাস লেগেছিলো তাই বাকী ওজনটা কমাতেও আপনার কিছুটা সময় লাগবে। আপনি যদি বাচ্চাকে স্তন্যদান করেন, আপনার ওজন আস্তে আস্তে এমনিতেই কমবে, কেননা দুগ্ধ উৎপাদনে অনেক ক্যালরি খরচ হয়ে যায়। তারপরেও যদি আরো দ্রুত ওজন কমাতে চান তাহলে এই সময়ের জন্য উপযোগী ব্যায়াম গুলো করুন। তবে মনে রাখবেন, কখনোই যেন তেন ভাবে ডায়েট করবেন না। আপনার নিজের পুষ্টি ঠিক না থাকলে বাচ্চাও মাতৃদুগ্ধ থেকে কম পুষ্টি পাবে। একান্তই ডায়েট করতে চাইলে, ডায়েটিশিয়ান এর পরামর্শ নিয়ে তবেই করুন।

সবার জন্য শুভকামনা।

 

তথ্যসূত্র

Related posts

2 Thoughts to “গর্ভাবস্থায় ওজন বৃদ্ধি । কতটুকু বাড়া স্বাভাবিক ?”

Leave a Comment